নামাজের পর মুহাম্মদ (সা.) বিপুল সংখ্যক মুসলমানের উদ্দেশে একটি খুৎবা দিয়েছিলেন। আল্লাহর রসূল (সা.) উচ্চস্বরে সবাইকে ডাকেন। তিনি হযরত আলীকে মঞ্চে তার পাশে আরোহণ করতে বলেন। তিনি হাত বাড়িয়ে তাকে মঞ্চে তুলে নেন।
Then he raised Ali’s hand high in his own, forearm pressed along forearm in the traditional gesture of allegiance, and in front of the thousands of people gathered below them, he honoured the young man with a special benediction.
অর্থাৎ তারপর তিনি আলীর হাত নিজের হাত দিয়ে উঁচু করে তুলে ধরেন, আনুগত্যের ঐতিহ্যবাহী ভঙ্গিতে তার বাহু বরাবর হাত চেপে ধরেন এবং তাদের নিচে সমবেত হাজার হাজার মানুষের সামনে তিনি এ যুবককে বিশেষ মর্যাদা দিয়ে সম্মানিত করেন। (সূত্র: আফটার দ্য প্রোফেট, লেসলি হেজেলটন, পৃষ্ঠা—৪৯)
মঞ্চে উঠে বিশ্বনবী (সা.) তার ভাষণে বলেন: ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। আমরা তার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি, আমরা তার উপর বিশ্বাস করি এবং তার উপরই ভরসা করি। আমরা আমাদের আত্মার অনিষ্ট এবং আমাদের কর্মের পাপ থেকে তার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করি। নিশ্চয়ই আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন তার জন্য কোনো পথপ্রদর্শক নেই এবং আল্লাহ যাকে পথপ্রদর্শন করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই।’
‘হে লোকসকল! জেনে রাখো, জিব্রাইল (আ.) আমার কাছে বারবার অবতীর্ণ হয়েছিলেন এবং তিনি দয়ালু প্রভুর কাছ থেকে আদেশ নিয়ে এসেছিলেন যে, আমি যেন এই স্থানে থেমে তোমাদেরকে অবহিত করি। দেখো! যেন সময় ঘনিয়ে আসছে যখন আমাকে আল্লাহর কাছে ডাকা হবে। আমার পূর্ববর্তী কোনো নবী তাদের জীবনের অর্ধেক আয়ু পাননি। আল্লাহর ডাকে আমাকে অবশ্যই সাড়া দিতে হবে।’
‘হে লোকসকল! তোমরা কি সাক্ষ্য দাও না যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, মুহাম্মদ (সা.) তার বান্দা এবং রসূল, জান্নাত সত্য, জাহান্নাম সত্য, পুনরুত্থান সত্য এবং কিয়ামত অবশ্যই আসবে এবং আল্লাহ কবর থেকে মানুষকে জীবিত করবেন?’ লোকেরা উত্তর দিল: ‘হ্যাঁ, আমরা তাদের উপর বিশ্বাস করি।’ তিনি আরো বললেন: ‘হে লোকসকল! তোমরা কি আমার আওয়াজ (স্পষ্টভাবে) শুনতে পাও?’ তারা বলল: ‘হ্যাঁ।’ মহানবী (সা.) বললেন: ‘দেখো! আমি তোমাদের মাঝে দুটি মূল্যবান ও ভারি নিদর্শন রেখে যাচ্ছি যদি তোমরা উভয়কে আঁকড়ে ধরো তাহলে আমার পরে তোমরা কখনো পথভ্রষ্ট হবে না। এই দুটির প্রত্যেকটিই তার মহত্ত্বে একে অন্যকে ছাড়িয়ে গেছে।’
এক ব্যক্তি জিজ্ঞাস করলো: ‘হে আল্লাহর রসূল, ঐ দুটি মূল্যবান জিনিস কী?’ মহানবী (সা.) বললেন: ‘তাদের মধ্যে একটি হলো আল্লাহর কিতাব এবং অন্যটি হলো আমার নির্বাচিত বংশধর (ইতরাত) অর্থাৎ পরিবার (আহলুল বাইত)। আমি যখন তোমাদের মধ্য থেকে চলে যাব তখন তাদের সঙ্গে কেমন আচরণ করবে সে সম্পর্কে সতর্ক থাকো। কারণ দয়ালু আল্লাহ আমাকে জানিয়েছেন যে, এই দুটি (অর্থাৎ কুরআন এবং আহলুল বাইত) কখনো একে অন্য থেকে আলাদা হবে না যতক্ষণ না তারা আমার সঙ্গে হাউসে কাউসারে পেঁৗছায়। আমি তোমাদের আল্লাহর নামে আমার আহলুল বাইতের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি। আমি তোমাদের আল্লাহর নামে আমার আহলুল বাইতের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি। আমি তোমাদের আগে হাউসে কাউসারে প্রবেশ করবো। তারপর সেখানে তোমরা প্রবেশ করবে এবং আমার পাশে অবস্থান নেবে। সানা ও বসরার মধ্যে যতটুকু দূরত্ব, আমার হাউসে কাউসার হবে ততটুকু প্রশস্ত। সেখানে থাকবে তারকারাজি ও রুপার পাত্র। অতএব, আমার পরে এই দুটি মূল্যবান জিনিসের সঙ্গে কেমন আচরণ করবে সে সম্পর্কে সতর্ক থাকো। এই দুটির আগে যেও না। কারণ তুমি ধ্বংস হয়ে যাবে এবং এ থেকে দূরে যেও না। কারণ তুমি ধ্বংস হয়ে যাবে।’
‘হে লোকসকল! নিশ্চয়ই আল্লাহ আমার রব এবং আমি সকল মু’মিনের প্রভু।’ তারপর তিনি আলীর হাত ধরে বললেন: ‘আমি তার প্রভু, আলী তার প্রভু। তিনবার পুনরাবৃত্তি করেন)। হে আল্লাহ! যারা তাকে ভালোবাসে তাদের ভালোবাসো। যারা তার প্রতি শত্রুতা পোষণ করে তাদের সঙ্গে শত্রুতা করো। যারা তাকে সাহায্য করে তাদের সাহায্য করো। যারা তাকে পরিত্যাগ করে তাদের পরিত্যাগ করো এবং সে যেদিকে মুখ ফিরিয়ে নেয় সত্যকে তার সঙ্গে রাখো (অর্থাৎ তাকে সত্যের অভিভাবক বানাও)।’
‘আবু তালিবের পুত্র আলী আমার ভাই, আমার ওয়াসি, আমার উত্তরসূরি (খলিফা) এবং আমার পরে নেতা (ইমাম)। আমার কাছে তার অবস্থান মূসার কাছে হারুন (হারুন)—এর মতো। তবে আমার পরে কোনো নবী আসবেন না। আল্লাহ এবং তার রসূলের পরে তিনি তোমাদের প্রভু।’
‘
‘হে লোকসকল! নিশ্চয়ই আল্লাহ তাকে তোমাদের ইমাম ও শাসক হিসেবে নিযুক্ত করেছেন। তার উপর সকল মুহাজির, সাহায্যকারী (আনসার) এবং যারা সৎভাবে তাদের অনুসরণ করে এবং নগরবাসী ও যাযাবর, আরব ও অনারব, স্বাধীন ও দাস, ছোট ও বড়, বৃদ্ধ, সাদা ও কালো সকলের উপরই তার আনুগত্য বাধ্যতামূলক।’
‘তার আদেশ মান্য করা উচিত এবং তার কথা বাধ্যতামূলক এবং তার আদেশ এক আল্লাহর উপর বিশ্বাসী সকলের উপর বাধ্যতামূলক। অভিশপ্ত সেই ব্যক্তি যে তাকে অমান্য করে এবং ধন্য সেই ব্যক্তি যে তাকে অনুসরণ করে এবং যে তাকে বিশ্বাস করে সে প্রকৃত মু’মিন। পরাক্রমশালী, মহিমান্বিত আল্লাহ তার বেলায়ত (তার কর্তৃত্বের প্রতি বিশ্বাস) বাধ্যতামূলক করেছেন।’
‘হে সম্প্রদায়! কুরআন অধ্যয়ন করো। কুরআনের স্পষ্ট আয়াতগুলো নিয়ে চিন্তা করো এবং অস্পষ্ট আয়াতগুলোর অর্থ অনুমান করতে যেও না। কারণ আল্লাহর কসম, আমি এবং এই ব্যক্তি (অর্থাৎ আলী) যার হাত আমি নিজের সামনে তুলে ধরছি, ব্যতীত আর কেউ তোমাদের কাছে কুরআনের সতর্কীকরণ এবং অর্থ সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারবে না।’
‘হে লোকসকল! এই সমাবেশে আমি শেষবারের মতো দাঁড়িয়েছি। আমার কথা শোনো এবং প্রভুর আদেশ মান্য করো এবং তার কাছে আত্মসমর্পণ করো। আল্লাহ, তিনিই তোমাদের প্রভু এবং অভিভাবক। তার পরে তার নবী যিনি তোমাদের সামনে খুৎবা দিচ্ছেন। তিনি তোমাদের প্রভু। তারপর আমার পরে এই আলী আল্লাহর আদেশ অনুসারে তোমাদের প্রভু এবং তোমাদের নেতা (ইমাম)। তারপর আমার বংশধরদের মধ্যে কিছু নির্বাচিত ব্যক্তির মাধ্যমে নেতৃত্ব অব্যাহত থাকবে যেদিন তোমরা আল্লাহ এবং তার নবীর সঙ্গে দেখা করবে।’
‘হে লোকসকল! অবশ্যই তোমরা তোমাদের প্রভুর সঙ্গে দেখা করবে এবং তিনি তোমাদের কর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন। সাবধান! আমার পরে একে অপরের ঘাড়ে আঘাত করে কাফের হয়ে যেও না। দেখো! যারা উপস্থিত আছো আমার কথা অনুপস্থিতদের কাছে পেঁৗছে দাও। কারণ সম্ভবত অনুপস্থিত জ্ঞানী ব্যক্তি উপস্থিত শ্রোতাদের চেয়ে আমার কথা ভালোভাবে বুঝতে পারবে। দেখো! আমি কি তোমাদের কাছে আল্লাহর বাণী পেঁৗছে দেইনি? দেখো! আমি কি তোমার কাছে আল্লাহর বাণী পেঁৗছে দিইনি?’ লোকেরা জবাব দিল: ‘হ্যাঁ।’ নবী বললেন: ‘হে আল্লাহ! সাক্ষী থাকো।’
আল্লাহর রসূল (সা.) ঘোষণা করেন: ‘মনে হচ্ছে এমন সময় ঘনিয়ে আসছে যখন আমাকে ডাকা হবে এবং আমি সেই ডাকে সাড়া দেব। আমি তোমাদের জন্য দুটি মূল্যবান জিনিস রেখে যাচ্ছি এবং যদি তোমরা উভয়কেই আঁকড়ে ধরো তাহলে আমার পরে তোমরা কখনো পথভ্রষ্ট হবে না। একটি হলো আল্লাহর কিতাব এবং আরেকটি হলো আমার বংশধর অর্থাৎ আমার আহলে বাইত। এ দুটি কখনো একে অন্যের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হবে না যতক্ষণ না তারা হাউসে কাউসারে আমার সঙ্গে মিলিত হয়।’ অতঃপর আল্লাহর রসূল (সা.) আরো বললেন: ‘মু’মিনদের উপর কি তাদের নিজেদের উপর যতটা অধিকার আছে তার চেয়ে বেশি আমার অধিকার নেই?’ লোকেরা চিৎকার করে বললো: ‘হ্যাঁ, হে আল্লাহর রসূল।’ তরপর রসূল (সা,) আলীর হাত ধরে বললেন: ‘আমি যার নেতা (মাওলা), আলীও তার নেতা (মাওলা)।’
ألَسْتُ أولى بالمؤمنين من أنفسهم؟ قالوا بلى يارسول الله. قال: من كنت مولاه فعلي مولاه. اللهم وال من والاه و عاد من عاداه.
সুন্নি রেফারেন্স:
সহীহ আল—তিরমিজী, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—২৯৮, পঞ্চম খণ্ড, পৃষ্ঠা—৬৩
সুনান ইবনে মাজাহ, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা—১২, ৪৩
খাসাঈস, আল—নাসাঈ, পৃষ্ঠা ৪, ২১
আল—মুস্তাদরাক, আল—হাকিম, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—১২৯, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—১০৯—১১০, ১১৬, ৩৭১
মুসনাদে আহমদ ইবনে হাম্বল, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা—৮৪, ১১৮, ১১৯, ১৫২, ৩৩০, চতুর্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা—২৮১, ৩৬৮, ৩৭০, ৩৭২, ৩৭৮, পঞ্চম খণ্ড, পৃষ্ঠা—৩৫, ৩৪৭, ৩৫৮, ৩৬১, ৩৬৬, ৪১৯ (৪০ জন বর্ণনাকারীর চেইন থেকে)
ফাজাঈল আল—সাহাবা, আহমদ হাম্বল রচিত, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—৫৬৩, ৫৭২
মাজমা’ আল—জাওয়াইদ, আল—হাইছামি, নবম খণ্ড, পৃষ্ঠা—১০৩ (বেশ কয়েকটি ট্রান্সমিটার থেকে)
তাফসীর আল—কবীর, ফখর আল—রাজি, দ্বাদশ খণ্ড, পৃষ্ঠা—৪৯—৫০
আল—হাফিজ জালালুদ্দিন আল—সুয়ুতি, তাফসির আল—দুর আল—মানসুর, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—১৯
তারিখ আল—খুলাফা, আল—সুয়ুতি, পৃষ্ঠা—১৬৯, ১৭৩
আল—বিদায়া ওয়াল—নিহায়াহ, ইবনে কাছির, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—২১৩, পঞ্চম খণ্ড, পৃষ্ঠা—২০৮
উসদুল গাবাহ, ইবনে আছির, অষ্টম খণ্ড, পৃষ্ঠা—১১৪
মুশকিল আল—আছার, আল—তাহাভি, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—৩০৭—৩০৮
হাবিব আল—সিয়ার, মীর খন্দ, পঞ্চম খণ্ড, তৃতীয় অংশ, পৃষ্ঠা—১৪৪
সাওয়াইক আল—মুহরীকাহ, ইবনে হাজার আল—হাইছামী, পৃষ্ঠা—২৬
আল—ইসাবাহ, ইবনে হাজার আল—আসকালানী, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—৫০৯,
তাবারানী। তিনি ইবনে উমর, মালিক ইবনুল হাবিরাছ, হাবাশি ইবনে জুনদাহ, জারি, সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস, আনাস ইবনে মালিক, ইবনে আব্বাস, আমারাহ, বুরাইদাহ প্রমুখ সাহাবীদের কাছ থেকে বর্ণনা করেছেন।
তারিখ, আল—খতিব বাগদাদী, অষ্টম খণ্ড, পৃষ্ঠা—২৯০
হিলিয়াতুল আউলিয়া, আল—হাফিজ আবু নুয়াইম, চতুর্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা—২৩, পঞ্চম খণ্ড, পৃষ্ঠা—২৬—২৭
আল—ইসতিয়াব, ইবনে আবদ আল—বার, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—৪৬২
কানজুল উম্মাল, আল—মুত্তাকি আল—হিন্দি, ষষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা—১৫৪, ৩৯৭
আল—মিরকাত, পঞ্চম খণ্ড, পৃষ্ঠা—৫৬৮ ২৩) আল—রিয়াদ আল—নাদিরাহ, আল—মুহিব আল—তাবারি, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—১৭২
ঢাকাইর আল—উকবা, আল—মুহিব আল—তাবারী, পৃষ্ঠা—৬
ফায়দ আল—কাদির, আল—মানবী, ষষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা—২১৭
ইয়ানাবি'আল—মাওয়াদ্দাহ, আল—কুদুজী আল—হানাফী, পৃষ্ঠা—২৯৭।
আ’লাম আল—ওয়ারা, পৃষ্ঠা—১৩২—১৩৩
তাজকিরাত আল—খাওয়াস আল—উম্মাহ, সিবত ইবনুল জাওযী আল—হানাফী, পৃষ্ঠা—২৮—৩৩আল—সিরাহ আল—হালাবিয়্যাহ, নূর আল—দীন আল—হালাবি তৃতীয় খণ্ড. পৃষ্ঠা— ২৭৩
সহীহ আল—তিরমিজী, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—২৯৮, পঞ্চম খণ্ড, পৃষ্ঠা—৬৩
সুনান ইবনে মাজাহ, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা—১২
খাসাইস, আল—নাসাঈ, পৃষ্ঠা—২১।
আল—মুস্তাদরাক, আল—হাকিম, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—১২৯, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা— ১০৯
মুসনাদ আহমাদ ইবনে হাম্বল, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা—৮৪ (৪০জন বর্ণনাকারীর চেইন থেকে)
ফাজাঈল আল—সাহাবা, আহমদ হাম্বল রচিত, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—৫৬৩, ৫৭২
মাজমা’ আল—জাওয়াইদ, আল—হাইছামি, নবম খণ্ড, পৃষ্ঠা—১০৩
তাফসীর আল—কবীর, ফখর আল—রাজি, দ্বাদশ খণ্ড, পৃষ্ঠা— ৪৯—৫০
তাফসীর আল—দূর আল—মানসুর, আল—হাফিজ জালালুদ্দিন আল—সুয়ুতি, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—১৯
তারিখ আল—খুলাফা, আল—সুয়ুতি, পৃষ্ঠা—১৬৯, ১৭৩
আল—বিদায়া ওয়াল—নিহায়াহ, ইবনে কাছির, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—২১৩
উসদুল গাবাহ, ইবনে আছির, চতুর্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা—১১৪
মুশকিল আল—আছার, আল—তাহাভি, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—৩০৭—৩০৮
হাবিব আল—সিয়ার, মীর খন্দ, প্রথম খণ্ড পৃষ্ঠা—১৪৪
সাওয়াইক আল—মুহরিকাহ, ইবনে হাজার আল—হাইছামী, পৃষ্ঠা—২৬
আল—ইসাবাহ, ইবনে হাজার আল—আসকালানী, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—৫০৯
তাবারানী। তিনি ইবনে উমর, মালিক ইবনুল হাবিরাছ, হাবাশি ইবনে জুনদাহ, জারী, সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস, আনাস ইবনে মালিক, ইবনে আব্বাস, আমারাহ, বুরাইদাহ প্রমুখ সাহাবী থেকে বর্ণনা করেছেন।
তারিখ, আল—খতিব বাগদাদী, অষ্টম খণ্ড, পৃষ্ঠা—২৯০
হিলিয়াতুল আউলিয়া, আল—হাফিজ আবু নুয়াইম, চতুর্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা—২৩
আল—ইসতিয়াব, ইবনে আবদ আল—বার, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—৪৬২
কানজুল উম্মাল, আল—মুত্তাকি আল—হিন্দি, ষষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা—১৫৪
আল—মিরকাত পঞ্চম খণ্ড, পৃষ্ঠা—৫৬৮
আল—রিয়াদ আল—নাদিরাহ, আল—মুহিব আল—তাবারি, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—১৭২
ঢাকাইর আল—উকবা, আল—মুহিব আল—তাবারী, পৃষ্ঠা—৬৮
ফায়াদ আল—কাদির, আল—মানবী, ষষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা—২১৭
ইয়ানাবি আল—মাওয়াদ্দাহ, আল—কুদুজি আল—হানাফী, পৃষ্ঠা—২৯৭
পুনরায় ওহী নিয়ে হযরত জিব্রাইল (আ.) উপস্থিত হন। আল্লাহ তার রসূলকে জানিয়ে দেন: ‘আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম এবং তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম। ইসলামকে তোমাদের দ্বীন হিসেবে মনোনীত করলাম।’ (সূরা মায়েদা, আয়াত নম্বর—তিন।)
কয়েকটি সুন্নি রেফারেন্স:
আল—দুর আল—মানসুর, আল—হাফিজ জালালুদ্দিন আল—সুয়ুতি, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—১৯
তারিখ, খতিব আল—বাগদাদী, অষ্টম খণ্ড, পৃষ্ঠা—২৯০, আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত।
মানাকিব, ইবনে মাগাজালী প্রণীত, পৃষ্ঠা—১৯ দামেস্কের ইতিহাস, ইবনে আসাকির, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—৭৫
আল—ইতকান, আল—সুয়ুতি, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা—১৩
খাওয়ারিজমী আল—হানাফি প্রণীত মানাকিব, পৃষ্ঠা—৮০।
আল—বিদায়া ওয়াল—নিহায়াহ, ইবনে কাছির, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—২১৩।
ইয়ানাবি’ আল—মাওয়াদ্দাহ, লেখক: আল—কুদুজি আল—হানাফি, পৃষ্ঠা—১১৫
নুজুল আল—কুরআন, লেখক: আল—হাফিজ আবু নুয়াইম, আবু সাঈদ খুদরী থেকে বর্ণিত।
এ আয়াত স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত করছে যে, মহানবীর পরে নেতৃত্বের বিষয়টি ফয়সালা হওয়া নাগাদ ইসলাম সম্পূর্ণ হয়নি এবং মহানবীর তাৎক্ষণিক উত্তরসূরি ঘোষণার মধ্য দিয়ে ইসলাম পূর্ণতা লাভ করে।
সাহাদত হোসেন খান
(লেখাটি ‘ইসলামের অজানা ইতিহাস’ থেকে নেয়া। বইটি প্রকাশ করেছে আফসার ব্রাদার্স)
Then he raised Ali’s hand high in his own, forearm pressed along forearm in the traditional gesture of allegiance, and in front of the thousands of people gathered below them, he honoured the young man with a special benediction.
অর্থাৎ তারপর তিনি আলীর হাত নিজের হাত দিয়ে উঁচু করে তুলে ধরেন, আনুগত্যের ঐতিহ্যবাহী ভঙ্গিতে তার বাহু বরাবর হাত চেপে ধরেন এবং তাদের নিচে সমবেত হাজার হাজার মানুষের সামনে তিনি এ যুবককে বিশেষ মর্যাদা দিয়ে সম্মানিত করেন। (সূত্র: আফটার দ্য প্রোফেট, লেসলি হেজেলটন, পৃষ্ঠা—৪৯)
মঞ্চে উঠে বিশ্বনবী (সা.) তার ভাষণে বলেন: ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। আমরা তার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি, আমরা তার উপর বিশ্বাস করি এবং তার উপরই ভরসা করি। আমরা আমাদের আত্মার অনিষ্ট এবং আমাদের কর্মের পাপ থেকে তার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করি। নিশ্চয়ই আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন তার জন্য কোনো পথপ্রদর্শক নেই এবং আল্লাহ যাকে পথপ্রদর্শন করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই।’
‘হে লোকসকল! জেনে রাখো, জিব্রাইল (আ.) আমার কাছে বারবার অবতীর্ণ হয়েছিলেন এবং তিনি দয়ালু প্রভুর কাছ থেকে আদেশ নিয়ে এসেছিলেন যে, আমি যেন এই স্থানে থেমে তোমাদেরকে অবহিত করি। দেখো! যেন সময় ঘনিয়ে আসছে যখন আমাকে আল্লাহর কাছে ডাকা হবে। আমার পূর্ববর্তী কোনো নবী তাদের জীবনের অর্ধেক আয়ু পাননি। আল্লাহর ডাকে আমাকে অবশ্যই সাড়া দিতে হবে।’
‘হে লোকসকল! তোমরা কি সাক্ষ্য দাও না যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, মুহাম্মদ (সা.) তার বান্দা এবং রসূল, জান্নাত সত্য, জাহান্নাম সত্য, পুনরুত্থান সত্য এবং কিয়ামত অবশ্যই আসবে এবং আল্লাহ কবর থেকে মানুষকে জীবিত করবেন?’ লোকেরা উত্তর দিল: ‘হ্যাঁ, আমরা তাদের উপর বিশ্বাস করি।’ তিনি আরো বললেন: ‘হে লোকসকল! তোমরা কি আমার আওয়াজ (স্পষ্টভাবে) শুনতে পাও?’ তারা বলল: ‘হ্যাঁ।’ মহানবী (সা.) বললেন: ‘দেখো! আমি তোমাদের মাঝে দুটি মূল্যবান ও ভারি নিদর্শন রেখে যাচ্ছি যদি তোমরা উভয়কে আঁকড়ে ধরো তাহলে আমার পরে তোমরা কখনো পথভ্রষ্ট হবে না। এই দুটির প্রত্যেকটিই তার মহত্ত্বে একে অন্যকে ছাড়িয়ে গেছে।’
এক ব্যক্তি জিজ্ঞাস করলো: ‘হে আল্লাহর রসূল, ঐ দুটি মূল্যবান জিনিস কী?’ মহানবী (সা.) বললেন: ‘তাদের মধ্যে একটি হলো আল্লাহর কিতাব এবং অন্যটি হলো আমার নির্বাচিত বংশধর (ইতরাত) অর্থাৎ পরিবার (আহলুল বাইত)। আমি যখন তোমাদের মধ্য থেকে চলে যাব তখন তাদের সঙ্গে কেমন আচরণ করবে সে সম্পর্কে সতর্ক থাকো। কারণ দয়ালু আল্লাহ আমাকে জানিয়েছেন যে, এই দুটি (অর্থাৎ কুরআন এবং আহলুল বাইত) কখনো একে অন্য থেকে আলাদা হবে না যতক্ষণ না তারা আমার সঙ্গে হাউসে কাউসারে পেঁৗছায়। আমি তোমাদের আল্লাহর নামে আমার আহলুল বাইতের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি। আমি তোমাদের আল্লাহর নামে আমার আহলুল বাইতের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি। আমি তোমাদের আগে হাউসে কাউসারে প্রবেশ করবো। তারপর সেখানে তোমরা প্রবেশ করবে এবং আমার পাশে অবস্থান নেবে। সানা ও বসরার মধ্যে যতটুকু দূরত্ব, আমার হাউসে কাউসার হবে ততটুকু প্রশস্ত। সেখানে থাকবে তারকারাজি ও রুপার পাত্র। অতএব, আমার পরে এই দুটি মূল্যবান জিনিসের সঙ্গে কেমন আচরণ করবে সে সম্পর্কে সতর্ক থাকো। এই দুটির আগে যেও না। কারণ তুমি ধ্বংস হয়ে যাবে এবং এ থেকে দূরে যেও না। কারণ তুমি ধ্বংস হয়ে যাবে।’
‘হে লোকসকল! নিশ্চয়ই আল্লাহ আমার রব এবং আমি সকল মু’মিনের প্রভু।’ তারপর তিনি আলীর হাত ধরে বললেন: ‘আমি তার প্রভু, আলী তার প্রভু। তিনবার পুনরাবৃত্তি করেন)। হে আল্লাহ! যারা তাকে ভালোবাসে তাদের ভালোবাসো। যারা তার প্রতি শত্রুতা পোষণ করে তাদের সঙ্গে শত্রুতা করো। যারা তাকে সাহায্য করে তাদের সাহায্য করো। যারা তাকে পরিত্যাগ করে তাদের পরিত্যাগ করো এবং সে যেদিকে মুখ ফিরিয়ে নেয় সত্যকে তার সঙ্গে রাখো (অর্থাৎ তাকে সত্যের অভিভাবক বানাও)।’
‘আবু তালিবের পুত্র আলী আমার ভাই, আমার ওয়াসি, আমার উত্তরসূরি (খলিফা) এবং আমার পরে নেতা (ইমাম)। আমার কাছে তার অবস্থান মূসার কাছে হারুন (হারুন)—এর মতো। তবে আমার পরে কোনো নবী আসবেন না। আল্লাহ এবং তার রসূলের পরে তিনি তোমাদের প্রভু।’
‘
‘হে লোকসকল! নিশ্চয়ই আল্লাহ তাকে তোমাদের ইমাম ও শাসক হিসেবে নিযুক্ত করেছেন। তার উপর সকল মুহাজির, সাহায্যকারী (আনসার) এবং যারা সৎভাবে তাদের অনুসরণ করে এবং নগরবাসী ও যাযাবর, আরব ও অনারব, স্বাধীন ও দাস, ছোট ও বড়, বৃদ্ধ, সাদা ও কালো সকলের উপরই তার আনুগত্য বাধ্যতামূলক।’
‘তার আদেশ মান্য করা উচিত এবং তার কথা বাধ্যতামূলক এবং তার আদেশ এক আল্লাহর উপর বিশ্বাসী সকলের উপর বাধ্যতামূলক। অভিশপ্ত সেই ব্যক্তি যে তাকে অমান্য করে এবং ধন্য সেই ব্যক্তি যে তাকে অনুসরণ করে এবং যে তাকে বিশ্বাস করে সে প্রকৃত মু’মিন। পরাক্রমশালী, মহিমান্বিত আল্লাহ তার বেলায়ত (তার কর্তৃত্বের প্রতি বিশ্বাস) বাধ্যতামূলক করেছেন।’
‘হে সম্প্রদায়! কুরআন অধ্যয়ন করো। কুরআনের স্পষ্ট আয়াতগুলো নিয়ে চিন্তা করো এবং অস্পষ্ট আয়াতগুলোর অর্থ অনুমান করতে যেও না। কারণ আল্লাহর কসম, আমি এবং এই ব্যক্তি (অর্থাৎ আলী) যার হাত আমি নিজের সামনে তুলে ধরছি, ব্যতীত আর কেউ তোমাদের কাছে কুরআনের সতর্কীকরণ এবং অর্থ সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারবে না।’
‘হে লোকসকল! এই সমাবেশে আমি শেষবারের মতো দাঁড়িয়েছি। আমার কথা শোনো এবং প্রভুর আদেশ মান্য করো এবং তার কাছে আত্মসমর্পণ করো। আল্লাহ, তিনিই তোমাদের প্রভু এবং অভিভাবক। তার পরে তার নবী যিনি তোমাদের সামনে খুৎবা দিচ্ছেন। তিনি তোমাদের প্রভু। তারপর আমার পরে এই আলী আল্লাহর আদেশ অনুসারে তোমাদের প্রভু এবং তোমাদের নেতা (ইমাম)। তারপর আমার বংশধরদের মধ্যে কিছু নির্বাচিত ব্যক্তির মাধ্যমে নেতৃত্ব অব্যাহত থাকবে যেদিন তোমরা আল্লাহ এবং তার নবীর সঙ্গে দেখা করবে।’
‘হে লোকসকল! অবশ্যই তোমরা তোমাদের প্রভুর সঙ্গে দেখা করবে এবং তিনি তোমাদের কর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন। সাবধান! আমার পরে একে অপরের ঘাড়ে আঘাত করে কাফের হয়ে যেও না। দেখো! যারা উপস্থিত আছো আমার কথা অনুপস্থিতদের কাছে পেঁৗছে দাও। কারণ সম্ভবত অনুপস্থিত জ্ঞানী ব্যক্তি উপস্থিত শ্রোতাদের চেয়ে আমার কথা ভালোভাবে বুঝতে পারবে। দেখো! আমি কি তোমাদের কাছে আল্লাহর বাণী পেঁৗছে দেইনি? দেখো! আমি কি তোমার কাছে আল্লাহর বাণী পেঁৗছে দিইনি?’ লোকেরা জবাব দিল: ‘হ্যাঁ।’ নবী বললেন: ‘হে আল্লাহ! সাক্ষী থাকো।’
আল্লাহর রসূল (সা.) ঘোষণা করেন: ‘মনে হচ্ছে এমন সময় ঘনিয়ে আসছে যখন আমাকে ডাকা হবে এবং আমি সেই ডাকে সাড়া দেব। আমি তোমাদের জন্য দুটি মূল্যবান জিনিস রেখে যাচ্ছি এবং যদি তোমরা উভয়কেই আঁকড়ে ধরো তাহলে আমার পরে তোমরা কখনো পথভ্রষ্ট হবে না। একটি হলো আল্লাহর কিতাব এবং আরেকটি হলো আমার বংশধর অর্থাৎ আমার আহলে বাইত। এ দুটি কখনো একে অন্যের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হবে না যতক্ষণ না তারা হাউসে কাউসারে আমার সঙ্গে মিলিত হয়।’ অতঃপর আল্লাহর রসূল (সা.) আরো বললেন: ‘মু’মিনদের উপর কি তাদের নিজেদের উপর যতটা অধিকার আছে তার চেয়ে বেশি আমার অধিকার নেই?’ লোকেরা চিৎকার করে বললো: ‘হ্যাঁ, হে আল্লাহর রসূল।’ তরপর রসূল (সা,) আলীর হাত ধরে বললেন: ‘আমি যার নেতা (মাওলা), আলীও তার নেতা (মাওলা)।’
ألَسْتُ أولى بالمؤمنين من أنفسهم؟ قالوا بلى يارسول الله. قال: من كنت مولاه فعلي مولاه. اللهم وال من والاه و عاد من عاداه.
সুন্নি রেফারেন্স:
সহীহ আল—তিরমিজী, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—২৯৮, পঞ্চম খণ্ড, পৃষ্ঠা—৬৩
সুনান ইবনে মাজাহ, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা—১২, ৪৩
খাসাঈস, আল—নাসাঈ, পৃষ্ঠা ৪, ২১
আল—মুস্তাদরাক, আল—হাকিম, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—১২৯, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—১০৯—১১০, ১১৬, ৩৭১
মুসনাদে আহমদ ইবনে হাম্বল, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা—৮৪, ১১৮, ১১৯, ১৫২, ৩৩০, চতুর্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা—২৮১, ৩৬৮, ৩৭০, ৩৭২, ৩৭৮, পঞ্চম খণ্ড, পৃষ্ঠা—৩৫, ৩৪৭, ৩৫৮, ৩৬১, ৩৬৬, ৪১৯ (৪০ জন বর্ণনাকারীর চেইন থেকে)
ফাজাঈল আল—সাহাবা, আহমদ হাম্বল রচিত, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—৫৬৩, ৫৭২
মাজমা’ আল—জাওয়াইদ, আল—হাইছামি, নবম খণ্ড, পৃষ্ঠা—১০৩ (বেশ কয়েকটি ট্রান্সমিটার থেকে)
তাফসীর আল—কবীর, ফখর আল—রাজি, দ্বাদশ খণ্ড, পৃষ্ঠা—৪৯—৫০
আল—হাফিজ জালালুদ্দিন আল—সুয়ুতি, তাফসির আল—দুর আল—মানসুর, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—১৯
তারিখ আল—খুলাফা, আল—সুয়ুতি, পৃষ্ঠা—১৬৯, ১৭৩
আল—বিদায়া ওয়াল—নিহায়াহ, ইবনে কাছির, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—২১৩, পঞ্চম খণ্ড, পৃষ্ঠা—২০৮
উসদুল গাবাহ, ইবনে আছির, অষ্টম খণ্ড, পৃষ্ঠা—১১৪
মুশকিল আল—আছার, আল—তাহাভি, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—৩০৭—৩০৮
হাবিব আল—সিয়ার, মীর খন্দ, পঞ্চম খণ্ড, তৃতীয় অংশ, পৃষ্ঠা—১৪৪
সাওয়াইক আল—মুহরীকাহ, ইবনে হাজার আল—হাইছামী, পৃষ্ঠা—২৬
আল—ইসাবাহ, ইবনে হাজার আল—আসকালানী, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—৫০৯,
তাবারানী। তিনি ইবনে উমর, মালিক ইবনুল হাবিরাছ, হাবাশি ইবনে জুনদাহ, জারি, সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস, আনাস ইবনে মালিক, ইবনে আব্বাস, আমারাহ, বুরাইদাহ প্রমুখ সাহাবীদের কাছ থেকে বর্ণনা করেছেন।
তারিখ, আল—খতিব বাগদাদী, অষ্টম খণ্ড, পৃষ্ঠা—২৯০
হিলিয়াতুল আউলিয়া, আল—হাফিজ আবু নুয়াইম, চতুর্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা—২৩, পঞ্চম খণ্ড, পৃষ্ঠা—২৬—২৭
আল—ইসতিয়াব, ইবনে আবদ আল—বার, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—৪৬২
কানজুল উম্মাল, আল—মুত্তাকি আল—হিন্দি, ষষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা—১৫৪, ৩৯৭
আল—মিরকাত, পঞ্চম খণ্ড, পৃষ্ঠা—৫৬৮ ২৩) আল—রিয়াদ আল—নাদিরাহ, আল—মুহিব আল—তাবারি, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—১৭২
ঢাকাইর আল—উকবা, আল—মুহিব আল—তাবারী, পৃষ্ঠা—৬
ফায়দ আল—কাদির, আল—মানবী, ষষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা—২১৭
ইয়ানাবি'আল—মাওয়াদ্দাহ, আল—কুদুজী আল—হানাফী, পৃষ্ঠা—২৯৭।
আ’লাম আল—ওয়ারা, পৃষ্ঠা—১৩২—১৩৩
তাজকিরাত আল—খাওয়াস আল—উম্মাহ, সিবত ইবনুল জাওযী আল—হানাফী, পৃষ্ঠা—২৮—৩৩আল—সিরাহ আল—হালাবিয়্যাহ, নূর আল—দীন আল—হালাবি তৃতীয় খণ্ড. পৃষ্ঠা— ২৭৩
সহীহ আল—তিরমিজী, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—২৯৮, পঞ্চম খণ্ড, পৃষ্ঠা—৬৩
সুনান ইবনে মাজাহ, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা—১২
খাসাইস, আল—নাসাঈ, পৃষ্ঠা—২১।
আল—মুস্তাদরাক, আল—হাকিম, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—১২৯, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা— ১০৯
মুসনাদ আহমাদ ইবনে হাম্বল, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা—৮৪ (৪০জন বর্ণনাকারীর চেইন থেকে)
ফাজাঈল আল—সাহাবা, আহমদ হাম্বল রচিত, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—৫৬৩, ৫৭২
মাজমা’ আল—জাওয়াইদ, আল—হাইছামি, নবম খণ্ড, পৃষ্ঠা—১০৩
তাফসীর আল—কবীর, ফখর আল—রাজি, দ্বাদশ খণ্ড, পৃষ্ঠা— ৪৯—৫০
তাফসীর আল—দূর আল—মানসুর, আল—হাফিজ জালালুদ্দিন আল—সুয়ুতি, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—১৯
তারিখ আল—খুলাফা, আল—সুয়ুতি, পৃষ্ঠা—১৬৯, ১৭৩
আল—বিদায়া ওয়াল—নিহায়াহ, ইবনে কাছির, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—২১৩
উসদুল গাবাহ, ইবনে আছির, চতুর্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা—১১৪
মুশকিল আল—আছার, আল—তাহাভি, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—৩০৭—৩০৮
হাবিব আল—সিয়ার, মীর খন্দ, প্রথম খণ্ড পৃষ্ঠা—১৪৪
সাওয়াইক আল—মুহরিকাহ, ইবনে হাজার আল—হাইছামী, পৃষ্ঠা—২৬
আল—ইসাবাহ, ইবনে হাজার আল—আসকালানী, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—৫০৯
তাবারানী। তিনি ইবনে উমর, মালিক ইবনুল হাবিরাছ, হাবাশি ইবনে জুনদাহ, জারী, সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস, আনাস ইবনে মালিক, ইবনে আব্বাস, আমারাহ, বুরাইদাহ প্রমুখ সাহাবী থেকে বর্ণনা করেছেন।
তারিখ, আল—খতিব বাগদাদী, অষ্টম খণ্ড, পৃষ্ঠা—২৯০
হিলিয়াতুল আউলিয়া, আল—হাফিজ আবু নুয়াইম, চতুর্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা—২৩
আল—ইসতিয়াব, ইবনে আবদ আল—বার, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—৪৬২
কানজুল উম্মাল, আল—মুত্তাকি আল—হিন্দি, ষষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা—১৫৪
আল—মিরকাত পঞ্চম খণ্ড, পৃষ্ঠা—৫৬৮
আল—রিয়াদ আল—নাদিরাহ, আল—মুহিব আল—তাবারি, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—১৭২
ঢাকাইর আল—উকবা, আল—মুহিব আল—তাবারী, পৃষ্ঠা—৬৮
ফায়াদ আল—কাদির, আল—মানবী, ষষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা—২১৭
ইয়ানাবি আল—মাওয়াদ্দাহ, আল—কুদুজি আল—হানাফী, পৃষ্ঠা—২৯৭
পুনরায় ওহী নিয়ে হযরত জিব্রাইল (আ.) উপস্থিত হন। আল্লাহ তার রসূলকে জানিয়ে দেন: ‘আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম এবং তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম। ইসলামকে তোমাদের দ্বীন হিসেবে মনোনীত করলাম।’ (সূরা মায়েদা, আয়াত নম্বর—তিন।)
কয়েকটি সুন্নি রেফারেন্স:
আল—দুর আল—মানসুর, আল—হাফিজ জালালুদ্দিন আল—সুয়ুতি, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—১৯
তারিখ, খতিব আল—বাগদাদী, অষ্টম খণ্ড, পৃষ্ঠা—২৯০, আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত।
মানাকিব, ইবনে মাগাজালী প্রণীত, পৃষ্ঠা—১৯ দামেস্কের ইতিহাস, ইবনে আসাকির, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—৭৫
আল—ইতকান, আল—সুয়ুতি, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা—১৩
খাওয়ারিজমী আল—হানাফি প্রণীত মানাকিব, পৃষ্ঠা—৮০।
আল—বিদায়া ওয়াল—নিহায়াহ, ইবনে কাছির, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা—২১৩।
ইয়ানাবি’ আল—মাওয়াদ্দাহ, লেখক: আল—কুদুজি আল—হানাফি, পৃষ্ঠা—১১৫
নুজুল আল—কুরআন, লেখক: আল—হাফিজ আবু নুয়াইম, আবু সাঈদ খুদরী থেকে বর্ণিত।
এ আয়াত স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত করছে যে, মহানবীর পরে নেতৃত্বের বিষয়টি ফয়সালা হওয়া নাগাদ ইসলাম সম্পূর্ণ হয়নি এবং মহানবীর তাৎক্ষণিক উত্তরসূরি ঘোষণার মধ্য দিয়ে ইসলাম পূর্ণতা লাভ করে।
সাহাদত হোসেন খান
(লেখাটি ‘ইসলামের অজানা ইতিহাস’ থেকে নেয়া। বইটি প্রকাশ করেছে আফসার ব্রাদার্স)