মোঃ ছিপু মোল্লা - বশেমুরবিপ্রবি সংবাদদাতা::
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে প্রক্টোরিয়াল বডির পদত্যাগ দাবি করা হয়। দাবির প্রেক্ষিতে পদ থেকে অব্যাহতি নেন প্রক্টোরিয়াল বডি। এরপর শিক্ষার্থীদের দাবি পরিপ্রেক্ষিতে পুনরায় স্ব-পদে ফিরে এসেছেন তারা। এমনই ঘটনা ঘটেছে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(বশেমুরবিপ্রবি)। প্রক্টোরিয়াল বডির ফিরে আসা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বুধবার(২৮আগস্ট) দুপুর ১ঘটিকায় স্ব-পদে ফিরে এসেছেন প্রক্টোরিয়াল বডি।
সরেজমিনে দেখা যায়, বেলা ১২ঘটিকায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেয় সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। এসময় তারা প্রক্টোরিয়াল বডিকে স্ব-পদে ফিরে আসার অনুরোধ জানান। অবস্থানে শিক্ষার্থীরা 'প্রক্টরের পদত্যাগ মানছিনা মানবো না', 'কাম ব্যাক প্রক্টর, প্রক্টর কাম ব্যাক' ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকে।
আন্দোলনে উপস্থিত বায়োকেমিস্ট্রি এন্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগ ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সিফাত খান বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের পর আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু জায়গায় সংস্কারের দাবি জানিয়েছি। এখানে আমাদের ১৫দফা দাবি ছিলো। এই ১৫দফার মধ্যে প্রক্টোরিয়াল বডির পদত্যাগ ছিলোনা। কিন্তু গুটিকয়েক শিক্ষার্থী হঠাৎ করে এসে আমাদের আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করে। উপাচার্য এবং উপ-উপাচার্যের পদত্যাগের পর প্রক্টোরিয়াল বডিকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে। তিনি বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত ঘটনা ছিলো। প্রক্টোরিয়াল বডির পদত্যাগের পর আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে শুরু করি। শিক্ষার্থীরা নানানরকম সমস্যার সম্মুখীন হতে শুরু করে। সেজন্য আমরা প্রক্টোরিয়াল বডিকে পুনরায় স্ব-পদে ফিরিয়ে আনতে চাই।
শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন প্রক্টোরিয়াল বডি। এসময় প্রক্টর ড. মো. কামরুজ্জামান বলেন, আমি সবসময় শিক্ষার্থীদের ভালো চেয়েছি। কিন্তু আমার বিরুদ্ধেই কিছু শিক্ষার্থী কথা বলেছে। সেজন্য আমি প্রক্টরের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা যেহেতু আমাকে চায় সেজন্য আমি সহ আমার পুরো প্রক্টোরিয়াল বডি স্ব-পদে ফিরে এসেছি। আজকে থেকে আমরা পুনরায় দায়িত্ব পালন করবো।
শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয় সম্পর্কে কামরুজ্জামান বলেন, শিক্ষার্থীরা আমার সন্তান। তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আমাদের। আমি তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য কিছু নির্দেশনা দিয়েছি। আজকের পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগত প্রবেশ করতে পারবেনা। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের সময় যেন আইডি কার্ড নিয়ে আসে, সেবিষয়ে তাদেরকে অনুরোধ জানান প্রক্টর।
এদিকে প্রক্টোরিয়াল বডি স্ব-পদে ফিরে আসার পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে একাধিক শিক্ষার্থী। তারা বলেন, এতদিন আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ছিলাম। আজকে আমাদের অভিভাবকরা পুনরায় ফিরে এসেছে, এতে আমরা অনেক বেশি আনন্দিত।
আন্দোলনের মুখে স্ব-পদে ফিরলেন বশেমুরবিপ্রবির পোক্টোরিয়াল বডি
আন্দোলনের মুখে স্ব-পদে ফিরলেন বশেমুরবিপ্রবির পোক্টোরিয়াল বডি
মোঃ ছিপু মোল্লা - বশেমুরবিপ্রবি সংবাদদাতা::কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে প্রক্টোরিয়াল বডির পদত্যাগ দাবি করা হয়। দাবির প্রেক্ষিতে পদ থেকে অব্যাহতি নেন প্রক্টোরিয়াল বডি। এরপর শিক্ষার্থীদের দাবি পরিপ্রেক্ষিতে পুনরায় স্ব-পদে ফিরে এসেছেন তারা। এমনই ঘটনা ঘটেছে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(বশেমুরবিপ্রবি)। প্রক্টোরিয়াল বডির ফিরে আসা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।বুধবার(২৮আগস্ট) দুপুর ১ঘটিকায় স্ব-পদে ফিরে এসেছেন প্রক্টোরিয়াল বডি। সরেজমিনে দেখা যায়, বেলা ১২ঘটিকায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেয় সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। এসময় তারা প্রক্টোরিয়াল বডিকে স্ব-পদে ফিরে আসার অনুরোধ জানান। অবস্থানে শিক্ষার্থীরা 'প্রক্টরের পদত্যাগ মানছিনা মানবো না', 'কাম ব্যাক প্রক্টর, প্রক্টর কাম ব্যাক' ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকে।আন্দোলনে
উপস্থিত বায়োকেমিস্ট্রি এন্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগ ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সিফাত খান বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের পর আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু জায়গায় সংস্কারের দাবি জানিয়েছি। এখানে আমাদের ১৫দফা দাবি ছিলো। এই ১৫দফার মধ্যে প্রক্টোরিয়াল বডির পদত্যাগ ছিলোনা। কিন্তু গুটিকয়েক শিক্ষার্থী হঠাৎ করে এসে আমাদের আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করে। উপাচার্য এবং উপ-উপাচার্যের পদত্যাগের পর প্রক্টোরিয়াল বডিকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে। তিনি বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত ঘটনা ছিলো। প্রক্টোরিয়াল বডির পদত্যাগের পর আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে শুরু করি। শিক্ষার্থীরা নানানরকম সমস্যার সম্মুখীন হতে শুরু করে। সেজন্য আমরা প্রক্টোরিয়াল বডিকে পুনরায় স্ব-পদে ফিরিয়ে আনতে চাই।শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন প্রক্টোরিয়াল বডি। এসময় প্রক্টর ড. মো. কামরুজ্জামান বলেন, আমি সবসময় শিক্ষার্থীদের ভালো চেয়েছি। কিন্তু আমার বিরুদ্ধেই
কিছু শিক্ষার্থী কথা বলেছে। সেজন্য আমি প্রক্টরের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা যেহেতু আমাকে চায় সেজন্য আমি সহ আমার পুরো প্রক্টোরিয়াল বডি স্ব-পদে ফিরে এসেছি। আজকে থেকে আমরা পুনরায় দায়িত্ব পালন করবো। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয় সম্পর্কে কামরুজ্জামান বলেন, শিক্ষার্থীরা আমার সন্তান। তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আমাদের। আমি তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য কিছু নির্দেশনা দিয়েছি। আজকের পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগত প্রবেশ করতে পারবেনা। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের সময় যেন আইডি কার্ড নিয়ে আসে, সেবিষয়ে তাদেরকে অনুরোধ জানান প্রক্টর।এদিকে প্রক্টোরিয়াল বডি স্ব-পদে ফিরে আসার পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে একাধিক শিক্ষার্থী। তারা বলেন, এতদিন আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ছিলাম। আজকে আমাদের অভিভাবকরা পুনরায় ফিরে এসেছে, এতে আমরা অনেক বেশি আনন্দিত।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত