দীর্ঘ ৯ বছর পর তৃতীয়বারের মতো নিজেদের লোগো পরিবর্তন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। নতুন লোগোতে সবুজ পতাকার ভেতরে একটি খোলা কিতাবের ওপর উদীয়মান সূর্য এবং তার মাঝ বরাবর একটি কলম বসানো হয়েছে। কলমটি দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লার দণ্ড হিসেবে প্রতিফলিত হয়েছে। কিতাবের দুই প্রান্ত থেকে একটি অর্ধবৃত্ত আকারে প্রবেশদ্বারও যুক্ত করা হয়েছে, যা ‘উন্মুক্ত দ্বার’-এর প্রতীক হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।
এর আগে জামায়াতের লোগোতে গম্বুজাকৃতির ভেতরে আল্লাহ শব্দের মাঝখানে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছিল। নিচে আরবি ভাষায় লেখা ছিল “আকিমুদ দ্বীন” (অর্থাৎ দ্বীন কায়েম করো)। তারও আগে তাদের লোগো ছিল বাংলাদেশের পতাকার আদলে লাল-সবুজ আকারে- ওপরে লাল অংশে লেখা ছিল “বাংলাদেশ” এবং নিচে সবুজ অংশে লেখা ছিল “জামায়াতে ইসলামী।”
কিন্তু এবারের পরিবর্তনে দলটি বেশ কিছু চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন লোগো থেকে “আল্লাহ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নামের শেষে “ইসলাম” শব্দের “ম” অক্ষরটি কালো কালি দিয়ে আড়াল করা হয়েছে। তবে এ পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনো দলীয়ভাবে জানানো হয়নি।
এই ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন-
১. ক্ষমতার লোভেই কি জামায়াত তাদের লোগো থেকে আল্লাহ শব্দ মুছে দিলো?
২. ইসলামপন্থী দল হিসেবে নিজেদের পরিচয় ঝাপসা করে কি তারা মূলধারার রাজনীতিতে টিকে থাকার কৌশল নিয়েছে?
৩. মুসলিম লীগ থেকে আওয়ামী লীগের জন্মের মতো, জামায়াতেরও কি ক্রমান্বয়ে অধঃপতন ঘটছে?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দলটি হয়তো আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট ও বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নতুন ইমেজ তৈরি করার চেষ্টা করছে। তবে লোগোর ভেতরকার পরিবর্তন যে তাদের আদর্শিক অবস্থান নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি করবে, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে ইতিমধ্যেই।
একসময় কঠোর ইসলামপন্থী অবস্থানের কারণে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচিত-সমালোচিত ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক এই পরিবর্তন প্রমাণ করছে, ক্ষমতায় ফেরা ও রাজনীতিতে টিকে থাকার জন্য দলটি নানাভাবে নিজেদের রূপ পাল্টাচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এ লোগো পরিবর্তন কি কেবল কৌশল, নাকি আদর্শ থেকে ধীরে ধীরে সরে আসার প্রমাণ?
এর আগে জামায়াতের লোগোতে গম্বুজাকৃতির ভেতরে আল্লাহ শব্দের মাঝখানে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছিল। নিচে আরবি ভাষায় লেখা ছিল “আকিমুদ দ্বীন” (অর্থাৎ দ্বীন কায়েম করো)। তারও আগে তাদের লোগো ছিল বাংলাদেশের পতাকার আদলে লাল-সবুজ আকারে- ওপরে লাল অংশে লেখা ছিল “বাংলাদেশ” এবং নিচে সবুজ অংশে লেখা ছিল “জামায়াতে ইসলামী।”
কিন্তু এবারের পরিবর্তনে দলটি বেশ কিছু চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন লোগো থেকে “আল্লাহ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নামের শেষে “ইসলাম” শব্দের “ম” অক্ষরটি কালো কালি দিয়ে আড়াল করা হয়েছে। তবে এ পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনো দলীয়ভাবে জানানো হয়নি।
এই ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন-
১. ক্ষমতার লোভেই কি জামায়াত তাদের লোগো থেকে আল্লাহ শব্দ মুছে দিলো?
২. ইসলামপন্থী দল হিসেবে নিজেদের পরিচয় ঝাপসা করে কি তারা মূলধারার রাজনীতিতে টিকে থাকার কৌশল নিয়েছে?
৩. মুসলিম লীগ থেকে আওয়ামী লীগের জন্মের মতো, জামায়াতেরও কি ক্রমান্বয়ে অধঃপতন ঘটছে?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দলটি হয়তো আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট ও বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নতুন ইমেজ তৈরি করার চেষ্টা করছে। তবে লোগোর ভেতরকার পরিবর্তন যে তাদের আদর্শিক অবস্থান নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি করবে, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে ইতিমধ্যেই।
একসময় কঠোর ইসলামপন্থী অবস্থানের কারণে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচিত-সমালোচিত ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক এই পরিবর্তন প্রমাণ করছে, ক্ষমতায় ফেরা ও রাজনীতিতে টিকে থাকার জন্য দলটি নানাভাবে নিজেদের রূপ পাল্টাচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এ লোগো পরিবর্তন কি কেবল কৌশল, নাকি আদর্শ থেকে ধীরে ধীরে সরে আসার প্রমাণ?