পবিত্র কোরআন পাকে আল্লাহ পাক ঘোষণা করেন, "তোমরা মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করিও না" তিনি আরও বলেন, "নিশ্চয়ই ইব্রাহীম, ইয়াকুব, ইউসুফ তাদের পুত্রদের এই বলিয়া ওসিয়ত করিয়াছেন, বাবারা আল্লাহর দ্বীন তোমাদের হাতে মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করিও না"।
প্রশ্নঃ- মুসলমান মানে কী বা মুসলমান শব্দের আভিধানিক অর্থ কী?
উত্তরঃ- মুসলমান শব্দের আভিধানিক অর্থ আত্মসমর্পণ। আর মুসলমান হওয়া মানে আত্মসমর্পণ করা।
প্রশ্নঃ- কার কাছে আত্মসমর্পণ করবে ?
উত্তরঃ- স্রষ্টা বা আল্লাহর কাছে।
প্রশ্নঃ- যাকে দেখিনা বা যাকে দেখা যায়না তার কাছে কি ভাবে নিজেকে সমর্পণ করব !!
উত্তরঃ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ হচ্ছে মানুষ, আল্লাহর নূর প্রকাশিত হয় মানুষের মাধ্যমে। সুতরাং একজন মানুষের কাছে যাও, তাঁর কাছে আত্মসমর্পণ করো, তাহলেই মহান স্রষ্টা বা আল্লাহর পরিচয় পাবে।
প্রশ্নঃ- এ কেমন কথা !!! আমিও তো মানুষ, আর মানুষ হয়ে মানুষের কাছে আত্মসমর্পণ কেন করবো ??
উত্তরঃ- না, তুমি মানুষ নও, তুমি মানব, তোমাকে মানব থেকে মানুষ হতে হবে। এটাই তোমার পরীক্ষা, এজন্যই তোমাকে এ দুনিয়ায় প্রেরণ করা হয়েছে। মনে রেখো, পৃথিবীতে সর্বদাই রুপের পরির্বতন হচ্ছে কারণ, রুপান্তরটাই পৃথিবী।
প্রশ্নঃ- কি ভাবে মানুষ হবো ??
উত্তরঃ- মানবিক গুনাবলীর উৎকর্ষতা সাধনের মাধ্যমে নিজের মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে। আর তা করতে হলে একজন মানুষের কাছে যেতে হবে।
প্রশ্নঃ- মানুষ কে এবং তাঁর কাছে যেতে হবে কেন ?
উত্তরঃ- "মান আরাফা নাফসাহু ফাকাদ আরাফা রাব্বাহু" অর্থাৎ যে নিজেকে চিনেছে সে স্রষ্টাকে চিনেছে"। সুতরাং যিনি স্রষ্টাকে চিনতে পেরেছেন তিঁনিই মানুষ হতে পেরেছেন।
মেডিকেল কলেজ থেকে পাশ করলে যেমন ডাক্তার হওয়া যায়, প্রকৌশল কলেজ থেকে প্রকৌশলী ঠিক তেমনি একজন মানুষের সাহচর্যে থেকে পাশ করতে পারলে মানুষ হওয়া যায়।
প্রশ্নঃ- তাহলে তো পৃথিবীর সর্বত্র যেখানে তাকাই মানব দেখতে পাই, মানুষ কোথায় ??
উত্তরঃ- পৃথিবীর সবচেয়ে দামী খনিজ পাথর হীরা। এই হীরা যেমন পাওয়া যায় কয়লার খনিতে তেমনি এই মানব সম্প্রদায়ের মাঝে লুকিয়ে আছে সেই প্রকৃত মানুষ।
প্রশ্ন- মানুষ চেনার উপায় কি ??
উত্তরঃ যিঁনি নিজের মোহ, মায়া, হিংসা-বিদ্ধেষ, ক্রোধ ইত্যাদি মানবীয় দোষ দমন করতে পেরেছেন এবং নিজের আমিত্মকে বিলীন করতে পেরেছেন সর্বপরি যাঁকে দেখলেই স্রষ্টার কথা স্মরণ হয় তিনিই মানুষ।
প্রশ্নঃ- তাহলে বোঝা যাচ্ছে মুসলমান হওয়ার আগে নিজেকে মানুষ হতে হবে??
উত্তর- হ্যঁ, মুসলমান হওয়ার পূর্ব শর্ত হচ্ছে নিজেকে মানুষ রুপে তৈরী করা।
প্রশ্নঃ- বর্তমান পৃথিবীতে ১৫০ কোটির মতো মানব নিজেদের মুসলমান দাবী করছে, এটা কি সত্য নয় ??
উত্তরঃ- শুধুমাত্র কলেমা পড়লে বা মুসলিম রীতিনীতি পালন করলেই যে মুসলমান হওয়া যায় না, তার প্রমাণ কারবালার ময়দানে ইমাম হোসাইন (রাঃ) আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেখিয়ে গেছেন।
ইয়াজিদ বাহিনীর ৩৭ হাজার সৈন্যকে লক্ষ করে- ইমাম বলেছিলেন, "তোমাদের মধ্যে কি একজনও মুসলমান নেই"? অথচ সেখানে হাজার হাজার পাঞ্চেগানা নামাজি ও হাফেজ ছিল।
এতে কি প্রমাণ হয়না যে, শুধুমাত্র হুকুম-আহকাম পালন করলেই মুসলমান হওয়া যায় না !
মুসলমান শব্দের অর্থ কী ?
মুসলমান শব্দের অর্থ কী ?
পবিত্র কোরআন পাকে আল্লাহ পাক ঘোষণা করেন, "তোমরা মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করিও না" তিনি আরও বলেন, "নিশ্চয়ই ইব্রাহীম, ইয়াকুব, ইউসুফ তাদের পুত্রদের এই বলিয়া ওসিয়ত করিয়াছেন, বাবারা আল্লাহর দ্বীন তোমাদের হাতে মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করিও না"। প্রশ্নঃ- মুসলমান মানে কী বা মুসলমান শব্দের আভিধানিক অর্থ কী? উত্তরঃ- মুসলমান শব্দের আভিধানিক অর্থ আত্মসমর্পণ। আর মুসলমান হওয়া মানে আত্মসমর্পণ করা।প্রশ্নঃ- কার কাছে আত্মসমর্পণ করবে ?উত্তরঃ- স্রষ্টা বা আল্লাহর কাছে। প্রশ্নঃ- যাকে দেখিনা বা যাকে দেখা যায়না তার কাছে কি ভাবে নিজেকে সমর্পণ করব !!উত্তরঃ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ হচ্ছে মানুষ, আল্লাহর নূর প্রকাশিত হয় মানুষের মাধ্যমে। সুতরাং একজন মানুষের কাছে যাও, তাঁর কাছে আত্মসমর্পণ করো, তাহলেই মহান স্রষ্টা বা আল্লাহর পরিচয় পাবে। প্রশ্নঃ- এ কেমন কথা !!! আমিও তো মানুষ, আর মানুষ হয়ে মানুষের কাছে আত্মসমর্পণ কেন করবো ??উত্তরঃ- না, তুমি মানুষ নও, তুমি মানব, তোমাকে মানব থেকে মানুষ হতে
হবে। এটাই তোমার পরীক্ষা, এজন্যই তোমাকে এ দুনিয়ায় প্রেরণ করা হয়েছে। মনে রেখো, পৃথিবীতে সর্বদাই রুপের পরির্বতন হচ্ছে কারণ, রুপান্তরটাই পৃথিবী। প্রশ্নঃ- কি ভাবে মানুষ হবো ?? উত্তরঃ- মানবিক গুনাবলীর উৎকর্ষতা সাধনের মাধ্যমে নিজের মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে। আর তা করতে হলে একজন মানুষের কাছে যেতে হবে।প্রশ্নঃ- মানুষ কে এবং তাঁর কাছে যেতে হবে কেন ?উত্তরঃ- "মান আরাফা নাফসাহু ফাকাদ আরাফা রাব্বাহু" অর্থাৎ যে নিজেকে চিনেছে সে স্রষ্টাকে চিনেছে"। সুতরাং যিনি স্রষ্টাকে চিনতে পেরেছেন তিঁনিই মানুষ হতে পেরেছেন। মেডিকেল কলেজ থেকে পাশ করলে যেমন ডাক্তার হওয়া যায়, প্রকৌশল কলেজ থেকে প্রকৌশলী ঠিক তেমনি একজন মানুষের সাহচর্যে থেকে পাশ করতে পারলে মানুষ হওয়া যায়। প্রশ্নঃ- তাহলে তো পৃথিবীর সর্বত্র যেখানে তাকাই মানব দেখতে পাই, মানুষ কোথায় ??উত্তরঃ- পৃথিবীর সবচেয়ে দামী খনিজ পাথর হীরা। এই হীরা যেমন পাওয়া যায় কয়লার খনিতে তেমনি এই মানব সম্প্রদায়ের মাঝে লুকিয়ে আছে সেই প্রকৃত
মানুষ। প্রশ্ন- মানুষ চেনার উপায় কি ??উত্তরঃ যিঁনি নিজের মোহ, মায়া, হিংসা-বিদ্ধেষ, ক্রোধ ইত্যাদি মানবীয় দোষ দমন করতে পেরেছেন এবং নিজের আমিত্মকে বিলীন করতে পেরেছেন সর্বপরি যাঁকে দেখলেই স্রষ্টার কথা স্মরণ হয় তিনিই মানুষ।প্রশ্নঃ- তাহলে বোঝা যাচ্ছে মুসলমান হওয়ার আগে নিজেকে মানুষ হতে হবে??উত্তর- হ্যঁ, মুসলমান হওয়ার পূর্ব শর্ত হচ্ছে নিজেকে মানুষ রুপে তৈরী করা।প্রশ্নঃ- বর্তমান পৃথিবীতে ১৫০ কোটির মতো মানব নিজেদের মুসলমান দাবী করছে, এটা কি সত্য নয় ??উত্তরঃ- শুধুমাত্র কলেমা পড়লে বা মুসলিম রীতিনীতি পালন করলেই যে মুসলমান হওয়া যায় না, তার প্রমাণ কারবালার ময়দানে ইমাম হোসাইন (রাঃ) আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেখিয়ে গেছেন। ইয়াজিদ বাহিনীর ৩৭ হাজার সৈন্যকে লক্ষ করে- ইমাম বলেছিলেন, "তোমাদের মধ্যে কি একজনও মুসলমান নেই"? অথচ সেখানে হাজার হাজার পাঞ্চেগানা নামাজি ও হাফেজ ছিল।এতে কি প্রমাণ হয়না যে, শুধুমাত্র হুকুম-আহকাম পালন করলেই মুসলমান হওয়া যায় না !
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত