বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, মুজিববিহীন বাংলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু এখনও ষড়যন্ত্র হচ্ছে। দেশ এগিয়ে যাওয়ার পথেও ষড়যন্ত্র হচ্ছে।
এজন্য বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, বিএনপির ভালো না লাগার বেরামে পেয়েছে। দেশকে পিছিয়ে নিতে চায় তারা। কাজেই আপনাদের সবসময় চোখ-কান খোলা রাখতে হবে।
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বঙ্গবন্ধু হত্যায় খুনি মোস্তাকের সহায়তাকারী জিয়াউর রহমান ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ আমাদের বাজাতে দেয়নি বলে দাবি করেন জাহাঙ্গীর কবির নানক।
তিনি বলেন, জেনারেল এরশাদ, খালেদা জিয়া বাজার থেকে ভাষণটি নিষিদ্ধ করে উঠিয়ে দিয়েছিলো, কারণ এই ভাষণকে তারা ভয় পায়। এতেই বুঝা যায় বঙ্গবন্ধু তার ভাষণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের কী কৌশল হবে তা দিয়ে গিয়েছিলেন। এ ভাষণের মাত্র ১৮ দিনের ব্যবধানে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। সে ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু পারেনি।
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে বুকে ধারণের আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এ সদস্য বলেন, এ ভাষণটি কি অপূর্ব কি অকল্পনীয়। তা আমরা লক্ষ্য করলেই দেখতে পাই। ওই ভাষণে বঙ্গবন্ধু যে কৌশলের আশ্রয় নিয়েছিলেন। তিনি সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা না দিয়ে পরোক্ষভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। বঙ্গবন্ধুকে যেন কেউ বিছিন্নতাবাদী নেতা হিসেবে অভিহিত করতে না পারে সে দিকে তার সজাগ দৃষ্টি ছিলো।
তিনি ছাত্র সমাজের উদ্দেশ্যে নানক বলেন, একটি কুচক্রীমহল দেশকে যেভাবে অস্থিতিশীল করে তোলার অপচেষ্টা অব্যহত রেখেছে তোমাদের সেদিকে তীক্ষন নজর রাখতে হবে। তাদের সকল ষড়যন্ত্রেকে রুখে দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
আলোচনা সভায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাসিম বলেন, স্বাধীনতা বিরোধীরা সব সময়ই বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এক শ্রেণির ব্যবসায়ী খাদ্য মজুদ করে অস্থিতিশীল করতে চায়। বিএনপি, জামায়াতের এক শ্রেণি ব্যবসায়ীদের উস্কে দিতে চায়। বিএনপির স্বার্থ বাস্তবায়নের জন্য এক শ্রেণির ব্যবসায়ী খাদদ্রব্য মজুদ করে মূল্য বৃদ্ধি করে মুনাফা লুটার চেষ্টা করে। দেশপ্রেমী ব্যবসায়ী ভাইদের কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে, আপনারা দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে স্বার্থান্বেষী ব্যবসায়ীদের ব্যাপারে সজাগ থাকবেন। সরকার সজাগ থাকবে, বাজার মনিটরিং করবে ছাত্রলীগের কাছে আহ্বান এ বিষয়ে সর্তক থাকার।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক,আইন সম্পাদক অ্যাড. কাজী নজিবুল্লাহ হিরু, সাংসদ নজরুল ইসলাম বাবু।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম ফরাজীর সভাপতিত্বে এবং ও শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আক্তার হোসেনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় সম্মানিত অতিথি ছিলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।
দেশ এগিয়ে যাওয়ার পথেও ষড়যন্ত্র হচ্ছে, নানক
দেশ এগিয়ে যাওয়ার পথেও ষড়যন্ত্র হচ্ছে, নানক
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, মুজিববিহীন বাংলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু এখনও ষড়যন্ত্র হচ্ছে। দেশ এগিয়ে যাওয়ার পথেও ষড়যন্ত্র হচ্ছে।এজন্য বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, বিএনপির ভালো না লাগার বেরামে পেয়েছে। দেশকে পিছিয়ে নিতে চায় তারা। কাজেই আপনাদের সবসময় চোখ-কান খোলা রাখতে হবে।ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।বঙ্গবন্ধু হত্যায় খুনি মোস্তাকের সহায়তাকারী জিয়াউর রহমান ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ আমাদের বাজাতে দেয়নি বলে দাবি করেন জাহাঙ্গীর কবির নানক।তিনি বলেন, জেনারেল এরশাদ, খালেদা জিয়া বাজার থেকে ভাষণটি নিষিদ্ধ করে উঠিয়ে দিয়েছিলো, কারণ এই ভাষণকে তারা ভয় পায়। এতেই বুঝা যায় বঙ্গবন্ধু তার ভাষণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের কী কৌশল হবে তা দিয়ে গিয়েছিলেন। এ ভাষণের মাত্র ১৮ দিনের ব্যবধানে স্বাধীনতা ঘোষণা
করা হয়। সে ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু পারেনি।বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে বুকে ধারণের আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এ সদস্য বলেন, এ ভাষণটি কি অপূর্ব কি অকল্পনীয়। তা আমরা লক্ষ্য করলেই দেখতে পাই। ওই ভাষণে বঙ্গবন্ধু যে কৌশলের আশ্রয় নিয়েছিলেন। তিনি সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা না দিয়ে পরোক্ষভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। বঙ্গবন্ধুকে যেন কেউ বিছিন্নতাবাদী নেতা হিসেবে অভিহিত করতে না পারে সে দিকে তার সজাগ দৃষ্টি ছিলো।তিনি ছাত্র সমাজের উদ্দেশ্যে নানক বলেন, একটি কুচক্রীমহল দেশকে যেভাবে অস্থিতিশীল করে তোলার অপচেষ্টা অব্যহত রেখেছে তোমাদের সেদিকে তীক্ষন নজর রাখতে হবে। তাদের সকল ষড়যন্ত্রেকে রুখে দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।আলোচনা সভায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাসিম বলেন, স্বাধীনতা বিরোধীরা সব সময়ই বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এক শ্রেণির ব্যবসায়ী খাদ্য মজুদ করে অস্থিতিশীল করতে চায়।
বিএনপি, জামায়াতের এক শ্রেণি ব্যবসায়ীদের উস্কে দিতে চায়। বিএনপির স্বার্থ বাস্তবায়নের জন্য এক শ্রেণির ব্যবসায়ী খাদদ্রব্য মজুদ করে মূল্য বৃদ্ধি করে মুনাফা লুটার চেষ্টা করে। দেশপ্রেমী ব্যবসায়ী ভাইদের কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে, আপনারা দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে স্বার্থান্বেষী ব্যবসায়ীদের ব্যাপারে সজাগ থাকবেন। সরকার সজাগ থাকবে, বাজার মনিটরিং করবে ছাত্রলীগের কাছে আহ্বান এ বিষয়ে সর্তক থাকার।আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক,আইন সম্পাদক অ্যাড. কাজী নজিবুল্লাহ হিরু, সাংসদ নজরুল ইসলাম বাবু।জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম ফরাজীর সভাপতিত্বে এবং ও শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আক্তার হোসেনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় সম্মানিত অতিথি ছিলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত