ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান জানিয়েছেন, ২০২৩ সালে দেশের সম্ভাব্য হজযাত্রীর কোটা ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। ২০০৯ সালে এ হজযাত্রীর সংখ্যা ছিল ৫৮ হাজার ৬২৮ জন।
রবিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তোর পর্বে এম আব্দুল লতিফের এক প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
প্রশ্নের উত্তরে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে হজযাত্রীর সংখ্যা ছিল ৫৮ হাজার ৬২৮ জন, ২০১৯ সালে বেড়ে হয় এক লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ জন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে ২০২২ সালে হজযাত্রীর সংখ্যা কমে দাড়ায় ৬০ হাজার ১৪৬ জনে।
তিনি আরও বলেন, চলতি ২০২৩ সালে হজযাত্রীর সম্ভাব্য কোটা বেড়ে হচ্ছে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। ২০০৯ এর তুলনায় এই সংখ্যা ১৪৮ শতাংশ বেশি। এটি সরকারের সাফল্যের একটি মাইলফলক।
এ বছর হজে যেতে পারবেন গত বছরের দ্বিগুণ
এ বছর হজে যেতে পারবেন গত বছরের দ্বিগুণ
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান জানিয়েছেন, ২০২৩ সালে দেশের সম্ভাব্য হজযাত্রীর কোটা ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। ২০০৯ সালে এ হজযাত্রীর সংখ্যা ছিল ৫৮ হাজার ৬২৮ জন।রবিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তোর পর্বে এম আব্দুল লতিফের এক প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী
এ তথ্য জানান।স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।প্রশ্নের উত্তরে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে হজযাত্রীর সংখ্যা ছিল ৫৮ হাজার ৬২৮ জন, ২০১৯ সালে বেড়ে হয় এক লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ জন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে ২০২২
সালে হজযাত্রীর সংখ্যা কমে দাড়ায় ৬০ হাজার ১৪৬ জনে।তিনি আরও বলেন, চলতি ২০২৩ সালে হজযাত্রীর সম্ভাব্য কোটা বেড়ে হচ্ছে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। ২০০৯ এর তুলনায় এই সংখ্যা ১৪৮ শতাংশ বেশি। এটি সরকারের সাফল্যের একটি মাইলফলক।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত