ঈদের আগে বাজারে পা রাখলেই চোখ ঝলসে যায় নতুন ডিজাইন, রঙ আর অফারে। পরিকল্পনা ছিল শুধু একটি জামা বা পাঞ্জাবি কেনার - কিন্তু বের হওয়ার সময় দেখা যায় সঙ্গে আছে মিলিয়ে ওড়না, আরেক সেট কুর্তি, বাড়তি অ্যাকসেসরিজ।
অনেক ক্ষেত্রে বাড়ি এসে টের পাওয়া যায় যে - বাজেট ছাড়িয়েছে, অথচ প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস হয়তো কেনাই হয়নি। এই চক্র থেকে বের হতে ছোট একটি অভ্যাসই যথেষ্ট - শপিং লিস্ট।
ভোক্তা আচরণ নিয়ে গবেষণায় দেখা গেছে, উৎসবের সময় ইমপালসিভ ও আবেগী কেনাকাটা বেড়ে যায়। কারণ, আবেগ ও তাৎক্ষণিক আকর্ষণ অনেক সময় পরিকল্পিত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে। তাই আগে থেকে পরিকল্পনা করলে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমে এবং কেনাকাটার সন্তুষ্টি বাড়ে।
ঈদের পোশাক কেনার ক্ষেত্রে শপিং লিস্ট কেন জরুরি?
১. বাজেট নিয়ন্ত্রণে থাকে
ঈদের সময় পোশাকের পাশাপাশি জুতা, ব্যাগ, গয়না - সবকিছুরই চাহিদা থাকে। তাই কোন খাতে কত টাকা ব্যয় করবেন সেটা আগে থেকে ঠিক করে নিলে অতিরিক্ত খরচের ঝুঁকি কমে। তালিকায় অগ্রাধিকার নির্ধারণ করলে প্রলোভনে পড়ে বাজেট ভাঙার সম্ভাবনা কম থাকে।
২. প্রয়োজনীয় জিনিস বাদ পড়ে না
অনেক সময় মূল পোশাক কিনে ফেললেও প্রয়োজনীয় অ্যাকসেসরিজ বা টেইলরিংয়ের বিষয়টি আমরা ভুলে যাই। লিস্টে আলাদা করে লিখে রাখলে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাদ যায় না।
৩. সময় ও শক্তি বাঁচে
ঈদের আগে মার্কেটের ভিড় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। কী কিনবেন তা স্পষ্ট থাকলে অযথা দোকান ঘোরা কম হয়। এতে শারীরিক ক্লান্তিও কমে, বিশেষ করে রোজার সময়।
৪. মিলিয়ে কেনা সহজ হয়
কোন রঙের সঙ্গে কী মানাবে, আগে থেকে ভাবলে দোকানে গিয়ে বিভ্রান্তি কম হয়। ফোনে আগের পোশাকের ছবি রেখে লিস্টের সঙ্গে মিলিয়ে নিলে অপ্রয়োজনীয় পুনরাবৃত্তি এড়ানো যায়।
৫. মানসিক স্বস্তি বাড়ে
অনেক বিকল্পের ভিড়ে সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে ক্লান্তি আসে। আচরণগত অর্থনীতি বলছে, বেশি সিদ্ধান্ত মানেই বেশি মানসিক চাপ। লিস্ট থাকলে সিদ্ধান্ত দ্রুত হয়, অস্থিরতা কমে।
ঈদের কেনাকাটায় শপিং লিস্ট করার সুবিধা
ঈদের কেনাকাটায় শপিং লিস্ট করার সুবিধা
ঈদের আগে বাজারে পা রাখলেই চোখ ঝলসে যায় নতুন ডিজাইন, রঙ আর অফারে। পরিকল্পনা ছিল শুধু একটি জামা বা পাঞ্জাবি কেনার - কিন্তু বের হওয়ার সময় দেখা যায় সঙ্গে আছে মিলিয়ে ওড়না, আরেক সেট কুর্তি, বাড়তি অ্যাকসেসরিজ।অনেক ক্ষেত্রে বাড়ি এসে টের পাওয়া যায় যে - বাজেট ছাড়িয়েছে, অথচ প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস হয়তো কেনাই হয়নি। এই চক্র থেকে বের হতে ছোট একটি অভ্যাসই যথেষ্ট - শপিং লিস্ট।ভোক্তা আচরণ নিয়ে গবেষণায় দেখা গেছে, উৎসবের সময় ইমপালসিভ ও আবেগী কেনাকাটা বেড়ে যায়। কারণ, আবেগ ও তাৎক্ষণিক আকর্ষণ অনেক সময় পরিকল্পিত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত
করে। তাই আগে থেকে পরিকল্পনা করলে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমে এবং কেনাকাটার সন্তুষ্টি বাড়ে।ঈদের পোশাক কেনার ক্ষেত্রে শপিং লিস্ট কেন জরুরি?১. বাজেট নিয়ন্ত্রণে থাকেঈদের সময় পোশাকের পাশাপাশি জুতা, ব্যাগ, গয়না - সবকিছুরই চাহিদা থাকে। তাই কোন খাতে কত টাকা ব্যয় করবেন সেটা আগে থেকে ঠিক করে নিলে অতিরিক্ত খরচের ঝুঁকি কমে। তালিকায় অগ্রাধিকার নির্ধারণ করলে প্রলোভনে পড়ে বাজেট ভাঙার সম্ভাবনা কম থাকে।২. প্রয়োজনীয় জিনিস বাদ পড়ে নাঅনেক সময় মূল পোশাক কিনে ফেললেও প্রয়োজনীয় অ্যাকসেসরিজ বা টেইলরিংয়ের বিষয়টি আমরা ভুলে যাই। লিস্টে আলাদা করে লিখে রাখলে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাদ যায়
না।৩. সময় ও শক্তি বাঁচেঈদের আগে মার্কেটের ভিড় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। কী কিনবেন তা স্পষ্ট থাকলে অযথা দোকান ঘোরা কম হয়। এতে শারীরিক ক্লান্তিও কমে, বিশেষ করে রোজার সময়।৪. মিলিয়ে কেনা সহজ হয়কোন রঙের সঙ্গে কী মানাবে, আগে থেকে ভাবলে দোকানে গিয়ে বিভ্রান্তি কম হয়। ফোনে আগের পোশাকের ছবি রেখে লিস্টের সঙ্গে মিলিয়ে নিলে অপ্রয়োজনীয় পুনরাবৃত্তি এড়ানো যায়।৫. মানসিক স্বস্তি বাড়েঅনেক বিকল্পের ভিড়ে সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে ক্লান্তি আসে। আচরণগত অর্থনীতি বলছে, বেশি সিদ্ধান্ত মানেই বেশি মানসিক চাপ। লিস্ট থাকলে সিদ্ধান্ত দ্রুত হয়, অস্থিরতা কমে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত