সদরুল আইনঃ
বিচক্ষণতা, দুরদৃষ্টি,ঠান্ডা মাথায় চিন্তাশীল সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা,অসীম ধৈর্য, সততা ও আদর্শের প্রশ্নে আপোসহীন নীতিতে অটল থাকা এবং জাতির জনকের কন্যার প্রতি পরম বিশ্বাস ও ভালবাসা গাজীপুর-৩ আসনের এমপি ইকবাল হোসেন সবুজকে নিয়ে গেছে সাফল্যের নতুন দিগন্তে।
নির্মোহ দীপ্ত চেতনার সোনালী বেদীতে তিনি আজ দাড়িয়ে। উত্তাল জনতার জনসমুদ্রে অবগাহন করেছে বারবার তার রাজনৈতিক জীবন।ফুলেল হয়েছে তার রাজনৈতিক মানব সত্ত্বা।
কুটিল চক্রান্তের শত পথ মাড়িয়ে,সহস্র সাহারা ও ভিস্যূভিয়াসের আগ্নেয়গিরীতে নিজে জ্বলে,অগনীত শ্রাবণের দূর্বিসহ কাঁন্না সাগর চোখের কোনে লুকিয়ে তিনি নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন মানুষের পরম মমতার দীপ্ত সাগরে।
একজন বাবা হিসেবে, একজন সন্তান হিসেবে, একজন স্বামী হিসেবে বা একজন ভাই হিসেবে পরিবার পরিজনদের প্রতি যে ব্যক্তি দায়িত্ব ছিল, তিনি তা পালন করার সুযোগ পাননি কখনোই।
তবে জনতার অপার ভালবাসার বৃষ্টিতে ধূয়ে গেছে তাকে কাছে না পাওয়ার সকল কষ্ট তার পরিবারের সব মানুষের।
ইকবাল হোসেন সবুজ পথ কবি বা চারণ কবিই নয়,একটি নির্মোহ কবিতা, একটি অবিনাশী জীবন্ত ইতিহাস, জনতার সোনালী বেদীতে ফোটা একটি অবিনাশী পুষ্পিত গোলাপ।
একজন মানুষ হিসেবে তারও যে অপূর্ণতা আছে তা দেখতে পারেনি আজও কেউ।তিনি কেঁদেছেন, তিনি জ্বলেছেন, তিনি পুড়ে পুড়ে খাঁক হয়ে গিয়েছেন বারবার তবে তা নিজের প্রিয়জনদের নিভৃত আঙিনায় একান্তে, সংগোপনে।
কিন্তু মানুষের জনারণ্যে যখন তিনি এসেছেন,তখন তিনি হেসেছেন, একটু আগের কাঁন্না সাগরকে পিছনে ফেলে।বুকের কোনে তপ্ত বালুচরের দহন লুকিয়ে রেখে জনতার হামনে হেসেছেন চিরায়ত সবুজ হয়ে।
ইকবাল হোসেন সবুজ পৃথিবীর কোন ধাতুতে তৈরি তা গবেষণার বিষয়।প্রচলিত ভাবনা আর চিন্তা চেতনার ধারক তিনি নন।মানুষ যা ভাবে, মানুষ যা চিন্তা করে, তিনি কখনোই তা করেন না।তাকে বুঝতে পারা দূরুহই নয় রীতিমত গবেষণার বিষয়।
পরিবারের একান্ত আঙিনায় তিনি রাগী মানুষ হিসেবেই পরিচিত।কখনো বা শিশুর মত সারল্যও বটে।তবে তিনি জীবনের সব আঙিনায়, চলার পথের সব সীমানায়, জীবনের প্রতিটি কোনে, প্রকৃতির মত সুন্দর এবং মানবিক।
ঠিক যেন সদ্য ফোটা অস্পর্শ সদ্য প্রস্ফুটিত গোলাপ কলির মত,যে একটু আগে পাপড়ি মেলেছে জীবনের আঙিনায়,মানুষের মুখর জনারণ্যে।
তার সবচেয়ে বড় গুণ হল,কথা আর অমায়িক ব্যবহারের ইন্দ্রজালে চরম বিরুদ্ধচারিকেও সহজেই আপন করে নেওয়া, তার প্রেমে মুগ্ধ করে দেওয়া।
ব্যতিক্রমধর্মি অনন্য বৈশিষ্ট, ঠোঁটের কোনে লেগে থাকা খোদা প্রদত্ত ভূবণ ভূলানো একচিলতে হাসি, দিব্য দৃষ্টিশক্তি,ব্যবহারিক ইন্দ্রজালে জড়িয়ে এক নিমিষেই মানুষকে আপন করে নেওয়ার ক্ষমতার কারনেই সব মানুষের চির প্রেমিক হতে পেরেছেন তিনি।
তারুণ্যের গর্বিত অহংকার ইকবাল হোসেন সবুজের মধ্যে মানব সত্ত্বার এমন কিছু গুনাবলী,এমন কিছু ঐশ্বরিক ক্ষমতা ও বিধাতার উপহার দেওয়া ইন্দ্রজাল বিদ্যমান রয়েছে, যে একবার তার সান্নিধ্যের নিবীড় ছায়ায় এসেছেন, সেই তার প্রেমে পড়ে গেছেন আজীবনের জন্যে।
চাইলেও পরবর্তিতে সে তার প্রেমকে অস্বীকার করতে পারেনি, তাকে ভুলে যাওয়া যায় না।হয়ত সে কারনেই তিনি হতে পেরেছেন গাজীপুরের লক্ষ কোটি জনতার প্রাণ স্পন্দন, গাজীপুরের রাজনৈতিক ইতিহাসে জনপ্রিয়তার জীবন্ত কীংবদন্তি।
অসীম সহ্য ক্ষমতার এক অপার মহাসমুদ্র ইকবাল হোসেন সবুজ।তার ধারন ক্ষমতার গভীরতার শেষ সীমানা কোথায় তা নিরুপন করার সাধ্য কারো নেই।
রাজনীতির উত্তাল টর্ণেডোর সামনেও তিনি নির্ভয়ে থাকতে পারেন অবিচল।মহা সাইক্লোনের সামনেও তিনি আগামির স্বপ্ন বুনেন, স্বপ্নীল জীবনের ছবি আঁকেন মনের মাধুরী মিশিয়ে জীবনের ক্যানভাসে স্বপ্নের বর্ণীল রং-তুলিতে।
ক্লান্তিহীন অবিরাম রাজনীতির মিছিলে, জীবনের মঞ্চে,মুখর রাজপথে,চক্রান্তের অসংখ্য গীরিখাদ আর চোরাবালি তিনি পার হতে পারেন সততার উদ্ভাসিত সোনালী আলোয় নিমিষেই।
হয়ত তাই তিনি হতে পেরেছেন শুধুই জনতার,হতে পেরেছেন মানুষের মিছিলে গাজীপুরের রাখাল রাজা, জন-নন্দিত এমপি আর সকলের প্রিয় সবুজ ভাই।
নজিরবিহীন জনপ্রিয়তার মাইলফক স্পর্শ করেছে তার ভাগ্য ললাট,হতে পেরেছেন ভিন্ন ও অনন্য উঠান বৈঠকের অন্যতম রুপকার ও শীর্ষ জনপ্রিয়তার জনক গাজীপুরের শ্যামল আঙিনায়। হতে পেরেছেন মানবতা প্রতিষ্ঠার অনন্য পথিকৃত ইকবাল হোসেন সবুজ এমপি।সবার প্রিয় সবুজ ভাই।
গাজীপুরের পথ কবি 'ইকবাল হোসেন সবুজ', যেন এক অবিনাশী কবিতা
গাজীপুরের পথ কবি 'ইকবাল হোসেন সবুজ', যেন এক অবিনাশী কবিতা
সদরুল আইনঃ বিচক্ষণতা, দুরদৃষ্টি,ঠান্ডা মাথায় চিন্তাশীল সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা,অসীম ধৈর্য, সততা ও আদর্শের প্রশ্নে আপোসহীন নীতিতে অটল থাকা এবং জাতির জনকের কন্যার প্রতি পরম বিশ্বাস ও ভালবাসা গাজীপুর-৩ আসনের এমপি ইকবাল হোসেন সবুজকে নিয়ে গেছে সাফল্যের নতুন দিগন্তে। নির্মোহ দীপ্ত চেতনার সোনালী বেদীতে তিনি আজ দাড়িয়ে। উত্তাল জনতার জনসমুদ্রে অবগাহন করেছে বারবার তার রাজনৈতিক জীবন।ফুলেল হয়েছে তার রাজনৈতিক মানব সত্ত্বা।কুটিল চক্রান্তের শত পথ মাড়িয়ে,সহস্র সাহারা ও ভিস্যূভিয়াসের আগ্নেয়গিরীতে নিজে জ্বলে,অগনীত শ্রাবণের দূর্বিসহ কাঁন্না সাগর চোখের কোনে লুকিয়ে তিনি নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন মানুষের পরম মমতার দীপ্ত সাগরে। একজন বাবা হিসেবে, একজন সন্তান হিসেবে, একজন স্বামী হিসেবে বা একজন ভাই হিসেবে পরিবার পরিজনদের প্রতি যে ব্যক্তি দায়িত্ব ছিল, তিনি তা পালন করার সুযোগ পাননি কখনোই। তবে জনতার অপার ভালবাসার বৃষ্টিতে ধূয়ে গেছে তাকে কাছে না পাওয়ার সকল কষ্ট তার পরিবারের সব মানুষের। ইকবাল হোসেন সবুজ পথ কবি বা চারণ কবিই নয়,একটি নির্মোহ কবিতা, একটি অবিনাশী জীবন্ত ইতিহাস, জনতার সোনালী বেদীতে ফোটা একটি অবিনাশী পুষ্পিত গোলাপ।একজন মানুষ হিসেবে তারও যে অপূর্ণতা আছে তা দেখতে পারেনি আজও কেউ।তিনি কেঁদেছেন, তিনি জ্বলেছেন, তিনি পুড়ে পুড়ে খাঁক হয়ে গিয়েছেন বারবার তবে তা
নিজের প্রিয়জনদের নিভৃত আঙিনায় একান্তে, সংগোপনে।কিন্তু মানুষের জনারণ্যে যখন তিনি এসেছেন,তখন তিনি হেসেছেন, একটু আগের কাঁন্না সাগরকে পিছনে ফেলে।বুকের কোনে তপ্ত বালুচরের দহন লুকিয়ে রেখে জনতার হামনে হেসেছেন চিরায়ত সবুজ হয়ে। ইকবাল হোসেন সবুজ পৃথিবীর কোন ধাতুতে তৈরি তা গবেষণার বিষয়।প্রচলিত ভাবনা আর চিন্তা চেতনার ধারক তিনি নন।মানুষ যা ভাবে, মানুষ যা চিন্তা করে, তিনি কখনোই তা করেন না।তাকে বুঝতে পারা দূরুহই নয় রীতিমত গবেষণার বিষয়।পরিবারের একান্ত আঙিনায় তিনি রাগী মানুষ হিসেবেই পরিচিত।কখনো বা শিশুর মত সারল্যও বটে।তবে তিনি জীবনের সব আঙিনায়, চলার পথের সব সীমানায়, জীবনের প্রতিটি কোনে, প্রকৃতির মত সুন্দর এবং মানবিক।ঠিক যেন সদ্য ফোটা অস্পর্শ সদ্য প্রস্ফুটিত গোলাপ কলির মত,যে একটু আগে পাপড়ি মেলেছে জীবনের আঙিনায়,মানুষের মুখর জনারণ্যে।তার সবচেয়ে বড় গুণ হল,কথা আর অমায়িক ব্যবহারের ইন্দ্রজালে চরম বিরুদ্ধচারিকেও সহজেই আপন করে নেওয়া, তার প্রেমে মুগ্ধ করে দেওয়া। ব্যতিক্রমধর্মি অনন্য বৈশিষ্ট, ঠোঁটের কোনে লেগে থাকা খোদা প্রদত্ত ভূবণ ভূলানো একচিলতে হাসি, দিব্য দৃষ্টিশক্তি,ব্যবহারিক ইন্দ্রজালে জড়িয়ে এক নিমিষেই মানুষকে আপন করে নেওয়ার ক্ষমতার কারনেই সব মানুষের চির প্রেমিক হতে পেরেছেন তিনি। তারুণ্যের গর্বিত অহংকার ইকবাল হোসেন সবুজের মধ্যে মানব সত্ত্বার এমন কিছু গুনাবলী,এমন কিছু ঐশ্বরিক ক্ষমতা ও বিধাতার উপহার দেওয়া ইন্দ্রজাল বিদ্যমান রয়েছে, যে একবার তার সান্নিধ্যের
নিবীড় ছায়ায় এসেছেন, সেই তার প্রেমে পড়ে গেছেন আজীবনের জন্যে। চাইলেও পরবর্তিতে সে তার প্রেমকে অস্বীকার করতে পারেনি, তাকে ভুলে যাওয়া যায় না।হয়ত সে কারনেই তিনি হতে পেরেছেন গাজীপুরের লক্ষ কোটি জনতার প্রাণ স্পন্দন, গাজীপুরের রাজনৈতিক ইতিহাসে জনপ্রিয়তার জীবন্ত কীংবদন্তি। অসীম সহ্য ক্ষমতার এক অপার মহাসমুদ্র ইকবাল হোসেন সবুজ।তার ধারন ক্ষমতার গভীরতার শেষ সীমানা কোথায় তা নিরুপন করার সাধ্য কারো নেই।রাজনীতির উত্তাল টর্ণেডোর সামনেও তিনি নির্ভয়ে থাকতে পারেন অবিচল।মহা সাইক্লোনের সামনেও তিনি আগামির স্বপ্ন বুনেন, স্বপ্নীল জীবনের ছবি আঁকেন মনের মাধুরী মিশিয়ে জীবনের ক্যানভাসে স্বপ্নের বর্ণীল রং-তুলিতে। ক্লান্তিহীন অবিরাম রাজনীতির মিছিলে, জীবনের মঞ্চে,মুখর রাজপথে,চক্রান্তের অসংখ্য গীরিখাদ আর চোরাবালি তিনি পার হতে পারেন সততার উদ্ভাসিত সোনালী আলোয় নিমিষেই। হয়ত তাই তিনি হতে পেরেছেন শুধুই জনতার,হতে পেরেছেন মানুষের মিছিলে গাজীপুরের রাখাল রাজা, জন-নন্দিত এমপি আর সকলের প্রিয় সবুজ ভাই।নজিরবিহীন জনপ্রিয়তার মাইলফক স্পর্শ করেছে তার ভাগ্য ললাট,হতে পেরেছেন ভিন্ন ও অনন্য উঠান বৈঠকের অন্যতম রুপকার ও শীর্ষ জনপ্রিয়তার জনক গাজীপুরের শ্যামল আঙিনায়। হতে পেরেছেন মানবতা প্রতিষ্ঠার অনন্য পথিকৃত ইকবাল হোসেন সবুজ এমপি।সবার প্রিয় সবুজ ভাই।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত