মাস্টার্সে ভর্তি হওয়ার সংবিধিবদ্ধ নিয়ম ভঙ্গ করে আব্দুল্লাহ হিল কাফি নামে এক শিক্ষার্থীকে দ্বিতীয়বার মাস্টার্সে ভর্তিতে সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে। নিয়মবহির্ভূত এই সুযোগ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিশেষ সহযোগিতায় পেয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশকিছু শিক্ষার্থী এবং শাখা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।
খোজ নিয়ে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ হিল কাফি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষের একজন শিক্ষার্থী। তিনি ২০১৭ সালে সীড টেকনোলজি বিভাগে প্রথমবার মাস্টার্সে ভর্তি হন। তবে সর্বশেষ তিনি ২০২৫ সালের জুলাই-ডিসেম্বর শিক্ষাবর্ষে আবারও একই বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগে মাস্টার্সে ভর্তি হয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে এমএস অর্ডিন্যান্স ধারা ৫.১.৩ অনুযায়ী, যদি কোনো শিক্ষার্থী পূর্বে এমএস/এমবিএ প্রোগ্রামে ভর্তি হয়ে ডিগ্রি সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয় বা সময়ের মধ্যে শেষ না করতে পারে, তাহলে তাকে পরবর্তীতে একই প্রোগ্রামে ভর্তি হতে দেওয়া হবে না।
একই ধারা অনুযায়ী, পূর্বে কোন এমএস প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছে যা তার বর্তমান চাকরির সাথে সম্পর্কিত নয়, এমন কেও তার চাকরির সাথে সম্পর্কিত কোন বিষয়ে এমএস প্রোগ্রামে ভর্তি হতে পারবে। কিন্তু এতে কর্মরত প্রতিষ্ঠানটি সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত হতে হবে।
অভিযুক্ত শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ হিল কাফির ক্ষেত্রে এসব নিয়ম না মেনেই ভর্তিতে সুযোগ দেওয়া হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত।
তবে বিশেষ সুপারিশের অভিযোগ অস্বীকার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিন অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দিন বলেন, কোনো ধরনের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়নি। আমাদের কাছে মূলত ২০১৮ সাল পর্যন্ত তথ্য সংরক্ষিত ছিল। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই মূলত ভর্তির সুযোগ দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী মাস্টার্সে একই ব্যক্তির দুইবার ভর্তি হওয়ার সুযোগ নেই। তবে যে শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে তা সত্য হলে নিশ্চিত রুপেই সে আমাদের নিকট তথ্য গোপন করেছে। আমরা এই বিষয় যাচাই সাপেক্ষে অভিযোগ সত্য হলে ব্যবস্থা নিবো।
নিয়মবহির্ভূতভাবে ভর্তিতে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ হিল কাফির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি পরবর্তী সময়ে মতামত ব্যক্ত করার কথা জানান। পরবর্তীতে যোগাযোগ করলে তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদলের সভাপতি তাপস কবীর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম সবার জন্যই সমান হওয়া উচিত। আমি নিজেও মাস্টার্সে ভর্তি হয়ে মামলার কারণে শেষ করতে পারিনি। কিন্তু আমার বিষয়টি বিশেষ বিবেচনার অনুরোধ করলেও তা রাখা হয়নি। কিন্তু অন্য একজন কোন মামলা হামলার শিকার না হয়েও এ সুবিধা পেলে তা নিঃসন্দেহে পক্ষপাতদুষ্ট। এর পেছনে অন্য কোন কারণ আছে কিনা জানিনা।
ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ হিল কাফি বর্তমান উপাচার্য ড. আব্দুল লতিফের নিজ এলাকার এবং ঘনিষ্ঠ বলে এ অনৈতিক সুবিধা পেয়েছেন এমন অভিযোগ ছাত্রদলের একাংশসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীই আমার ঘনিষ্ঠ। আর এমএস ভর্তি ডিন অফিস করে। আমি কখনো কারো ব্যাপারে নিয়মের বাইরে হস্তক্ষেপ করেছি কিনা খোঁজ নিয়ে দেখতে পারো। ডিন অফিস সকল যাচাই বাছাই করে আমাকে তালিকা পাঠায়। উপাচার্য হিসেবে আমি শুধু অনুমোদন করে দেই।
শেকৃবিতে নিয়ম ভঙ্গ করে মাস্টার্সে ভর্তি
শেকৃবিতে নিয়ম ভঙ্গ করে মাস্টার্সে ভর্তি
মাস্টার্সে ভর্তি হওয়ার সংবিধিবদ্ধ নিয়ম ভঙ্গ করে আব্দুল্লাহ হিল কাফি নামে এক শিক্ষার্থীকে দ্বিতীয়বার মাস্টার্সে ভর্তিতে সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে। নিয়মবহির্ভূত এই সুযোগ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিশেষ সহযোগিতায় পেয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশকিছু শিক্ষার্থী এবং শাখা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।খোজ নিয়ে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ হিল কাফি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষের একজন শিক্ষার্থী। তিনি ২০১৭ সালে সীড টেকনোলজি বিভাগে প্রথমবার মাস্টার্সে ভর্তি হন। তবে সর্বশেষ তিনি ২০২৫ সালের জুলাই-ডিসেম্বর শিক্ষাবর্ষে আবারও একই বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগে মাস্টার্সে ভর্তি হয়েছেন।বিশ্ববিদ্যালয়ে এমএস অর্ডিন্যান্স ধারা ৫.১.৩ অনুযায়ী, যদি কোনো শিক্ষার্থী পূর্বে এমএস/এমবিএ প্রোগ্রামে ভর্তি হয়ে ডিগ্রি সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয় বা সময়ের মধ্যে শেষ না করতে পারে, তাহলে তাকে পরবর্তীতে একই প্রোগ্রামে ভর্তি হতে দেওয়া হবে না।একই ধারা অনুযায়ী, পূর্বে কোন এমএস প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছে যা তার বর্তমান চাকরির সাথে সম্পর্কিত নয়, এমন কেও তার চাকরির সাথে
সম্পর্কিত কোন বিষয়ে এমএস প্রোগ্রামে ভর্তি হতে পারবে। কিন্তু এতে কর্মরত প্রতিষ্ঠানটি সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত হতে হবে।অভিযুক্ত শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ হিল কাফির ক্ষেত্রে এসব নিয়ম না মেনেই ভর্তিতে সুযোগ দেওয়া হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত।তবে বিশেষ সুপারিশের অভিযোগ অস্বীকার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিন অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দিন বলেন, কোনো ধরনের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়নি। আমাদের কাছে মূলত ২০১৮ সাল পর্যন্ত তথ্য সংরক্ষিত ছিল। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই মূলত ভর্তির সুযোগ দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী মাস্টার্সে একই ব্যক্তির দুইবার ভর্তি হওয়ার সুযোগ নেই। তবে যে শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে তা সত্য হলে নিশ্চিত রুপেই সে আমাদের নিকট তথ্য গোপন করেছে। আমরা এই বিষয় যাচাই সাপেক্ষে অভিযোগ সত্য হলে ব্যবস্থা নিবো।নিয়মবহির্ভূতভাবে ভর্তিতে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ হিল কাফির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি পরবর্তী সময়ে মতামত ব্যক্ত করার কথা জানান। পরবর্তীতে যোগাযোগ করলে তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদলের সভাপতি
তাপস কবীর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম সবার জন্যই সমান হওয়া উচিত। আমি নিজেও মাস্টার্সে ভর্তি হয়ে মামলার কারণে শেষ করতে পারিনি। কিন্তু আমার বিষয়টি বিশেষ বিবেচনার অনুরোধ করলেও তা রাখা হয়নি। কিন্তু অন্য একজন কোন মামলা হামলার শিকার না হয়েও এ সুবিধা পেলে তা নিঃসন্দেহে পক্ষপাতদুষ্ট। এর পেছনে অন্য কোন কারণ আছে কিনা জানিনা।ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ হিল কাফি বর্তমান উপাচার্য ড. আব্দুল লতিফের নিজ এলাকার এবং ঘনিষ্ঠ বলে এ অনৈতিক সুবিধা পেয়েছেন এমন অভিযোগ ছাত্রদলের একাংশসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর।এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীই আমার ঘনিষ্ঠ। আর এমএস ভর্তি ডিন অফিস করে। আমি কখনো কারো ব্যাপারে নিয়মের বাইরে হস্তক্ষেপ করেছি কিনা খোঁজ নিয়ে দেখতে পারো। ডিন অফিস সকল যাচাই বাছাই করে আমাকে তালিকা পাঠায়। উপাচার্য হিসেবে আমি শুধু অনুমোদন করে দেই।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত