শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :
নওগাঁর সাপাহার উপজেলার তিলনী সরলী দাখিল মাদ্রাসার এমপিওভুক্তির আগের শিক্ষকদের বাদ দিয়ে পরের বেতন পাওয়া সেই তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে আগামীকাল ররিবার ১৭ সেপ্টেম্বর নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ জাকির হোসেন তদন্তের জন্য তাঁর নিজ কার্যালয়ে দু' পক্ষকে ডেকেছেন। এ তদন্তের চিঠি দুই পক্ষকে পৌঁছে দিয়েছেন সাপাহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্যাহ আল মামুন।
জানা যায়, গত ২০২২ইং সালে এমপিওভুক্ত হয় মাদ্রাসাটি। মাদ্রাসা টি প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে বিনা বেতনে যেসব শিক্ষক-কর্মচারীরা নিঃস্বার্থভাবে শ্রম দিয়ে তিল তিল করে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত করেছেন তাদের মধ্যে ৩ জন শিক্ষককে বাদ দিয়ে বিধি-বহির্ভূত ভাবে টাকার বিনিময়ে অন্য ৩ জনের নামে এমপিও করিয়েছেন মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট মোঃ ফিরুজ হোসেন। ঐ মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট মোঃ ফিরুজ হোসেন ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) ২০২২ সাল পর্যন্ত পূর্বের শিক্ষকদের তথ্য আপলোড করা হয়। ২০২২ সালে মাদ্রাসা টি এমপিওভুক্ত হওয়ার পর নতুন করে পূর্বের ঐ শিক্ষকদের বাদ দিয়ে নতুন ৩ জনের নাম দেন মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট। এমপিওভুক্তির পূর্বের শিক্ষকগণ করোনার সময় সরকারি অনুদান পান এমনকি তারা ২০২১ সালে ইউপি নির্বাচনে পোলিং অফিসার হিসেবে ভোট গ্রহণও করেন। এরপরও তাদের বাদ দিয়ে ভূয়া ভাবে অন্যদের এমপিও করানোয় স্থানীয়দের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
তদন্তের চিঠি পৌঁছানোর সত্যতা নিশ্চিত করে সাপাহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্যাহ আল মামুন বলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) স্যারের পাঠানো চিঠি পাওয়ার পর পরই মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট ও অভিযোগ কারীদেরকে সেই চিঠি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
নওগাঁয় ৩ শিক্ষকের নাম বাদ দিয়ে নতুন ৩ জনের নামে এমপিও ভুক্তি'র ঘটনায় তদন্ত শুরু
নওগাঁয় ৩ শিক্ষকের নাম বাদ দিয়ে নতুন ৩ জনের নামে এমপিও ভুক্তি'র ঘটনায় তদন্ত শুরু
শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :নওগাঁর সাপাহার উপজেলার তিলনী সরলী দাখিল মাদ্রাসার এমপিওভুক্তির আগের শিক্ষকদের বাদ দিয়ে পরের বেতন পাওয়া সেই তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে আগামীকাল ররিবার ১৭ সেপ্টেম্বর নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ জাকির হোসেন তদন্তের জন্য তাঁর নিজ কার্যালয়ে দু' পক্ষকে ডেকেছেন। এ তদন্তের চিঠি দুই পক্ষকে পৌঁছে দিয়েছেন সাপাহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্যাহ আল মামুন।জানা যায়, গত ২০২২ইং সালে এমপিওভুক্ত হয় মাদ্রাসাটি। মাদ্রাসা টি প্রতিষ্ঠাকালীন সময়
থেকে বিনা বেতনে যেসব শিক্ষক-কর্মচারীরা নিঃস্বার্থভাবে শ্রম দিয়ে তিল তিল করে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত করেছেন তাদের মধ্যে ৩ জন শিক্ষককে বাদ দিয়ে বিধি-বহির্ভূত ভাবে টাকার বিনিময়ে অন্য ৩ জনের নামে এমপিও করিয়েছেন মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট মোঃ ফিরুজ হোসেন। ঐ মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট মোঃ ফিরুজ হোসেন ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) ২০২২ সাল পর্যন্ত পূর্বের শিক্ষকদের তথ্য আপলোড করা হয়। ২০২২ সালে মাদ্রাসা টি এমপিওভুক্ত হওয়ার পর নতুন করে পূর্বের ঐ শিক্ষকদের বাদ দিয়ে নতুন ৩ জনের
নাম দেন মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট। এমপিওভুক্তির পূর্বের শিক্ষকগণ করোনার সময় সরকারি অনুদান পান এমনকি তারা ২০২১ সালে ইউপি নির্বাচনে পোলিং অফিসার হিসেবে ভোট গ্রহণও করেন। এরপরও তাদের বাদ দিয়ে ভূয়া ভাবে অন্যদের এমপিও করানোয় স্থানীয়দের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তদন্তের চিঠি পৌঁছানোর সত্যতা নিশ্চিত করে সাপাহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্যাহ আল মামুন বলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) স্যারের পাঠানো চিঠি পাওয়ার পর পরই মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট ও অভিযোগ কারীদেরকে সেই চিঠি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত