বাংলার মাটি, মানুষের অধিকার এবং বাঙালির আত্মপরিচয়ের সংগ্রামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ইতিহাস। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠিত এই দলটি কেবল একটি রাজনৈতিক সংগঠন নয়; বরং বাঙালি জাতির স্বাধিকার, গণতন্ত্র, ভাষা, সংস্কৃতি ও স্বাধীনতার দীর্ঘ সংগ্রামের অন্যতম প্রধান ধারক ও বাহক।
পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরপরই যখন পূর্ব বাংলার জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষিত হতে থাকে, তখন গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে জন্ম নেয় আওয়ামী লীগ। ভাষা আন্দোলন, যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ছয় দফা, গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে দলটি নেতৃত্বের ভূমিকায় ছিল।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে আওয়ামী লীগের অবদান চিরস্মরণীয়। জাতির পিতা -এর নেতৃত্বে বাঙালি জাতি আত্মনিয়ন্ত্রণের আন্দোলনকে স্বাধীনতার সংগ্রামে রূপান্তরিত করে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং দেশের সাধারণ মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অংশগ্রহণ করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটান।
স্বাধীনতার পরও নানা প্রতিকূলতা, রাজনৈতিক সংকট, সামরিক শাসন এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে দলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, উন্নয়ন ও অগ্রগতির রাজনীতির ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশকে একটি আধুনিক, আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
৭৭ বছরের এই দীর্ঘ পথচলায় আওয়ামী লীগ যেমন সাফল্য ও গৌরবের সাক্ষী, তেমনি ত্যাগ, সংগ্রাম এবং অসংখ্য নেতাকর্মীর আত্মদানের ইতিহাসও বহন করে চলেছে। এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কেবল একটি রাজনৈতিক দলের জন্মদিন নয় এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় ভাষা আন্দোলনের শহীদদের, মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের এবং গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মত্যাগকারী সকল নেতাকর্মীকে।
ইতিহাস, ঐতিহ্য ও স্বাধীনতা সংগ্রামের গৌরবময় উত্তরাধিকার ধারণ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তার ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পদার্পণ করেছে। গণমানুষের প্রত্যাশা, জাতীয় উন্নয়ন এবং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গীকার নিয়ে দলটির পথচলা অব্যাহত থাকুক এটাই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রত্যাশা।
সংগ্রাম, স্বাধীনতা ও গণমানুষের রাজনীতির নাম আওয়ামী লীগ
সংগ্রাম, স্বাধীনতা ও গণমানুষের রাজনীতির নাম আওয়ামী লীগ
বাংলার মাটি, মানুষের অধিকার এবং বাঙালির আত্মপরিচয়ের সংগ্রামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ইতিহাস। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠিত এই দলটি কেবল একটি রাজনৈতিক সংগঠন নয়; বরং বাঙালি জাতির স্বাধিকার, গণতন্ত্র, ভাষা, সংস্কৃতি ও স্বাধীনতার দীর্ঘ সংগ্রামের অন্যতম প্রধান ধারক ও বাহক। পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরপরই যখন পূর্ব বাংলার জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষিত হতে থাকে, তখন গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে জন্ম নেয় আওয়ামী লীগ। ভাষা আন্দোলন, যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ছয় দফা, গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে দলটি নেতৃত্বের ভূমিকায় ছিল।বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের
ইতিহাসে আওয়ামী লীগের অবদান চিরস্মরণীয়। জাতির পিতা -এর নেতৃত্বে বাঙালি জাতি আত্মনিয়ন্ত্রণের আন্দোলনকে স্বাধীনতার সংগ্রামে রূপান্তরিত করে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং দেশের সাধারণ মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অংশগ্রহণ করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটান। স্বাধীনতার পরও নানা প্রতিকূলতা, রাজনৈতিক সংকট, সামরিক শাসন এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে দলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, উন্নয়ন ও অগ্রগতির রাজনীতির ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশকে একটি আধুনিক, আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। ৭৭ বছরের এই দীর্ঘ পথচলায় আওয়ামী লীগ যেমন সাফল্য ও গৌরবের সাক্ষী, তেমনি ত্যাগ,
সংগ্রাম এবং অসংখ্য নেতাকর্মীর আত্মদানের ইতিহাসও বহন করে চলেছে। এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কেবল একটি রাজনৈতিক দলের জন্মদিন নয় এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় ভাষা আন্দোলনের শহীদদের, মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের এবং গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মত্যাগকারী সকল নেতাকর্মীকে। ইতিহাস, ঐতিহ্য ও স্বাধীনতা সংগ্রামের গৌরবময় উত্তরাধিকার ধারণ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তার ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পদার্পণ করেছে। গণমানুষের প্রত্যাশা, জাতীয় উন্নয়ন এবং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গীকার নিয়ে দলটির পথচলা অব্যাহত থাকুক এটাই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রত্যাশা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত