Logo
শিরোনাম

বিপন্ন মানবতার পাশে সৈয়দ মইনুদ্দিন

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ মার্চ ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৩২৫জন দেখেছেন
Image

১৯৮৮, ১৯৯৮ ইং সালের শতাব্দীর ভয়াবহ বন্যা কবলিত বিপন্ন মানুষের পাশে ত্রাণ-সামগ্রী নিয়ে হাজির হন আওলাদে রাসূল (দঃ) মুর্শেদ কেবলা। ১৯৯১ ইং সালের ভয়াবহ জলোচ্ছাসে ক্ষতিগ্রস্থ পতেঙ্গা এলাকার দুঃখী মানুষের পাশে গিয়ে দাড়ান হুজুর কেবলা। ২০০৭ ইং সালের বন্যা এবং শতাব্দীর ভয়াবহ সিডরে ক্ষতিগ্রস্থ দুঃখী অসহায় মানুষের পাশে গিয়ে ত্রান-সামগ্রী নিয়ে দাড়ান আমাদের নিবেদিত প্রাণ আশেকান তাঁরই নির্দেশক্রমে। তিনি এতিম-অনাথ দুঃখী মানুষের বন্ধু ও কান্ডারী। বিশ্ব মানবতার সেবাই যার জীবনের ব্রত।

তরীকতের সিপাহ্সালার ও দিক্ নির্দেশক

তরীকায়ে মাইজভান্ডারীয়ার দিক-নির্দেশক হিসাবে সারা বাংলার আনাচে-কানাচে খিদমত আন্জাম দিয়েছেন। এ তরীকাকে সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছেন। তরীকায়ে মাইজভান্ডারীয়ার মূল সুর আল্লাহ ও রাসূল (দঃ) এবং মানবতার প্রেম। সাম্য-মৈত্রী সৃষ্টি। ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করা। তাই তিনি বাংলাদেশে আট সহস্রাধিক খানকা শরীফ কায়েম করেন। এমনিভাবে বর্হিবিশ্বে ও এ তরীকার খিদমত অব্যাহত রেখেছেন। ব্যাংকক, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, আবুধাবী, ওমানসহ সমগ্র বিশ্বে খানকা শরীফ, মসজিদ ও ইসলামী রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেন। যুগের সকল তরীকতের প্রতিনিধিগণের সাথে তাঁর রয়েছে রূহানী নিবিড় সম্পর্ক। তিনি পীরানে পীর। সোলতানুল আউলিয়া। সমগ্র বিশ্বে তাঁর লাখো-কোটি ভক্ত অনুরক্ত রয়েছে। রয়েছে হাজারো খলিফা ও প্রতিনিধি। তরীকায়ে মাইজভান্ডারীয়ার চর্চা ও তালিম সমগ্র বিশ্বে সম্প্রসারিত করেন আওলাদে রাসূল (দঃ) শাহ্সূফী সৈয়দ মইনুদ্দিন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী (মাঃজিঃআঃ)।

শতাব্দীর সংস্কারক মুর্শেদ কেবলা

প্রিয় নবীজি (দঃ) ইরশাদ করেন- “নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা প্রতি শতাব্দীর মাথায় এমন ব্যাক্তিকে দুনিয়াতে প্রেরণ করবেন, যিনি দ্বীন ইসলামের সংস্কারের খিদমত আন্জাম দেবেন”। মহানবী (দঃ) এর পবিত্র বানীর আলোকে মুর্শেদ কেবলা ইসলামের সংস্কারক হিসাবে খিদমত আন্জাম দিয়ে যাচ্ছেন বিশ্বব্যাপী নিরলসভাবে। একদিকে তরীকত পন্থীদের মাঝে সংস্কারের মাধ্যমে তরীকতের ছহীহ খিদমত আন্জাম দিয়ে যাচ্ছেন। সকল অনাচারের বিরুদ্ধে তাঁর জিহাদ অব্যাহত রয়েছে। অপরদিকে প্রেম-ভালবাসা দিয়ে অমুসলমানদেরকে ইসলামে দীক্ষিত করছেন। “ইসলাম উদারতায়’ তলোয়াওে নয়”, যার বাস্তব প্রতিচ্ছবি মুর্শেদ কেবলা সৈয়দ মুইনুদ্দিন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী (মাঃজিঃআঃ)।

ইলমে দ্বীনের খিদমত

জ্ঞান পিপাসু মাহজ্ঞানী সৈয়দ মইনুদ্দিন। তিনি তাঁর আশেকান ও তাদের সন্তানদেরকে উচ্চ শিক্ষা অর্জনের জন্য সর্বদা উৎসাহিত করে যাচ্ছেন। জ্ঞানী ও শিক্ষাবিদকে তিনি অত্যন্ত ভালবাসেন। পড়াশুনার প্রতি অত্যাধিক গুরুত্ব দেন। তিনি মানুষ গড়ার এক নিপুন কারিগর। তিনি সাচ্চা হাফেজ তৈরীর লক্ষ্যে মাইজভান্ডার দরবার শরীফে মাইজভান্ডার রহমানিয়া মইনীয়া হেফজখানা ও এতিমখানা কমপ্লেক্স (৫ তলা বিশিষ্ট ভবন) প্রতিষ্ঠা করেন। এতিমখানার ছাত্রদের ভরন-পোষন-চিকিৎসা এমনকি জামা-কাপড় পর্যন্ত ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ব্যয় ভার বহন করে থাকেন। সুন্নী যোগ্য আলেম তৈরীর মানসে নিুোক্ত মাদ্রাসাসমূহ প্রতিষ্ঠা করেনঃ
v শরীফপুর রহমানিয়া মইনীয়া দাখিল মাদ্রাসা, রায়পুরা, নরসিংদী
v শরীফপুর রহমানিয়া মইনীয়া হেফজখানা ও এতিমখানা, রায়পুরা, নরসিংদী
v ডিমডুল রহমানিয়া মইনীয়া সিনিয়র মাদ্রাসা, বরুড়া, কুমিল্লা
অসংখ্য সুন্নী কামিল-ফাজিল-আলিম মাদ্রাসায় বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়ে আর্থিক সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছেন। ওলামায়ে আহলে সুন্নাতের পৃষ্ঠপোষকাত করছেন আর্থিক ভাবে নীরবে অকাতরে।
কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ শিক্ষার্থী ও গবেষণারত অনেকের পৃষ্ঠপোষকতা করছেন আর্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে। এতিম-দুঃখী ও বিপন্ন মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু সৈয়দ মইনুদ্দিন। বহুজনকে কর্মসংস্থানে সহযোগিতা করেন তিনি।


আরও খবর



আমদানি ব্যয় বাড়ায় চাপের মুখে রিজার্ভ

বৈদেশিক লেনদেনে ঘাটতি বাড়ছে

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন
Image

চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় বৈদেশিক লেনদেনের ঘাটতি বেড়ে যাচ্ছে। এক দিকে আমদানি ব্যয় অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে; বিপরীতে কাক্সিক্ষত হারে রফতানি আয় ও রেমিট্যান্স-প্রবাহ বাড়ছে না। এর ফলে ডলারের বিনিময় হারের সাথে চাপ বেড়ে যাচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান মতে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে বৈদেশিক বাণিজ্যে ঘাটতি বেড়েছে ৬৪ শতাংশ। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, যে হারে আমদানি ব্যয় বাড়ছে এটা অব্যাহত থাকলে আর্থিক বছর শেষে বৈদেশিক লেনদেনের ঘাটতি আরো বেড়ে যাবে। এতে ডলারের দাম টাকার বিপরীতে আরো বেড়ে যাবে, যাতে মূল্যস্ফীতিসহ সামগ্রিক অবস্থায় অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্য মতে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ঋণাত্মক ১৬ দশমিক ২৫ শতাংশ; অপর দিকে একই সময়ে রফতানি আয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৫ শতাংশ। কিন্তু ৯ মাসের হিসাবে আমদানি ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৪৪ শতাংশ। যে হারে আমদানি ব্যয়ে প্রবৃদ্ধি হচ্ছে, এটা এপ্রিলেও অব্যাহত রয়েছে। আমদানি ব্যয়ের এপ্রিলের হিসেব এখনো চূড়ান্ত না হওয়ায় সুনির্দিষ্ট হার বলা যাচ্ছে না। এ অবস্থা থাকলে আর্থিক বছর শেষে চাপের মুখে পড়ে যাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। ইতোমধ্যে রিজার্ভ কমতে শুরু করেছে। গত সপ্তাহেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৪৪ বিলিয়ন ডলার। এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) মার্চ-এপ্রিল মেয়াদের রেকর্ড ২ দশমিক ২৪ বিলিয়ন (২২৪ কোটি) ডলারের আমদানি বিল পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ রিজার্ভ ৪১ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। এর আগে ২০২০ সালের নভেম্বরে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৪১.২৬ বিলিয়ন ডলার। বর্তমানের আমদানির খরচ হিসাবে এই রিজার্ভ দিয়ে পাঁচ মাসের কিছু বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব হবে। অথচ সাত-আট মাস আগেও ১০ থেকে ১১ মাসের আমদানি খরচ মেটানোর রিজার্ভ ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকে।

এ দিকে অস্বাভাবিক হারে আমদানি দায় বেড়ে যাওয়ায় বৈদেশিক লেনদেনের ঘাটতি বেড়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যানে থেকে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৪৯০ কোটি ডলারে। যেখানে আগের বছরের একই সময়ে ছিল এক হাজার ৫২১ কোটি ডলার। আলোচ্য সময়ে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে প্রায় ৬৪ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে ছয় হাজার ১৫২ কোটি ৪০ লাখ (৬১ দশমিক ৫২ বিলিয়ন) ডলারের বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করেছে বাংলাদেশ। এই অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ বেশি। ২০২০-২১ অর্থবছরের এই ৯ মাসে ৪২ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছিল। অন্য দিকে চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে বিভিন্ন পণ্য রফতানি করে ৩৬ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার আয় করেছেন রফতানিকারকরা, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৩২ দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি। আমদানি ব্যয় থেকে রফতানি আয় বাদ দিলে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়ায় দুই হাজার ৪৯০ কোটি ডলার।

আলোচিত ৯ মাসে সেবা খাতের বাণিজ্য ঘাটতিও বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে সেবা খাতে বাংলাদেশ আয় করেছে ৭০৮ কোটি ডলার। অন্য দিকে সেবা খাতে দেশের ব্যয় হয়েছে ৯৯৮ কোটি ডলার। সেই হিসাবে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৮০ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে ঘাটতি ছিল ১৯৯ কোটি ডলার।

জানা গেছে, চলতি হিসাবের ভারসাম্যে (কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স) বড় ঘাটতিতে পড়েছে বাংলাদেশ। চলতি অর্থবছরের ৯ মাসে এ ঘাটতির (ঋণাত্মক) পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪০৭ কোটি ৭২ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরে একই সময়ে ঘাটতির অঙ্ক ছিল ৫৫৫ কোটি ডলার। সামগ্রিক লেনেদেনে ঘাটতি ৩ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। অথচ গত অর্থবছরের একই সময়ে এই সূচকে সাত বিলিয়ন ডলার উদ্বৃত্ত ছিল। সামগ্রিক লেনেদেনে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে এ সূচকে ৬৯৯ কোটি ডলারের উদ্বৃত্ত ছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার আন্তঃপ্রবাহ কমে যাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময়েও চাপ বেড়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ১২ দিনের ব্যবধানে টাকার মান কমানো হয়েছে। গত ২৭ এপ্রিল প্রতি ডলারে কমানো হয়েছিল ২৫ পয়সা। গত সোমবার আরেক দফা কমানো হয়েছে ২৫ পয়সা। এর ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত দর উঠে গেছে ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা, যা এক বছর আগেও ছিল ৮৪ টাকা। তবে ব্যাংকগুলো এর চেয়ে বেশি দরে লেনদেন করছে। ইতোমধ্যে ব্যাংকগুলোর ডলার সঙ্কট দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক তার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে সঙ্কটে পড়া ব্যাংকগুলোর কাছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, টাকার মান কমে গেলে বহুমুখী চাপে পড়ে যাবে দেশ। কারণ আমাদের অর্থনীতি আমদানি নির্ভরতা বেশি। টাকার মান কমে গেলে আমদানিকৃত পণ্যের দাম আরো বেড়ে যাবে। এতে বেড়ে যাবে স্থানীয় শিল্পের উৎপাদন ব্যয়। ফলে দেশীয় বাজারে পণ্যের দাম বেড়ে যাবে। এক দিকে পণ্যের দাম বেড়ে গেলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাবে, অপর দিকে মানুষের আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের মূল্যের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা কমে যাবে। সবমিলেই চাপে পড়ে যাবে সামগ্রিক অর্থনীতি। তাদের মতে, অনুৎপাদনশীল পণ্যের আমদানি কমানোর ব্যবস্থা করতে হবে। একই সাথে মূলধনী যন্ত্রপাতিসহ অন্যান্য পণ্যের আমদানির আড়ালে মুদ্রাপাচার হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখতে হবে। পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার আন্তঃপ্রবাহ বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশী শ্রমের নতুন নতুন বাজার সৃষ্টি করতে হবে।




আরও খবর

পচছে আমদানি পেঁয়াজ

সোমবার ১৬ মে ২০২২




গজারিয়া গণহত্যা দিবস পালিত

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
Image

শাহাদাত হোসেন সায়মনঃ 

গজারিয়ায় যথাযথ মর্যাদায় গণহত্যা দিবস পালিত, মহান স্বাধীনতার ৫১ বছরের স্বীকৃতি পায়নি শহীদ ও যুদ্ধাহত এই পরিবারগুলো।

 সোমবার ৯মে গজারিয়া গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন ও শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়,সকালে উপজেলা পরিষদের হল রুমে আলোচনা সভা,বিকালে গণকবরের সামনে পুষ্পার্পন ও শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে মিলাদ, মাহফিল ও কাঙ্গালীভোজের আয়োজন করা হয়েছে।দিনব্যাপী কর্মসূচীতে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃজিয়াউল ইসলাম চৌধুরী,উপজেলা পরিষদ এর ভাইস চেয়ারম্যান  আতাউর রহমান নেকী (খোকন),বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যান বৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউল্লাহ, মোঃহাফিজুজ্জামান খাঁন জিতু, মোঃমিজানুর রহমান প্রধান,মোঃকামরুল হাসান ফরাজী,শহীদ পরিবারের সভাপতি মোঃমহিউদ্দিন ঠাকুন,সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা আশরাফুল ইসলাম জয়,আজিজুল হক পার্থ প্রমুখ।


আরও খবর



ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না করলে ক্রোড়পত্র পাবে না পত্রিকা

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৮৪জন দেখেছেন
Image

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড.হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন, দেশের ছাপা পত্রিকার মধ্যে যারা অষ্টম ওয়েজবোর্ড এখনও বাস্তবায়ন করেনি তারা সরকারের কোনো ক্রোড়পত্র পাবে না। ভবিষ্যতে নবম ওয়েজবোর্ড যারা বাস্তবায়ন করবে না, সে ক্ষেত্রে কি ব্যবস্থা নেয়া হবে, সেটি নিয়েও ভাবছি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ইংরেজি পত্রিকাগুলোর প্রচার সংখ্যা হালনাগাদ করে বাস্তবতার কাছাকাছি নিয়ে আসা হয়েছে। বাংলা পত্রিকাগুলোর ক্ষেত্রেও আমরা সেটা খুব সহসা করে দেবো। অনেক পত্রিকা যেগুলো আসলে ঠিকভাবে প্রকাশিত হয় না, সেগুলোর বিপুল প্রচার সংখ্যা দেখানো হয়েছে, এ সব অসংগতি দূর করে আমরা এগুলো ঠিক করছি।

সরকারের ভুলত্রুটি থাকলে তা বিএনপি নেতাকর্মীরা তুলে ধরতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের ‍যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, আমরা চাই সরকারের যদি ভুলত্রুটি থাকে, সেগুলো বিএনপি তুলে ধরুক। তাদের আন্দোলন শুধুমাত্র তারেক রহমানের শাস্তি আর খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে এটিই আমাদের কামনা। তারা জনগণের বিষয় নিয়ে কথা বলবে, সরকারের ভুলত্রুটি থাকলে সেগুলো তুলে ধরবে, সেটিই আমরা চাই।

কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুভাষ চন্দ বাদলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওমর ফারুক, সাধারণ সম্পাদক দীপ আজাদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন এসময় উপস্থিত ছিলেন। প্রধান তথ্য অফিসার মো. শাহেনুর মিয়া, মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো: মাহফুজুল হক, ডিইউজের সহসভাপতি মানিক লাল ঘোষ, কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য সেবিকা রাণী প্রমুখ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

সাংবাদিক সহায়তা চেক বিতরণ পর্বে হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহেই এই কল্যাণ ট্রাস্ট গঠিত হয়েছে এবং আজকে এই ট্রাস্ট সাংবাদিকদের একটি ভরসার জায়গা হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট অত্যন্ত সুচারু এবং স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হচ্ছে। ট্রাস্ট পরিচালনার সাথে সাংবাদিক নেতারা যুক্ত আছেন, যা উপকারভোগী নির্বাচনে সহায়ক হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ট্রাস্টের আওতায় অস্বচ্ছল সাংবাদিকদের ছেলেমেয়েদের শিক্ষা সহায়তা নীতিমালাও চূড়ান্ত হয়েছে।

২০১৪ সালে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠনের পর থেকে আজকের এই আয়োজনসহ ৮ হাজার ১৫৬ জন সাংবাদিক ও তার পরিবারকে মোট ২২ কোটি ৭৯ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



বাবার সম্পত্তি বিক্রি করে অবশেষে নায়িকা নিপা

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৭৮জন দেখেছেন
Image

সিনেমার নায়িকা হওয়ার জন্য তিনি নিজেই যেন সিনেমার কাহিনি সৃষ্টি করে ফেলেছেন। নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন পূরণের জন্য কী না করেছেন! ১৫ বছর ধরে বাড়ি ছাড়া, বাবার সম্পত্তি বিক্রি করেছেন, নিজের ব্যবসার টাকা বিনিয়োগ করেছেন, সিনে জগতের মন্দ লোকের পাল্লায় পড়ে ঠকেছেন; এমন আরও কত কী!

গল্পটা সুলতানা রোজ নিপার। আজ মঙ্গলবার (৩ মে) ঈদ উপলক্ষে মুক্তি পেয়েছে তার প্রথম সিনেমা ‘বড্ড ভালোবাসি’। নিজে অর্থ খরচ করে সিনেমাটি বানিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে নায়িকা হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেছেন। তবে এই দিনটির জন্য দীর্ঘ ১৫ বছর সংগ্রাম করেছেন এই তরুণী।

নিপা জানান, তার বাড়ি চট্টগ্রামের আনোয়ারায়। খুব ছোটবেলায় নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন জাগে মনে। কিন্তু পরিবার বাঁধ সাধে। কিন্তু নিপার মনেও জেদ, যেভাবেই হোক নায়িকা হবেন। সেই জেদ নিয়েই ঘর ছেড়ে ঢাকায় পাড়ি জমান।

এরপর এ গলি থেকে ও গলি, রূপালি দুনিয়ার নানা রূপ দেখা হয় নিপার। নায়িকা হওয়ার জন্য অনেক কিছুই করেন। কিন্তু কোনোভাবেই কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নটা পূরণ হয় না। তাই শেষ পর্যন্ত নিরুপায় হয়ে নিজেই ৮৬ লাখ টাকা ব্যয় করে সিনেমা বানিয়েছেন।

‘বড্ড ভালোবাসি’ পরিচালনা করেছেন জুয়েল ফারসি। এতে রোজ নিপার সঙ্গে অভিনয় করেছেন হাসিব খান শান্ত। বাংলাদেশের পাশাপাশি এতে কলকাতার বেশ কয়েকজন অভিনয়শিল্পী কাজ করেছেন।

সিনেমায় লগ্নি করার জন্য এত টাকা কোথায় পেয়েছেন, এ বিষয়ে নিপা জানান, তিনি তার পৈতৃক সম্পত্তির কিছু অংশ বিক্রি করেছেন। এছাড়া তার বিউটি পার্লার ও গার্মেন্টসের ব্যবসা রয়েছে। নিজের সব সঞ্চয় তিনি বাজি রেখেছেন সিনেমার জন্য।

কিছুদিন আগে ‘বড্ড ভালোবাসি’ সিনেমার ট্রেলার প্রকাশ হয়। এটি ব্যাপক সমালোচিত হয়। আধুনিক এই সময়ে এমন সিনেমা দর্শক দেখবে না বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মাত্র তিনটি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। এগুলো হলো- ঢাকার যমুনা ব্লকবাস্টার, নওগাঁর সেভেনস্টার ও মুন্সিগঞ্জের স্বপ্নপূরী।


আরও খবর

এবার চলচ্চিত্রে ধোনী

শুক্রবার ১৩ মে ২০২২




প্রেমে রাজি না হওয়ায় স্তন কেটে হত্যার চেষ্টা

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৮২জন দেখেছেন
Image

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ

হবিগঞ্জে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এক তরুণীর স্তন কেটে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। মাধবপুর উপজেলার মানিকপুর পুর্ব মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত ওই তরুণীকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় ৬ জনের বিরুদ্ধে মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীর বাবা। 

মানিকপুর গ্রামের মারুফ মিয়ার ছেলে সুমন (২২) বেশ কিছুদিন ধরে ওই  তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। কিন্তু প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি ওই তরুণী । ১৯ এপ্রিল দিবাগত রাতে সেহরি খাওয়ার জন্য ওই তরুণতরুণীকে ঘুম থেকে ডেকে তুলেন তাঁর ফুপু। এসময় সে বাড়ির টিউবওয়েলে মুখ ধুতে গেলে আগে থেকে অপেক্ষায় থাকা সুমন ও তার সহযোগীরা ওই যুবতীর মুখ চেপে ধরে ধাঁরালো অস্ত্র দিয়ে দুই স্তনসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। এক পর্যায়ে তাঁর আর্তচিৎকারে বাড়ির ও আশপাশের লোকজন ছুটে এলে সুমন ও তাঁর লোকজন পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত তরুণীকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।

মেয়ের শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ায় আজ সোমবার এ ঘটনায় ওই যুবতীর বাবা সুমনসহ ৬ জনকে অভিযুক্ত করে মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

মাধবপুর থানার পরিদর্শক তদন্ত গোলাম কিবরিয়া হাসান জানান, আজ সকালে ওই তরুণীর বাবা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে সাড়াশি অভিযান চালানো হচ্ছে।


আরও খবর