বুলবুল আহমেদ সোহেলঃ
নারায়ণগঞ্জে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষে যুবদলকর্মী শাওন নিহত হয়েছে। ২০ জন পুলিশ সদস্য সহ আহত হয়েছে কমপক্ষে অর্ধশত লোকজন। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষে গোটা এলাকা পরিণত হয়েছিল রণক্ষেত্রে।
আজ সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে নগরের ২নং রেলগেইট এলাকায় বঙ্গবন্ধু সড়কে বিএনপির ৪৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে জেলা ও মহানগর বিএনপির উদ্যোগে নেতাকর্মীরা সমাবেশ করার চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ তাদের বাঁধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য লাঠিচার্জ করলে বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ পুলিশকে লক্ষ করে বেশ কয়েকটি ককটেল ও নিক্ষেপ করে।পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শর্টগানের গুলি রাবার বুলেট ও টিয়ারশেলের নিক্ষেপ করেছে। সংঘর্ষের সময় চারটি মোটর সাইকেলে আগুনসহ সাত-আটটি যানবাহন ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নগরের ২নং রেল গেইট এলাকায় আলী আহাম্মদ চুনকা পাঠাগারের সামনে র্যালি ও সমাবেশ করতে নেতাকর্মীরা জড়ো হতে শুরু করে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ বিএনপির নেতাকর্মীদের র্যালি বের করতে বাধা দেয় এবং সড়ক থেকে সরে যেতে বলে। পুলিশের বাঁধা উপেক্ষা করে র্যালী বের করার চেষ্টা করলে বিএনপির নেতার্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে জেলা আহবায়ক মনিরুল ইসলাম রবি বলেন, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর র্যালি বের করতে বিএনপির নেতাকর্মীরা পাঠাগারের সামনে জড়ো হতে শুরু করে। এসময় পুলিশ অতর্কিত তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীতে লাঠিপেটা শর্টগানের গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে। গুলিবিদ্ধ হয়ে ফতুল্লা এনায়েত নগর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শাওন নিহত হয়। ৮ জন গুলিবিদ্ধ সহ অন্তত অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
এ ব্যাপারে পুলিশ সুপাার গোলাম মোস্তফা রাসেল জানান, বিএনপির নেতাকর্মীরা নগরের মূল সড়ক অবরুদ্ধ করে কর্মসূচি পালনের চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে নেতা কর্মীরা। এতে পুলিশের অন্তত ২০জন সদস্য আহত হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শতাধিক শর্টগানের গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে। যুবদল নেতা কিভাবে মারা গেছে তা তদন্তের পর বলা যাবে। এ ব্যাপারপ মামলা পক্রিয়াধীন।
এদিকে পুলিশের ছোড়া টিয়ার সেলের গ্যাসে মর্গ্যান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অন্তত ১০জন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
এদিকে ঘটনার পর মহানগর আওয়ামীলীগ নগরে একটি বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে। সমাবেশে তারা বলেন বিএনপির নেতাকর্মীর আবার ধ্বংসাত্মক রাজনীতি শুরু করছে। এ ধরনের রাজনৈতিক তৎপড়তা ঠেকাতে তারাও রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।
যুবদল নেতা শাওন নিহত ; ২০ পুলিশসহ আহত ৭০
যুবদল নেতা শাওন নিহত ; ২০ পুলিশসহ আহত ৭০
বুলবুল আহমেদ সোহেলঃনারায়ণগঞ্জে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষে যুবদলকর্মী শাওন নিহত হয়েছে। ২০ জন পুলিশ সদস্য সহ আহত হয়েছে কমপক্ষে অর্ধশত লোকজন। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষে গোটা এলাকা পরিণত হয়েছিল রণক্ষেত্রে। আজ সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে নগরের ২নং রেলগেইট এলাকায় বঙ্গবন্ধু সড়কে বিএনপির ৪৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে জেলা ও মহানগর বিএনপির উদ্যোগে নেতাকর্মীরা সমাবেশ করার চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ তাদের বাঁধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য লাঠিচার্জ করলে বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ পুলিশকে লক্ষ করে বেশ কয়েকটি ককটেল ও নিক্ষেপ করে।পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শর্টগানের গুলি রাবার বুলেট ও টিয়ারশেলের নিক্ষেপ করেছে। সংঘর্ষের সময় চারটি মোটর সাইকেলে আগুনসহ সাত-আটটি যানবাহন ভাংচুরের
ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নগরের ২নং রেল গেইট এলাকায় আলী আহাম্মদ চুনকা পাঠাগারের সামনে র্যালি ও সমাবেশ করতে নেতাকর্মীরা জড়ো হতে শুরু করে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ বিএনপির নেতাকর্মীদের র্যালি বের করতে বাধা দেয় এবং সড়ক থেকে সরে যেতে বলে। পুলিশের বাঁধা উপেক্ষা করে র্যালী বের করার চেষ্টা করলে বিএনপির নেতার্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে জেলা আহবায়ক মনিরুল ইসলাম রবি বলেন, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর র্যালি বের করতে বিএনপির নেতাকর্মীরা পাঠাগারের সামনে জড়ো হতে শুরু করে। এসময় পুলিশ অতর্কিত তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীতে লাঠিপেটা শর্টগানের গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে। গুলিবিদ্ধ হয়ে ফতুল্লা এনায়েত নগর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শাওন নিহত হয়। ৮ জন গুলিবিদ্ধ সহ অন্তত অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এ ব্যাপারে
পুলিশ সুপাার গোলাম মোস্তফা রাসেল জানান, বিএনপির নেতাকর্মীরা নগরের মূল সড়ক অবরুদ্ধ করে কর্মসূচি পালনের চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে নেতা কর্মীরা। এতে পুলিশের অন্তত ২০জন সদস্য আহত হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শতাধিক শর্টগানের গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে। যুবদল নেতা কিভাবে মারা গেছে তা তদন্তের পর বলা যাবে। এ ব্যাপারপ মামলা পক্রিয়াধীন।এদিকে পুলিশের ছোড়া টিয়ার সেলের গ্যাসে মর্গ্যান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অন্তত ১০জন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।এদিকে ঘটনার পর মহানগর আওয়ামীলীগ নগরে একটি বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে। সমাবেশে তারা বলেন বিএনপির নেতাকর্মীর আবার ধ্বংসাত্মক রাজনীতি শুরু করছে। এ ধরনের রাজনৈতিক তৎপড়তা ঠেকাতে তারাও রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত