আমান উল্লাহ আমান :
আওয়ামী লীগ প্রশাসনকে ব্যবহার করে আবারও ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে। তারা ভুলে যাচ্ছে এই দেশে আর কোনোদিন ২০১৪ / ১৮ আর আসবে না। কোথাও আর আগের রাতে ভোট হতে দেয়া হবে না। শেখ হাসিনার অধীনে আর কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। অলিতে গলিতে সর হচ্ছে ভোট চোরদের আর কোনো সুযোগ দেয়া হবে না। বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি এখন সারাবিশ্বের।
ওবায়দুল কাদেরদের যদি শুভবুদ্ধির উদয় না হয় আওয়ামী লীগের মন্ত্রী এমপিরা আর পালানোর পথ পাবে না। বিএনপির সিনিয়র নেতাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে। বিএনপির আর এখন সিনিয়র নেতা দরকার হবে না, এই সরকার হঠাতে বিএনপির কর্মীরাই যথেষ্ট। বিএনপির শান্তিপূর্ণ পদযাত্রায় হামলা হলে একচুলও ছাড় দেয়া হবে না।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন :
আজকে দেশে অনেক মানুষ দুইবেলা খেতে পাচ্ছে না। বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে মানুষের জীবন বিপর্যস্ত। গায়ের জোরে সরকারে থেকে দেশের মানুষকে সিন্ডিকেট করে বিপদে ফেলে দিয়েছে। জোর করে ক্ষমতায় থাকার জন্য দেশের গনতন্ত্র আওয়ামী লীগ হত্যা করেছে। তারা ভেবেছিলো সারাজীবন তারা ক্ষমতায় থাকবে। মেগা প্রজেক্টের নামে মেগা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছে। বিদ্যুৎ সেক্টরে ইনডেমনিটি দিয়ে তারা টাকা বিদেশে পাচার করেছে।
ডলারের অভাবে আজকে জ্বালানি আমদানি করতে পারছে না। প্রধানমন্ত্রী জেনেভায় গিয়ে মিথ্যা কথা বলছেন দেশের নাকি অর্থনতি সম্মানজনক পড়যায়ে পৌঁছেছে। সারা বিশ্ব আজ বুঝতে পেরেছে গুম খুন করে এই সরকার মানুষকে নির্যাতন করছে। র্যাব পুলিশের ওপর নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশের লজ্জার। সারা দুনিয়ার মানুষ এই সরকারকে এখন ধিক্কার দিচ্ছে। এদের একেক মন্ত্রী একেক কথা বলে, তারা এখন এলোমেলো লীগে পরিণত হয়েছে। গায়ের জোরের এই সরকারের কাছ থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করতে হবে।
এখন শেখ হাসিনার নাম উচ্চারন করার আগে ভোট চোর বলে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই স্বীকার করেছে এবার নাকি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে তার মানে আগেরগুলো ঠিক ছিলো না বলে এখন অনেক কথাই বলবে তারা। যত রকমের ছলচাতুরী করুক এবার আর শেখ হাসিনা গায়ের জোরে নির্বাচন করতে পারবে না। স্থানীয় নির্বাচনেও এরা কারচুপি করে।এরা বিচারবিভাগকে ধ্বংস করে দিয়েছে। নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া এই দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন এই দেশে প্রয়োজন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে তা সম্ভব না।
প্রশাসন যদি পক্ষ নেয় তাহলে বিদেশিদের মত এই দেশের জনগণও তাদের প্রত্যাক্ষ্যাণ করবে।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির পদযাত্রা
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির পদযাত্রা
আমান উল্লাহ আমান :আওয়ামী লীগ প্রশাসনকে ব্যবহার করে আবারও ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে। তারা ভুলে যাচ্ছে এই দেশে আর কোনোদিন ২০১৪ / ১৮ আর আসবে না। কোথাও আর আগের রাতে ভোট হতে দেয়া হবে না। শেখ হাসিনার অধীনে আর কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। অলিতে গলিতে সর হচ্ছে ভোট চোরদের আর কোনো সুযোগ দেয়া হবে না। বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি এখন সারাবিশ্বের। ওবায়দুল কাদেরদের যদি শুভবুদ্ধির উদয় না হয় আওয়ামী লীগের মন্ত্রী এমপিরা আর পালানোর পথ পাবে না। বিএনপির সিনিয়র নেতাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে। বিএনপির আর এখন সিনিয়র নেতা দরকার হবে না, এই সরকার হঠাতে বিএনপির কর্মীরাই যথেষ্ট। বিএনপির শান্তিপূর্ণ পদযাত্রায় হামলা হলে একচুলও ছাড় দেয়া হবে না। খন্দকার
মোশাররফ হোসেন :আজকে দেশে অনেক মানুষ দুইবেলা খেতে পাচ্ছে না। বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে মানুষের জীবন বিপর্যস্ত। গায়ের জোরে সরকারে থেকে দেশের মানুষকে সিন্ডিকেট করে বিপদে ফেলে দিয়েছে। জোর করে ক্ষমতায় থাকার জন্য দেশের গনতন্ত্র আওয়ামী লীগ হত্যা করেছে। তারা ভেবেছিলো সারাজীবন তারা ক্ষমতায় থাকবে। মেগা প্রজেক্টের নামে মেগা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছে। বিদ্যুৎ সেক্টরে ইনডেমনিটি দিয়ে তারা টাকা বিদেশে পাচার করেছে।ডলারের অভাবে আজকে জ্বালানি আমদানি করতে পারছে না। প্রধানমন্ত্রী জেনেভায় গিয়ে মিথ্যা কথা বলছেন দেশের নাকি অর্থনতি সম্মানজনক পড়যায়ে পৌঁছেছে। সারা বিশ্ব আজ বুঝতে পেরেছে গুম খুন করে এই সরকার মানুষকে নির্যাতন করছে। র্যাব পুলিশের ওপর নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশের লজ্জার। সারা দুনিয়ার মানুষ এই সরকারকে এখন ধিক্কার দিচ্ছে। এদের
একেক মন্ত্রী একেক কথা বলে, তারা এখন এলোমেলো লীগে পরিণত হয়েছে। গায়ের জোরের এই সরকারের কাছ থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করতে হবে। এখন শেখ হাসিনার নাম উচ্চারন করার আগে ভোট চোর বলে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই স্বীকার করেছে এবার নাকি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে তার মানে আগেরগুলো ঠিক ছিলো না বলে এখন অনেক কথাই বলবে তারা। যত রকমের ছলচাতুরী করুক এবার আর শেখ হাসিনা গায়ের জোরে নির্বাচন করতে পারবে না। স্থানীয় নির্বাচনেও এরা কারচুপি করে।এরা বিচারবিভাগকে ধ্বংস করে দিয়েছে। নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া এই দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন এই দেশে প্রয়োজন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে তা সম্ভব না। প্রশাসন যদি পক্ষ নেয় তাহলে বিদেশিদের মত এই দেশের জনগণও তাদের প্রত্যাক্ষ্যাণ করবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত