দেশের সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত আজ থেকে ভর্তি কার্যক্রম শুরু। চলবে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে সরকারি (সব) ও বেসরকারি (মহানগরী ও জেলার সদর উপজেলা পর্যায়) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শূন্য আসনের বিপরীতে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়া ১২ ও ১৩ ডিসেম্বর হয়েছে।
ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠান-পরবর্তী নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফলাফল সিট (অপেক্ষমাণ তালিকাসহ) এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে। ফল সিট অনুযায়ী ক্রমানুসারে রবিবার থেকে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রমের তারিখ নির্ধারিত হয়েছে। অপেক্ষমাণ তালিকার ক্ষেত্রে ২২ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।
ভর্তির সময় নির্বাচিত শিক্ষার্থীর কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করতে হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীর কাগজপত্র যাচাইকালীন শিক্ষার্থীর জন্মসনদের মূলকপি, জন্মসনদের অনলাইন কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অনলাইনে যাচাই করতে হবে), মা-বাবার জাতীয় পরিচয়পত্রের মূলকপি ভালো করে দেখতে হবে।
মিথ্যা তথ্য প্রদানের মাধ্যমে কোনো শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়ে থাকলে (যাচাই সাপেক্ষে) তাকে ভর্তি করা যাবে না। একই শিক্ষার্থী অনলাইনে জন্মনিবন্ধন নম্বর বারবার পরিবর্তন করে মিথ্যা তথ্য প্রদানের মাধ্যমে একাধিকবার নির্বাচিত হয়ে থাকলে (যাচাই সাপেক্ষে) জালিয়াতির কারণে তাকে ভর্তি করা যাবে না।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক সর্বশেষ জারি করা ভর্তি নীতিমালায় যেসব কোটা সংরক্ষিত আছে ভর্তির সময়ে ওই কোটাগুলো নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের কোটাসংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যথাযথভাবে যাচাই করতে হবে। শুধু বীর মুক্তিযোদ্ধা কোটা ছাড়া অন্য সংরক্ষিত কোটায় শূন্য আসন পূরণ না হলে সাধারণ নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে অপেক্ষমাণ তালিকার ক্রমানুসারে শূন্য আসন পূরণ করতে হবে। আর সহোদর/সহোদরা বা যমজ ভাইবোনের ভর্তি বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি ভর্তি নীতিমালা-২০২২ এ স্পষ্ট করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নীতিমালা অনুযায়ী সহোদর/সহোদরা বা যমজ ভাইবোনকে সংশ্লিষ্ট ভর্তি কমিটি আবেদন যাচাই-বাছাই করে ভর্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তবে এ সুবিধা কোনো দম্পতির সর্বোচ্চ দুই সন্তানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
মাধ্যমিকে ভর্তিযুদ্ধ শুরু আজ থেকে
মাধ্যমিকে ভর্তিযুদ্ধ শুরু আজ থেকে
দেশের সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত আজ থেকে ভর্তি কার্যক্রম শুরু। চলবে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে সরকারি (সব) ও বেসরকারি (মহানগরী ও জেলার সদর উপজেলা পর্যায়) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শূন্য আসনের বিপরীতে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়া ১২ ও ১৩ ডিসেম্বর হয়েছে।ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠান-পরবর্তী নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফলাফল সিট (অপেক্ষমাণ তালিকাসহ) এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে। ফল সিট অনুযায়ী ক্রমানুসারে রবিবার থেকে ২১ ডিসেম্বর
পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রমের তারিখ নির্ধারিত হয়েছে। অপেক্ষমাণ তালিকার ক্ষেত্রে ২২ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।ভর্তির সময় নির্বাচিত শিক্ষার্থীর কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করতে হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীর কাগজপত্র যাচাইকালীন শিক্ষার্থীর জন্মসনদের মূলকপি, জন্মসনদের অনলাইন কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অনলাইনে যাচাই করতে হবে), মা-বাবার জাতীয় পরিচয়পত্রের মূলকপি ভালো করে দেখতে হবে।মিথ্যা তথ্য প্রদানের মাধ্যমে কোনো শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়ে থাকলে (যাচাই সাপেক্ষে) তাকে ভর্তি করা যাবে না। একই শিক্ষার্থী অনলাইনে জন্মনিবন্ধন নম্বর বারবার পরিবর্তন করে মিথ্যা তথ্য প্রদানের মাধ্যমে একাধিকবার নির্বাচিত হয়ে থাকলে (যাচাই সাপেক্ষে) জালিয়াতির কারণে তাকে ভর্তি করা যাবে না।শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক সর্বশেষ
জারি করা ভর্তি নীতিমালায় যেসব কোটা সংরক্ষিত আছে ভর্তির সময়ে ওই কোটাগুলো নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের কোটাসংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যথাযথভাবে যাচাই করতে হবে। শুধু বীর মুক্তিযোদ্ধা কোটা ছাড়া অন্য সংরক্ষিত কোটায় শূন্য আসন পূরণ না হলে সাধারণ নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে অপেক্ষমাণ তালিকার ক্রমানুসারে শূন্য আসন পূরণ করতে হবে। আর সহোদর/সহোদরা বা যমজ ভাইবোনের ভর্তি বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি ভর্তি নীতিমালা-২০২২ এ স্পষ্ট করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নীতিমালা অনুযায়ী সহোদর/সহোদরা বা যমজ ভাইবোনকে সংশ্লিষ্ট ভর্তি কমিটি আবেদন যাচাই-বাছাই করে ভর্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তবে এ সুবিধা কোনো দম্পতির সর্বোচ্চ দুই সন্তানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত