Logo
শিরোনাম

বকশীগঞ্জে নৌকা প্রত্যাশী নুর মোহাম্মদের শোডাউন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

জামালপুর প্রতিনিধি :দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী নুর মোহাম্মদের সমর্থনে শোডাউন করেছে শ্রমিক-চালকরা। এ আসনে জামালপুর জেলা আওয়ামীলীগের কোষাধ্যক্ষ শিল্পপতি নুর মোহাম্মদকে মনোনয়ন দেয়ার দাবিতে এই শোডাউন করেন তারা।

শুক্রবার বিকালে উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের মাদারেরচর ব্রীজ থেকে শোডাউন বের করেন ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক,অটোরিক্সা চালক,অটো ভ্যানচালক ও হোটেল শ্রমিকরা। প্রায় ৫ শতাধিক অটোভ্যান ও মোটরসাইকেলের বহরটি বকশীগঞ্জ বাজার হয়ে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাটবাজার প্রদক্ষিণ করে। এর আগে তারা দেওয়ানগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নে শোডাউন ও মিছিল করেন। শোডাউন থেকে নৌকা মার্কা ও নুর মোহাম্মদের সমর্থনে নানা স্লোগান দেয়া হয়। শোডাউনের সময় সড়কের দুই পাশ থেকে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ হাততালি দিয়ে তাদের সমর্থন জানান। 

শোডাউনে আসা অটোভ্যান চালক দুলাল মিয়া,খলিলুর রহমান,নওশেদ আলী,নুর মোহাম্মদ কৃষকের সন্তান। তিনি আমাদের মত গরীব অসহায় মানুষের দু:খ বুঝেন। বিপদে আপদে সব সময় পাশে থাকেন। তাই এবার আমরা তাকে এমপি হিসেবে দেখতে চাই। 

ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক রবিন,ওয়াজকুরুনি,হাফিজুর বলেন,জননেতা নুর মোহাম্মদ এমপি মন্ত্রী না হয়েও অনেকদিন ধরে গরীব মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের চাওয়া গরীব অসহায়ের  বন্ধু নুর মোহাম্মদে নৌকা মার্কা দেয়া হোক। এটা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের দাবি।

হোটেল শ্রমিক রহমান,হিরা মিয়া,কামাল হোসেন বলেন, প্রতিটি ঈদে নুর মোহাম্মদ তাদের খোঁজ খবর নেন। বিভিন্ন সময়ে টাকা পয়সা দিয়ে সহযোগীতা করেন। তার কাছে গেলে কেউ খালি হাতে ফিরেন না। আমাদের মত গরীব খেটে খাওয়া মানুষরা এবার এক হয়ে নুর মোহাম্মদের পক্ষে মাঠে নেমেছি। নুর মোহাম্মদ নৌকা পেলে আমরা কাজ কর্ম বাদ দিয়ে তার নির্বাচনে কাজ করবো। 

একাত্মতা ঘোষনা করে শোডাউনে অন্যান্যের মধ্যে যোগ দেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান লাল,ছাত্রলীগের আহবায়ক রাজন মিয়া,ছাত্রলীগ নেতা মাইনুল ইসলাম ও কলেজ ছাত্রলীগের আহবায়ক আরিফুজ্জামানসহ দলীয় নেতাকর্মীরা। 

জানা যায়,জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে আওয়ালীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে বেশ আলোচনায় রয়েছেন নূর মোহাম্মদ। তিনি গত প্রায় ৩০ বছর যাবত সমাজসেবা মুলক কর্মকান্ড করে যাচ্ছেন এলাকায়। যে কারনে ভোটের মাঠে তার শক্ত অবস্থান রয়েছে। এই আসনে বেশ কয়েকবার দলীয় মনোনয়ন চেয়েছেন তিনি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যৌথভাবে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে জোরালো ভাবে মাঠে কাজ করেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন নুর মোহাম্মদ। সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরে সভা,সমাবেশ,শোডাউন,পথসভা,উঠান বৈঠক করছেন নিয়মিত।


আরও খবর



বিপৎসীমার ওপরে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি, বন্যার শঙ্কা

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে কুড়িগ্রামের ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বেড়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 



পানি দ্রুত বৃদ্ধির কারণে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা অববাহিকার নিচু এলাকার প্রায় ৮০টি চর-দ্বীপচরে পানি ঢুকেছে। তলিয়ে গেছে কিছু ঘরবাড়ি ও সবজির ক্ষেত।



এ অবস্থায় দ্বিতীয় ধাপে একটি স্বল্প মেয়াদী বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ ছাড়াও দুধকুমার ও তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার খুব কাছ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।



বুধবার (৩ জুলাই) সকাল ৯টায় জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ধরলা নদীর পানি তালুক শিমুলবাড়ি পয়েন্টে ৪৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি নুনখাওয়া পয়েন্টে ৫৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।



 এ ছাড়া অন্যান্য নদ-নদীর পানি ক্রমেই বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে।


এদিকে নদ নদনদীর তীরবর্তী রাজারহাট, উলিপুর, চিলমারী, রৌমারী ও চর রাজিবপুর উপজেলার ১৫টি পয়েন্টে দেখা দিয়েছে নদীভাঙন।



উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষক মো. আব্দুর রহমান বলেন, ধরলার পানি বাড়ার কারণে আমার পটল ক্ষেত তলিয়ে গেছে। এখন সব পটলের গাছ মরে যাবে। পানি না আসলে আরও অনেক টাকার পটল বিক্রি করে লাভবান হতে পারতাম।


কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যা আর দু-একদিন থেমে থেমে অব্যাহত থাকতে পারে।


কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা ও দুধকুমার নদে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। যার ফলে জেলায় দ্বিতীয় ধাপে স্বল্প মেয়াদী বন্যা দেখা দেবে।


জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, ৪০০ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। যেদিকে প্লাবিত হচ্ছে আমরা সেদিকেই নজর রাখছি। বন্যা মোকাবিলায় আমাদের ত্রাণসামগ্রী বিতরণ চলমান।


আরও খবর

সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




শরীফার গল্পটি পাঠ্য বই থেকে চুড়ান্তভাবে বাদ দিল শিক্ষামন্ত্রণালয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের মানুষে মানুষে সাদৃশ্য ও ভিন্নতা অধ্যায়ে ‘শরীফার গল্প’ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 



বিশেষজ্ঞ কমিটির দেওয়া প্রতিবেদন ও সুপারিশের ভিত্তিতে গল্পটি পাঠ্য বই থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।



সম্প্রতি এনসিটিবিকে চিঠি দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্দেশনার কথা জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।


চিঠিতে বলা হয়, বিশেষজ্ঞ কমিটির দেওয়া প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যবই থেকে শরীফার গল্পটি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। 



একই সঙ্গে সেখানে আরেকটি গল্প সংযোজন করতে জেন্ডার বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে মতামত নেওয়া যেতে পারে। গল্পের পরিবর্তে নতুন গল্প সংযোজনের করার ব্যবস্থা নেওয়া হোক।


বিষয়টি নিশ্চিত করে এনসিটিবির চেয়ারম্যান (রুটিন দায়িত্ব) অধ্যাপক মো. মশিউজ্জামান বলেন, আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়েছি। সেই আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এর আগে, চলতি বছরে শিক্ষার্থীরা নতুন বই হাতে পাওয়ার পর থেকে বিভিন্ন বিতর্ক শুরু হয়। এর মধ্যে সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ের ‘মানুষে মানুষে সাদৃশ্য ও ভিন্নতা’ অধ্যায়ের ‘শরীফার গল্প’ নিয়ে আপত্তি তোলে একটি পক্ষ। 



মূলত শিক্ষক আসিফ মাহতাব একটি অনুষ্ঠানে বই থেকে ওই গল্পের পৃষ্ঠা ছিঁড়ে ফেলেন এবং অন্যদেরও ছেড়ার আহ্বান জানান।


মাহতাবের বই ছেড়ার সেই ভিডিও মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে পড়ে। শুরু হয় তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ‘শরীফার গল্প’র বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কমিটি করে দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।


আরও খবর



কক্সবাজারে পাহাড় ধসে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীসহ স্বামীর মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে ডেস্ক:


কক্সবাজারে পাহাড় ধসে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীসহ স্বামীর মৃত্যু 

কক্সবাজার শহরের বাদশাঘোনায় ভারী বর্ষণে পাহাড় ধসের মাটিচাপায় গর্ভবতী স্ত্রীসহ স্বামী নিহত হয়েছেন।


 শুক্রবার (২১ জুন) রাত সাড়ে তিনটার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাদশাঘোনা-খাজামনজিল এলাকায় এ পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্যানেল মেয়র হেলাল উদ্দিন কবির।


নিহতরা হলেন, হাফেজ মো. আনোয়ার হোসেন (২৩) ও সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী মায়মুনা আক্তার (১৮)। আনোয়ার হোসেন বাদশা ঘোনার প্রবাসী নজির আহাম্মদের ছেলে।


 তিনি ৫ বোনের এক ভাই ও বাবা-মায়ের দ্বিতীয় সন্তান ছিলেন। আনোয়ার স্থানীয় ওমর ফারুক জামে মসজিদের মুয়াজ্জিনের দায়িত্বপালন করতেন। 



নিহতের চাচা আবদুল্লাহর বরাত দিয়ে তাদের প্রতিবেশী সায়মুন আমিন জানান, রাত তিনটার দিকে ভারী বর্ষণ শুরু হয়। তা চলে ঘণ্টা ধরে। এরই মাঝে অকস্মাৎ বাড়ির লাগোয়া পাহাড় ধসে আনোয়ারদের ঘরের চালে পড়ে। 


এতে চালটি দেবে গিয়ে খাটে ঘুমানো স্বামী-স্ত্রীকে চাপা দেয়। এতে অন্যরুমে থাকা আনোয়ারের মা-বোনেরা উঠে শোর-চিৎকার করলে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। তার যে যার মতো মাটি সরিয়ে আনোয়ার ও তার স্ত্রীকে উদ্ধার করে দ্রুত কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেন। 


সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। 


আবদুল্লাহ গণমাধ্যমকে অভিযোগ করে বলেন, ‘পাহাড় ধসের বিষয়টি জানার পর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ ও কক্সবাজার দমকল বাহিনীকে ঘণ্টা খানেক কল দেওয়া হয়। কিন্তু তারা সাড়া না দেওয়ায় স্থানীয়রা যে যার মতো মাটি সরান।


 চালের টিন সরাতে গিয়ে একজনের হাত ও আরেক জনের পা কেটে গেছে। পরে দমকল বাহিনীর সদস্যরা হাসপাতালে এসে লাশ ও ঘটনাস্থলের ছবি নিয়ে গেছে।’ 



স্বজনরা জানান, নিহত আনোয়ার হোসেনের সাথে মাইমুনার আটমাস আগে সামাজিক ভাবে বিয়ে হয়। রাতে বৃষ্টির সময় একবার ঘুম থেকে উঠে আনোয়ার সবকিছু অবলোকন করে আবার শুতে যায়। ভারী বৃষ্টি দেখে তার (আনোয়ারের) মা বউকে নিয়ে তাদের রুম থেকে বাড়ির অন্যরুমে চলে আসতে বলেছিল ছেলেকে।


 কিন্তু কিছু হবে না বলে, দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরে আবার ঘুমিয়ে পড়েছিল আনোয়ার ও মাইমুনা। সেভাবেই তাদের উদ্ধার করা হয়।


কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আশিকুর রহমান বলেন, ‘দুজনকে মাটিচাপা হতে উদ্ধার করে জরুরি বিভাগে আনা হয়। হাসপাতালে পৌঁছার আগেই তারা মারা যান। লাশগুলো মর্গে রয়েছে।’


উল্লখ্য,গেল বুধবার (১৯ জুন) কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক পাহাড় ধসের স্থানীয় দুজনসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়।


আরও খবর



মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে বহাল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


সরকারি চাকরির প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় আপাতত বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।



বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ চেম্বার আদালতের রায় বহাল রাখেন। ফলে হাইকোর্টের রায় বহাল রইলো।



এসময় পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর কোটা নিয়ে নিয়মিত আপিল করার নির্দেশ দেন সর্বোচ্চ আদালত। একইসঙ্গে রাজপথে আন্দোলন করে সুপ্রিমকোর্টের রায় পরিবর্তন করা যায় কি না- সেটিও জানতে চান প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। 


এর আগে সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধাসহ অন্য কোটা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র গত ৫ জুন অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। ফলে সরকারি চাকরিতে (৯ম থেকে ১৩তম গ্রেড) ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল থাকবে। 



মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াত সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। 


এই রায়ের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনা হয়। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ একাধিক স্থানে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ হয়। এ রায় স্থগিত চেয়ে আপিলও করে রাষ্ট্রপক্ষ।


আরও খবর



সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় পেছাল ১১১ বার

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডেস ডিজিটাল ডেস্ক:



সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার ঘটনায় করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা ৪ আগস্ট পর্যন্ত বাড়িয়েছে ঢাকার একটি আদালত। 



এ নিয়ে এই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে এ পর্যন্ত ১১১ বার সময় বাড়ানো হলো।


আজ রোববার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুল হক এ আদেশ দেন। গত ১৬ মে একই আদালত র‌্যাবকে আজকের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলেন।



তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার মো. শফিকুল আলম আজ প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হন।


২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন।


তাদের একমাত্র ছেলে মাহির সারোয়ার মেঘ (৫) সেসময় বাড়িতে ছিল। হত্যার ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলী রোমান শেরেবাংলা থানায় মামলা করেন।


মামলা দায়েরের পর শেরেবাংলা নগর থানাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিন দিন পর মামলাটি গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তাদের ব্যর্থতার পর মামলাটি র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয় ১৮ এপ্রিল, ২০১২।


মামলায় গ্রেপ্তার আট জনের মধ্যে দুজন জামিন পেয়েছেন। বাকিরা কারাগারে আছেন।


র‌্যাবের অতিরিক্ত এসপি খন্দকার মো. শফিকুল আলম মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা। ২০১৯ সালের ৭ জুলাই তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।




আরও খবর