লালমনিরহাটে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও শুরু হয়েছে শতবর্ষী ঐতিহ্যের সিন্দুরমতি মেলা। ঐতিহাসিক সিন্দুরমতি দিঘি প্রাঙ্গণে এই মেলার উদ্বোধন করেন ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, সিন্দুরমতি মেলা এই অঞ্চলের ২০০ বছরের পুরনো ঐতিহ্য। সত্য যুগে পানির উৎসের সন্ধানে জমিদারের দুই কন্যার আত্মবলিদানের স্মৃতি বিজড়িত এই দিঘি আজও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পরম সৌভাগ্যের প্রতীক।
জনশ্রুতি আছে, এক সময় এই অঞ্চলে তীব্র পানির সংকট দেখা দিলে স্থানীয় জমিদার ১৬.৫ একর আয়তনের এই বিশাল দিঘিটি খনন করেন। কিন্তু খনন শেষে দিঘিতে পানি না ওঠায় জমিদারের দুই মেয়ে ‘সিন্দুর’ ও ‘মতি’ দিঘির মাঝখানে পূজায় বসেন। অলৌকিকভাবে চারপাশ থেকে পানি এসে দিঘি ভরে যায় এবং দুই বোন সেখানেই জলমগ্ন হন। তাঁদের নামানুসারেই এই দিঘির নামকরণ করা হয় ‘সিন্দুরমতি’। সেই স্মৃতিকে অম্লান রাখতেই প্রতি বছর এখানে স্নান ও মেলার আয়োজন করা হয়।
লাখো মানুষের সমাগমে মুখরিত সিন্দুরমতি মেলায় গ্রামীণ সংস্কৃতির এক মিলনমেলা বসেছে। মেলায় স্বল্পমূল্যে পাওয়া যাচ্ছে বিচিত্র সব গৃহস্থালি ও কৃষি সামগ্রী। কাঠের তৈরি আসবাবপত্র থেকে শুরু করে কাস্তে, হাতুড়ি, খন্তা ও উরুন-গাইনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মিলছে এখানে। এছাড়া ভোজনরসিকদের জন্য রয়েছে বিশাল আকৃতির মাছ এবং জিভে জল আনা দই, খৈ, মুড়ি-মুড়কি ও ঐতিহ্যবাহী সব মিষ্টির সমারোহ।
১৬.৫ একর আয়তনের এই বিশাল দিঘির ১৩ একর এলাকাই বছরজুড়ে জলমগ্ন থাকে। মেলা আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ বছর অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পুণ্যার্থীরা স্নান ও পূজা সম্পন্ন করছেন। স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে মেলায় আসা লাখ লাখ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
ঐতিহাসিক সিন্দুরমতি মেলায় লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ঐতিহাসিক সিন্দুরমতি মেলায় লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
লালমনিরহাটে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও শুরু হয়েছে শতবর্ষী ঐতিহ্যের সিন্দুরমতি মেলা। ঐতিহাসিক সিন্দুরমতি দিঘি প্রাঙ্গণে এই মেলার উদ্বোধন করেন ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, সিন্দুরমতি মেলা এই অঞ্চলের ২০০ বছরের পুরনো ঐতিহ্য। সত্য যুগে পানির উৎসের সন্ধানে জমিদারের দুই কন্যার আত্মবলিদানের স্মৃতি বিজড়িত এই দিঘি আজও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পরম সৌভাগ্যের প্রতীক।জনশ্রুতি আছে, এক সময় এই অঞ্চলে তীব্র পানির সংকট দেখা দিলে স্থানীয় জমিদার ১৬.৫ একর আয়তনের এই বিশাল দিঘিটি খনন করেন। কিন্তু খনন
শেষে দিঘিতে পানি না ওঠায় জমিদারের দুই মেয়ে ‘সিন্দুর’ ও ‘মতি’ দিঘির মাঝখানে পূজায় বসেন। অলৌকিকভাবে চারপাশ থেকে পানি এসে দিঘি ভরে যায় এবং দুই বোন সেখানেই জলমগ্ন হন। তাঁদের নামানুসারেই এই দিঘির নামকরণ করা হয় ‘সিন্দুরমতি’। সেই স্মৃতিকে অম্লান রাখতেই প্রতি বছর এখানে স্নান ও মেলার আয়োজন করা হয়।লাখো মানুষের সমাগমে মুখরিত সিন্দুরমতি মেলায় গ্রামীণ সংস্কৃতির এক মিলনমেলা বসেছে। মেলায় স্বল্পমূল্যে পাওয়া যাচ্ছে বিচিত্র সব গৃহস্থালি ও কৃষি সামগ্রী। কাঠের তৈরি আসবাবপত্র থেকে শুরু
করে কাস্তে, হাতুড়ি, খন্তা ও উরুন-গাইনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মিলছে এখানে। এছাড়া ভোজনরসিকদের জন্য রয়েছে বিশাল আকৃতির মাছ এবং জিভে জল আনা দই, খৈ, মুড়ি-মুড়কি ও ঐতিহ্যবাহী সব মিষ্টির সমারোহ।১৬.৫ একর আয়তনের এই বিশাল দিঘির ১৩ একর এলাকাই বছরজুড়ে জলমগ্ন থাকে। মেলা আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ বছর অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পুণ্যার্থীরা স্নান ও পূজা সম্পন্ন করছেন। স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে মেলায় আসা লাখ লাখ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত