Logo
শিরোনাম

নিপুণের গলায় মালা পরালেন মিশা-ডিপজল

প্রকাশিত:শনিবার ২০ এপ্রিল ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

দ্বিতীয় মেয়াদে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হওয়া হলো না চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তারের। ভোট যুদ্ধ্বে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মনোয়ার হোসেন ডিপজলের কাছে পরাজিত হয়েছেন তিনি। তবে পরাজিত হয়েও ফুলের মালা উঠেছে নিপুণের গলায়।

শনিবার (২০ এপ্রিল) সকালে শিল্পী সমিতির নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার খোরশেদ আলম খসরু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দুই প্যানেলের প্রার্থীরা। তখনই ঘটনাটি ঘটে। পরাজিত নিপুণ বিজয়ী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দেন। এরপরই নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সেই মালা খুলে নিপুণের গলায় পরিয়ে দেন।

গতবার জায়েদ খানের সঙ্গে হেরে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন নিপুণ। আদালতে গিয়ে নিজের নামে নিয়ে এসেছিলেন সম্পাদকের পদ। তবে এবারের নিপুণ যেন তার উল্টো। মিশা সওদাগরও তার এমন আচরণের প্রশংসা করে বলেন, আজকের এই নির্বাচন নামে মাত্র একটি নির্বাচন। সত্যিকার অর্থে আমরা এক পরিবার। তবে নির্বাচনের ফলাফল শেষে নিপুণ আজ যেটা করলো তা নজির হয়ে থাকবে। এমনটাই হওয়া উচিত।

এ নির্বাচনে মিশা-ডিপজল প্যানেল নিরঙ্কুশভাবে জয়লাভ করেছে। সভাপতি পদে মিশা সওদাগর পেয়েছেন ২৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মাহমুদ কলি। তিনি পেয়েছেন ১৭০ ভোট। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে ডিপজলের পক্ষে ভোট পড়েছে ২২৫টি এবং নিপুণ আক্তার পেয়েছেন ২০৯ ভোট।

গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় অভিনেতা ডা. এজাজের (অভিনেতা ও চিকিৎসক এজাজুল ইসলাম) ভোট প্রদানের মাধ্যমে শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। ভোট গ্রহণ শেষ হয় বিকেল ৫টায়।


আরও খবর



বঙ্গোপসাগরে ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে লঘুচাপ

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বুধবার (২২ মে) সকালে আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হতে পারে।

এদিন আবহাওয়ার আরেক পূর্বাভাসে বলা হয়, দেশের ৬ জেলার ওপর দিয়ে সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য দেয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, পাবনা, বগুড়া, ময়মনসিংহ জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।


আরও খবর



সারাদেশে চলছে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

ডিজিটাল ডেস্ক:

সারাদেশে চলছে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী প্রায় ২৭ লাখ শিশুকে একটি নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় এক কোটি ৯৫ লাখ শিশুকে লাল রঙের একটি ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে।


শনিবার (১ জুন) সকালে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেন্টিভ ও সোশাল মেডিসিনে (নিপসম) নিজে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাইয়ে সারাদেশে এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে এই কার্যক্রম।


শিশুদের নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এসে ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানান তিনি। ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, অন্ধত্ব রোধে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।


দিনব্যাপী এ কার্যক্রমে সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি ৪০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী ও দুই লাখ ৪০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী নিয়োজিত থাকবেন।



জানা গেছে, সারাদেশে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার কেন্দ্রে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কথা থাকলে এবার ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উপকূলীয় এলাকার প্রায় এক হাজার ২২৪ কেন্দ্রে নির্দিষ্ট সময়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে না।


 তবে পুনর্বাসন সমস্যা সমাধান হলে সেখানে পরবর্তী খুব দ্রুত সময়ে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল।


ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ার ক্ষেত্রে যেসব নিয়ম মানতে হবে:


১. শিশুদের ভরাপেটে কেন্দ্রে নিয়ে আসতে হবে।

২. কাঁচি দিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের মুখ কেটে এর ভেতরে থাকা সবটুকু তরল ওষুধ চিপে খাওয়ানো হবে।

৩. জোর করে বা কান্নারত অবস্থায় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না।



আরও খবর



বেনজীর আহমেদের দুর্নীতির জবাবদিহিতা দাবি করলো টিআইবি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image


বিডি টু ডে রিপোর্ট:


পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও র‌্যাব প্রধান বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। 


গতকাল সোমবার (৩ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি এ উদ্বেগ প্রকাশ করে। এতে বেনজীর আহমদের দুর্নীতির জবাবদিহিতাও দাবি করে সংস্থাটি।



টিআইবি বলেছে, ‘উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের লাগামহীন ক্ষমতার অপব্যবহার ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের মতো ব্যক্তিত্ব’ তৈরি করে এবং রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতাকে ক্ষুণ্ন করে। এ ধরনের নির্যাতনে সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’ একইসঙ্গে সাবেক পুলিশপ্রধান যাদেরকে নিজেদের জমি বিক্রি করতে বাধ্য করেছিল, সেসব লোকদের ক্ষতিপূরণও দাবি করেছে তারা।



বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সাবেক আইজিপি ভয়ভীতি দেখিয়ে জিম্মি করে জমি বিক্রি করতে মানুষকে বাধ্য করেছিলেন। মূলত তিনি প্রথমত সংখ্যালঘুদের বেছে নিয়েছিলেন। আর এই কাজগুলো করার জন্য তিনি নিজের এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় সংস্থার কর্মীদের নিয়োগ করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।’



বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকারের কাছে সব দুর্নীতিবাজের তথ্য আছে। এ ধরনের স্বীকৃতি বিরল হওয়া সত্ত্বেও একজন উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা কীভাবে দুর্নীতির এমন সুস্পষ্ট সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে পারেন, তা সরকারকে অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে।’



টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারি বাহিনীর সঙ্গে যোগসাজশের মাধ্যমে জোরপূর্বক সম্পত্তি অর্জন করা হয়েছে।


 ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচারের সম্ভাবনা কৌশলে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করে মূল অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া প্রয়োজন।’


সাবেক আইজিপির দুর্নীতি নিয়ে চলমান তদন্তে তার অবৈধ সম্পদ সম্পর্কে নতুন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এসব গুরুতর অভিযোগের পরও কীভাবে বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবার দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইফতেখারুজ্জামান।


ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ন্যায়বিচার হলে শুধু সাবেক আইজিপি নয়, যারা তাকে সহযোগিতা করেছেন তাদেরও বিচার করতে হবে।


সাবেক পুলিশ প্রধানের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য সরকারের সমালোচনা করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি প্রদর্শনের জন্য সব দুর্নীতিবাজ ব্যক্তির নাম প্রকাশ এবং জড়িত সবার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।


টিআইবির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি প্রদর্শনের জন্য দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ এবং এর সঙ্গে জড়িত সবার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। এটি করতে ব্যর্থ হলে নাগরিকদের মধ্যে নিছক নাটকীয়তা হিসেবে এই ধারণাটি আরও দৃঢ় হবে।’


আরও খবর



স্থগিত ১৯ উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান হলেন যারা

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে রিপোর্ট:



ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে স্থগিত হওয়া ১৯ উপজেলার নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। 


রোববার ১৯ উপজেলার এক হাজার ১৮১ কেন্দ্রে নির্ধারিত সময়েই ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা চলে টানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত। এর মধ্যে শুধু পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ইভিএমে ভোট নেওয়া হয়েছে।


 ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যার পর থেকে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করতে থাকেন।


যারা নির্বাচিত হলেন:


মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর): এ উপজেলায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা বায়জিদ আহমেদ খান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। দোয়াত-কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৭৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মঠবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৬৭৮ ভোট।


পাথরঘাটা (বরগুনা): পাথরঘাটা উপজেলায় দোয়াত কলম প্রতীকে চেয়ারম্যান প্রার্থী এনামুল হোসাইন ২৩ হাজার ৯৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। 



বামনা (বরগুনা): বামনায় আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমান ১৭ হাজার ৬৯৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।



লালমোহন (ভোলা): এ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক (বহিষ্কৃত) বর্তমানে আওয়ামী লীগের সমর্থক আক্তারুজ্জামান টিটব ২৫ হাজার ৩৯৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।  

তার নিকটতম প্রার্থী লালমোহন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আক্তার হোসেন পেয়েছেন ২৪ হাজার ৫৬৭ ভোট।


তজুমদ্দিন (ভোলা): তজুমদ্দিন উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক দেওয়ান ২৪ হাজার ২৩১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান এবং জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোশারেফ হোসেন দুলাল পেয়েছেন ২১ হাজার ৫১৭ ভোট।



পটুয়াখালী (সদর): পটুয়াখালীর সদরে জেলা যুবলীগের সাবেক সদস্য মো. রেজাউল করিম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।



দুমকি (পটুয়াখালী): এ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার আমিন হাওলাদার।


পাইকগাছা (খুলনা): পাইকগাছা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস।


ডুমুরিয়া (খুলনা): ডুমুরিয়ায় চেয়ারম্যান পদে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গাজী এজাজ আহমেদ। 



কয়রা (খুলনা): কয়রা উপজেলায় নির্বাচিত হয়েছেন জি এম মহসীন রেজা। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি।



গৌরনদী (বরিশাল): গৌরনদীতে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মনির হোসেন মিয়া। কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৪০ হাজার ৪৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীউপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারিছুর রহমান মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়েপেয়েছেন ৩৬ হাজার ৯২৪ ভোট।


আগৈলঝাড়া (বরিশাল): আগৈলঝাড়া উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক যতীন্দ্র নাথ মিস্ত্রি। দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ২৬ হাজার ৭৫৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত আনারস প্রতীক নিয়েপেয়েছেন ২৫ হাজার ৮৬৯ ভোট।



রাজাপুর (ঝালকাঠি): চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক জেষ্ঠ্য সহসভাপতি মিলন মাহামুদ বাচ্চু মৃধা। মোটরসাইকেল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২১ হাজার ৫০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আফরোজা আক্তার লাইজু, দোয়াত-কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১৬ হাজার ২০ ভোট।


কাঠালিয়া (ঝালকাঠি): এ উপজেলায় দ্বিতীয় বারের মত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ মো. এমাদুল হক মনির। দোয়াত-কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২০ হাজার ৩৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাঠালিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আহ্বায়ক গোলাম কিবরিয়া সিকদার কাপ-পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৬৮১ ভোট।


মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী): মির্জাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান, জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক খান মো. আবু বকর সিদ্দিকী আবারও জয়ী হয়েছেন। কাপ-পিরিচ মার্কা নিয়েতিনি পেয়েছেন ২৪ হাজার ৮৫০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পরিষদের বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম ঘোড়া মার্কা নিয়েপেয়েছেন ২০ হাজার ৮৯২ ভোট।


মোংলা (বাগেরহাট): পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহ সভাপতি আবু তাহের হাওলাদার নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি চিংড়ি মাছ প্রতীকে ২৭ হাজার ৯০২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৪১৭ ভোট।


মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট): পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার, মোরেলগঞ্জ আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মো. লিয়াকত আলী খান নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৩৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক মো. মোজাম্মেল হক মোজাম দোয়াত-কলম প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ২৬ হাজার ৭২৯টি।


শরণখোলা (বাগেরহাট): পরিষদে চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি, বর্তমান চেয়ারম্যান রায়হান উদ্দিন আকন শান্ত ফের নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩০ হাজার ১৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান মিলন দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৮১৫ ভোট।


খালিয়াজুরী (নেত্রকোণা): উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শামছুজ্জামান তালুকদার চেয়ারম্যান পদে জয় পেয়েছেন। কাপ-পিরিচ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২০ হাজার ৬০৩ ভোট।


 তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের ছোট ভাই কিবরিয়া জব্বার ঘোরা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১৮ হাজার ১৫ ভোট।


আরও খবর



গৃহহীনের অভিশাপমুক্ত হলো আরো ৭০ উপজেলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

দেশের আরও ২৬টি জেলা এবং ৭০ উপজেলাকে ভূমি ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে দিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৫৮ জেলা ও ৪৬৪টি উপজেলা ভূমি ও গৃহহীনমুক্ত হলো।

 ১১ জুন বেলা ১১টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে পঞ্চম পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে আরও ১৮ হাজার ৫৬৬ ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে বিনামূল্যে জমিসহ ঘর বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ঘোষণা দেন।

এ সময় ঢাকা, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, ফরিদপুর, নেত্রকোণা, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, কুমিল্লা, ফেনী, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, নীলফামারী, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, সাতক্ষীরা, যশোর, খুলনা, নড়াইল, বাগেরহাট, বরগুনা, বরিশাল, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ; এই ২৬ জেলাকে ভূমি ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করা হয়।

ঢাকা জেলার ধামরাই; গোপালগঞ্জের গোপালগঞ্জ সদর; শরিয়তপুরের নড়িয়া, জাজিরা; ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা; নেত্রকোণার খালিয়াজুরী; কক্সবাজারের কক্সবাজার সদর, মহেশখালী, ঈদগাঁও; চট্টগ্রামের চন্দনাইশ, সন্দ্বীপ, সীতাকুন্ড; চাঁদপুরের হাইমচর, চাঁদপুর সদর; লক্ষীপুরের

রামগতি, কমলনগর; নোয়াখালীর হাতিয়া, কোম্পানীগঞ্জ, সুবর্ণচর; কুমিল্লার আদর্শ সদর, মুরাদনগর; ফেনীর সোনাগাজী; গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি, সাঘাটা; কুড়িগ্রামের কুড়িগ্রাম সদর, উলিপুর, নাগেশ্বরী, রাজারহাট, চররাজিবপুর, রৌমারী; রংপুরের গংগাচড়া, মিঠাপুকুর, পীরগঞ্জ; লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ, লালমনিরহাট সদর, পাটগ্রাম, হাতিবান্ধা, আদিতমারী; নীলফামারী সৈয়দপুর, সিরাজগঞ্জের চৌহালী; বগুড়ার শেরপুর; সাতক্ষীরার আশাশুনী; যশোরের মনিরামপুর; খুলনার পাইকগাছা, কয়রা, দাকোপ; নড়াইলের লোহাগড়া, নড়াইল সদর; বাগেরহাটের বাগেরহাট সদর, শরণখোলা, রামপাল, মোল্লাহাট, ফকিরহাট, চিতলমারী, মোরেলগঞ্জ, মোংলা, কচুয়া; ভোলার বোরহানউদ্দিন, চরফ্যাশন, মনপুরা; বরগুনার বরগুনা সদর, আমতলী; বরিশালের বরিশাল সদর, হিজলা, গৌরনদী; হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ; সুনামগঞ্জের দিরাই, ছাতক, জগন্নাথপুর, জামালগঞ্জ এই ৭০ উপজেলাকে সম্পূর্ণ ভূমিহীন এবং গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। আসন্ন ঈদুল আজহার আগে শেখ হাসিনার ঈদ উপহার হিসেবে ঘর পেলেন অসহায় এসব পরিবার।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপকার ভোগীদের হাতে জমির দলিল এবং ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন।

পরে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ, ভোলার চর ফ্যাশন ও কক্সবাজারের ঈদগাঁও এলাকার উপকারভোগীদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। ১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গৃহহীনদের পুনর্বাসন কর্মসূচি শুরু করেন।

বঙ্গবন্ধুর এ কর্মসূচিকে অনুসরণ করে তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে গৃহ ও ভূমিহীনদের ঘর ও জমির মালিকানা দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

আশ্রয়ণ প্রকল্প ও অন্যান্য প্রকল্পের আওতায় ১৯৯৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশে ৮ লাখ ৬৭ হাজার ৯০৪ ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের প্রায় ৪৩ লাখ ৪০ হাজার মানুষকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। শুধুমাত্র আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে ৫ লাখ ৮২ হাজার ৫৩ ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের ২৯ লাখ ১০ হাজার ২৬৫ জনকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। শুধুমাত্র মুজিব শতবর্ষে ২ লাখ ৬৬ হাজার ১২টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।


আরও খবর