Logo
শিরোনাম

ধর্মীয় মতাদর্শের অপশন সরিয়ে নিচ্ছে ফেসবুক

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

ফেসবুক প্রোফাইলের অংশ থেকে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মতাদর্শ অপশনগুলো সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। নতুন এ অপশনগুলো পরিবর্তনের কথা ব্যবহারকারীদের নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জানিয়েছে মেটার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটি। আগামী পহেলা ডিসেম্বর থেকে এ নিয়ম কার্যকর করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। নিজেদের ১১ হাজারের বেশি কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণার পরপরই এসব পরিবর্তনের কথা সামনে আনল প্রতিষ্ঠানটি। খবর ডেইলি মেইলের।

ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খুলতে গেলেই একাধিক ব্যক্তিগত তথ্য দিতে হয়, যা বাধ্যতামূলক। এর মধ্যে অন্যতম ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি। অনেকে রাজনৈতিক আদর্শের কথাও নিজেদের প্রোফাইলে যুক্ত করে থাকেন। এতে ব্যক্তিগত সব তথ্যই জানিয়ে দেওয়া হয় ফেসবুককে। কেউ দিতে না চাইলে বা স্কিপ করলে বারবার নোটিফিকেশনের মাধ্যমে রিমাইন্ড দিতে থাকে ফেসবুক। এতে অনেকটা বাধ্য হয়েই গুরুত্বপূর্ণ এ তথ্যগুলো ফেসবুকে শেয়ার করত ব্যবহারকারীরা। এবার এ সংক্রান্ত এক গুরুত্বপূর্ণ আপডেট দিল মেটার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটি।

আপডেট অনুসারে প্রোফাইল থেকে রাজনৈতি ও ধর্মীয় মতাদর্শের অপশনগুলো সরিয়ে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে অন্যতম জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি। এতে করে নতুন করে কেউ অ্যাকাউন্ট খুলতে গেলে আর এ তথ্যগুলো দিতে হবে না। খবরে বলা হয়েছে, ব্যবহারকারীদের নোটিফিকেশন পাঠিয়ে এ খবর জানাচ্ছে ফেসবুক। ১ ডিসেম্বর থেকে ‘ইন্টারেস্টেড ইন’, ‘রিলিজিয়াস ভিউজ’ এবং ‘পলিটিক্যাল ভিউজ’ ঘরের তথ্যগুলো আর প্রোফাইলে দেখা যাবে না। আর বাকি যেসব তথ্য প্রোফাইলে আছে, তা থাকবে। তবে কেন ‘ইন্টারেস্টেড ইন’, ‘রিলিজিয়াস ভিউজ’ এবং ‘পলিটিক্যাল ভিউজ’ প্রোফাইলে থাকবে না, তার ব্যাখ্যা ফেসবুক দেয়নি।

তবে আরো সহজে ফেসবুক ব্যবহার করার লক্ষ্যেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে মেটার মুখপাত্র এমিল ভ্যাসকেজ বলেন, যাদের প্রোফাইলে এসব তথ্য দেওয়া ছিল সেগুলো তুলে নেওয়া হবে। তবে কেউ চাইলে তথ্যগুলো রাখতে পারবেন।


আরও খবর

হোয়াটসঅ্যাপ নতুন ফিচার আসছে

শনিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৪

মোবাইল আসক্তি কমাবেন যেভাবে

শনিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৪




রাশিয়ার নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত দেশটির দূতাবাস বেশ কয়েকটি হুমকি পেয়েছে, বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত আনাতোলি আন্তোনভ।

রুশ বার্তা সংস্থাগুলো রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেছে, আমরা অনেক উসকানিমূলক ফোন ও হুমকি পাচ্ছি। আমরা জানি আমাদের দূতাবাস ও কনস্যুলেটের আশপাশে রাশিয়াবিরোধী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা রয়েছে এবং আমাদের দূতাবাসে প্রবেশের চেষ্টা করা হবে। নির্বাচন ব্যাহত করার জন্য নয়; কারণ এটি কাজ করবে না, তবে পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলবে এবং কেবল আমাদের মেজাজ নষ্ট করবে।

শুক্রবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট দিয়েছেন রাশিয়ানরা। পুতিনের বিরুদ্ধে প্রার্থী আছেন তিনজন। তবে নির্বাচনে পুতিনের আবশ্যিকভাবে বিজয়ী হওয়া স্পষ্ট।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাশিয়ার ডিজিটাল ডেভেলপমেন্ট মন্ত্রী মাকসুত শাদায়েভ বার্তা সংস্থা তাসকে বলেন, নির্বাচনের সময় ভোটিং ব্যবস্থার অবকাঠামোতে বড় আকারের হ্যাকার হামলা হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন।

রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন ভোটারদের সমর্থন চেয়েছেন। দেশের জন্য ঝামেলাপূর্ণ সময় হওয়া সত্ত্বেও তিনি সবাইকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এই নির্বাচনে খুব সহজেই জয়ী হয়ে আরও ছয় বছরের জন্য রাশিয়ার শাসনভার গ্রহণ করবেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।


আরও খবর



জুনের মধ্যে প্রাথমিকে ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী বলেছেন, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যেই ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে।

তিনি বলেন, প্রাথমিকে আজ তিন ধাপে পরীক্ষা নেওয়া শেষ হচ্ছে। প্রথম ধাপে যারা পরীক্ষা দিয়েছিলেন, তাদের মধ্য থেকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতও করা হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপের চূড়ান্ত ফলও কিছু দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হবে। এরপর শেষ ধাপের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে দ্রুত শেষ করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, লিখিত, মৌখিক পরীক্ষাসহ প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেধাবীদের নিয়োগ দেবো আমরা। আশা করছি, জুন মাসের মধ্যেই ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ শেষ হবে।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

রুমানা আলী বলেন, কোনো আবেদনকারী যেন প্রতারণার শিকার না হয়, সে জন্য মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ সতর্ক আছে। পরীক্ষার্থীরা সবাই সুশৃঙ্খল পরিবেশেই পরীক্ষা দিচ্ছেন। দ্রুত তারা ফলাফলও পাবেন।

প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে এসময় কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার মুহাম্মদ মুশফিকুর রহমান, পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত বছরের ১৮ জুন তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এ ধাপে আবেদন করেন দুই বিভাগের তিন লাখ ৪৯ হাজার ২৯৩ জন। তবে আজকের পরীক্ষায় ঠিক কতজন প্রার্থী অংশ নিয়েছেন, সেই হিসাব এখনো জানায়নি মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।


আরও খবর



সবজির কমলেও মাছ মাংসের দাম বাড়তি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

কৃষি বিপণন অধিদপ্তর মাছ, মাংস, খেজুর এবং বিভিন্ন সবজিসহ মোট ২৯টি নিত্যপণ্যের যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছিল গত শুক্রবার। এরপর এক সপ্তাহ পেরোলেও নতুন এ দাম বাস্তবায়ন হয়নি এখনো। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে গতকাল দেখা গেছে, সবজি, ডিমসহ কয়েকটি পণ্যের দাম আগের চেয়ে কিছুটা কমলেও বেড়েছে আলুসহ কয়েকটি পণ্যের। আবার মাছ ও মাংস বিক্রি হয়েছে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে প্রায় ১০-২৫ শতাংশ বেশিতে।

বাজারে গতকাল প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ২০০-২১০ টাকায়। এছাড়া প্রতি কেজি গরুর মাংস গড়ে ৭৫০-৭৮০ টাকায়, খাসির মাংস প্রতি কেজি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ ও সোনালি মুরগি ৩২০-৩৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া প্রতি কেজি চাষের পাঙাশ ২০০-২২০ টাকায় ও কাতলা আকারভেদে ৩০০-৪৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। যদিও গত শুক্রবার এসব পণ্যের উৎপাদক, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করে দিয়েছিল কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। সংস্থাটির হিসাবে প্রতি কেজি ব্রয়লারের উৎপাদন খরচ ধরা হয় ১৪৬ টাকা। আর খুচরা পর্যায়ে মূল্য নির্ধারণ করা হয় কেজিপ্রতি ১৭৫ টাকা।

 এছাড়া খুচরায় প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম ৬৬৪ টাকা, ছাগলের মাংসের (খাসি) কেজি ১ হাজার ৩ ও সোনালি মুরগির মূল্য ২৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। প্রতি কেজি চাষের পাঙাশের উৎপাদন খরচ ধরা হয় ১১৫ টাকা। এছাড়া খুচরা পর্যায়ে পাঙাশের যৌক্তিক মূল্য ১৮১ টাকা এবং কাতলা মাছের যৌক্তিক মূল্য সর্বোচ্চ ৩৫৪ টাকা নির্ধারণ করে দেয়া হয়। সে অনুযায়ী বাজারে মাছ ও মাংস নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে প্রায় ১০-২৫ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

রাজধানীর শাহজাদপুরের ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘‌মুরগির মাংসের দাম গত সপ্তাহের চেয়ে কিছুটা কমেছে। কিন্তু এর চেয়ে কমবে বলে মনে হচ্ছে না। কারণ খামারিরা বলছেন তাদের উৎপাদন খরচ বেশি। আমরা কম দামে আনতে পারলে কম দামে বিক্রি করতে পারব।

এদিকে এক সপ্তাহের ব্যবধানে সবজি ও ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। বর্তমানে রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ৫০-৭০ টাকা, টমেটো ৫০, শিম ৫০-৬০, ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৪০-৫০, মিষ্টি কুমড়া ৪০-৫০ ও কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি শুকনা মরিচ ৩৮০-৪৫০ টাকা, পেঁয়াজ ৬০-৭০ ও দেশী রসুন ১২০-১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

গত সপ্তাহে প্রতি কেজি বেগুন ৮০-১২০ টাকা, টমেটো ৭০-৮০, ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৬০-৭০, মিষ্টি কুমড়া ৫০-৬০ ও কাঁচামরিচ ১২০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। আর প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৮০-৯০ টাকা ও দেশী রসুন ১৩০-১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। যদিও কৃষি বিপণন অধিদপ্তর প্রতি কেজি কাঁচা ও শুকনা মরিচের সর্বোচ্চ দাম যথাক্রমে ৬০ টাকা ও ৩২৭ টাকা নির্ধারণ করেছে। অন্যদিকে সবজির মধ্যে খুচরা পর্যায়ে বাঁধাকপি প্রতি কেজি ২৮ টাকা, ফুলকপি ৩০, বেগুন ৪৮, শিম ৫০, টমেটো ৪০ ও মিষ্টি কুমড়া ২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

কারওয়ান বাজারে সবজি বিক্রেতারা জানান, বাজারে সবজির সরবরাহ আগের চেয়ে বেশি। তার তুলনায় চাহিদা কমেছে। এ কারণে দামও কম। বেশকিছু সবজির দাম অর্ধেকে নামলেও সবজি পুরোপুরি বিক্রি করতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। কারওয়ান বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী মো. বাবুল হোসেন বলেন, ‘‌পেঁয়াজের দাম এখন কমতির দিকে। গত এক সপ্তাহে ২০-৩০ টাকা কমেছে। কৃষকরা পেঁয়াজ তুলে ফেলছেন। অনেকে আমদানির খবর শুনে পেঁয়াজ ছেড়ে দিচ্ছেন। এ কারণে সরবরাহ বেশি। দামও অনেকটা কমেছে।

আলুর দাম গত সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে কেজিতে ৫ টাকা। বর্তমানে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। যদিও সরকার নির্ধারিত মূল্য সাড়ে ২৮ টাকা। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি আলুর দাম ছিল ৩০-৩৫ টাকা। আমদানীকৃত আদার দাম ১৮০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজারে বিভিন্ন সময় দাম নির্ধারণ করে দেয়া হলেও বাস্তবায়নকারী বা তদারকি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে তা আর বাস্তবায়ন হয় না। এক সংস্থা আরেক সংস্থার ওপর দায় চাপিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে বাজারসংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে একই ছাতার নিচে এনে মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারকে উদ্যোগী হতে হবে।

