আমিনুল ইসলাম কাসেমী,শিক্ষক ও কলামিস্ট :
নব্বই দশকের কথা। ইশা ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি তখন নেয়ামতুল্লাহ ফরিদী সাহেব। ঢাকা মহানগর ছাত্র আন্দোলনের কর্মি সন্মেলন আহবান করা হল। স্হান ছিল ঢাকা জেলা ক্রীড়া সমিতি মিলনায়তন। উক্ত সন্মেলনে দেশের বরেণ্য ওলামায়েকেরাম, বুদ্ধিজীবী মহল এবং মরহুম পীর সৈয়দ ফজলুল করীম সাহেব উপস্হিত ছিলেন। সন্মেলনের এক পর্যায়ে বক্তৃতার পালা আসে নেয়ামতুল্লাহ আল ফরিদী সাহেবের। তিনি মঞ্চে উঠে যে চমকপ্রদ বক্তৃতা করে ছিলেন, তাতে উপস্হিত অতিথিবৃন্দকে হতবাক করেদিয়েছিল।
সেসময়ে মঞ্চে উপস্হিত ছিলেন মরহুম ব্যারিষ্টার কোরবান আলী সাহেব। ব্যারিষ্টার কোরবান আলী সাহেব তো একজন প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি তো নেয়ামতুল্লাহ আল ফরিদীর বক্তৃতা শুনে আর নিজেকে ধরে রাখতে পারেন নি। মঞ্চের মাইক ধরে প্রায় পাঁচ মিনিট শুধু নেয়ামতুল্রাহ ফরিদীর বক্তৃতা এবং জ্ঞানের ভুয়সী প্রশংসা করেছিলেন। তাঁর কথা ছিল এমন, একজন মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্র এত্ত জ্ঞান রাখে? মাদ্রাসার ছাত্ররা এত তথ্যপূর্ণ আলোচনা করতে পারে?
আজ ২৩ ডিসেম্বর ২০২৩ সন। এর মধ্যে ৩০ বছর পার হয়ে গেছে। ব্যারিস্টার কোরবান আলী সাহেবও নেই। জনাব ফরিদী সাহেব এখন এদেশের প্রথমশ্রেণীর দেওবন্দী মাদ্রাসার মোহতামিম ও শাইখুল হাদীস। তবে দীর্ঘ এত বছর পার হয়েগেলেও নেয়ামতুল্রাহ আল ফরিদী ফুরিয়ে যান নি। বরং তাঁর বক্তৃতার স্পিরিট যেন আগের থেকে আরো গতিশীল।
আজ "জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ " এর জাতীয় সেমিনারে যে বক্তৃতা তিনি করেছেন, যে ভঙ্গিমা, যে ভাষার অংলকার, শব্দের গাঁথুনি এবং তথ্য নির্ভর সম্বলিত আলোচনা জাতির সামনে উপস্হাপন করেছেন, তাতে এ প্রজন্মের মানুষেরা উৎসাহিত হবে। বিশেষ করে আকাবির- আসলাফের ইতিহাস- ঐতিহ্য রোমন্থন করে সাবলিল বাচন ভঙ্গিতে কথাগুলো তুলে ধরেছেন, সত্যি সেটা শুনতে ইচ্ছে করে।
আমি বারবার শিহরিত হচ্ছিলাম তাঁর কথায়। কী কথার জাদু! কী অসম্ভব সুন্দর শব্দচয়ন! বক্তৃতা শুনে অভিভূত হলাম। তাছাড়া একটা ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্সে এরকম তাত্মিক আলোচনা শোনার জন্য অপেক্ষায় ছিল মানুষ। জনাব ফরিদী সাহেবের বক্তৃতামালায় অবশ্য আজ পিপাসিত অন্তরগুলো সজীবতা ফিরে পাবে। উৎসাহ- উদ্দীপনা খুঁজে পাবে ভেঙেপড়া মানুষগুলো।
মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ আল ফরিদী আমাদের গর্ব। তিনি আমাদের অহংকার। তিনি যেন এখন নতুন প্রজন্মের চেতনা। আমি তাঁর জন্য কায়মনোবাক্যে দুআ করি, আল্লাহ তাঁকে নেক হায়াত দান করেন। আমিন।
মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ ফরিদী আমাদের গর্ব
মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ ফরিদী আমাদের গর্ব
আমিনুল ইসলাম কাসেমী,শিক্ষক ও কলামিস্ট :নব্বই দশকের কথা। ইশা ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি তখন নেয়ামতুল্লাহ ফরিদী সাহেব। ঢাকা মহানগর ছাত্র আন্দোলনের কর্মি সন্মেলন আহবান করা হল। স্হান ছিল ঢাকা জেলা ক্রীড়া সমিতি মিলনায়তন। উক্ত সন্মেলনে দেশের বরেণ্য ওলামায়েকেরাম, বুদ্ধিজীবী মহল এবং মরহুম পীর সৈয়দ ফজলুল করীম সাহেব উপস্হিত ছিলেন। সন্মেলনের এক পর্যায়ে বক্তৃতার পালা আসে নেয়ামতুল্লাহ আল ফরিদী সাহেবের। তিনি মঞ্চে উঠে যে চমকপ্রদ বক্তৃতা করে ছিলেন, তাতে উপস্হিত অতিথিবৃন্দকে হতবাক করেদিয়েছিল। সেসময়ে মঞ্চে উপস্হিত ছিলেন মরহুম ব্যারিষ্টার কোরবান আলী সাহেব। ব্যারিষ্টার কোরবান আলী সাহেব তো একজন প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি তো নেয়ামতুল্লাহ আল ফরিদীর বক্তৃতা শুনে আর নিজেকে ধরে রাখতে পারেন নি। মঞ্চের মাইক ধরে
প্রায় পাঁচ মিনিট শুধু নেয়ামতুল্রাহ ফরিদীর বক্তৃতা এবং জ্ঞানের ভুয়সী প্রশংসা করেছিলেন। তাঁর কথা ছিল এমন, একজন মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্র এত্ত জ্ঞান রাখে? মাদ্রাসার ছাত্ররা এত তথ্যপূর্ণ আলোচনা করতে পারে? আজ ২৩ ডিসেম্বর ২০২৩ সন। এর মধ্যে ৩০ বছর পার হয়ে গেছে। ব্যারিস্টার কোরবান আলী সাহেবও নেই। জনাব ফরিদী সাহেব এখন এদেশের প্রথমশ্রেণীর দেওবন্দী মাদ্রাসার মোহতামিম ও শাইখুল হাদীস। তবে দীর্ঘ এত বছর পার হয়েগেলেও নেয়ামতুল্রাহ আল ফরিদী ফুরিয়ে যান নি। বরং তাঁর বক্তৃতার স্পিরিট যেন আগের থেকে আরো গতিশীল।আজ "জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ " এর জাতীয় সেমিনারে যে বক্তৃতা তিনি করেছেন, যে ভঙ্গিমা, যে ভাষার অংলকার, শব্দের গাঁথুনি এবং তথ্য নির্ভর সম্বলিত আলোচনা জাতির
সামনে উপস্হাপন করেছেন, তাতে এ প্রজন্মের মানুষেরা উৎসাহিত হবে। বিশেষ করে আকাবির- আসলাফের ইতিহাস- ঐতিহ্য রোমন্থন করে সাবলিল বাচন ভঙ্গিতে কথাগুলো তুলে ধরেছেন, সত্যি সেটা শুনতে ইচ্ছে করে।আমি বারবার শিহরিত হচ্ছিলাম তাঁর কথায়। কী কথার জাদু! কী অসম্ভব সুন্দর শব্দচয়ন! বক্তৃতা শুনে অভিভূত হলাম। তাছাড়া একটা ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্সে এরকম তাত্মিক আলোচনা শোনার জন্য অপেক্ষায় ছিল মানুষ। জনাব ফরিদী সাহেবের বক্তৃতামালায় অবশ্য আজ পিপাসিত অন্তরগুলো সজীবতা ফিরে পাবে। উৎসাহ- উদ্দীপনা খুঁজে পাবে ভেঙেপড়া মানুষগুলো।মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ আল ফরিদী আমাদের গর্ব। তিনি আমাদের অহংকার। তিনি যেন এখন নতুন প্রজন্মের চেতনা। আমি তাঁর জন্য কায়মনোবাক্যে দুআ করি, আল্লাহ তাঁকে নেক হায়াত দান করেন। আমিন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত