ভাদ্র
মাসের আগেই বাজারে সাময়িক সময়ের জন্য দেখা মেলে তালের শাঁসের। গরমে স্বস্তি দিতে এই
রসালো ফলের জুড়ি নেই। শুধু স্বাদেই নয়, তালের শাঁসের উপকারিতার দিক থেকেও অন্যতম। তালশাঁসে
থাকা প্রাকৃতিক উপাদান শরীরকে গ্রীষ্মকালীন নানা সমস্যার হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য
করে।
চলুন, জেনে নেই।
ডায়াবেটিস
ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
তালশাঁসের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স মাত্র ৪০, যা রক্তে শর্করার পরিমাণ দ্রুত বাড়তে দেয়
না। এতে ফাইবারের পরিমাণও বেশি, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং কোলেস্টেরল
কমাতে সাহায্য করে। এর কোনও ক্ষতিকারক স্নেহজাতীয় উপাদান নেই, ফলে হৃদরোগীদের
জন্যও এটি নিরাপদ।
শরীর
ঠাণ্ডা রাখে ও পানির ঘাটতি পূরণ করে
তালের শাঁসের বড় গুণ হলো এতে থাকা প্রাকৃতিক পানির পরিমাণ। শরীর থেকে ঘামের
মাধ্যমে যে পানি বেরিয়ে যায়, তা পূরণে কার্যকর তালশাঁস। নিয়মিত খেলে শরীর
হাইড্রেটেড থাকে।
রুচি
ফেরায় ও বমিভাব কমায়
তালশাঁসে থাকা উপাদান খাবারে রুচি বাড়াতে সাহায্য করে।
গরমে
যে অরুচি ও বমিভাব দেখা দেয়, তা দূর করতেও কার্যকর এই ফল।
লিভার ও ত্বকের জন্য উপকারী
তালশাঁসে রয়েছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও সি। যা লিভারের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং
ত্বককে রাখে উজ্জ্বল ও সুস্থ। পাশাপাশি এতে থাকা ভিটামিন এ চোখের দৃষ্টিশক্তি
উন্নত করতেও সহায়ক।
অ্যানিমিয়া ও হাড়ের সমস্যায় সহায়ক
এই ফলে আছে আয়রন, যা রক্তশূন্যতা দূর করতে সহায়তা করে।
ক্যালসিয়াম
ও অন্যান্য খনিজ উপাদান হাড়ের গঠন মজবুত করতে সাহায্য করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
কম ক্যালোরিযুক্ত এই ফল ডায়েট করা ব্যক্তিদের জন্য আদর্শ। নিয়মিত খেলে ওজন বৃদ্ধির
ঝুঁকি থাকে না।
সতর্কতা
তবে খালি পেটে তালশাঁস খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় না। যাদের গ্যাসের সমস্যা রয়েছে,
তারা তালশাঁস এড়িয়ে চলুন।
গ্রীষ্মকালের এই স্বল্প সময়ের উপহার
তালশাঁস শুধু স্বাদেই নয়, স্বাস্থ্যগত দিক থেকেও একটি অসাধারণ ফল। তাই বাজারে পেলে
তালশাঁস কিনতে ভুলবেন না।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খেতে পারেন তালের শাঁস
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খেতে পারেন তালের শাঁস
ভাদ্র মাসের আগেই বাজারে সাময়িক সময়ের জন্য দেখা মেলে তালের শাঁসের। গরমে স্বস্তি দিতে এই রসালো ফলের জুড়ি নেই। শুধু স্বাদেই নয়, তালের শাঁসের উপকারিতার দিক থেকেও অন্যতম। তালশাঁসে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান শরীরকে গ্রীষ্মকালীন নানা সমস্যার হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।চলুন, জেনে নেই।ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক তালশাঁসের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স মাত্র ৪০, যা রক্তে শর্করার পরিমাণ দ্রুত বাড়তে দেয় না। এতে ফাইবারের পরিমাণও বেশি, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এর কোনও ক্ষতিকারক স্নেহজাতীয় উপাদান নেই, ফলে হৃদরোগীদের জন্যও এটি নিরাপদ।শরীর ঠাণ্ডা
রাখে ও পানির ঘাটতি পূরণ করে তালের শাঁসের বড় গুণ হলো এতে থাকা প্রাকৃতিক পানির পরিমাণ। শরীর থেকে ঘামের মাধ্যমে যে পানি বেরিয়ে যায়, তা পূরণে কার্যকর তালশাঁস। নিয়মিত খেলে শরীর হাইড্রেটেড থাকে।রুচি ফেরায় ও বমিভাব কমায় তালশাঁসে থাকা উপাদান খাবারে রুচি বাড়াতে সাহায্য করে।গরমে যে অরুচি ও বমিভাব দেখা দেয়, তা দূর করতেও কার্যকর এই ফল।লিভার ও ত্বকের জন্য উপকারী তালশাঁসে রয়েছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও সি। যা লিভারের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং ত্বককে রাখে উজ্জ্বল ও সুস্থ। পাশাপাশি এতে থাকা ভিটামিন এ চোখের দৃষ্টিশক্তি উন্নত
করতেও সহায়ক।অ্যানিমিয়া ও হাড়ের সমস্যায় সহায়ক এই ফলে আছে আয়রন, যা রক্তশূন্যতা দূর করতে সহায়তা করে।ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য খনিজ উপাদান হাড়ের গঠন মজবুত করতে সাহায্য করে।ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক কম ক্যালোরিযুক্ত এই ফল ডায়েট করা ব্যক্তিদের জন্য আদর্শ। নিয়মিত খেলে ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকে না।সতর্কতা তবে খালি পেটে তালশাঁস খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় না। যাদের গ্যাসের সমস্যা রয়েছে, তারা তালশাঁস এড়িয়ে চলুন। গ্রীষ্মকালের এই স্বল্প সময়ের উপহার তালশাঁস শুধু স্বাদেই নয়, স্বাস্থ্যগত দিক থেকেও একটি অসাধারণ ফল। তাই বাজারে পেলে তালশাঁস কিনতে ভুলবেন না।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত