নিজের এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রমে সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে একাউন্টে দেওয়া পোস্টে তিনি সহযোগিতা না পাওয়া নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।
পোস্টে মাহফুজ আলম লেখেন, ‘আজকে হাসনাতের সংসদে ‘আকুতি’ দেখে মনে পড়ল যে, রামগঞ্জ-লক্ষীপুরের উন্নয়নের জন্য ৪/৫ জন জন উপদেষ্টার কাছে গিয়েও কোনো হেল্প পাইনি। তাদের সঙ্গে কয়েকবার দেখা করেছি।
ডিও লেটার দিয়েছি। সেসব লেখার সময় এখনও আসেনি। এতটুকু বলতে পারি যে, একটি রাজনৈতিক দলের চাপে/ সিদ্ধান্তে উনারা আমার এলাকায়/ আমাকে কোনো সহযোগিতা করেননি।’
তিনি আরো লিখেন, ‘হাসনাত বলছেন এলাকায় মুখ দেখাতে পারবেন না। আর, আমার মুখটা ঢেকে দিয়েছিলেন আমার সহকর্মীগণ! খোদা তাদের মঙ্গল করুন। অন্তর্বর্তী সরকার কীভাবে চলত, এটা নিয়ে কত মিথ্যা আর গুঞ্জন হলো। গুঞ্জন আর নানা হিসাবের বাইরে তো অনেক সত্য আছে!!’
সবশেষে সাবেক এই উপদেষ্টা পোস্টে উল্লেখ করেছেন, ‘আমি যে মাদ্রাসায় ৮ বছর পড়েছি, যে মাদ্রাসা আমার বাবা লীগ কর্তৃক বেদখল হওয়া পর্যন্ত ১৫ বছর পরিচালনা করেছেন, সে মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত হয়নি। কারণ, আমি একটি রাজনৈতিক দলের বিরোধিতা করেছিলাম।আমি তো ‘অযোগ্য উপদেষ্টাই বটে! আর, সে রাজনৈতিক দল নাকি ক্ষমতায় ছিল না। হাহা পায় যে হাসি!!’
উপদেষ্টার কাছে গিয়েও কোনো হেল্প পাইনি
উপদেষ্টার কাছে গিয়েও কোনো হেল্প পাইনি
নিজের এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রমে সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে একাউন্টে দেওয়া পোস্টে তিনি সহযোগিতা না পাওয়া নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।পোস্টে মাহফুজ আলম লেখেন, ‘আজকে হাসনাতের সংসদে ‘আকুতি’ দেখে মনে পড়ল যে, রামগঞ্জ-লক্ষীপুরের উন্নয়নের জন্য ৪/৫ জন জন উপদেষ্টার কাছে গিয়েও কোনো হেল্প পাইনি। তাদের সঙ্গে কয়েকবার
দেখা করেছি।ডিও লেটার দিয়েছি। সেসব লেখার সময় এখনও আসেনি। এতটুকু বলতে পারি যে, একটি রাজনৈতিক দলের চাপে/ সিদ্ধান্তে উনারা আমার এলাকায়/ আমাকে কোনো সহযোগিতা করেননি।’তিনি আরো লিখেন, ‘হাসনাত বলছেন এলাকায় মুখ দেখাতে পারবেন না। আর, আমার মুখটা ঢেকে দিয়েছিলেন আমার সহকর্মীগণ! খোদা তাদের মঙ্গল করুন। অন্তর্বর্তী সরকার কীভাবে চলত, এটা নিয়ে কত মিথ্যা আর গুঞ্জন হলো। গুঞ্জন আর নানা হিসাবের
বাইরে তো অনেক সত্য আছে!!’সবশেষে সাবেক এই উপদেষ্টা পোস্টে উল্লেখ করেছেন, ‘আমি যে মাদ্রাসায় ৮ বছর পড়েছি, যে মাদ্রাসা আমার বাবা লীগ কর্তৃক বেদখল হওয়া পর্যন্ত ১৫ বছর পরিচালনা করেছেন, সে মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত হয়নি। কারণ, আমি একটি রাজনৈতিক দলের বিরোধিতা করেছিলাম।আমি তো ‘অযোগ্য উপদেষ্টাই বটে! আর, সে রাজনৈতিক দল নাকি ক্ষমতায় ছিল না। হাহা পায় যে হাসি!!’
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত