আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী
ওবায়দুল কাদের বলেছেন,
বিএনপিকে তত্ত্বাবধায়কের ভূত ভুলে যেতে হবে। আমেরিকান
অ্যাম্বাসেডরকে আমরা বলে এসেছি তত্ত্বাবধায়ক সরকারে আর ফিরে যাওয়া সম্ভব নয়।
বিএনপির উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির আন্দোলন চোরাবালিতে
আটকে গেছে। তাদের হাতে এই দেশ আর যাবে না। তত্ত্বাবধায়কের ভূত মাথা থেকে নামিয়ে
ফেলুন। বিএনপি অবৈধ দল উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, যার
শক্তি কমে যায় তার মুখের বিষ উগ্র হয়ে ওঠে, মির্জা ফখরুলের
তাই হয়েছে। বিএনপি অবৈধ দল, সেই দলের অবৈধ মহাসচিব ফখরুল,
বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কীভাবে ১২ বছর ধরে মহাসচিব থাকে? সে যে সরকারের পদত্যাগ দাবি করে, তার নিজেরই পদত্যাগ
করা উচিত।
আলোচনা সভায় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের এক হাতে নিলেন আওয়ামী
লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক।
তিনি বলেন,
আজ বিএনপির নেতারা গণতন্ত্রের কথা বলে। কিন্তু তারা ক্ষমতায়
থাকাকালীন আমাদের কথা বলতে দেন নাই এবং আমাদের রাজনৈতিক কার্যালয়েও ঢুকতে দেয়নি।
তৎকালীন সময় আমাদের নেতা কর্মীদের হত্যা করেছে। আমাদের নেতাকর্মীদের হাত-পা কেটে
চোখ উপড়ে ফেলে দিয়েছে তারা। ভাইয়ের সামনে মা-বোনকে ধর্ষণ করেছে। শুধু তাই নয়
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী যারা ছিল তাদের সব ব্যবসা ধ্বংস করে দিয়েছে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারে আর ফেরা সম্ভব নয়
তত্ত্বাবধায়ক সরকারে আর ফেরা সম্ভব নয়
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপিকে তত্ত্বাবধায়কের ভূত ভুলে যেতে হবে। আমেরিকান অ্যাম্বাসেডরকে আমরা বলে এসেছি তত্ত্বাবধায়ক সরকারে আর ফিরে যাওয়া সম্ভব নয়।বিএনপির উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির আন্দোলন চোরাবালিতে আটকে গেছে। তাদের হাতে এই দেশ আর যাবে না। তত্ত্বাবধায়কের ভূত মাথা থেকে নামিয়ে ফেলুন। বিএনপি অবৈধ দল উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন,
যার শক্তি কমে যায় তার মুখের বিষ উগ্র হয়ে ওঠে, মির্জা ফখরুলের তাই হয়েছে। বিএনপি অবৈধ দল, সেই দলের অবৈধ মহাসচিব ফখরুল, বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কীভাবে ১২ বছর ধরে মহাসচিব থাকে? সে যে সরকারের পদত্যাগ দাবি করে, তার নিজেরই পদত্যাগ করা উচিত। আলোচনা সভায় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের এক হাতে নিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক।
তিনি বলেন, আজ বিএনপির নেতারা গণতন্ত্রের কথা বলে। কিন্তু তারা ক্ষমতায় থাকাকালীন আমাদের কথা বলতে দেন নাই এবং আমাদের রাজনৈতিক কার্যালয়েও ঢুকতে দেয়নি। তৎকালীন সময় আমাদের নেতা কর্মীদের হত্যা করেছে। আমাদের নেতাকর্মীদের হাত-পা কেটে চোখ উপড়ে ফেলে দিয়েছে তারা। ভাইয়ের সামনে মা-বোনকে ধর্ষণ করেছে। শুধু তাই নয় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী যারা ছিল তাদের সব ব্যবসা ধ্বংস করে দিয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত