সদরুল আইন,গাজীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
গাজীপুর জেলা আ.লীগের সম্মেলণের পরিবর্তিত তারিখ ১৯ শে মে। এদিন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকার সন্নিকটে অবস্থিত প্রকৃতির রুপসী কন্যা শিল্প শহর গাজীপুর জেলা আ.লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলণ।
কিন্তু এই সম্মেলণ নির্দিষ্ট তারিখে হবে কি না, তা আবার পিছিয়ে যাবে কি না তা নিয়ে রয়েছে নেতা কর্মিদের মধ্যে উদ্বেগ উৎকন্ঠা ও সংশয়।
একই সাথে কারা হচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ এই জেলার পরবর্তি সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক তা নিয়ে রয়েছে বিচার বিশ্লেষণ আলোচনা পর্যালোচনা ও সমালোচনা।
অধিকাংশ মানুষের মতে,বর্তমান কমিটি বহাল রেখে নতুন কমিটি ঘোষণা করা যুক্তিযুক্ত বলে মনে করছেন তারা।এই কমিটির আমলে গাজীপুর সিটি নির্বাচন সহ সব উপজেলায় জনাকীর্ণ সম্মেলণের মাধ্যমে গ্রাম কমিটি থেকে শুরু করে মূল দলটির অন্যান্য কমিটি হয়েছে।ইউপি নির্বাচনে সারাদেশে নৌকার বিপর্যয়ের মধ্যেও শ্রীপুরে অভূতপূর্ব সাফল্য এসেছে।
তবে বর্তমান কমিটির ছাত্র লীগ,যুব লীগ, শ্রমিক লীগ সহ সহযোগি সংগঠনসমুহের দীর্ঘ মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলো গঠন করতে না পারাকেও ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন অনেকেই।
বেশিরভাগ মানুষ মনে করছেন, গাজীপুর জেলা আ.লীগে ইকবাল হোসেন সবুজ এমপির বিকল্প কেউ নেই।কোন অসাড় অজুহাতে তৃণমূল থেকে উঠে আসা গাজীপুরের রাজনীতির প্রতিটি কোন চেনা এই মানুষটিকে জেলার রাজনীতির বাইরে রাখাটা দলের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনবে। বিশেষ করে সাধারন সম্পাদকের পদটিতে নতুন কেউ এলে গ্রুপিং রাজনীতির সূচনা ঘটাবে ও সাংঘর্ষিক পরিস্থিতির তৈরি করবে,যা দলের জন্য শুভ হবে না।
এ কারনে বেশিরভাগ মানুষ বর্তমান জেলা কমিটির শীর্ষ দুটি পদ বহাল রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন।এর পরের মতটিই হল আখতারুজ্জামান-সবুজ কমিটি গঠনের পক্ষে।
একই সাথে তারা বলছেন যে, গাজীপুরের রাজনীতির প্রাণ পূরুষ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ,ক,ম মোজাম্মেল হককে পরবর্তি রাষ্ট্রপতি অথবা প্রেসিডিয়ামের গুরুত্বপূর্ণ পদে গাজীপুরবাসি দেখার প্রত্যাশা করে।
কারন হিসেবে তারা মনে করছেন আগামি সংসদ নির্বাচনের পরে প্রবীণ এই রাজনৈতিকের পরবর্তি নির্বাচন করার মত শারীরিক সক্ষমতা হয়ত থাকবে না।যে কারনে তারা তাকে পরবর্তি রাষ্ট্রপতি অথবা প্রেসিডিয়ামের গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখতে চায়।
অন্যদিকে গাজীপুর জেলা আ.লীগের পরবর্তি সাধারন সম্পাদক হচ্ছেন গাজীপুর-৩ আসনের প্রয়াত এমপি এ্যাড রহমত আলীর পুত্র এ্যাড জামিল হাসান দূর্জয় এবং প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যক্তির মাধ্যমে তাকে অগ্রীম জানিয়ে দিয়েছেন এমন কথা তার নেতা কর্মিরা দৃড়তার সাথে ছড়িয়ে দিয়েছেন এখানকার রাজনৈতিক অঙ্গণে।
বিষয়টি অনেকেই হাস্যপ্রদ বললেও, অনেকেই বলছেন,যেহেতু একাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছেন এবং সর্বপোরি তিনি সাবেক মন্ত্রী ও দলটির একজন নীতি নির্ধারকের সন্তান সে কারনে তার পদায়ণের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী বিশেষ বিবেচনায় নিতেই পারেন।
অপরপক্ষ মনে করছেন, জামিল হাসান দুর্জয় শ্রীপুরে পরিচিত হলেও অন্য ৪ উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গণে তার ব্যক্তি ও রাজনৈতিক পরিচয় নেই।তিনি তৃণমূলের রাজনীতি করেননি কখনোই।পিতার পরিচয় তার একমাত্র সম্বল।
জেলার বর্তমান কমিটিতে তিনি সহ- সাধারন সম্পাদক থাকলেও ২৯ টি মিটিংয়ের ২৭ টিতে তিনি ছিলেন অনুপস্থিত।জেলার রাজনীতিতে অনেকটাই অপরিচিত মুখ তিনি।এমন একজন অনভিজ্ঞ ব্যক্তির হাতে গাজীপুর জেলা আ.লীগের সাধারন সম্পাদকের মত গুরুত্বপূর্ণ পদ কিছুতেই তুলে দেওয়ার মত ভুল সিদ্ধান্ত নেবেন না বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।
গাজীপুর জেলা আ.লীগের পরবর্তি নেতৃত্ব নিয়ে জনগন যা ভাবছে
গাজীপুর জেলা আ.লীগের পরবর্তি নেতৃত্ব নিয়ে জনগন যা ভাবছে
সদরুল আইন,গাজীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ গাজীপুর জেলা আ.লীগের সম্মেলণের পরিবর্তিত তারিখ ১৯ শে মে। এদিন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকার সন্নিকটে অবস্থিত প্রকৃতির রুপসী কন্যা শিল্প শহর গাজীপুর জেলা আ.লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলণ।কিন্তু এই সম্মেলণ নির্দিষ্ট তারিখে হবে কি না, তা আবার পিছিয়ে যাবে কি না তা নিয়ে রয়েছে নেতা কর্মিদের মধ্যে উদ্বেগ উৎকন্ঠা ও সংশয়।একই সাথে কারা হচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ এই জেলার পরবর্তি সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক তা নিয়ে রয়েছে বিচার বিশ্লেষণ আলোচনা পর্যালোচনা ও সমালোচনা।অধিকাংশ মানুষের মতে,বর্তমান কমিটি বহাল রেখে নতুন কমিটি ঘোষণা করা যুক্তিযুক্ত বলে মনে করছেন তারা।এই কমিটির আমলে গাজীপুর সিটি নির্বাচন সহ সব উপজেলায় জনাকীর্ণ সম্মেলণের মাধ্যমে গ্রাম কমিটি থেকে শুরু করে মূল দলটির অন্যান্য কমিটি হয়েছে।ইউপি নির্বাচনে সারাদেশে নৌকার বিপর্যয়ের মধ্যেও শ্রীপুরে অভূতপূর্ব সাফল্য এসেছে।তবে বর্তমান কমিটির ছাত্র লীগ,যুব লীগ, শ্রমিক লীগ সহ সহযোগি সংগঠনসমুহের দীর্ঘ মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলো গঠন করতে না পারাকেও ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন অনেকেই।বেশিরভাগ
মানুষ মনে করছেন, গাজীপুর জেলা আ.লীগে ইকবাল হোসেন সবুজ এমপির বিকল্প কেউ নেই।কোন অসাড় অজুহাতে তৃণমূল থেকে উঠে আসা গাজীপুরের রাজনীতির প্রতিটি কোন চেনা এই মানুষটিকে জেলার রাজনীতির বাইরে রাখাটা দলের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনবে। বিশেষ করে সাধারন সম্পাদকের পদটিতে নতুন কেউ এলে গ্রুপিং রাজনীতির সূচনা ঘটাবে ও সাংঘর্ষিক পরিস্থিতির তৈরি করবে,যা দলের জন্য শুভ হবে না।এ কারনে বেশিরভাগ মানুষ বর্তমান জেলা কমিটির শীর্ষ দুটি পদ বহাল রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন।এর পরের মতটিই হল আখতারুজ্জামান-সবুজ কমিটি গঠনের পক্ষে। একই সাথে তারা বলছেন যে, গাজীপুরের রাজনীতির প্রাণ পূরুষ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ,ক,ম মোজাম্মেল হককে পরবর্তি রাষ্ট্রপতি অথবা প্রেসিডিয়ামের গুরুত্বপূর্ণ পদে গাজীপুরবাসি দেখার প্রত্যাশা করে।কারন হিসেবে তারা মনে করছেন আগামি সংসদ নির্বাচনের পরে প্রবীণ এই রাজনৈতিকের পরবর্তি নির্বাচন করার মত শারীরিক সক্ষমতা হয়ত থাকবে না।যে কারনে তারা তাকে পরবর্তি রাষ্ট্রপতি অথবা প্রেসিডিয়ামের গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখতে চায়।অন্যদিকে গাজীপুর জেলা আ.লীগের পরবর্তি সাধারন সম্পাদক হচ্ছেন গাজীপুর-৩ আসনের প্রয়াত
এমপি এ্যাড রহমত আলীর পুত্র এ্যাড জামিল হাসান দূর্জয় এবং প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যক্তির মাধ্যমে তাকে অগ্রীম জানিয়ে দিয়েছেন এমন কথা তার নেতা কর্মিরা দৃড়তার সাথে ছড়িয়ে দিয়েছেন এখানকার রাজনৈতিক অঙ্গণে।বিষয়টি অনেকেই হাস্যপ্রদ বললেও, অনেকেই বলছেন,যেহেতু একাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছেন এবং সর্বপোরি তিনি সাবেক মন্ত্রী ও দলটির একজন নীতি নির্ধারকের সন্তান সে কারনে তার পদায়ণের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী বিশেষ বিবেচনায় নিতেই পারেন।অপরপক্ষ মনে করছেন, জামিল হাসান দুর্জয় শ্রীপুরে পরিচিত হলেও অন্য ৪ উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গণে তার ব্যক্তি ও রাজনৈতিক পরিচয় নেই।তিনি তৃণমূলের রাজনীতি করেননি কখনোই।পিতার পরিচয় তার একমাত্র সম্বল।জেলার বর্তমান কমিটিতে তিনি সহ- সাধারন সম্পাদক থাকলেও ২৯ টি মিটিংয়ের ২৭ টিতে তিনি ছিলেন অনুপস্থিত।জেলার রাজনীতিতে অনেকটাই অপরিচিত মুখ তিনি।এমন একজন অনভিজ্ঞ ব্যক্তির হাতে গাজীপুর জেলা আ.লীগের সাধারন সম্পাদকের মত গুরুত্বপূর্ণ পদ কিছুতেই তুলে দেওয়ার মত ভুল সিদ্ধান্ত নেবেন না বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত