------- আমিনুল ইসলাম কাসেমী
জুবায়ের তাশরিফকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। দোষ আমাদের মাদ্রাসাওয়ালাদের। একজন দাওরায়ে হাদীস পাশ ফারেগীনের মাথায় পাগড়ী বাঁধার জন্য জুবায়ের তাশরীফের মত বাচ্চা ছেলেকে দাওয়াত দেওয়াটা চরম অন্যায়। একজন আলেমের মাথায় আরেক আলেমই পাগড়ী দিতে পারেন। কিন্তু সেধরনের মানসিকতা আমাদের নেই।বড় আফসোস!
আমাদের কিছু কিছু মাদ্রাসার পরিচালকগণ ওয়াজ মাহফিলকে কমার্শিয়াল ভাবা শুরু করেছেন। ওনারা ওয়াজের আয়োজন করেন ব্যবসায়িক মনোভাব নিয়ে। এ উপলক্ষ্যে মোটা কালেকশনের চিন্তাভাবনা। সেজন্য তারা কমেডিয়ান বক্তা, বাজারি বক্তা, শিশু বক্তা, নাট্য শিল্পি,নাট্য অভিনেতা,গায়ক এধরনের বক্তাদের দাওয়াত দিয়ে থাকে। ওরা আবার চুক্তি করে আসে। কেউ পঞ্চাশ হাজার, কেউ ত্রিশ বা চল্লিশ হাজার, এরকম চুক্তিবদ্ধ হয়েই মাহফিলে এসে থাকে। আবার ওরা একদিনে ২/৩ টা প্রোগ্রাম করে থাকে। কারো কারো ইনকাম তো প্রতিদিন লাখটাকার উপরে।
এসব চুক্তিবাদী বক্তাদের দাওয়াত দেওয়ার উদ্দেশ্য ওরা ষ্টেজে উঠে নাটক দেখাবে! কেউ গজল বলবে! কেউ জারিজুরি পেটাবে! আর এসব দেখার জন্য লোক জমায়েত হবে অজস্র। মোটামুটি ভাল কালেকশন হবে তখন। এরকম বিভিন্ন নিয়্যাতে এখন ওয়াজ মাহফিল হচ্ছে।
বহু আল্লাহওয়ালা,হক্কানী - রব্বানী আলেম আছেন, তাদের কেউ দাওয়াত দেয়না। অনেক বড় বড় আলেম আছে, তাদের কোন মাহফিল নেই। তাঁদের কেউ কখনো বলেও না। কিন্তু যত ফটকা মৌলভীদের দাওয়াতের শেষ নেই। ওদের প্রতিদিন ২/৩ টা করে প্রোগ্রাম। তারা তো চুক্তিকরে পকেট ভারি করে চলেছে।
এজন্য সব দোষ আয়োজকদের। এরাই ওদের নষ্ট করেছে। ওইসব নাট্যকর, গায়কদের দাওয়াত দিয়ে তাদের সাহস বাড়িয়েছে। এখন তো ওরা এসব বেহুরমতি কাজ করবেই। কদিন পরে দেখবেন, বড় বড় মুহাদ্দেসদের মাথায় ওরা পাগড়ি দিচ্ছে।
অযোগ্য ব্যক্তিকে বড় দায়িত্বে বসানো চরম অন্যায়
অযোগ্য ব্যক্তিকে বড় দায়িত্বে বসানো চরম অন্যায়
------- আমিনুল ইসলাম কাসেমী জুবায়ের তাশরিফকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। দোষ আমাদের মাদ্রাসাওয়ালাদের। একজন দাওরায়ে হাদীস পাশ ফারেগীনের মাথায় পাগড়ী বাঁধার জন্য জুবায়ের তাশরীফের মত বাচ্চা ছেলেকে দাওয়াত দেওয়াটা চরম অন্যায়। একজন আলেমের মাথায় আরেক আলেমই পাগড়ী দিতে পারেন। কিন্তু সেধরনের মানসিকতা আমাদের নেই।বড় আফসোস!আমাদের কিছু কিছু মাদ্রাসার পরিচালকগণ ওয়াজ মাহফিলকে কমার্শিয়াল ভাবা শুরু করেছেন। ওনারা ওয়াজের আয়োজন করেন ব্যবসায়িক মনোভাব নিয়ে। এ উপলক্ষ্যে মোটা কালেকশনের চিন্তাভাবনা। সেজন্য তারা কমেডিয়ান বক্তা, বাজারি বক্তা, শিশু বক্তা, নাট্য শিল্পি,নাট্য অভিনেতা,গায়ক
এধরনের বক্তাদের দাওয়াত দিয়ে থাকে। ওরা আবার চুক্তি করে আসে। কেউ পঞ্চাশ হাজার, কেউ ত্রিশ বা চল্লিশ হাজার, এরকম চুক্তিবদ্ধ হয়েই মাহফিলে এসে থাকে। আবার ওরা একদিনে ২/৩ টা প্রোগ্রাম করে থাকে। কারো কারো ইনকাম তো প্রতিদিন লাখটাকার উপরে। এসব চুক্তিবাদী বক্তাদের দাওয়াত দেওয়ার উদ্দেশ্য ওরা ষ্টেজে উঠে নাটক দেখাবে! কেউ গজল বলবে! কেউ জারিজুরি পেটাবে! আর এসব দেখার জন্য লোক জমায়েত হবে অজস্র। মোটামুটি ভাল কালেকশন হবে তখন। এরকম বিভিন্ন নিয়্যাতে এখন ওয়াজ মাহফিল হচ্ছে।বহু আল্লাহওয়ালা,হক্কানী -
রব্বানী আলেম আছেন, তাদের কেউ দাওয়াত দেয়না। অনেক বড় বড় আলেম আছে, তাদের কোন মাহফিল নেই। তাঁদের কেউ কখনো বলেও না। কিন্তু যত ফটকা মৌলভীদের দাওয়াতের শেষ নেই। ওদের প্রতিদিন ২/৩ টা করে প্রোগ্রাম। তারা তো চুক্তিকরে পকেট ভারি করে চলেছে।এজন্য সব দোষ আয়োজকদের। এরাই ওদের নষ্ট করেছে। ওইসব নাট্যকর, গায়কদের দাওয়াত দিয়ে তাদের সাহস বাড়িয়েছে। এখন তো ওরা এসব বেহুরমতি কাজ করবেই। কদিন পরে দেখবেন, বড় বড় মুহাদ্দেসদের মাথায় ওরা পাগড়ি দিচ্ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত