বাকৃবি প্রতিনিধি:
বানভাসীদের জন্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীরা এক মাসের স্টাইপেন্ডের অর্থ প্রদান করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ আগষ্ট) বাকৃবির গণত্রাণ সংগ্রহ কর্মসূচির অন্যতম সমন্বয়ক মো. আবদুল জলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেন। শিক্ষার্থীদের এক মাসের স্টাইপেন্ড বাবদ মোট ৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা আদায় সম্ভব হয়েছে।
বাকৃবির গণত্রাণ সংগ্রহ কর্মসূচির অন্যতম সমন্বয়ক এবং চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. আবদুল জলিল বলেন, অফলাইন এবং অনলাইন উভয় মাধ্যমেই শিক্ষার্থীরা তাদের স্টাইপেন্ডের অর্থ প্রদান করেছে। আমরা সর্বমোট ৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা শিক্ষার্থীদের স্টাইপেন্ড বাবদ আদায় করেছি। আমরা এই অর্থ দিয়ে চাহিদা মোতাবেক সহায়তা পাঠাবো। আজ ত্রাণ নিয়ে বাকৃবির প্রতিনিধি দল ফেনী, নোয়াখালী এবং চাঁদপুর জেলার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিবে। এ নিয়ে দ্বিতীয়দফায় ত্রাণসামগ্রী নিয়ে বন্যাকবলিত জেলায় যাচ্ছে আমাদের প্রতিনিধি দল।
বাকৃবির আরেক শিক্ষার্থী আজমল হোসেন বলেন, সাম্প্রতিক আকস্মিক বন্যায় বাংলাদেশের দক্ষিণ -পূর্বাঞ্চলে মানবিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে।এমতাবস্থায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে মনে করি। এ অবস্থায় আমার সামান্য শ্রম যদি একটি পরিবারের জন্য কিছু সময়ের স্বস্তির কারণ হয় তাহলে সেটাই অনেক বড় পাওনা। মানবসেবার এই সুযোগ যেকোন শিক্ষার্থীর কাছে আশীর্বাদ স্বরুপ।
এক মাসের বৃত্তির টাকা বন্যার্তদের দিলো বাকৃবির শিক্ষার্থীরা
এক মাসের বৃত্তির টাকা বন্যার্তদের দিলো বাকৃবির শিক্ষার্থীরা
বাকৃবি প্রতিনিধি:বানভাসীদের জন্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীরা এক মাসের স্টাইপেন্ডের অর্থ প্রদান করেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ আগষ্ট) বাকৃবির গণত্রাণ সংগ্রহ কর্মসূচির অন্যতম সমন্বয়ক মো. আবদুল জলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেন। শিক্ষার্থীদের এক মাসের স্টাইপেন্ড বাবদ মোট ৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা আদায় সম্ভব হয়েছে।বাকৃবির গণত্রাণ সংগ্রহ কর্মসূচির অন্যতম সমন্বয়ক এবং চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. আবদুল জলিল বলেন, অফলাইন এবং
অনলাইন উভয় মাধ্যমেই শিক্ষার্থীরা তাদের স্টাইপেন্ডের অর্থ প্রদান করেছে। আমরা সর্বমোট ৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা শিক্ষার্থীদের স্টাইপেন্ড বাবদ আদায় করেছি। আমরা এই অর্থ দিয়ে চাহিদা মোতাবেক সহায়তা পাঠাবো। আজ ত্রাণ নিয়ে বাকৃবির প্রতিনিধি দল ফেনী, নোয়াখালী এবং চাঁদপুর জেলার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিবে। এ নিয়ে দ্বিতীয়দফায় ত্রাণসামগ্রী নিয়ে বন্যাকবলিত জেলায় যাচ্ছে আমাদের প্রতিনিধি দল।বাকৃবির আরেক শিক্ষার্থী আজমল
হোসেন বলেন, সাম্প্রতিক আকস্মিক বন্যায় বাংলাদেশের দক্ষিণ -পূর্বাঞ্চলে মানবিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে।এমতাবস্থায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে মনে করি। এ অবস্থায় আমার সামান্য শ্রম যদি একটি পরিবারের জন্য কিছু সময়ের স্বস্তির কারণ হয় তাহলে সেটাই অনেক বড় পাওনা। মানবসেবার এই সুযোগ যেকোন শিক্ষার্থীর কাছে আশীর্বাদ স্বরুপ।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত