শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
ধর্ম ইলমহীন বক্তারা সমাজে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে

ইলমহীন বক্তারা সমাজে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে

এদেশের মাঠ পর্যায়ের অধিকাংশ ওয়ায়েজীন মূর্খ। কোন ইলম নেই। কোরআন - হাদীস নিয়ে কোন পড়াশুনা নেই। অনেকেই মনগড়া ওয়াজ করেন। যেকারণে সমাজের মানুষ  বিভ্রান্তিতে পড়ে যায়। সঠিক মেসেজ তাদের কাছে পৌছে না।

আজকাল বক্তা অনেক নামি-দামি,  টাকাও নেন পকেট ভরে, কিন্তু জাতিকে ভুল মেসেজ দিয়ে যায়। সেসব ওয়াজ শুনে মানুষ গোমরাহীর দিকে ধাবিত হয়। ওয়াজের দ্বারা জাতির হেদায়েত দুরের ব্যাপার, মানুষ চরম ভাবে  বিভ্রান্তির  শিকার হচ্ছেন।

ওয়াজের আযোজক ও স্রোতারাও বেকায়দার মানুষ। শুধু ভাইরাল বক্তা তালাশ করেন। মাদ্রাসা এবং মসজিদে বক্তা না খুঁজে ওনারা ইউটিউবে গিয়ে বক্তা তালাশ করেন। আর ইউটিউব  আরেক চিত্রজগত। ওখানে তিলকে তাল বানানো হয়। তালকে বানানো হয় তিল। চিত্রজগতের নায়ক- নায়িকাদের মত মেকাপ লাগিয়ে বক্তা বানানো হয় অর্থাৎ ইলম না থাকলেও সে বক্তা,  পীরের যোগ্যতা না থাকলেও সে পীর।  এসবই ইউটিউবের কারসাজি।ওখানের অধিকাংশ বক্তাই মেকাপের উপরে নির্ভর করে। মানে উপরে ফিটফাট ভিতরে সদরঘাট।  কোন ইলমওয়ালা লোক ওই ইউটিউবে মেকাপ লাগাতে যায় না। যারা যায় সবই মেকআপ  লাগানো ইলমহীন মানুষ।

মানে ইলমওয়ালা লোক নিজেকে ভাইরাল করার ধান্দায় থাকে না। কিন্তু ইউটিউব জগৎ হলো ভাইরাল হওয়ার জগৎ। ওখানে গিয়ে মানুষ শুধু ভাইরালই হতে চায়। কোরআন সুন্নাহের জ্ঞান থাকুক বা নাই থাকুক, ওরা মাল কামানোর নেশায় ভাইরাল হতে চায়।
সুতরাং ইলমহীন ভাইরাল হওয়া ধান্দা যাদের, যাদের  উদ্দেশ্য শুধু টাকা কামানো, জাতির হেদায়েত উদ্দেশ্য নয়, ওদের দিয়ে এ জাতির কোন ফায়দা হবে না। বরং মানুষ গোমরাহীতে ডুবে যাবে।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকল মূর্খ বক্তাদের গোমরাহীমূলক ওয়াজ থেকে হেফাজত করেন। আমিন।

আমিনুল ইসলাম কাসেমী  (শিক্ষক ও কলামিস্ট)

খুঁজুন