প্রবাসী অধ্যুসিত এলাকার পুরুষদের বিশেষ মানসিকতা আছে নারীদের (গৃহবধূ) নিয়ে। বহুবার ওয়াজের মাঠে বসে সেটা দেখেছি।
সেটা হলো—
ওয়াজে একটা বিশেষ অংশ জুড়ে থাকবে নারীকে নিয়ে, মানে গৃহবধূকে কথা। মানে, স্বামীর অনুমতি ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়া এবং অবশ্যই পরকিয়া না জড়ানোর ফজিলত বা শাস্তির হুঁশিয়ারি। শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করা কথা থাকে বটে, তবে সামান্য। নারীর পর্দা নিয়ে তো সবখানে ওয়াজ করে, তবে এখানকার আলাপ ‘খাস পর্দা’ (সম্ভব হলে, আফগান বোরকা পরা) নিয়ে।
ওয়াজের
আগেই বক্তাকে প্রবাসীর স্ত্রীর বিষয়ে মনে করিয়ে দেয়া হয়। তারপরও ভুল হয়ে গেলে, টোকেন পাঠিয়ে তা মনে করিয়ে দেয়। এজন্য বিশেষ পেমেন্ট থাকে। ওয়াজে বিশেষ কন্ট্রিবিশনও থাকে তাঁদের।
এর কারণ কী?
তা হলো, প্রবাসী পুরুষের স্ত্রী প্রায় কেউই চাকরিজীবী হন না, হোক তাঁরা চানও না। তাঁরা নিশ্চিত হতে চান, তাঁর স্ত্রী তাঁর বাইরে কারও সঙ্গে সম্পর্কে জড়াচ্ছেন না। মেয়েটার দিকে কেউ তাকাচ্ছে না। পারলে তো স্ত্রী-কন্যার নিতম্বে লোহার বর্ম পড়িয়ে যেতেন। তা যেহেতু পারছেন না, তাই ওয়াজই ভরসা, মনস্তাত্ত্বিক বর্ম তৈরি করার।
এবার
১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসীরা প্রথমবারের মতো পোস্টাল ভোট দিতে পারবেন। ওদিকে নারীর প্রতি কেমন আচরণ করা হবে, তা নিয়ে জোর বয়ান দিচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো, বিশেষত ধর্মভিত্তিক দলগুলো। এই আলাপে যাওয়া ও নারীর প্রতি কট্টর হওয়ার বিষয়ে জামায়াতকে এগিয়ে রাখছে সবাই।
তাহলে
এই কথা স্পষ্ট ভাবা যেতে পারে, প্রবাসীদের ভোট জামায়াতের পক্ষেই যাবে। স্ত্রীকে (গৃহবধূকে) নিয়ে নিশ্চিত থাকার জন্য প্রয়োজনে তালেবানদেরও রাষ্ট্র ক্ষমতায় ডেকে আনতে পারেন।
ফলত
যারা নারীর প্রতিষ্ঠানিক চাকরি, কর্ম পরিবেশ নিরাপদ রাখার কথা বলছেন, তারা হয়তো জাতীয় স্বার্থ চিন্তা করে, অর্থনৈতিক সূত্র মনে রেখে কথা বলছেন। কিন্তু তারা মনে রাখতে পারেন, তাদের প্রবাসীদের ভোট পাওয়া সহজ হবে না।
কারণ প্রবাসীরা বলেন— pure wife more valuable then precious life.
দেশের সম্ভবত দ্বিতীয় বা তৃতীয় শীর্ষ প্রবাস অধ্যুসিত উপজেলার বাসিন্দা হিসেবে এই বিদ্যা এলাকায় আপোষেই পেয়েছি।
সেটা হলো—
ওয়াজে একটা বিশেষ অংশ জুড়ে থাকবে নারীকে নিয়ে, মানে গৃহবধূকে কথা। মানে, স্বামীর অনুমতি ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়া এবং অবশ্যই পরকিয়া না জড়ানোর ফজিলত বা শাস্তির হুঁশিয়ারি। শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করা কথা থাকে বটে, তবে সামান্য। নারীর পর্দা নিয়ে তো সবখানে ওয়াজ করে, তবে এখানকার আলাপ ‘খাস পর্দা’ (সম্ভব হলে, আফগান বোরকা পরা) নিয়ে।
ওয়াজের
আগেই বক্তাকে প্রবাসীর স্ত্রীর বিষয়ে মনে করিয়ে দেয়া হয়। তারপরও ভুল হয়ে গেলে, টোকেন পাঠিয়ে তা মনে করিয়ে দেয়। এজন্য বিশেষ পেমেন্ট থাকে। ওয়াজে বিশেষ কন্ট্রিবিশনও থাকে তাঁদের।
এর কারণ কী?
তা হলো, প্রবাসী পুরুষের স্ত্রী প্রায় কেউই চাকরিজীবী হন না, হোক তাঁরা চানও না। তাঁরা নিশ্চিত হতে চান, তাঁর স্ত্রী তাঁর বাইরে কারও সঙ্গে সম্পর্কে জড়াচ্ছেন না। মেয়েটার দিকে কেউ তাকাচ্ছে না। পারলে তো স্ত্রী-কন্যার নিতম্বে লোহার বর্ম পড়িয়ে যেতেন। তা যেহেতু পারছেন না, তাই ওয়াজই ভরসা, মনস্তাত্ত্বিক বর্ম তৈরি করার।
এবার
১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসীরা প্রথমবারের মতো পোস্টাল ভোট দিতে পারবেন। ওদিকে নারীর প্রতি কেমন আচরণ করা হবে, তা নিয়ে জোর বয়ান দিচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো, বিশেষত ধর্মভিত্তিক দলগুলো। এই আলাপে যাওয়া ও নারীর প্রতি কট্টর হওয়ার বিষয়ে জামায়াতকে এগিয়ে রাখছে সবাই।
তাহলে
এই কথা স্পষ্ট ভাবা যেতে পারে, প্রবাসীদের ভোট জামায়াতের পক্ষেই যাবে। স্ত্রীকে (গৃহবধূকে) নিয়ে নিশ্চিত থাকার জন্য প্রয়োজনে তালেবানদেরও রাষ্ট্র ক্ষমতায় ডেকে আনতে পারেন।
ফলত
যারা নারীর প্রতিষ্ঠানিক চাকরি, কর্ম পরিবেশ নিরাপদ রাখার কথা বলছেন, তারা হয়তো জাতীয় স্বার্থ চিন্তা করে, অর্থনৈতিক সূত্র মনে রেখে কথা বলছেন। কিন্তু তারা মনে রাখতে পারেন, তাদের প্রবাসীদের ভোট পাওয়া সহজ হবে না।
কারণ প্রবাসীরা বলেন— pure wife more valuable then precious life.
দেশের সম্ভবত দ্বিতীয় বা তৃতীয় শীর্ষ প্রবাস অধ্যুসিত উপজেলার বাসিন্দা হিসেবে এই বিদ্যা এলাকায় আপোষেই পেয়েছি।