Logo
শিরোনাম

বিয়ের প্রশ্নে যে উত্তর দিলেন কিয়ারা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

বর্তমানে নতুন ছবি ‘যুগ যুগ জিও’ এর প্রচারাণায় ব্যস্ত বলিউড অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান ও কিয়ারা আদভানি। প্রচারণার কাজে সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় হাজির হয়েছিলেন এই জুটি। শত ব্যস্ততার মাঝেই গণমাধ্যমের মুখোমুখি কিয়ারা-বরুণ। এ সময় বিয়ের প্রশ্ন করতেই কৌশলী উত্তর দিলেন কিয়ারা। গণমাধ্যমের সঙ্গে কিয়ারা-বরুণের সাক্ষাতকারের কিছু অংশ তুলে ধরা হল:-

প্রশ্ন: মঞ্চে তো দারুণ গান গাইলেন। তাহলে কি এবার গায়িকা হিসেবেও পাওয়া যাবে?

কিয়ারা: আমি ভাবছি না। কিন্তু আমি নিশ্চিত বরুণ আমার জন্য এমন কিছু পরিকল্পনা করছে। বরুণ: হ্যাঁ, আমি পরিকল্পনা করছি। ও ভাল গান করে। তো এমন কিছু ভাবা যেতেই পারে।

প্রশ্ন: ‘ভুলভুলাইয়ার’ সময় বলেছিলেন কার্তিকের ভক্তদের আপনি চুরি করে নেবেন। বরুণের ক্ষেত্রেও কি তাই?

কিয়ারা: (কিছুটা হেসে) এ বাবা, এমনটা না। অন্যের ভ্ক্তদের নিয়ে নেওয়া কি এত সহজ! বরুণ: না না। ও আমার সব ভক্তদের নিজের করে নেবে। আমি নিশ্চিত।

প্রশ্ন: এখন সবাই বাস্তবধর্মী ছবির দিকে ঝুঁকছে। সেখানে ‘যুগ যুগ জিও’ কেন দেখবে দর্শক?

কিয়ারা: এই ছবিটাও ভীষণ বে বাস্তবধর্মী। পরিবার, সম্পর্ক, বিচ্ছেদের এমন গল্প এর আগে কেউ বলেনি। বিনোদনের মোড়কে এই ছবি খুবই বাস্তবধর্মী। বরুণ: আমি কিয়ারার সঙ্গে সহমত।

প্রশ্ন: বরুণ তো অনেক বিয়ের টিপস দিলেন আপনাকে। কিয়ারা তাহলে বিয়েটা কবে করছেন? বরুণ: এই তো, এটাই তো আসল প্রশ্ন। উত্তর দাও তোমার বিয়েটা কবে!

কিয়ারা: (একগাল হাসি) আমি আশা করছি এই জীবনে একবার বিয়েটা করেই ফেলব।


আরও খবর

শিশুদের সিনেমায় মিথিলা

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




ভারতের অর্ধশতাধিক ওয়েবসাইট সাইবার হামলার শিকার

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

হযরত মোহাম্মদ (সা.) কে অবমাননাকর মন্তব্যের জেরে ভারতে সরকারি, বেসরকারিসহ প্রায় ৭০টি ওয়েবসাইট সাইবার হামলার শিকার হয়েছে।

সোমবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ড্রাগনফোর্স মালয়েশিয়া নামক একটি সাইবার গ্রুপের সদস্যরা এ সাইবার হামলা করেছে। ওই গ্রুপে ১৩ হাজারের বেশি সদস্য রয়েছে। এর আগেও ড্রাগনফোর্স ভারতীয় একটি ব্যাংকের ওয়েবসাইট হ্যাকের চেষ্টা করেছিল বলে ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।

ইন্টারনেট আর্কাইভ বিশ্লেষণকারী ‘ওয়েব্যাক মেশিন’ টাইসম অব ইন্ডিয়াকে নিশ্চিত করে জানান, ৮ জুন থেকে ১২ জুন পর্যন্ত ভারতের সরকারি এবং বেসরকারি বিভিন্ন ওয়েবসাইট সাইবার হামলার কারণে অচল ছিল। শুধুমাত্র মহারাষ্ট্রেই ৫০টির বেশি ওয়েবসাইট অচল ছিল।

ড্রাগনফোর্স ইসরায়েলে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস, ভারতের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এগ্রিকালচার এক্সটেনশন ম্যানেজমেন্ট, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব এগ্রিকালচার রিসার্চ এর ই-পোর্টালসহ আরও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সাইবার হামলা চালিয়েছে।

দেশটির অন্যতম দিল্লি পাবলিক স্কুল, ভবন এবং বিভিন্ন কলেজের ওয়েবসাইটেও সাইবার হামলা চালিয়েছে।

অডিও এবং বার্তার মাধ্যমে সাইবার হ্যাকাররা সবগুলো ওয়েবসাইটে একটি বার্তা ‘(আপনার জন্য আপনার ধর্ম এবং আমার জন্য আমার ধর্ম’) পাঠিয়েছে।

হ্যাকার গোষ্ঠিটি বিশ্বের মুসলিম হ্যাকারসহ সব হ্যাকার, মানবাধিকার সংগঠনগুলো এবং মানবাধিকার কর্মীদের ভারতের বিরুদ্ধে ক্যাম্পেইনের আহ্বান জানিয়েছে।

সাইবার হামলার পর রবিবার (১২ জুন) ইসরায়েলে ভারতীয় দূতাবাসের ওয়েবসাইট ঠিক করা হয়েছে। তবে এখনও আইসিএআর এর একটি পেইজ হ্যাকারদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।



আরও খবর



পদ্মা সেতু উদ্বোধনে নতুন সাজে কুয়াকাটা,হোটেল-মোটেলে ৫০ শতাংশ ডিসকাউন্ট

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

কলাপাড়া(পটুয়াখালী )প্রতিনিধি: পদ্মা সেতু উদ্বোধনকে ঘিরে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটাকে সাজিয়ে তোলা হয়েছে নতুন সাজে। সৈকতে বসার বেঞ্চ ও ছাতায় এখন নতুনত্বের ছোঁয়া। প্রায় এক কিলোমিটার সড়ক পথ করা হয়ে আলোকসজ্জা। কলাপাড়া কুয়াকাটা সড়ক পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিভিন্ন পয়েন্টে শোভা পাচ্ছে বিশাল বিশাল তোরণ ব্যানার আর ফিস্টুন। এছাড়া পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে আগামী ১৫ দিনের জন্য হোটেল-মোটেলের রুম বুকিংয়ে ৫০ শতাংশ ডিসকাউন্ট সুবিধা দেয়া হয়েছে। একই সাথে সকল রেস্তোরাগুলোতেও থাকছে ২০ শতাংশ ছাড়। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের ফলে কুয়াকাটায় কয়েকগুণ পর্যটক বেড়ে যাবে। ইতিমধ্যে হোটেল মোটেলের অনেক রুম বুকিং হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।


স্থানীয় ব্যবসায়িরা জানান, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের ফলে ঢাকা-কুয়াকাটার দূরত্বটা কমে গেছে। মাত্র ৫-৬ ঘন্টায় পৌঁছানো যাবে। স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেয়া এই পদ্মা সেতু, শুধুমাত্র জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার অবদান। এর সুফল ভোগ করবে গোটা দক্ষিণাঞ্চলের সাগর পারের মানুষ। আর সচল হবে অর্থনীতির চাকা। 

এদিকে কুয়াকাটার দর্শনীয় স্থান নারিকেল কুঞ্জ, ইকোপার্ক, জাতীয় উদ্যান, শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধবিহার, সীমা বৌদ্ধবিহার, সুন্দরবনের পূর্বাঞ্চল খ্যাত ফাতরার বনাঞ্চল, গঙ্গামতি, কাউয়ারচর, লেম্বুরচর, শুঁটকি পল্লীসহ সৈকতের জিরোপয়েন্ট থেকে পূর্ব ও পশ্চিমে মনোমুগ্ধকর সমুদ্রের সৈকতের বেলাভূমি, একাধিক নয়নাভিরাম লেক, সংরক্ষিত বনায়ন ও ইলিশ পার্ক যেন পর্যটকদের হাতছানি দিচ্ছে। হোটেল মোটেল কর্তৃপক্ষও ব্যাপক প্রস্ততি নিয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও  মহিপুর পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে বলে জানান। 


কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি শাহ-আলম হাওলাদার বলেন,পদ্মা সেতু উদ্বোধনকে ঘিরে  কুয়াকাটার সকল হোটেল মোটেল সুসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে। এছাড়া হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির পক্ষ থেকে আগামী ১৫ দিনের জন্য আবাসিক হোটেল গুলোতে নির্ধারিত ভাড়ার উপরে ৫০ শতাংশ ছাড় দেয়া হয়েছে।

কুয়াকাটা পৌর মেয়র আনোয়ার হাওলাদার বলেন,পদ্মা বহুমুখী সেতু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে যুগান্তকারী সুচনার জন্ম দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। পর্যটন নগরীসহ কুয়াকাটা পৌরবাসীর মাঝে যেন আনন্দের সীমা নেই। পৌরসভার উদ্যোগে মহাসড়ক আলোক সজ্জাসহ বিভিন্ন সংগঠন তোরণ, ফেস্টুন ও ব্যানার টানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। 


কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র আঃ বারেক মোল্লা বলেন, পদ্মা সেতু চালুর ফলে দক্ষিনাঞ্চলের মানুষ সামাজিক, অর্থনৈতিকসহ সকল ক্ষেত্রে এগিয়ে যাবে। সব চেয়ে বেশি উপকৃত হবে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা তথা কলাপাড়া উপজেলাবাসী। এই রাজনীতিবীদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।


আরও খবর



গণপরিবহনে যৌন হয়রানির শিকার ৪৭ শতাংশ নারী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ |
Image

রাজধানীতে গণপরিবহনে চলাচল করা নারীদের নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'আঁচল ফাউন্ডেশনের' জরিপ বলছে, গণপরিবহনে চলা কিশোরী, তরুণী ও নারীদের ৬৩ শতাংশ নানা ধরনের হয়রানির শিকার হন। যাদের মধ্যে যৌন হযরানির শিকার হন প্রায় ৪৭ শতাংশ।

শুক্রবার (৩ জুন) ভার্চুয়াল মাধ্যমে ‘আঁচল ফাউন্ডেশন’ আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠানে আঁচল ফাউন্ডেশন জানায়, অফলাইন ও অনলাইনে পরিচালিত এই জরিপ প্রতিবেদনে রাজধানী ঢাকার বাস, ট্রেন, লেগুনা, রাইড শেয়ারিং ইত্যাদিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

জরিপে ১৩ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ৮০৫ নারী অংশ নেন। এর মধ্যে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৮৬ শতাংশ। জরিপ শুরুর সময়ের ছয় মাস আগপর্যন্ত হয়রানির মুখোমুখি হয়েছেন এমন নারীদের তথ্য যুক্ত করা হয়েছে।

আজিমপুর, মিরপুর, গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, বারিধারাসহ বিভিন্ন এলাকার স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর জরিপ কাজ চালানো হয়। কর্মজীবী নারী ও কিছুসংখ্যক গৃহবধূর ওপরও জরিপ পরিচালনা করা হয়।

এ বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত চালানো জরিপের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যৌন হয়রানির শিকার এই নারীদের প্রায় অর্ধেকসংখ্যক (৪৫ শতাংশ) পরবর্তী সময় মানসিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন।

‘ঢাকা শহরে গণপরিবহনে হয়রানি: কিশোরী এবং তরুণীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব’ শিরোনামের এই জরিপ কোন কোন ধাপে, কাদের হাতে নারীরা বেশি হয়রানির শিকার হতে হয় সেসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

একইসঙ্গে কত ভাগ নারী হয়রানির শিকার হয়ে প্রতিবাদ করেন, কত শতাংশ নীরবে সহ্য করেন সেসব বিষয়ও উঠে এসেছে প্রতিবেদনে।

জরিপের তথ্য বলছে, যৌন নিপীড়নকারী ব্যক্তিদের মধ্যে যাত্রীর সংখ্যাই বেশি। গণপরিবহনের চালক ও চালকের সহকারীর হাতেও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন অনেকে। নিপীড়নকারী ব্যক্তিদের মধ্যে ৪০ বছরের বেশি বয়সীদের সংখ্যা বেশি।

যৌন হয়রানির মধ্যে রয়েছে গণপরিবহনে ওঠা-নামার সময় চালকের সহকারীর অযাচিত স্পর্শ, বাসে জায়গা থাকার পরও যাত্রীদের গা ঘেঁষে দাঁড়ানো, বাজেভাবে স্পর্শ করা, ধাক্কা দেওয়া, বাজে মন্তব্য।

তবে জরিপে অংশগ্রহণকারী বেশির ভাগ নারী ঝামেলা এড়াতে এসব ঘটনার প্রতিবাদ করেননি বলে জরিপের তথ্য বলছে।

যৌন হয়রানির পাশাপাশি ১৫ শতাংশ বুলিং, ১৫ শতাংশ সামাজিক বৈষম্য, ১৫ শতাংশ লিঙ্গবৈষম্য এবং ৮ শতাংশ শারীরিক গঠন নিয়ে হয়রানির শিকার হয়েছেন।

কারা যৌন নিপীড়ন করেছে জানতে চাইলে জরিপে অংশ নেওয়া ৭৫ শতাংশ নারী জানিয়েছেন, তারা অন্য যাত্রীদের মাধ্যমে হয়রানির শিকার হয়েছেন। ২০ শতাংশ চালকের সহকারী, ৩ শতাংশ হকার এবং ২ শতাংশ চালকের মাধ্যমে হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

প্রায় ৬২ শতাংশ কিশোরী ও তরুণী জানিয়েছেন, ৪০ থেকে ৫৯ বছর বয়সী ব্যক্তিদের মাধ্যমে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।

৩৬ শতাংশ জানিয়েছেন, কিশোর ও যুবক অর্থাৎ ১৩ থেকে ৪৯ বছর বয়সীদের মাধ্যমে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন।

প্রায় ২৫ শতাংশ নারী জানিয়েছেন, ছয় মাসে অন্তত তিনবার তাদের এ ধরনের অযাচিত স্পর্শের মুখোমুখি হতে হয়েছে।

গণপরিবহনে কোন ধরনের যৌন হয়রানির শিকার বেশি হতে হয় সে বিষয়ে জরিপে অংশগ্রহণকারী ৩১ শতাংশ কিশোরী ও তরুণী জানিয়েছেন, গণপরিবহনে অনেক সময় ফাঁকা জায়গা থাকলেও অন্য যাত্রীরা ইচ্ছাকৃতভাবে গা ঘেঁষে দাঁড়ায়।

ইচ্ছাকৃতভাবে হালকাভাবে স্পর্শের শিকার হয়েছেন ১৮ শতাংশ। ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কার শিকার হয়েছেন ১৪ শতাংশ।

আর প্রায় ১৪ শতাংশ কিশোরী-তরুণী জানিয়েছেন, তারা বাজে মন্তব্যের শিকার হয়েছেন। হালকা ভিড়ে প্রায় ৩৩ শতাংশ এবং অতিরিক্ত ভিড়ে ২৭ শতাংশ যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন।

তবে ঝামেলা এড়াতে বেশির ভাগ নারীই প্রতিবাদ করেননি বলে জানিয়েছেন।

গণপরিবহনে হয়রানি প্রতিরোধে ১০ দফা সুপারিশ :

গণপরিবহনে হয়রানি প্রতিরোধে ১০ দফা প্রস্তাব করেছে আঁচল ফাউন্ডেশন। এর মধ্যে রয়েছে পরিবহনে আসনের বেশি যাত্রী না তোলা, গণপরিবহনের ভেতর ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা স্থাপন, গণপরিবহনের সংখ্যা বাড়ানো, নারীদের জন্য আলাদা পরিবহনের ব্যবস্থা করা, বাসের চালক, তত্ত্বাবধায়ক ও সহকারীর পরিচয় উল্লেখ করে নেমপ্লেট বাধ্যতামূলক করা, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম নেওয়া ইত্যাদি।

অনুষ্ঠানে জরিপ প্রতিবেদনের তথ্য উপস্থাপন করেন আঁচল ফাউন্ডেশনের নির্বাহী সদস্য ফারজানা আক্তার।


আরও খবর



চাঁদাবাজদের বের করে দিতে হবে : ওকা

প্রকাশিত:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

মুন্সী মো: আল ইমরান:   আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ের উপযোগী শক্তি হিসেবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আধুনিক, ঐক্যবদ্ধ ও সুশৃঙ্খল আওয়ামী লীগ গড়ে তুলতে হবে।

তিনি শনিবার ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে তার বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা ফিরে এসেছিলেন বলেই স্বৈরাচার হটিয়ে আজ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি এসেছিলেন বলেই দেশ-বিদেশের সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে স্বপ্নের পদ্মাসেতু আজ নির্মাণ হয়েছে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা এসেছিলেন বলেই বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নতশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আওয়ামী লীগ কখনো কারো বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেনি, অথচ আওয়ামী লীগ বারবার ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে। যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছিল, আজ তারাই ইতিহাস থেকে মুছে যাচ্ছে।

ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, দল থেকে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজদের বের করে দিতে হবে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগে ভালো লোকের অভাব নেই, তাই খারাপ লোকদের দলে নেওয়া যাবে না।


আরও খবর



সিলেট-সুনামগঞ্জে

৪০ লাখেরও বেশি মানুষ পানিবন্দী

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

সায়মা সাদিয়া:  পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন দুই জেলার প্রায় ৪০ লাখেরও বেশি মানুষ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি সিলেটে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা।

পানিবন্দি মানুষের মধ্যে হাহাকার ও আর্তনাদ চলছে। আশ্রয়ের খোঁজে পানি-স্রোত ভেঙে ছুটছে মানুষ। সবচেয়ে বিপদে আছেন শিশু ও বয়স্করা। আটকে পড়াদের উদ্ধার করে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হচ্ছে। যেখানেই শুকনো ও উঁচু জায়গা পাওয়া যাচ্ছে সেখানেই আশ্রয় নিচ্ছে মানুষ।

সিলেটের সবকটি উপজেলা ও অর্ধেক শহর, সুনামগঞ্জের উপজেলা ও পৌর শহর বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়ক ও সিলেট-ভোলাগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবু রহমান মহাসড়ক। দুই জেলায় শতাধিক আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সিলেটের অন্যতম বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র কুমারগাঁও স্টেশনে পানি ঢুকে বন্ধ হয়ে গেছে সিলেটের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা। সুনামগঞ্জে গত দুই দিন ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।

সিলেটের নদনদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গতকাল শুক্রবার দিনগত রাতে সিলেটে বৃষ্টি কিছুটা কম ছিল। এতে পানি এক-দুই ইঞ্চি কমেছে সকাল ৯টা পর্যন্ত। এররপর থেকে সিলেটে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে, বন্যার পাশাপাশি নগরজুড়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পানির নিচে রয়েছে সবগুলো রাস্তাঘাট। বন্যায় নদনদীর পানি আবারও বাড়তে শুরু করেছে। সিলেটে আগামী ৪৮ ঘণ্টা ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এদিকে, সিলেটে বন্যা দুর্গত এলাকায় পানিবন্দি লোকজনকে উদ্ধারে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী তৎপর রয়েছে। গতকাল বিকেল থেকে সেনাবাহিনীর ১০ প্লাটুন, ৬টি মেডিকেল টিম, আজ শনিবার সকাল থেকে নৌবাহিনীর ৩৫ সদস্য দুটি টিমে ভাগ হয়ে কাজ শুরু করেছে। সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উদ্ধারকাজে নৌবাহিনী সদস্যরা নিজস্ব ক্রুজ ও বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করছেন। বিকেলের মধ্যে ৬০ জনের আরেকটি দল আরও ক্রুজ ও হেলিকপ্টারসহ উদ্ধার কাজে যুক্ত হবে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নৌবাহিনীর ৩৫ সদস্যের একটি দল গতকাল রাতে সিলেট এসে পৌঁছায়। আজ সকাল থেকে ৩৫ সদস্যের দল কোস্টগার্ডের ১টি ক্রুজ ও বিমানবাহিনীর দুটি হেলিকপ্টার দিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে।

সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নে একটি টিম সকাল থেকে কাজ শুরু করে। আরেকটি টিম কোম্পানিগঞ্জে কাজ শুরু করেছে।

জেলা প্রশাসন সূত্র আরও জানায়, বিকেলে নৌবাহিনীর আরও ৬০ সদস্যের একটি দল সিলেট এসে পৌঁছাবে। আরও দুটি ক্রুজ উদ্ধার কাজে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে একটি সিলেটে ও অন্যটি সুনামগঞ্জে উদ্ধারকাজে যুক্ত হবে।

সিলেট দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ শাখা জানিয়েছে, ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৭ হাজার ৯০০ বস্তা শুকনো খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় আরও ৮ হাজার প্যাকেট খাবার ও ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।

সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘সিলেট ও সুনামগঞ্জের ১২ উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ। এসব এলাকায় আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।


আরও খবর