উত্তম কুমার (যশোর) জেলা প্রতিনিধি
যশোরের কেশবপুর টানা বর্ষনে প্লাবিত হয়েছে ৫০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অনেক স্কুলের কক্ষে পানি ঠুকে পরেছে,বন্ধ রাখা হয়েছে পাঠদান কার্যক্রম। অন্যথায় ক্লাস নিচ্ছে অনেক প্রতিষ্ঠান, একারনে লেখা পড়া ব্যহত হচ্ছে স্কুলগামী ছাত্র ছাত্রীদের।
স্কুল মাঠে পানি থৈথৈ করার কারনে শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে খেলাধুলা থেকে,সম্প্রীতি টানা বৃষ্টি ও নদ-নদীর উপচে পড়া পানির কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক সূত্রে জানা গেছে কেশবপুর ৩২ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১ টি কলেজ ১১ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৬ টি মাদ্রাসা প্লাবিত হয়েছে, এছাড়া পৌরসভা সহ ১১ টি ইউনিয়নের ১০৪ টি গ্রমের ৪০ হাজার মানুষ পানি বন্দী হয়ে পরেছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কক্ষ গুলো তে পানি ঢুকে পড়ায় ক্লাস নিতে হচ্ছে অন্যত্র,বন্যার কারনে স্কুলে শিক্ষার্থী কমে গেছে। রাজনগর বাঁকাবর্ষি মোড়লপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন বলেন, বন্যার কারনে পানি তিন টি কক্ষেঢুকে পড়ায় পাসে মকবুল হোসেনের বাড়িতে পাঠদান করানো হয়।শিক্ষার্থীদের বাড়ি ঘরে পানি উঠায় চতুর্থ ওপঞ্চম শ্রেণির অনেক শিক্ষার্থী দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন পরিক্ষা দিতে পারেনি, মহাদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিচুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীরা বন্যার পানি মাঠে জমে থাকায় খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, মধ্যকুল মহিলা আলিম মাদ্রাসার অধ্যাক্ষ কপিল উদ্দিন বলেন,মাদ্রাসার শ্রেনী কক্ষে পানি ঢোকার কারনে পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে, বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে লিখিত ভাবে অবহিত করা হয়েছে।
সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আনিচুর রহমান বলছেন, বন্যার পানিতে প্লাবিত হওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ উচু করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট তালিকা পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা এস এম জিল্লুর রশিদ বলেনবন্যায় প্লাবিত মাধ্যমিক বিদ্যালয় গুলোর তালিকা কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরন করা হয়েছে।
কেশবপুর পানিতে প্লাবিত, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত
কেশবপুর পানিতে প্লাবিত, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত
উত্তম কুমার (যশোর) জেলা প্রতিনিধি যশোরের কেশবপুর টানা বর্ষনে প্লাবিত হয়েছে ৫০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অনেক স্কুলের কক্ষে পানি ঠুকে পরেছে,বন্ধ রাখা হয়েছে পাঠদান কার্যক্রম। অন্যথায় ক্লাস নিচ্ছে অনেক প্রতিষ্ঠান, একারনে লেখা পড়া ব্যহত হচ্ছে স্কুলগামী ছাত্র ছাত্রীদের।স্কুল মাঠে পানি থৈথৈ করার কারনে শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে খেলাধুলা থেকে,সম্প্রীতি টানা বৃষ্টি ও নদ-নদীর উপচে পড়া পানির কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক সূত্রে জানা গেছে কেশবপুর ৩২ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১ টি কলেজ ১১ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৬ টি মাদ্রাসা প্লাবিত
হয়েছে, এছাড়া পৌরসভা সহ ১১ টি ইউনিয়নের ১০৪ টি গ্রমের ৪০ হাজার মানুষ পানি বন্দী হয়ে পরেছে।প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কক্ষ গুলো তে পানি ঢুকে পড়ায় ক্লাস নিতে হচ্ছে অন্যত্র,বন্যার কারনে স্কুলে শিক্ষার্থী কমে গেছে। রাজনগর বাঁকাবর্ষি মোড়লপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন বলেন, বন্যার কারনে পানি তিন টি কক্ষেঢুকে পড়ায় পাসে মকবুল হোসেনের বাড়িতে পাঠদান করানো হয়।শিক্ষার্থীদের বাড়ি ঘরে পানি উঠায় চতুর্থ ওপঞ্চম শ্রেণির অনেক শিক্ষার্থী দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন পরিক্ষা দিতে পারেনি, মহাদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিচুর রহমান বলেন,
শিক্ষার্থীরা বন্যার পানি মাঠে জমে থাকায় খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, মধ্যকুল মহিলা আলিম মাদ্রাসার অধ্যাক্ষ কপিল উদ্দিন বলেন,মাদ্রাসার শ্রেনী কক্ষে পানি ঢোকার কারনে পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে, বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে লিখিত ভাবে অবহিত করা হয়েছে। সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আনিচুর রহমান বলছেন, বন্যার পানিতে প্লাবিত হওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ উচু করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট তালিকা পাঠানো হয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা এস এম জিল্লুর রশিদ বলেনবন্যায় প্লাবিত মাধ্যমিক বিদ্যালয় গুলোর তালিকা কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরন করা হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত