আমিনুল ইসলাম কাসেমী,কলাম লেখক:
আমাদের দেশে পীরের অভাব নেই। যেখানে - সেখানে পীর। রাস্তার মোড়ে- মোড়ে পীরের সাইনবোর্ড পাওয়া যায়। আবার তাদের মুরীদের অভাব নেই। প্রত্যেক পীরের যথেষ্ট পরিমাণ মুরীদ রয়েছে। প্রায় জায়গাতে খানকা জমজমাট। ব্যবসা চলেও মাশাআল্লাহ, অনেক ভাল।
বড় দু:খের বিষয়, অধিকাংশ পীর আসল পীর নয়। এগুলো পীর সেজে বসে আছে। একজন পীর হিসাবে যেসকল যোগ্যতা থাকা দরকার সেটার কিছুই তাদের নেই। বরং ওগুলো অযোগ্য - অপদার্থ, কেউ চোর, কেউ ছিনতাইকারী, কেউ ডাকাত। তবে কিছু তো আছে আরো ডেঞ্জার। ওগুলো ডাকাত বা ছিনতাইকারীর থেকেও জঘন্য। ডাকাত বা ছিনতাইকারী থেকে তো মানুষ বেঁচে চলার চেষ্টা করে থাকে। কিন্তু যখন কোন ডাকাত পীর সেজে বা ইসলামী লেবাস পরে অন্য মানুষের মালামাল ছিনতাই করে, তখনো বোঝা মুশকিল। সহজেই ওই সকল ডাকাতগুলো ধরা যায় না। বরং সরলপ্রাণ মানুষেরা বাববার নানান জুলুমের শিকার হয়ে থাকে। তাদের মাল - দৌলত এর সর্বনাশ করে ফেলে।
আগে শুনতাম অযোগ্য পীরেরা মানুষের ঈমান ধ্বংস করে তবে এখন দেখছি, শুধু ঈমান নয় মানুষের মাল- সম্পদ লুট করে ফেলছে।
এমনি একজন পীরের কাছে গেলাম কিছুদিন আগে। খানকাতো মাশাআল্লাহ, ভালই চলছে। মুরীদগণ খানকাতে বসে সামা গাচ্ছিল। ওদিকে খিচুড়ীর সুঘ্রাণ ভেসে আসছে। পীরও প্রস্তুতি নিচ্ছেন মুরীদদের সামনে নিয়ে ইসলাহী বয়ান দিবেন। বিশাল উঁচু টুপি মাথায়। মাথা থেকে টুপির উচ্চতা এক ফুটের কম নয়। টুপিতে কারুকার্য করা। যে টুপি দেখলে পরাণ ঠান্ডা হয়ে যায়।
তবে আফসোস! এই পীর বেশধরা মানুষটি বড় খেয়ানতকারী। মানুষের টাকা মেরে লোপাট করে দিচ্ছে। বহু মানুষের সর্বনাশ করে নিজে ফেরেস্তার রুপ ধারণ করে আছেন। অনেক মানুষ তার দ্বারা সর্বস্ব হারায়ে দিকবিদিক ঘুরে বেড়াচ্ছে।
এজন্য পীর সেজে থাকলেই সে পীর নয়। কালো পাগড়ী, সবুজ পাগড়ী আর বড় উঁচু টুপি পরলেই সে পীর নয়। পীর লিখলেই সে পীর হয় না।
আল্লাহ তায়ালা সকলকে সহী বুঝ দান করুন। আমিন।
পীর হও কিন্তু পীর সেজনা!
পীর হও কিন্তু পীর সেজনা!
আমিনুল ইসলাম কাসেমী,কলাম লেখক:আমাদের দেশে পীরের অভাব নেই। যেখানে - সেখানে পীর। রাস্তার মোড়ে- মোড়ে পীরের সাইনবোর্ড পাওয়া যায়। আবার তাদের মুরীদের অভাব নেই। প্রত্যেক পীরের যথেষ্ট পরিমাণ মুরীদ রয়েছে। প্রায় জায়গাতে খানকা জমজমাট। ব্যবসা চলেও মাশাআল্লাহ, অনেক ভাল। বড় দু:খের বিষয়, অধিকাংশ পীর আসল পীর নয়। এগুলো পীর সেজে বসে আছে। একজন পীর হিসাবে যেসকল যোগ্যতা থাকা দরকার সেটার কিছুই তাদের নেই। বরং ওগুলো অযোগ্য - অপদার্থ, কেউ চোর, কেউ ছিনতাইকারী, কেউ ডাকাত। তবে কিছু তো আছে আরো ডেঞ্জার। ওগুলো ডাকাত বা ছিনতাইকারীর থেকেও জঘন্য। ডাকাত বা ছিনতাইকারী থেকে তো মানুষ বেঁচে
চলার চেষ্টা করে থাকে। কিন্তু যখন কোন ডাকাত পীর সেজে বা ইসলামী লেবাস পরে অন্য মানুষের মালামাল ছিনতাই করে, তখনো বোঝা মুশকিল। সহজেই ওই সকল ডাকাতগুলো ধরা যায় না। বরং সরলপ্রাণ মানুষেরা বাববার নানান জুলুমের শিকার হয়ে থাকে। তাদের মাল - দৌলত এর সর্বনাশ করে ফেলে। আগে শুনতাম অযোগ্য পীরেরা মানুষের ঈমান ধ্বংস করে তবে এখন দেখছি, শুধু ঈমান নয় মানুষের মাল- সম্পদ লুট করে ফেলছে।এমনি একজন পীরের কাছে গেলাম কিছুদিন আগে। খানকাতো মাশাআল্লাহ, ভালই চলছে। মুরীদগণ খানকাতে বসে সামা গাচ্ছিল। ওদিকে খিচুড়ীর সুঘ্রাণ ভেসে আসছে। পীরও প্রস্তুতি নিচ্ছেন মুরীদদের সামনে নিয়ে ইসলাহী
বয়ান দিবেন। বিশাল উঁচু টুপি মাথায়। মাথা থেকে টুপির উচ্চতা এক ফুটের কম নয়। টুপিতে কারুকার্য করা। যে টুপি দেখলে পরাণ ঠান্ডা হয়ে যায়।তবে আফসোস! এই পীর বেশধরা মানুষটি বড় খেয়ানতকারী। মানুষের টাকা মেরে লোপাট করে দিচ্ছে। বহু মানুষের সর্বনাশ করে নিজে ফেরেস্তার রুপ ধারণ করে আছেন। অনেক মানুষ তার দ্বারা সর্বস্ব হারায়ে দিকবিদিক ঘুরে বেড়াচ্ছে। এজন্য পীর সেজে থাকলেই সে পীর নয়। কালো পাগড়ী, সবুজ পাগড়ী আর বড় উঁচু টুপি পরলেই সে পীর নয়। পীর লিখলেই সে পীর হয় না। আল্লাহ তায়ালা সকলকে সহী বুঝ দান করুন। আমিন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত