সুস্থতা নির্ভর করে আমাদের জীবনযাপন আর খাদ্যাভ্যাসের ওপর। তাই সুস্থ থাকতে হলে জীবনযাত্রার পাশাপাশি খাদ্যতালিকার দিকেও নজর দিতে হবে। তবে অনেকেই চিন্তিত থাকেন সুস্থ থাকতে হলে রাতে কী খাবেন? ভাত নাকি রুটি । পক্ষে বিপক্ষে অনেক যুক্তি থাকলেও চিকিৎসকেরা কী বলছেন? গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন চিকিৎসকরা।
ভাত এবং রুটি উভয় খাবারেই কার্বোহাইড্রেট থাকে। এদিকে চিকিৎসকেরা মনে করেন, এই দুটি খাবারের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই। তবে দুই খাবারেই সোডিয়ামের পরিমাণ ভিন্ন। চালে সোডিয়ামের পরিমাণ খুবই কম থাকে। চালের তুলনায় গমে সোডিয়ামের পরিমাণ বেশি। তাই যদি চিকিৎসকরা আপনাকে সোডিয়াম যুক্ত খাবার কম খেতে বলে সেক্ষেত্রে রাতে রুটি খাওয়াই ভালো।
ভাতের গুণাগুণ : ভাতে প্রোটিন, ফ্যাট এসব কম থাকলেও ক্যালোরির পরিমাণ বেশি থাকে। প্রতিদিন দুই বেলা ভাত খেলে হজমের ক্ষেত্রে সুবিধা হয়। ভাতে থাকা অন্যান্য ভিটামিনও স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী। তবে বাজারের চকচকে পালিশ চাল না খেয়ে পালিশের আগের অবস্থায় যে চাল থাকে সেই চালের ভাত খাওয়া শরীরের পক্ষে ভালো।
রুটির পুষ্টি: রুটিতে ফাইবার থাকে এবং প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। রুটি খেলে শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস ও সোডিয়াম যায়। ভাত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। রুটি সেটা করে না।
তাই শরীরের ঘাটতি দেখে বুঝতে হবে আপনার জন্য কোনটি উপযোগী। তারপর সিদ্ধান্ত নেবেন ভাত নাকি রুটি খাবেন। তবে খাদ্যতালিকা তৈরির আগে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।
রুটি, ভাত: সুস্থ থাকতে কোনটা খাবেন?
রুটি, ভাত: সুস্থ থাকতে কোনটা খাবেন?
সুস্থতা নির্ভর করে আমাদের জীবনযাপন আর খাদ্যাভ্যাসের ওপর। তাই সুস্থ থাকতে হলে জীবনযাত্রার পাশাপাশি খাদ্যতালিকার দিকেও নজর দিতে হবে। তবে অনেকেই চিন্তিত থাকেন সুস্থ থাকতে হলে রাতে কী খাবেন? ভাত নাকি রুটি । পক্ষে বিপক্ষে অনেক যুক্তি থাকলেও চিকিৎসকেরা কী বলছেন? গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন চিকিৎসকরা।ভাত এবং রুটি উভয় খাবারেই কার্বোহাইড্রেট থাকে। এদিকে চিকিৎসকেরা মনে করেন, এই দুটি খাবারের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই। তবে
দুই খাবারেই সোডিয়ামের পরিমাণ ভিন্ন। চালে সোডিয়ামের পরিমাণ খুবই কম থাকে। চালের তুলনায় গমে সোডিয়ামের পরিমাণ বেশি। তাই যদি চিকিৎসকরা আপনাকে সোডিয়াম যুক্ত খাবার কম খেতে বলে সেক্ষেত্রে রাতে রুটি খাওয়াই ভালো।ভাতের গুণাগুণ : ভাতে প্রোটিন, ফ্যাট এসব কম থাকলেও ক্যালোরির পরিমাণ বেশি থাকে। প্রতিদিন দুই বেলা ভাত খেলে হজমের ক্ষেত্রে সুবিধা হয়। ভাতে থাকা অন্যান্য ভিটামিনও স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী। তবে বাজারের চকচকে পালিশ চাল না খেয়ে পালিশের আগের
অবস্থায় যে চাল থাকে সেই চালের ভাত খাওয়া শরীরের পক্ষে ভালো।রুটির পুষ্টি: রুটিতে ফাইবার থাকে এবং প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। রুটি খেলে শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস ও সোডিয়াম যায়। ভাত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। রুটি সেটা করে না।তাই শরীরের ঘাটতি দেখে বুঝতে হবে আপনার জন্য কোনটি উপযোগী। তারপর সিদ্ধান্ত নেবেন ভাত নাকি রুটি খাবেন। তবে খাদ্যতালিকা তৈরির আগে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত