সদরুল আইনঃ
আগামিকাল (১৯শে মে) বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকা সংলগ্ন শিল্প শহর গাজীপুর জেলা আ.লীগের বহুল আলোচিত ত্রি-বার্ষিক সম্মেলণ।
ইতিমধ্যেই রাজবাড়ি মাঠে জেলা সম্মেলণ উপলক্ষে বর্ণীল মঞ্চ, বিল বোর্ড, বিশেষ উন্নয়ন দৃশ্য প্রদর্শণের ব্যবস্থা,সিসিটিভি স্থাপণসহ আধুনিক প্রযুক্তির সমাবেশ ও তিনস্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী গ্রহন করা হয়েছে।
গাজীপুর জেলা আ.লীগের বর্তমান কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রথম প্রতিরধোধ যুদ্ধের মহানায়ক আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি এবং গাজীপুর-৩ আসনের সাংসদ উঠান বৈঠকের অনন্য রুপকার সফল সংগঠক ইকবাল সবুজ।
এই এলাকার বিভিন্ন স্তরের মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, জেলা আ.লীগের আগামিকালের শীর্ষ পদসমুহে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়ে কেউ এখন পর্যন্ত প্রার্থি হননি।
তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ প্রচার প্রচারনায় যেসব নাম আলোচিত হচ্ছে তাদের মধ্যে বর্তমান কমিটির উল্লেখিত দু'জন ছাড়াও আখতারুজ্জামান,আমানত হোসেন খান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল বিএ, এড.জামিল হাসান দুর্জয়'র নাম সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক হিসেবে শোনা যাচ্ছে।
ধারনা করা হচ্ছে, সম্মেলণের প্রথম পর্বের পর দ্বিতীয় পর্বের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে সভাপতি, সাধারন সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পদক পদের প্রার্থি তালিকা দীর্ঘায়িত হবে।
কালকের সম্মেলণে বর্তমান কমিটি বহাল থাকছে নাকি নতুন নেতৃত্ব আসছে অথবা বর্তমান কমিটি আংশিক পরিবর্তন হচ্ছে এ নিয়ে এই জেলার মানুষের মধ্যে রয়েছে নানা বিশ্লেষণ।
যে, যে নেতার অনুসারি তারা সেই নেতার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে সরোব আলোচনা চালাচ্ছেন।কোন কোন প্রার্থির অনুসারিরা পদ পাওয়ার ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চিত ও আশাবাদী হয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিচ্ছেন।
এমনি এক সমীকরণে বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল গভীর পর্যবেক্ষণ ও চোখ রেখেছেন আগামিকালের আ.লীগের সম্মেলণের দিকে।দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মিরা তাদের নেতার বিজয় ছিনিয়ে আনতে ব্যানার ফেস্টুনসহ সম্মেলণে যেতে প্রস্তুতি গ্রহন করেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ছোটখাট কিছু ভুল ত্রুটি থাকলেও বর্তমান কমিটি সফল।তাদের মেয়াদকালে গাজীপুর জেলা আ.লীগ স্বর্ণযুগে প্রবেশ করে।শীর্ষ নেতারা সাংগঠনিকভাবে দক্ষ।অসাংগঠনিক বা তৃণমূলের রাজনীতি থেকে জন্ম না নেওয়া কোন ব্যক্তিকে পদায়ণ যথার্থ হবে না।
কারন হিসেবে তারা বলছেন, অন্য জেলাগুলো আর গাজীপুরের প্রেক্ষাপট ভিন্ন।এখানে দক্ষ সংগঠক ছাড়া পদায়ণ করলে ব্যক্তির চেয়ে দল ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।অভ্যন্তরিণ কোন্দল,দ্বিমুখী নেতৃত্ব তৈরি করবে।যা আ.লীগের জন্য শুভ হবে না।
এই জেলার বেশিরভাগ সাধারন মানুষ মনে করছেন, আ.লীগের জন্য সবদিক বিবেচনায় বর্তমান নেতৃত্ব আরও এক মেয়াদের জন্য বহাল রাখা সমীচিন হবে।তবে দু'একটি পদে পরিবর্তন আসলে দলটি তেমন কোন ক্ষতিগ্রস্থ হবে না।
একই সাথে তারা বলেছেন, যেহেতু জেলার শীর্ষ পদে কারা থাকবেন তা দলিয় প্রধানের নির্দেশে হয়ে থাকে, সেকারনে গাজীপুর জেলা আ.লীগে কারা শীর্ষ পদে থাকলে দলের জন্য মঙ্গল হবে তেমন নেতৃত্বকেই প্রধানমন্ত্রী শীর্ষ পদে রাখবেন বলে তারা আস্থা প্রকাশ করেছেন।
কারা হচ্ছেন গাজীপুর জেলা আ.লীগের নতুন কান্ডারি?
কারা হচ্ছেন গাজীপুর জেলা আ.লীগের নতুন কান্ডারি?
সদরুল আইনঃ আগামিকাল (১৯শে মে) বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকা সংলগ্ন শিল্প শহর গাজীপুর জেলা আ.লীগের বহুল আলোচিত ত্রি-বার্ষিক সম্মেলণ।ইতিমধ্যেই রাজবাড়ি মাঠে জেলা সম্মেলণ উপলক্ষে বর্ণীল মঞ্চ, বিল বোর্ড, বিশেষ উন্নয়ন দৃশ্য প্রদর্শণের ব্যবস্থা,সিসিটিভি স্থাপণসহ আধুনিক প্রযুক্তির সমাবেশ ও তিনস্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী গ্রহন করা হয়েছে।গাজীপুর জেলা আ.লীগের বর্তমান কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রথম প্রতিরধোধ যুদ্ধের মহানায়ক আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি এবং গাজীপুর-৩ আসনের সাংসদ উঠান বৈঠকের অনন্য রুপকার সফল সংগঠক ইকবাল সবুজ।এই এলাকার বিভিন্ন স্তরের মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, জেলা আ.লীগের আগামিকালের শীর্ষ পদসমুহে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়ে কেউ এখন পর্যন্ত প্রার্থি হননি।তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ প্রচার প্রচারনায় যেসব নাম আলোচিত হচ্ছে তাদের মধ্যে বর্তমান কমিটির উল্লেখিত দু'জন ছাড়াও আখতারুজ্জামান,আমানত হোসেন খান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান
আব্দুল জলিল বিএ, এড.জামিল হাসান দুর্জয়'র নাম সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক হিসেবে শোনা যাচ্ছে।ধারনা করা হচ্ছে, সম্মেলণের প্রথম পর্বের পর দ্বিতীয় পর্বের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে সভাপতি, সাধারন সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পদক পদের প্রার্থি তালিকা দীর্ঘায়িত হবে।কালকের সম্মেলণে বর্তমান কমিটি বহাল থাকছে নাকি নতুন নেতৃত্ব আসছে অথবা বর্তমান কমিটি আংশিক পরিবর্তন হচ্ছে এ নিয়ে এই জেলার মানুষের মধ্যে রয়েছে নানা বিশ্লেষণ।যে, যে নেতার অনুসারি তারা সেই নেতার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে সরোব আলোচনা চালাচ্ছেন।কোন কোন প্রার্থির অনুসারিরা পদ পাওয়ার ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চিত ও আশাবাদী হয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিচ্ছেন।এমনি এক সমীকরণে বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল গভীর পর্যবেক্ষণ ও চোখ রেখেছেন আগামিকালের আ.লীগের সম্মেলণের দিকে।দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মিরা তাদের নেতার বিজয় ছিনিয়ে আনতে ব্যানার ফেস্টুনসহ সম্মেলণে যেতে প্রস্তুতি গ্রহন করেছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ছোটখাট কিছু ভুল ত্রুটি থাকলেও বর্তমান কমিটি সফল।তাদের মেয়াদকালে
গাজীপুর জেলা আ.লীগ স্বর্ণযুগে প্রবেশ করে।শীর্ষ নেতারা সাংগঠনিকভাবে দক্ষ।অসাংগঠনিক বা তৃণমূলের রাজনীতি থেকে জন্ম না নেওয়া কোন ব্যক্তিকে পদায়ণ যথার্থ হবে না।কারন হিসেবে তারা বলছেন, অন্য জেলাগুলো আর গাজীপুরের প্রেক্ষাপট ভিন্ন।এখানে দক্ষ সংগঠক ছাড়া পদায়ণ করলে ব্যক্তির চেয়ে দল ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।অভ্যন্তরিণ কোন্দল,দ্বিমুখী নেতৃত্ব তৈরি করবে।যা আ.লীগের জন্য শুভ হবে না।এই জেলার বেশিরভাগ সাধারন মানুষ মনে করছেন, আ.লীগের জন্য সবদিক বিবেচনায় বর্তমান নেতৃত্ব আরও এক মেয়াদের জন্য বহাল রাখা সমীচিন হবে।তবে দু'একটি পদে পরিবর্তন আসলে দলটি তেমন কোন ক্ষতিগ্রস্থ হবে না।একই সাথে তারা বলেছেন, যেহেতু জেলার শীর্ষ পদে কারা থাকবেন তা দলিয় প্রধানের নির্দেশে হয়ে থাকে, সেকারনে গাজীপুর জেলা আ.লীগে কারা শীর্ষ পদে থাকলে দলের জন্য মঙ্গল হবে তেমন নেতৃত্বকেই প্রধানমন্ত্রী শীর্ষ পদে রাখবেন বলে তারা আস্থা প্রকাশ করেছেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত