প্রফেসর ড. মো. আতাউর রহমান মিয়াজী :
আমরা জানি, একটি দেশ ও জাতির উন্নয়নের জন্য কৃষি, শিল্প, ব্যবসায়-বাণিজ্য ও যাতায়াত ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন ও প্রসার দরকার। তবে তার চেয়েও অনেক বেশি প্রয়োজন সুশিক্ষার প্রসার। কেননা সুশিক্ষা একটি জাতির মেরুদন্ড।একটি সুশিক্ষিত জাতিই কেবল পারে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ ও জাতি উপহার দিতে।
সুশিক্ষার বিকল্প হতে পারে শুধুই সুশিক্ষা, যদি তা হয় আদর্শিক, জীবনমুখী, কর্মমুখী ও উৎপাদনমুখী সুশিক্ষা। সুশিক্ষিত ব্যক্তিই সাধারণত নাগরিক হিসেবে সুসভ্য হন এবং সভ্যতার বিনির্মাণে কার্যকরী ও বাস্তবমুখী অবদান রাখতে পারেন।
সুতরাং আমি মনে করি,শিক্ষার সর্বস্তরে আদর্শিক, জীবনমুখী, কর্মমুখী ও উৎপাদনমুখী সুশিক্ষার ছোঁয়া থাকা উচিত। তাহলে নিজেরা সাবলম্বী হতে পারবে, দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবে এবং মানবতার কল্যাণে এগিয়ে যেতে পারবে। আর একটি সমৃদ্ধ দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখতে পারবে।
সর্বশেষে বলতে চাই, সুশিক্ষা, সুশিক্ষা ও সুশিক্ষা; একমাত্র, কেবলমাত্র এবং শুধুমাত্র সুশিক্ষাই একটি দেশ ও জাতিকে পরিপূর্ণভাবে পাল্টে দিতে পারে। তবে ধর্ম, নৈতিক ও আদর্শিক সুশিক্ষাকে অবশ্যই শিক্ষার প্রতিটি স্তরে বাধ্যতামূলক করা উচিত। তা না হলে চরিত্র ও নৈতিকতা অর্জন ও ধারণ করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে।
সুশিক্ষার উন্নয়ণ ও প্রসারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম-এঁর জীবনাদর্শ বা জীবন চরিত-কে অবশ্যই শিক্ষার প্রতিটি স্তরে (যেখানে যতটুকু প্রয়োজন) বাধ্যতামূলক ভাবে অন্তর্ভূক্ত করা সময়ের অপরিহার্য দাবি বলে মনে করি।
মহান আল্লাহ্ তাআলা আমাদের সকলকে সঠিক সত্য উপলব্ধি করার এবং সেভাবে পথ চলার তৌফিক দান করুন।
আমীন ইয়া রাব্বাল আলামীন।
প্রসঙ্গ: সুশিক্ষার উন্নয়ন
প্রসঙ্গ: সুশিক্ষার উন্নয়ন
প্রফেসর ড. মো. আতাউর রহমান মিয়াজী :আমরা জানি, একটি দেশ ও জাতির উন্নয়নের জন্য কৃষি, শিল্প, ব্যবসায়-বাণিজ্য ও যাতায়াত ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন ও প্রসার দরকার। তবে তার চেয়েও অনেক বেশি প্রয়োজন সুশিক্ষার প্রসার। কেননা সুশিক্ষা একটি জাতির মেরুদন্ড।একটি সুশিক্ষিত জাতিই কেবল পারে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ ও জাতি উপহার দিতে। সুশিক্ষার বিকল্প হতে পারে শুধুই সুশিক্ষা, যদি তা হয় আদর্শিক, জীবনমুখী, কর্মমুখী ও উৎপাদনমুখী সুশিক্ষা। সুশিক্ষিত ব্যক্তিই সাধারণত নাগরিক হিসেবে সুসভ্য হন
এবং সভ্যতার বিনির্মাণে কার্যকরী ও বাস্তবমুখী অবদান রাখতে পারেন।সুতরাং আমি মনে করি,শিক্ষার সর্বস্তরে আদর্শিক, জীবনমুখী, কর্মমুখী ও উৎপাদনমুখী সুশিক্ষার ছোঁয়া থাকা উচিত। তাহলে নিজেরা সাবলম্বী হতে পারবে, দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবে এবং মানবতার কল্যাণে এগিয়ে যেতে পারবে। আর একটি সমৃদ্ধ দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখতে পারবে। সর্বশেষে বলতে চাই, সুশিক্ষা, সুশিক্ষা ও সুশিক্ষা; একমাত্র, কেবলমাত্র এবং শুধুমাত্র সুশিক্ষাই একটি দেশ ও জাতিকে পরিপূর্ণভাবে পাল্টে দিতে পারে। তবে ধর্ম, নৈতিক ও আদর্শিক
সুশিক্ষাকে অবশ্যই শিক্ষার প্রতিটি স্তরে বাধ্যতামূলক করা উচিত। তা না হলে চরিত্র ও নৈতিকতা অর্জন ও ধারণ করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে।সুশিক্ষার উন্নয়ণ ও প্রসারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম-এঁর জীবনাদর্শ বা জীবন চরিত-কে অবশ্যই শিক্ষার প্রতিটি স্তরে (যেখানে যতটুকু প্রয়োজন) বাধ্যতামূলক ভাবে অন্তর্ভূক্ত করা সময়ের অপরিহার্য দাবি বলে মনে করি।মহান আল্লাহ্ তাআলা আমাদের সকলকে সঠিক সত্য উপলব্ধি করার এবং সেভাবে পথ চলার তৌফিক দান করুন।আমীন ইয়া রাব্বাল আলামীন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত