Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

গাজীপুর বাসীর নগরমাতা হলেন জায়েদা খাতুন

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে গাজীপুরবাসী নগরমাতা হিসেবে পেয়েছেন তাদের সাবেক মেয়র এর মা জায়েদা খাতুন কে।

গত ২০১৩ ইং সালে যাত্রা শুরু করা দেশের সবচেয়ে বড় সিটি করপোরেশন এর মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন ইতিপূর্বে মেয়রের মা হিসেবে পরিচিতি পাওয়া জায়েদা খাতুন। 

১৬ হাজার ১৯৭ ভোটে তিনি হারিয়েছেন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতিকের প্রার্থী আজমত উল্লা খানকে।

মোট ৪শ' ৮০ টি কেন্দ্রে এর ফলাফলে টেবিল ঘড়ি প্রতীকে জায়েদা খাতুন পেয়েছেন মোট ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯শ' ৩৪ ভোট। আর তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ২ লাখ ২২ হাজার ৭শ' ৩৭ ভোট।

বিগত প্রথম বার ২০১৩ ইং সালের নির্বাচনেও বিএনপির প্রার্থী এম. এ মান্নান এর কাছে হেরেছিলেন আজমত। বলা যায় এবারের হারে গাজীপুরে তাঁর রাজনীতির পথ অনেকটাই সংকুচিত হলো।

বে-সরকারি ভাবে ফল ঘোষণার পর পরই সেখানে উপস্থিত গাজীপুরের সাবেক মেয়র, আওয়ামী লীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার হওয়া জাহাঙ্গীর আলম প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করে বলেন, এ জয় গাজীপুর বাসী তথা গাজীপুর এর মানুষের।

নির্বাচনটি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের কারণে ধারণা ছিলো ভোট গ্রহণের পর ঘন্টা দুয়েক এর মধ্যেই হয়তো ফলাফল ঘোষণা হয়ে হবে। ঘোষণা করতে সেই সময় গিয়ে ঠেকল রাত দেড় টায়। রাত সোয়া একটার কিছু পরেই ৪৮০ কেন্দ্রের মধ্য সবগুলোর  ফলাফল ঘোষণা করেন জিসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ ফরিদুল ইসলাম। এ সময় বঙ্গতাজ অডিটরিয়ামে সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম ছাড়া আর কোনো মেয়র প্রার্থী বা তাদের সমন্বয়কদের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। 


এ সময় পুলিশের উপ-কমিশনার ইব্রাহীম খান বলেন, ফল ঘোষণার পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কোনো মিছিল এবং স্লোগান দেওয়া যাবে না। উৎসব মুখর পরিবেশে ভোটাররা যেভাবে ভোট দিয়েছেন। ফলাফল হয়েছে সবাই মেনে নিয়ে সংযত থাকবেন।

২০১৮ ইং সালে নৌকা প্রতীকে গাজীপুর এর নগর পিতা নির্বাচিত হোন ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি'র অভিযোগে মেয়াদ পূর্তির পূবেই পদ হারাতে হয় তাকে। দল থেকে সাময়িক বরখাস্তও হোন। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর পর হোন স্থায়ী বহিষ্কার। কিন্তু নিজের বয়স্ক মাকে নিয়ে মাঠে নামেন তিনি। মায়ের পক্ষে ভোট চাইতে দিন-রাত ছুটেছেন গাজীপুরের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে। ২৫ মে' এর নির্বাচন এর ফলাফল নিজেই বলে দিল অনেক প্রশ্নের উত্তর। অবশেষে গাজীপুরবাসী পেলেন নগর মাতাকে।


আরও খবর

সোমবারের মধ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতি হতে পারে

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সীমান্তে অস্থিরতা কমলেও কাটেনি আতঙ্ক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

আর একদিন পরই শুরু এসএসসি পরীক্ষা। তবে সেই পরীক্ষা নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই, সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ও আশপাশের এলাকার ৫ শতাধিক পরীক্ষার্থীর। কেননা, দুই সপ্তাহ ধরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাতে গোলাগুলির জেরে, এপারে ঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে হয়েছে শত শত পরিবারকে। ফলে, ঠিকমতো প্রস্তুতিও নিতে পারেনি পরীক্ষার্থীরা। তাই ঠিকমতো প্রস্তুতি ছাড়াই মাধ্যমিক দিতে হবে সীমান্তের পরীক্ষার্থীদের।

আসিফ শাহরিয়ার আকিব এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী। তিনি বলেন, এখানে অনেক সমস্যা হচ্ছে। কিছুদিন এখানে থাকলে আবার অন্য কোথাও চলে যেতে হয়। এজন্য আমাদের পড়ালেখার সমস্যা হচ্ছে, সামনে আমাদের পরীক্ষা।

শুধু আকিব নয়, বান্দরবানের নাই নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম এলাকার ৫শ ২ জন শিক্ষার্থীর একই অবস্থা। গোলাগুলির শব্দের কারণে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির চেয়ে তাদের পালিয়ে বেড়াতে হয়েছে বেশির ভাগ সময়। যার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা পরীক্ষার খাতায়।

শিক্ষার্থীরা বলেন, আমাদের এখানে ১৫-২০ দিন হলো গোলাগুলি হচ্ছে। সন্ধ্যার দিকে গোলাগুলির শব্দে পড়ার টেবিলে মন বসে না। এতে আমাদের অনেক সমস্যা হচ্ছে।

স্থানীয়রা বলছেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের প্রভাব শুধু বাংলাদেশের হতাহতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরাও।

ওপারের মুহুরমুহু গোলাগুলির কারণে এপার অনেকটাই হয়ে গিয়েছিল যুদ্ধক্ষেত্র। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা মানসিক বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

সীমান্ত উত্তেজনার কারণে নিরাপত্তা ইস্যুতে এবার পরিবর্তন করা হয়েছে। ঘুমধুম বিদ্যালয়ে পরীক্ষার কথা থাকলেও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে উত্তর ঘুমধুম উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ঘুমধুম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

সীমান্ত উত্তেজনার কারণে ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিবর্তন করতে হয়েছিল ঘুমধুমে। এবারও বন্ধ রাখতে হয়েছে ছয়টি বিদ্যালয়ের কার্যক্রম।


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মিথ্যা তথ্যের মাধ্যমে বিভ্রান্তি সৃষ্টি বন্ধে আইন হবে

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন, মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা বন্ধে সংসদে নতুন কিছু আইন আনা হবে। তবে ওই আইন সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা কোনোভাবে সরকার খর্ব করবে না।

আজ রবিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

এর আগে সম্পূরক প্রশ্নের সুযোগ নিয়ে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার তার প্রশ্নে বলেন, অনেক অনলাইন সংবাদমাধ্যম মিথ্যা সংবাদ করে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। নানান অপপ্রচার করে। এগুলো বন্ধে আইন করা হবে কি না?

জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, আমাদের সংবিধানে বলা আছে, মৌলিক অধিকারের মধ্যে বাকস্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা। সেই নিরিখে এবং সেটাকে যথাযথ মর্যাদা দিয়ে আইন প্রণয়ন করতে হয়। আইন অলরেডি একটা আছে, যেটা হচ্ছে সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট। তবে আমি সংসদ সদস্যকে জানাতে চাই, সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট এবং আরো কিছু আইন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই সংসদে আসবে। তার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ নয়, মিথ্যা তথ্য এবং মিথ্যা খবর দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা যাতে বন্ধ করা যায়, সে ব্যবস্থা সরকার নেবে। তবে ওই আইন সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা কোনোভাবে সরকার খর্ব করবে না।

বিরোধী দলের চীফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নুর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সারা দেশের অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলো নিবন্ধনের জন্য সরকার রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি চালু করেছে। তথ্য অধিদফতর থেকে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ২০৮টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও ১৬৮টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন নিউজ পোর্টালকে নিবন্ধন সনদ দেওয়া হয়েছে। অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধনের বিষয়টি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে আরও অনলাইন পোর্টালের নিবন্ধন দেওয়া হবে বলেও জানান।

একই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে অন্য অনলাইন পোর্টালগুলো নিবন্ধনের আওতায় এনে সরকারিভাবে নজরদারি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া দেশের অনিবন্ধিত কোনও অনলাইন সংবাদপত্রে বা অনলাইনভিত্তিক পোর্টালে দেশবিরোধী সংবাদ প্রচার বা মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচারের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা বন্ধের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

 


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




৪৪ হাজার কোটা খালি রেখেই হজ নিবন্ধন শেষ

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

চতুর্থ দফা সময় বাড়িয়েও পূরণ হয়নি হজের নির্ধারিত কোটা। ফলে সৌদি আরবের দেওয়া ৪৪ হাজারের বেশি কোটা খালি রেখেই এবারের হজের নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ১১টা পর্যন্ত ৮৩ হাজার ১৫৫ হজযাত্রী সরকারি ও বেসরকারিভাবে নিবন্ধন করেছেন।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের তথ্যানুযায়ী, নিবন্ধন শেষে এখনও কোটা খালি রয়েছে ৪৪ হাজার ৪৩টি। চলতি বছর বাংলাদেশের জন্য এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮টি কোটা নির্ধারণ করে দেয় সৌদি আরব।

সরকারিভাবে হজে যেতে নিবন্ধন করেছেন চার হাজার ২৬০ জন ও বেসরকারিভাবে নিবন্ধন করেছেন ৭৮ হাজার ৮৯৫ জন। সবমিলিয়ে নিবন্ধন করেছেন ৮৩ হাজার ১৫৫ জন। বাকি ৪৪ হাজার ৪৩টি কোটা ফেরত যাবে।

তবে ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, শেষদিনে যারা নিবন্ধন করেছেন কিন্তু তাদের পেমেন্ট পেন্ডিং (অপেক্ষমাণ) রয়েছে। এ সংখ্যা যোগ করলে আরও হাজার দুয়েক কমবে। এরপরও ৪০ হাজারের মতো কোটা সৌদি আরবকে ফেরত দেওয়া হবে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (হজ অনুবিভাগ) মতিউল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, হজের কোটা ফেরত দেওয়ার ছাড়া আর উপায় থাকল না। বুধবার চূড়ান্ত করে বাকি কোটা সৌদি সরকারকে ফেরত দেওয়া হবে।

হজসংশ্লিষ্টরা জানান, হজের খরচ সাধারণ হাজিদের নাগালের বাইলে চলে যাওয়ায় গত দুই বছর ধরে কোটা ফেরত যাচ্ছে। অনেকে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও হজ পালন করতে পারছেন না। ফলে অনেকের হজ পালনের স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে না।

 


আরও খবর



মাভাবিপ্রবিতে নারায়ণগঞ্জ-মুন্সীগঞ্জ শিক্ষার্থী কল্যাণ পরিষদের নতুন কমিটি

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মো হৃদয় হোসাইন মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি :

টাঙ্গাইলের মাওলানা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(মাভাবিপ্রবি) নারায়ণগঞ্জ-মুন্সীগঞ্জ শিক্ষার্থী কল্যাণ পরিষদের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ রিয়াজ হোসাইন' এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন হাসান আল মামুন।

রবিবার  (২৫ ফ্রেরয়ারি) নারায়ণগঞ্জ-মুন্সীগঞ্জ শিক্ষার্থী কল্যাণ পরিষদের সব উপদেষ্টা ও  শিক্ষার্থীর সম্মতিক্রমে নারায়ণগঞ্জ-মুন্সীগঞ্জ শিক্ষার্থী কল্যাণ পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। এই কমিটি আগামী একবছর দায়িত্ব পালন করবে।

কমিটিতে নির্বাচিত অন্য সদস্যরা হলেন-  সহসভাপতি শহীদুল ইসলাম তানিম, নাজমুল হক, আবিদ হাসান ও আরমান অমি।যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুয়েল গাজী,ওমর ফারুক,  সিফাত তন্ময় ও মাশফিকুর রহমান ইফতি। সাংগঠনিক সম্পাদক শাহপরান শুভ ও সহ সাংগঠনিক সম্পাদক  ফয়সাল আহমেদ, মোঃ মাঈনুদ্দীন হোসাইন, মোঃ রিয়াজ ও আবদুল্লাহ যুবরাজ নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদকঃ রাজিন মাশরুর সিয়াম

অর্থ বিষয়ক সম্পাদকঃ সাবিকুন্নাহার নিউলি, 

উপ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদকঃ সাইফুদ্দীন সিয়াম, নারী ও শিক্ষার্থী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদকঃ আমিনা সুলতানা মুনা উপ-নারী ও শিক্ষার্থী কল্যাণ বিষয়য়ক সম্পাদকঃ সানজিদা ইসলাম দীপ্তি দপ্তর সম্পাদকঃ তানভীর আহমেদ উপ-দপ্তর সম্পাদকঃ রাকিন পাটোয়ারী ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সম্পাদকঃ মাসফিকুর রহমান জোনায়েদ ক্রীড়া সম্পাদকঃ তরিকুল ইসলাম শান্ত সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ রুবায়েত জোনায়েদ প্রিয়ান শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদকঃ আফরোজা আক্তার উপ-শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদকঃ মোঃ মাসুম প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হাকিমুল ইসলাম, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক তানভীর আহমেদ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ তাশদীদ আহমেদ এবং  সদস্য হিসেবে রিয়ানা জাহান,  মোঃ সাহেদ, আল-আমীন,  নূরজাহান আক্তার ও আসরীম ইসলাম হামীম নির্বাচিত হয়েছেন।


আরও খবর



সবুজ হাইড্রোজেন কি, দক্ষিন এশিয়ার জ্বালানীর চাহিদা পরিবর্তন করতে পারবে ?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

পরিচ্ছন্ন শক্তির একটি সম্ভাবনাময় উৎস হিসেবে সবুজ হাইড্রোজেন যথেষ্ট মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে এবং এটিকে  ‘ভবিষ্যতের জ্বালানি’ হিসেবে গন্য করা হচ্ছে। কিন্তু সবার আগে আমাদের বুঝা উচিত এই ‘সবুজ হাইড্রোজেন’ আসলে কী? কিভাবে এটি ‘সবুজে’ পরিনত হয় এর ব্যবহার ও উপকারিতাগুলো কী কী? এই নিবন্ধটিতে আমরা এই প্রতিশ্রুতিশীল শক্তির উৎসের ধরণটি তুলে ধরার পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ায় এর অগ্রগতি এবং সম্ভাবনার বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করছি।

পরিবহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্প কার্যক্রমে জ্বালানি হিসেবে হাইড্রোজেন গ্যাস  ব্যবহার করা যেতে পারে। যখন এটি পোড়ানো হয়, এটি কার্বন ডাই অক্সাইডের মতো গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গত করে না। সবুজ হাইড্রোজেন হল হাইড্রোজেন গ্যাসকে দেওয়া নাম যা নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে উৎপাদিত হয়েছে, যেমন বায়ু বা সৌর শক্তি, যা গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গত করে না।

একটি জ্বালানী ব্যটারী –যা রাসায়নিকের শক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করে – হাইড্রোজেন গ্যাস অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে বিদ্যুৎ এবং জলীয় বাষ্প তৈরি করে। হাইড্রোজেনের কার্বন নির্গত না করে শক্তি উৎপন্ন করার ক্ষমতার কারণে, এটি জীবাশ্ম জ্বালানির একটি সম্ভাব্য  বিকল্প।

হাইড্রোজেন মহাবিশ্বের সবচেয়ে বেশি ছড়িয়ে থাকা  রাসায়নিক উপাদান। অবশ্য প্রচুর পরিমাণে থাকা সত্ত্বেও, হাইড্রোজেন ব্যবহারযোগ্য পরিমাণে গ্যাস হিসাবে প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান নয়। এটি প্রায় সম্পূর্ণরূপে নানা ধরনের যৌগগুলিতে উপস্থিত থাকে, যেমন পানি। তাই হাইড্রোজেন কেবল শিল্প প্রক্রিয়াতেই উৎপাদন করা আবশ্যক। এর মধ্যে বেশিরভাগই প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রতিস্থাপনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত – একটি জীবাশ্ম জ্বালানী। অন্যান্য যেসব পদ্ধতি রয়েছে তার মধ্যে একটি হচ্ছে ইলেক্ট্রোলাইসিস নামক একটি প্রক্রিয়া সহ যা পানিকে এর মৌলিক উপাদানগুলিতে বিভক্ত করতে বৈদ্যুতিক প্রবাহ ব্যবহার করে। এই মৌলিক উপাদানগুলি হল হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন।

হাইড্রোজেন গ্যাস পোড়ানোর সময় কার্বন নির্গত করে না, এটি উত্পাদন করতে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ, ইলেক্ট্রোলাইসিস বা অন্যান্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, জীবাশ্ম জ্বালানী দ্বারা উত্পন্ন হতে পারে। এটি সাধারণত ‘ধূসর হাইড্রোজেন’ নামে পরিচিত, যা বর্তমানে মোট উৎপাদনের ৯৫ শতাংশের জন্য দায়ী।

কয়লা বা গ্যাস থেকে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে উৎপাদিত হাইড্রোজেন, কার্বন ক্যাপচার অ্যান্ড স্টোরেজ (CCS) প্রযুক্তির সাথে মিলিয়ে উৎপাদন করা হয় যা কার্বন নির্গমনকে বাধা দেয় এবং বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। একে ব্লু বা নীল হাইড্রোজেন বলা হয়।

সবুজ হাইড্রোজেন হচ্ছে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ দ্বারা চালিত ইলেক্ট্রোলাইসিসের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়, যা সৌর প্যানেল বা বায়ু টারবাইনের মতো প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপন্ন হয়।

ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (IEA) এর মতে, হাইড্রোজেন বিশ্বব্যাপী শক্তির পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তবে এটি হবে এই পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একটি অপেক্ষাকৃত ছোট অংশ। এই সংস্থাটি আরো বলছে যে ২০২০ সালে, হাইড্রোজেন এবং হাইড্রোজেন-ভিত্তিক জ্বালানী বিশ্বব্যাপী মোট শক্তি ব্যয়ের ০.১ শতাংশেরও কম।কিন্তু ২০৫০ সালের মধ্যে ১০ শতাংশে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

হাইড্রোজেন একটি সম্পূরক হতে পারে, কিন্তু এটি কখনই সৌর বা বায়ু শক্তির মতো পরিচ্ছন্ন শক্তির অন্যান্য উৎসগুলোকে প্রতিস্থাপন করবে না, যা উৎপাদন করা অত্যন্ত সাশ্রয়ী। এছাড়াও, সেগুলো বাড়ি এবং কারখানার ব্যাপক উৎপাদন এবং বিদ্যুতায়নের জন্য উপযুক্ত।

তবে একটি শক্তিশালী নবায়নযোগ্য অবকাঠামো পানিকে এর মৌলিক উপাদানগুলিতে আলাদা করার জন্য প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ করে বৃহৎ পরিসরে সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদনে সক্ষমতা এনে দিতে পারে। ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের (আইওসি) এর গবেষণা ও উন্নয়ন পরিচালক এস. ভি. রামকুমার বলেন“সবুজ হাইড্রোজেন নবায়নযোগ্য শক্তিকে প্রতিস্থাপন করতে হয়ত পারবে না, তবে সৌর শক্তি থেকে সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদন খুব কার্যকর হবে।”

বিশ্বব্যাপী, বর্তমানে উৎপাদিত বেশিরভাগ হাইড্রোজেন পরিশোধন ও শিল্প খাতে ব্যবহৃত হয়। ন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি এর ধারণামেত, এই দশকের শেষ নাগাদ, হাইড্রোজেন ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনেকগুলো নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ গ্রিড তরঙ্গায়িতকরণ ,বাসাবাড়িতে জ্বালানী ব্যবহার এবং পরিবহন খাত।

বর্তমানে উৎপাদিত মোট হাইড্রোজেনের একটি ছোট অংশ সার কারখানায় অ্যামোনিয়া তৈরি বা জাহাজে জ্বালানী হিসাবে ব্যবহৃত হয়। ইস্পাত শিল্পেও এর ব্যবহার রয়েছে। যদি কয়লা এবং কোক উৎপাদন শিল্পে (যা বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ব্লাস্ট ফার্নেস ব্যবহার করে) সবুজ হাইড্রোজেন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা যায় তাহলে একটি উল্লেখযোগ্য পরিমানে নির্গমন মাত্রা কমিয়ে আনা যেতে পারে।

উন্নয়নশীল দেশগুলো যেমন ভারত যে তার জ্বালানী পরিবর্তন লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করতে জাতীয় হাইড্রোজেন মিশনে বিনিয়োগ করছে, তারা ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্পে এই হাইড্রোজেন ব্যবহার করতে পারে। উৎপাদন প্রক্রিয়াকে সবুজ করার মাধ্যমে ধূসর হাইড্রোজেন যেমন প্রাকৃতিক গ্যাস বা ন্যাপথা উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারের পরিমাণও কমিয়ে আনা যেতে পারে।

নবায়নযোগ্য প্রযুক্তি, যেমন সৌর, বায়ু বা পানিবিদ্যুৎ প্রধানত বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্যই ব্যবহৃত হয়। যদিও জ্বালানী ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিদু্যৎই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে, তুলনামূলকভাবে সহজেই নবায়নযোগ্য শক্তি দ্বারা এই ব্যবহারের মাত্রা অত্যন্ত সাশ্রয়ী প্রক্রিয়ায় এটি প্রতিস্থাপিত হতে পারে। তবে অন্যান্য খাত যেমন দৃরপাল্লার পরিবহন বা ভারী শিল্প এখনও কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস বা পেট্রোলিয়াম জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এইগুলোর জ্বালানী হিসেবে প্রধান যা হাইড্রোজেন দ্বারা প্রতিস্থাপিত হতে পারে।

ন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি এর মতে হাইড্রোজেন ব্যাটারিতেও ব্যবহার করা যেতে পারে। জ্বালানী ব্যাটারি যদি বৃহৎ পরিসরে বিকশিত হয়, তাহলে দেশগুলিকে এমন অবকাঠামো স্থাপনে সাহায্য করতে পারে যা বায়ুর গতি বা সৌর বিকিরণের মতো পরিবেশগত অবস্থার উপর নির্ভর করে তাদের নবায়নযোগ্য শক্তির সরবরাহ সংরক্ষণ এবং স্থিতিশীল করতে পারে। কিন্তু পরিবেশগত নানা কারনে এটি পরিবর্তনশীল হতে পারে।

ন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি -এর গ্লোবাল হাইড্রোজেন রিভিউ ২০২১ অনুসারে, বর্তমানে সবুজ হাইড্রোজেনের মূল্য প্রতি কিলোগ্রাম ৩ মার্কিন ডলার থেকে ৮ মার্কিন ডলার। অবশ্য এটি ধূসর হাইড্রোজেনের সাথে প্রতিযোগিতামূলক নয়, ধূসর হাইড্রোজেনের মূল্য প্রতি কিলোগ্রাম ০.৫ থেকে ১.৭ মার্কিন ডলারের মধ্যে। সংস্থাটির মতে,  এই মূল্যের ব্যবধানের কারনে বর্তমানে সবুজ হাইড্রোজেনের ব্যবহার আরো ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে না , তবে নবায়নযোগ্য শক্তির মূল্য কমে যাওয়ার সাথে সাথে সময়ের সাথে সাথে এই ব্যবধানটি সংকুচিত হবে বলে তারা আশা করছে। দিল্লি-ভিত্তিক  কাউন্সিল অন এনার্জি, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ওয়াটার (CEEW) এর দীপক যাদব, বলেন, অনেক দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতি কিলোগ্রাম এক  ডলারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, যা সবার ক্ষেত্রে প্রায় একই রকম হবে। তখন জীবাশ্ম জ্বালানী হিসেবে এর মূল্য প্রতিযোগীতামূলক করে তুলবে।

কাউন্সিল অন এনার্জি এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ওয়াটার এর দীপক যাদব  বলেন, পাকিস্তান বর্তমানে প্রতিদিন ১৫০ টন সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদনের পরিকল্পনা করছে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায় গ্রিন হাইড্রোজেন নিয়ে পাইলট প্রকল্প চালুর কাজ এগিয়ে চলছে। তবে যাদবের মতে, ভারতই দক্ষিণ এশিয়ায় সবুজ হাইড্রোজেনের প্রধান উৎপাদক হবে বলে ধারনা করা যাচ্ছে।

২০২১ সালের আগষ্ট মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জাতীয় হাইড্রোজেন মিশন উদ্বোধন করেন। এটি আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্দারণ করেছে এক মিলিয়ন টন। আইওসি-এর এসএসভি রামকুমার বলেন, এই পরিকল্পনার অধীনে সরকার ইলেক্ট্রোলাইজার  তৈরি ও গবেষণা বিকাশে আর্থিক সহায়তার জন্য একটি প্রোডাকশন-লিঙ্কড ইনসেন্টিভ পরিকল্পনা শুরুর পরিকল্পনা করেছে।

বাংলাদেশ সরকারের নতুন সমন্বিত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ি ২০৫০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য শক্তি থেকে ৪০% বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও অভ্যন্তরীণ গ্যাসের উৎপাদন দ্রুত বাড়ার কোনাে সম্ভাবনা নেই। তবে পরিকল্পনা অনুযায়ি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গ্যাসের ব্যবহার ১৬০ – ৩৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে কারণ ২০৫০ সালের মধ্যে বিদ্যুত উৎপাদনে গ্যাসের ব্যবহার ৩০ শতাংশ বাড়বে। অবশ্য সরকার সবুজ হাইড্রোজেন এবং অ্যামোনিয়া  থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি  এবং প্রতিবেশী দেশগুলি থেকে বিদ্যুত আমদানির বিষয়গুলো সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে।


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