এ বিষয়ে কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এসএম নাজের হোসেন বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর একটির সঙ্গে আরেকটির সমন্বয় নেই। অতীতেও বিভিন্ন সময় দাম নির্ধারণ করে পরবর্তী সময়ে আর বাস্তবায়ন হতে দেখা যায়নি। এবারো আমরা তা দেখছি না। প্রতিষ্ঠানগুলো বিচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। সবগুলো প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করে কাজ করতে হবে। তা না হলে এসব মূল্য নির্ধারণ করে সুফল আসবে না।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তর সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সংশ্লিষ্ট সবগুলো সংস্থা একযোগে সমন্বিতভাবে কাজ করলে নির্ধারিত মূল্য দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মাসুদ করিম বলেন, আমরা আইনের ভিত্তিতে দাম নির্ধারণ করে দিতে পারি। এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সব এজেন্সিরই দায়িত্ব রয়েছে। আমাদেরও দায়িত্ব রয়েছে। আমাদের অংশের বিষয়ে আমরা যথেষ্ট সচেতন রয়েছি। এ মূল্য বাস্তবায়নে কিছুটা সময় লাগতে পারে।


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে প্রকাশ্যে ফিল্মি স্টাইলে গৃহিনীকে রাস্তায় ফেলে মারপিট: ইমাম আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

এম.পলাশ শরীফ,নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের পঞ্চকরনে গৃহিনীকে (৫০) প্রকাশ্যে ফিল্মি স্টাইলে রাস্তায় ফেলে মারধরের ঘটনায় আবুল

আইচ(৫৫) নামে এক ইমামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মোরেলগঞ্জ থানার মামলা নং ২৩, তারিখ-২৮.৩.২০২৪।

কুমারিয়াজোলা গ্রামের সবুর শেখের ছেলে আবুলাইচ শেখ মহিশচরণী আফতাব আলী খানের বাড়ির জামে মসজিদের ঈমাম ও মহিষচরণী জেন্নাতিয়া হাফেজিয়া মাদরাসার শিক্ষক। বৃহস্পতিবার ভোর ৬ টার দিকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

  এর আগে, বুধবার বিকেলে মেয়ের বিয়ে ভেঙ্গে দেওয়ার অভিযোগে ঈমাম আবুল আইচ তার প্রতিবেশি ওই নারীকে পঞ্চকরন ইউনিয়নের কুমারিয়াজোলা গ্রামের পাঁচগাও বাজার ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় লোকজনের সামনেই ঘাড় ধাক্কা দিয়ে রাস্তায় ফেলে স্বজোরে খাড়া লাথি দিয়ে গুরুতর আহত করে।

তাৎক্ষনিক ঘটনাটি নিকটস্থ ফাড়ি পুলিশকে জানিয়েছেন এবং আহত ওই নারীকে চিকিৎসার জন্য ওই গৃহিনীকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি গোপনে স্থানীয় এক যুবক মোবাইলে ধারণ করলে পরে সেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে গেলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

বিজলী আক্তার নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান দাবী করে বলেন, অপরাধে প্রকাশ্যে ঘাড়ধরে ধাক্কা  মেরে রাস্তায় ফেলে আমার মাথায়, চোখে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে। লাথি মেরে তলপেটে গুরুতর আঘাতে রক্তাক্ত জখম করে। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে প্রশাসনের কাছে আমার ওপরে এ হামলাকারীদের গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

 এ বিষয়ে পঞ্চকরন ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক মজুমদার বলেন, বিজলি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, তার ওপরে এ ধরনের হামলার ঘটনা দূঃখজনক। হামলাকারীদের আইনের আওতায় দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবী করেন তিনি।

এ বিষয়ে  মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দীন বলেন, মধ্য বয়সী এক নারীকে প্রকাশ্যে মারধরের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। একমাত্র আসামি আবুল আইচকে গ্রেফতার করা হয়েছে।


আরও খবর



নওগাঁয় কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ৩ পদে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:সোমবার ০১ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁর বদলগাছীতে নিয়োগ বোর্ডের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ৩ পদে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দাউদপুর ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার সেকেন্দার আলীর বিরুদ্ধে। পার্শ্ববর্তী প্রতিষ্ঠান প্রধান, উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে নিরাপত্তা কর্মী, আয়া ও সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার নিয়োগ দেখান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তৎকালীন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এটিএম জিল্লুর রহমান। 

অনুসন্ধানে যানা যায়, গত ২০২০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নিরাপত্তা কর্মী, আয়া, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার সহ অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। এরমধ্যে উপরের ৩টি পদ শুন্য হলেও অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে আসাদুজ্জামান নামের একজন কর্মরত আছেন। পরবর্তীতে ঐ বছরের ১৮ মার্চ তারিখ দেখিয়ে নিয়োগ এর কাগজ-পত্র তৈরি করা হয়েছে। সেই কাগজ পত্রে দেখা যায় পার্শ্ববর্তী গয়ড়া তেতুলিয়া ডি এ ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আবদুল রশিদ সেই নিয়োগ বোর্ডের সদস্য হিসাবে স্বাক্ষর করেছেন। কিন্তু তিনি ২০১৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারী মারা যান। এরপর ঐ বছরের মে মাসের ৫ তারিখে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন আ.ন.ম. লুৎফর রহমান। 

মাদ্রাসার রেজুলেশন ও নিয়োগ বোর্ডের ফলাফল সীটে আবদুল রশিদ ছাড়াও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এটিএম জিল্লুর রহমান ও ডিজির প্রতিনিধি হিসাবে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মোবারুল ইসলামের স্বাক্ষর রয়েছে। সেই নিয়োগ বোর্ডের সম্পর্কে এই কর্মকর্তাগণ কিছুই জানেন না বা কোন কাগজ পত্রে স্বাক্ষর করেননি। অথচ নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্রে দেখা যায়, নিরাপত্তা কর্মী পদে উপজেলার দাউদপুর গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে মোঃ ইসাহাক আলী, আয়া পদে দাউদপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম মাস্টারের মেয়ে মোছাঃ শারমিন সুলতানা ও সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে নিয়োগ পেয়েছেন মাধবপাড়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে আবু মুস্তাকিম। যারা এখন পর্যন্ত মাদ্রাসায় কোন দিন যাননি বা হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরও করেননি। এরমধ্যে আয়া পদে শারমিন সুলতানার বেতনের জন্য অনলাইনে আবেদন করেছেন মাদ্রাসার সুপার। 

এবিষয়ে তৎকালীন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এটিএম জিল্লুর রহমান বলেন, আমি ওই উপজেলায় থাকতে এই পদ গুলোতে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে গত বছর তারা আমার কাছে এসেছিলো ব্যাকডেটে স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য। আমি তাদের ফিরিয়ে দিয়েছি এর বেশি আর কিছু জানিনা।

এবিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে নিয়োগ আবু মুস্তাকিম বলেন, আমি কোন নিয়োগ বোর্ডে বসিনি। আমার কাছে টাকা আর কাগজ পত্র চেয়েছিলো সেগুলো আমি দিয়েছিলাম। আমি শুধু যোগদান পত্রে স্বাক্ষর করেছি। সেই যোগদান পত্র সুপার আমাকে বানিয়ে দেন। 

এবিষয়ে জানতে চাইলে মাদ্রাসার তৎকালীন সভাপতি, আয়া পদে নিয়োগ প্রাপ্ত শারমিন সুলতানার বাবা পাশ্ববর্তী উপজেলা পত্নীতলা উপজেলার বামনকুড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি এই ব্যাপারে কিছুই জানিনা। আমরা ডিজির প্রতিনিধি নিয়ে এসেছিলাম। পরবর্তীতে সেই সময় নিয়োগ বোর্ড বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে আমার স্বাক্ষর কে জাল করেছে তা আমি জানিনা।

মাদ্রাসার সুপার মোঃ সেকেন্দার আলী বলেন, আমার স্বাক্ষর জালিয়াতি করা হয়েছে। কে বা কাহারা তা করেছে সেটা আমি জানিনা। তবে এবিষয়ে আমি থানায় জিডি করেছি।

জানতে চাইলে বর্তমান উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, এবিষয়ে আমাকে কেউ অভিযোগ দিলে বা আমার উর্ধতন কেউ আমাকে নির্দেশ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

নওগাঁ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ লুৎফর রহমান বলেন, এ বিষয়টি আমি জানিনা খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর