Logo
শিরোনাম

বিশ্বাস হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়া যায়না

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরীর ফেসবুক থেকে নেয়াঃ

বিশ্বাস কি খুব ঠুনকো আর ভঙ্গুর একটা জিনিস  | এটা  কি ছায়ার মতো নাকি কাচের আয়নার মতো ! ছায়া আলোয় আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠে, অন্ধকারে মিলিয়ে যায় | বিশ্বাস ঠিক তেমনই | সত্যের উপর ভর করে বিশ্বাস যখন জ্বলে উঠে তখন মিথ্যার ছায়ার মৃত্যু ঘটে | অন্ধকার আলোর সাথে লড়াইয়ে পেরে উঠেনা | দৃশ্যপটের পরিবর্তন ঘটে | সব কিছু উলোট পালট হয়ে যায়,  যখন বিশ্বাসের ভিতরে মিথ্যে প্রবেশ করে | তখন সত্যের ছায়ার মৃত্যু ঘটে | আলো পরাভূত হয় অন্ধকারের কাছে | বিশ্বাস কখনো কাচের আয়নায় নিজেকে দেখতে পায় | আয়নার বাইরের মানুষটার ভিতরে যদি মনুষ্যত্ব  থাকে  তখন আয়নার ভিতরের  মানুষটার ভিতরে  বিশ্বাস জন্ম নেয় | আয়নাটা ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেলে মানুষের মুখটাও টুকরো টুকরো হয়ে যায়, বিশ্বাস তখন টুকরো টুকরো হয়ে যায় | এমন টুকরো টুকরো কাচের ভিতর মানুষ তার মনুষ্যত্বকে হারিয়ে ফেলে | বিশ্বাস তার অস্তিত্ব হারায় |  

বিশ্বাস একটা চাদরের মতো | যখন  কাউকে  শীতের তীব্রতা  গ্রাস করে  তখন চাদরটা তার শরীরে উষ্ণতা তৈরী করে | হয়তো চাদরটার উষ্ণতা তৈরী করার শক্তি নেই, কিন্তু চাদরটা যখন বিশ্বাস হয়ে যায় তখন উষ্ণতার জন্ম হয় | যার চাদর কেনার সামর্থ্য নেই, তখন শীতটা তার জন্য চাদর হয়ে যায় | মানুষটার উদোম শরীর আর শীত এক হয়ে যায় | অথচ কেউ কেউ আবার দামি দামি মখমলের একটার পর একটা মোটা চাদর শরীরের উপর জড়িয়েও শীতকে জয় করতে পারেনা | 

অন্যকে বিশ্বাস করা যতটা সহজ নিজেকে বিশ্বাস করা ততটা কঠিন | এটা অনেকটা আত্মসমীক্ষণের মতো | যেখানে মানুষ নিজেকে একটা চিত্রকর্মে পরিণত করে | তারপর রংতুলি দিয়ে একটার পর একটা জলরঙে নিজেকে ডুবিয়ে দেখার চেষ্টা করে | বিশ্বাসে যখন মরিচা পড়ে তখন রংগুলো বদলে যায় | বিশ্বাস পরিবর্তিত হয় | বিশ্বাস তখন আত্মঘাতী হয় | যদি জল রঙে ডুবিয়েও রঙের পরিবর্তন না ঘটে তবে বিশ্বাস পরীক্ষায় উতরে যায় | 

সব হারিয়ে গেলেও ফিরে পাবার সম্ভাবনা থাকে, বিশ্বাস হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়া যায়না | বিশ্বাস ভেঙে গেলে জোড়া লাগানো যায়না | বিশ্বাস অনেকটা নদীর পানির মতো | যে পানি একবার স্রোতে হারিয়ে যায় তাকে আর কখনো খুঁজে পাওয়া যায়না |

বিশ্বাস একটা চিঠির মতো | তবে বিশ্বাসের চিঠিতে কোনো কালো অক্ষরের লেখা থাকেনা, একটা অদৃশ্য অনুভূতি থাকে, বিন্দু বিন্দু না বলা কথা থাকে  | কষ্ট থাকে, যন্ত্রনা থাকে, আনন্দ থাকে, হাসি থাকে | হয়তো মিথ্যেকে সত্য করে বলার মতো অনেক কিছুই থাকে | অথচ  বিশ্বাসের চিঠি কখনো  খামবন্দি হতে চায়না, বরং খামকে বন্দি করতে চায় | খামও বন্দি হতে চায়না বরং চিঠিকে তার ভিতরে ঢুকিয়ে বন্দি করতে চায় | এখন যুগ পাল্টেছে | মানুষের উপর চিঠি আর খামের অনেক বিশ্বাস ছিল তা আজ হারিয়ে গেছে | কারণ স্বার্থপর মানুষ নতুন কোনো বিকল্প পেলে পুরাতনের বিশ্বাসকে হত্যা করে |   রঙিন মানুষ, রঙিন দুনিয়ার প্রেমে পড়ে সাদা কালো দুনিয়ার বিশ্বাসকে হারায় |

বিশ্বাস একটা সার্কাসের জোকারে মতো | যে নিজে হাসতে না পারলেও মানুষকে হাসানোর বিশ্বাসকে তার কান্নার মধ্যে দিনের পর দিন জমাতে থাকে | সেটা বুকের ভিতরে এমন একটা জায়গায় জমতে থাকে সেটা জোকারটা ছাড়া আর কেউ কখনো দেখতে পায়না | মানুষ ভাবে টাকা দিয়ে জোকারের হাসি কিনেছে | আর জোকারটা জানে মুখে রং মেখে প্রতিদিন তার কান্না মানুষের কাছে বিক্রি করছে সে | বিশ্বাস সেটা যেটা আমরা বিশ্বাস করিনা, বিশ্বাস সেটা নয় যেটা আমরা বিশ্বাস করি | খুব অদ্ভুত একটা মনস্তত্ব | যা বইয়ের পাতায় থাকেনা | অথচ বইয়ের পাতায় মানুষ সারাজীবন বিশ্বাসকে খুঁজে বেড়ায় |

চোখে চশমা পড়ে বিশ্বাসকে খুঁজতে গেলে চশমাটাই একটা বিজ্ঞানের উপাদান হয়ে যায় | চোখও তখন বিজ্ঞানের উপাদান হয়ে যায় | মানুষটাও বিজ্ঞানের উপাদান হয়ে যায় | অথচ বিশ্বাসটা তখনও বিধ্বস্ত করা ঘূর্ণিঝড়ের মতো | কোথায় আঘাত হানবে তা কেউ আগে থেকে বলতে পারেনা |

একটা মানুষ বাজারে গিয়ে বিশ্বাসকে কিনবে বলে খুঁজে বেড়াচ্ছে অথচ ওই মানুষটার নিজের বিশ্বাস অন্যের কাছে কখন বিক্রি হয়ে গেছে তা সে নিজেই জানেনা | বিশ্বাস কখনো বিক্রি হতে ভালোবাসেনা অথচ মানুষ বিশ্বাসকে পণ্য বানিয়ে বিক্রি করতে চায় | যখন বিশ্বাস বিক্রি হয় তখন মানুষও বিক্রি হয় | বিশ্বাসের ভিতর মানুষ থাকে, মানুষের ভিতর বিশ্বাস থাকেনা | 

একটা কাঠের লাটিম বিক্রি করে যে মানুষটা সংসার চালায় তার জীবনটা অনেকটা লাটিমের মতো | লাটিম যতটা না ঘুরে লাটিম বিক্রি করা মানুষটাকে জীবনের সাথে লড়ার জন্য তার চেয়ে বেশি ঘুরতে হয় | লাটিমটা যে মানুষটা কিনে সে মানুষটাও লাটিমের মতো ঘুরে | সবাই ঘুরে, বিশ্বাসও ঘুরে | কিন্তু আবর্তনের কেন্দ্রবিন্দু একেকজনের একেক রকম হয় |

মানুষ মরে যায়, বিশ্বাস তারপরও বেঁচে থাকে | মানুষের বয়স যত বাড়ে বিশ্বাসের বয়স তত কমে |  বিশ্বাসের বয়স এভাবে ক্রমাগত কমতে কমতে কখনো ফুরিয়ে যায়না | 


আরও খবর



জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীর যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

অস্ত্র মামলায় বিতর্কিত ঠিকাদার জি কে শামীম ও তার সাতজন দেহরক্ষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। ২০১৯ সালে, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের সময় গ্রেপ্তারের পর এই প্রথম তার কোন মামলার রায় হলো। ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় দেন।

এর আগে সকালে, রায় ঘোষণার জন্য জি কে শামীমকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলায় সাজা পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন জাহিদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন, আমিনুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন ও মুরাদ হোসেন। তারা সবাই জি কে শামীমের দেহরক্ষী। ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিজ কার্যালয়ে সাত দেহরক্ষীসহ গ্রেপ্তার হন জি কে শামীম। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচার আইনে তিনটি মামলা হয়। মামলার এজাহারে শামীমকে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক ও জুয়া ব্যবসায়ী বলে উল্লেখ করা হয়।


আরও খবর



শৃঙ্খলা ফেরাতে বাসে ই-টিকিটিং

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : গণপরিবহনে ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য দীর্ঘদিনের। সরকার ভাড়া নির্ধারণ করে দিলেও তা মানত না কোনো গণপরিবহন। আর এ বিষয়ে যাত্রীদের অভিযোগেরও অন্ত ছিল না। শুধু রাজধানী নয়, দেশজুড়েই একই অবস্থা। ছিল বাড়তি ভাড়া আদায়ের সীমাহীন নৈরাজ্য। যে যেভাবে পেরেছে জিম্মি করে যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করেছে দ্বিগুণ-তিনগুণ অতিরিক্ত ভাড়া। তবে এবার যাত্রীদের জন্য সুখবর নিয়ে এলো পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। রাজধানীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে চালু হয়েছে ই-টিকিটিং ব্যবস্থা। কয়েকটি রুটে মিরপুর সুপার লিংক, পরিস্থান, প্রজাপতি ও বসুমতিসহ বেশ কয়েকটি বাস পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করেছে এ কার্যক্রম। এ ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হলে সাধারণ যাত্রীদের গুনতে হবে না অতিরিক্ত ভাড়া। তাই নতুন এ সিস্টেমকে স্বাগত জানিয়েছেন যাত্রীরা।

টিকিট বিক্রেতারা বলছেন, ই-টিকিটিং চালু হওয়ায় যাত্রী হয়রানি কমার পাশাপাশি ভাড়ারও সমন্বয় করা হচ্ছে। জনসাধারণের সুবিধার্থে পর্যায়ক্রমে সব রুট ও বাসেই ই-টিকিটিং চালুর দাবি জানান যাত্রীরা।

এর আগে রাজধানীর অভ্যন্তরীণ পরিবহন ব্যবস্থায় যাত্রী ভোগান্তি নিরসনে চালু হচ্ছে ই-টিকিটিং ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত ১ সেপ্টেম্বর ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সঙ্গে ই-টিকিটিং সহযোগী প্রতিষ্ঠান যাত্রী সার্ভিসেস লিমিটেডের এ-সংক্রান্ত চুক্তি সই হয়।

সূত্র জানিয়েছে, এটি চালু হওয়ায় যাত্রীরা বাসের ভেতরে টাকা দিয়ে কন্ডাক্টরের কাছে থাকা মেশিন থেকে টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন। টিকিটের গায়ে যাত্রার বিবরণ থেকে টাকার পরিমাণ সবই উল্লেখ থাকায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো সুযোগ থাকল না।

এ পাইলট প্রকল্পে প্রজাপতি পরিবহন, পরিস্থান পরিবহন, অছিম পরিবহন, নূর-ই মক্কা পরিবহন ও বসুমতির বাসে ই-টিকিট সুবিধা চালু হলো। এর ফলে রাজধানীর সড়কে ফিরতে পারে শৃঙ্খলা।



আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




অস্তিত্ব সংকটে শীতলক্ষ্যা

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ |
Image

রবিবার বিশ্ব নদী দিবস। প্রতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রবিবার সারা বিশ্বে দিবসটি পালিত হয়। বাংলাদেশেও নানা আয়োজন থাকে। বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সব নদ-নদীকে জীবন্ত সত্তা ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। তুরাগ নদ রক্ষায় মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের করা এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ওই রায় দেয় হাইকোর্ট।

এর আগে ২০১৭ সালে কলম্বিয়ার সাংবিধানিক আদালত ‘রিয়ো এট্রাটো’ নামক একটি নদীকে জীবন্ত সত্তা ঘোষণা করে। নদীটি সোনা আর কয়লার খনির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াতে সেখানকার আদিবাসী সম্প্রদায় ও অন্যদের জন্য ব্যাপক সমস্যা হচ্ছিল।

নিউজিল্যান্ডের একটি নদীকেও জীবন্ত সত্তা ঘোষণা করা হয়, ওই নদীকে সেখানকার মানুষ খুবই পবিত্র মনে করে একে ঘিরে নানা উপাসনাও করত। ভারতের মধ্য প্রদেশের রাজ্য আদালত থেকে নর্মদা নদীকে জীবন্ত সত্তা ঘোষণা দেওয়া হয়।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ২০২১ সালের এক জরিপে জানা গেছে, সারা দেশে ৬৫ হাজার ১২৭ জন নদী দখলদার রয়েছে। তবে এরমধ্যে ১৯ হাজার ৮৭৪ জন অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন বলেন, জেলা প্রশাসক জেলা নদী রক্ষা কমিটির সভাপতি একই সঙ্গে তিনি জেলা পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়ক। জেলা প্রশাসক পরিবেশ অধিদপ্তর, মৎস্য অফিস, কৃষি অফিস, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বিআরডিবি, পরিবেশবাদী, জনপ্রতিনিধি, সিভিল সোসাইটি, মিডিয়ার প্রতিনিধির সমন্বয়ে নদী রক্ষার কাজকে এগিয়ে নিতে হবে। তাছাড়া জলাধার সংরক্ষণ আইন ২০০০, পানি আইন ২০১৩, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫, বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য আইন ২০১৭, বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ কঠোর প্রয়োগে সুফল আসতে পারে বলেও তিনি মনে করেন।

 শীতলক্ষ্যার পানি হাতে বা শরীরে লাগলে চর্মরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি নদী ভরাট, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও স্থাপনা নির্মাণ করছেন।

তারা আরো জানান, উপজেলার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া শীতলক্ষ্যা নদী পাড়ের কৃষিজমিগুলো ছিল ফসলে ভরা। নদীতে ছিল নানা প্রজাতির মাছ। এখন শীতলক্ষ্যায় বিপন্ন জীববৈচিত্র্য, আর বেকার জেলে পরিবার।

তারা আরো জানান, কারখানা গড়ার আগে স্থানীয় কিছু মানুষকে সেখানে চাকরির ব্যবস্থা করা হয়। আর চাকরির কারণে স্থানীয়রাও তেমন কিছু বলেন না। মাঝে মাঝে সামাজিক ও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো নদী রক্ষায় আন্দোলন করে। আর নীতিনির্ধারকরা বরাবরই উদাসীন থাকেন।

ঘোড়াশাল পৌর এলাবার জামালপুর গুদারাঘাটের নৌকার মাঝি হাসমত আলী বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত এই ঘাটে নৌকা চলাই। নদীর পানি আগে এতটাই দূষিত যে নৌকা চালাতে ভয় হয়। ‘বাঁচাও শীতলক্ষ্যা’ আন্দোলনের সমন্বয়ক মাহবুব সৈয়দ বলেন, একটা সময় আসবে যখন দেশজুড়ে নগর-জনপদের বিপুল পানির চাহিদা পূরণ করতে হবে নদী থেকে। কারণ ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বিপজ্জনক মাত্রায় নিচে নেমে গেছে।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




গ্যাস সংকট কাটাতে নতুন উদ্যোগ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

দেশে প্রকট হয়ে উঠেছে জ্বালানি সংকট। বিশ্লেষকরা বলছেন, এলএনজি আমদানিতে অর্থনীতির ওপর যে চাপ পড়ছে, তা সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। ইতোমধ্যে দেশে ডলার সংকটের জন্য একটি বড় কারণ হিসেবে জ্বালানির আমদানি বৃদ্ধিকে দায়ী করছেন অনেকে। এই অবস্থায় গ্যাস সংকট কাটাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য ৪৬টি কূপ খনন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী সাড়ে তিন বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। এই কূপগুলো খনন হলে মিলবে ৬২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। এতে এলএনজি আমদানি কমানো সম্ভব হবে। এ ছাড়া সমুদ্রসীমায় নতুন খনি আবিষ্কার হলেও জ্বালানির দীর্ঘমেয়াদি সংকটের সমাধান হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান নাজমুল আহসান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা ৪৬টি নতুন কূপ খনন করার পরিকল্পনা করেছি। আগামী সাড়ে তিন বছরে অর্থাৎ ২০২৫ সালের মধ্যে এই কূপগুলো খনন করা হবে। কূপগুলোর খননকাজ শেষ হলে প্রতিদিন ৬১৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করছি।

বর্তমানে দেশে দৈনিক ২৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। এরমধ্যে ২৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আসছে দেশি উৎস থেকে। দেশি তিনটি কোম্পানি ৮৪৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করছে। বাকিটা দিচ্ছে বহুজাতিক দুই কোম্পানি শেভরন এবং তাল্লো।

সূত্র জানায়, আগামী শীতে পশ্চিমা দেশগুলোতে ঠান্ডার প্রকোপে বিশ্ববাজারে জ্বালানি আরো এক দফা উচ্চমূল্যের দিকে ছুটতে পারে। তবে শীতের মৌসুমে দেশে গ্যাসের চাহিদা কম থাকায় আন্তর্জাতিক সেই সংকট খুব একটা প্রভাব ফেলবে না।

এ অবস্থায় ৪৬ কূপের মধ্যে বর্তমানে শ্রীকাইলে একটি কূপে খননকাজ চলছে জানিয়ে পেট্রোবাংলা বলছে, এই কূপের খননকাজ পরিদর্শনের জন্য শিগগিরই ওই এলাকায় যাবেন জ্বালানি সচিব, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এর বাইরে এখন ওয়ার্কওভারের কাজ চলছে বিয়ানিবাজার-১ এবং ভোলার টবগিতে। এ ছাড়া শিগগিরই শরীয়তপুর-১ কূপের কাজ শুরু করা হবে। ভোলায় কয়েকটি কূপ খনন করা হবে।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




টানা যানজটের কবলে রাজধানী

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

বৃষ্টির ভোগান্তির সাথে যানজট মিলে, প্রায় অচল হয়ে পড়েছে পুরো রাজধানী। রাত থেকে টানা বৃষ্টিতে সড়কের বিভিন্ন জায়গায় জমেছে পানি। এতে যানজট আরো তীব্র আকারে রূপ নিয়েছে।

কর্মস্থলের উদ্দেশে বের হয়ে যানজটে পড়ে নাকাল হতে হয়েছে অনেককেই। রাজধানীর ফার্মগেট থেকে কারওয়ান বাজার, পান্থপথ থেকে তেজগাঁও এবং বিজয় সরণী এলাকায় যানবাহনের প্রচুর চাপ রয়েছে। এছাড়া কল্যাণপুর এবং মিরপুর সড়কেও রয়েছে যানজট। এদিকে, গাজীপুর থেকে বিমানবন্দর সড়কে বিআরটি প্রকল্প ও মেট্রোরেলের কাজ চলার কারণে গত কদিন ধরেই তীব্র যানজট তৈরি হচ্ছে। আজও এর ব্যতিক্রম দেখা যায়নি। যানজটে আটকা পড়ে, ফ্লাইট মিস করার মতো ঘটনাও ঘটছে কদিন ধরে 


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২