আধুনিক শহুরে জীবনে সাঁতার জানা মানুষের সংখ্যা দিনকে দিন কমছে। কিন্তু সাঁতারের আছে নানা স্বাস্থ্যসুফল। কেউ যদি সপ্তাহে মাত্র আড়াই ঘণ্টা সাঁতার কাটেন, তার ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগসহ দীর্ঘমেয়াদি অসংক্রামক ব্যাধির ঝুঁকি অনেক কমে যাবে। জেনে নিন নিয়মিত সাঁতার কাটলে কী কী উপকার হয়।
- শরীরের বাড়তি ওজন ঝরিয়ে ফেলতে দ্রুত হাঁটা বা দৌড়ানোসহ নানা রকমের ব্যায়াম করতে হয়। যদি এগুলোর বদলে সাঁতার কাটেন তাহলে কিন্তু শরীরের সামগ্রিক ব্যায়াম সম্পন্ন হয়।
- সাঁতারে শরীরের একাধিক পেশি একসঙ্গে কাজ করে। এটি পেশির দক্ষতা ও শক্তি বাড়ায়, সন্ধি ও লিগামেন্টের নমনীয়তা বৃদ্ধি করে। স্রোতের সঙ্গেই হোক বা বিপরীতে, পেশির অনেকটা শক্তি যায় সাঁতারে। তার ফলে নানা ধরনের ব্যথা, যন্ত্রণায় আরাম দিতে পারে সাঁতার।
- সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতি হওয়ার কারণে এই ব্যায়ামে শরীরের কোনো ধরনের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে না। আর্থ্রাইটিস ও স্পনডালাইটিসের রোগীদের জন্য সাঁতার খুব কার্যকর। বিশেষ করে অ্যাংকাইলোজিং স্পনডাইলাইটিস নামের মেরুদণ্ডের সমস্যা উত্তরণে সাঁতার রীতিমতো উল্লেখযোগ্য চিকিৎসাব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত।
- ফুসফুস এবং হৃদযন্ত্রেরও উপকার করে সাঁতার। প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিট সাঁতার ভবিষ্যৎ হৃদরোগের ঝুঁকি ৩০-৪০ শতাংশ কমিয়ে দেয়। সাঁতার শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক করে। যাদের ব্যায়ামজনিত শ্বাসকষ্ট হয়, তারাও নির্ভয়ে সাঁতার কাটতে পারেন।
- শরীরের বিভিন্ন অঞ্চলে রক্ত চলাচল বাড়ায় সাঁতার। তার ফলে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ে। সঙ্গে বাড়ে কর্মক্ষমতা। সাঁতারে ওজন কমে। স্নায়ু উজ্জীবিত হয়। মানসিক চাপ-বিষণ্নতা কমে।
সুত্রঃ ইত্তেফাক
সাঁতারের যত উপকার
সাঁতারের যত উপকার
আধুনিক শহুরে জীবনে সাঁতার জানা মানুষের সংখ্যা দিনকে দিন কমছে। কিন্তু সাঁতারের আছে নানা স্বাস্থ্যসুফল। কেউ যদি সপ্তাহে মাত্র আড়াই ঘণ্টা সাঁতার কাটেন, তার ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগসহ দীর্ঘমেয়াদি অসংক্রামক ব্যাধির ঝুঁকি অনেক কমে যাবে। জেনে নিন নিয়মিত সাঁতার কাটলে কী কী উপকার হয়। শরীরের বাড়তি ওজন ঝরিয়ে ফেলতে দ্রুত হাঁটা বা দৌড়ানোসহ নানা রকমের ব্যায়াম করতে হয়। যদি এগুলোর বদলে সাঁতার কাটেন তাহলে কিন্তু শরীরের সামগ্রিক
ব্যায়াম সম্পন্ন হয়। সাঁতারে শরীরের একাধিক পেশি একসঙ্গে কাজ করে। এটি পেশির দক্ষতা ও শক্তি বাড়ায়, সন্ধি ও লিগামেন্টের নমনীয়তা বৃদ্ধি করে। স্রোতের সঙ্গেই হোক বা বিপরীতে, পেশির অনেকটা শক্তি যায় সাঁতারে। তার ফলে নানা ধরনের ব্যথা, যন্ত্রণায় আরাম দিতে পারে সাঁতার।সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতি হওয়ার কারণে এই ব্যায়ামে শরীরের কোনো ধরনের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে না। আর্থ্রাইটিস ও স্পনডালাইটিসের রোগীদের জন্য সাঁতার খুব কার্যকর। বিশেষ করে অ্যাংকাইলোজিং
স্পনডাইলাইটিস নামের মেরুদণ্ডের সমস্যা উত্তরণে সাঁতার রীতিমতো উল্লেখযোগ্য চিকিৎসাব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত। ফুসফুস এবং হৃদযন্ত্রেরও উপকার করে সাঁতার। প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিট সাঁতার ভবিষ্যৎ হৃদরোগের ঝুঁকি ৩০-৪০ শতাংশ কমিয়ে দেয়। সাঁতার শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক করে। যাদের ব্যায়ামজনিত শ্বাসকষ্ট হয়, তারাও নির্ভয়ে সাঁতার কাটতে পারেন।শরীরের বিভিন্ন অঞ্চলে রক্ত চলাচল বাড়ায় সাঁতার। তার ফলে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ে। সঙ্গে বাড়ে কর্মক্ষমতা। সাঁতারে ওজন কমে। স্নায়ু উজ্জীবিত হয়। মানসিক চাপ-বিষণ্নতা কমে। সুত্রঃ ইত্তেফাক
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত