Logo
শিরোনাম

জয়ার দাম্পত্য ভাঙার গোপন কাহিনি

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

নেটমাধ্যমে তার অনুরাগীর সংখ্যা বিপুল।দুই বাংলা তার প্রেমে বানভাসি।  তিনি কী করছেন, কোন পোশাক পরছেন, কার সঙ্গে কথা বলছেন, এই নিয়ে চর্চার শেষ নেই। তবে তার থেকেও বেশি কৌতূহল তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে। জয়া আহসানের ‘গুডবুক’-এ থাকতে চান এমন বিখ্যাত ব্যক্তিত্বের সংখ্যাও নেহাত কম নয়।

৫০ ছুঁই ছুঁই নায়িকা এই মুহূর্তে কোনও সম্পর্কে আছেন কি না, তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও তিনি যে একসময় গভীর প্রেমে ছিলেন, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জয়ার প্রথম স্বামী ফয়সাল মাসুদ। ফয়সালকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন জয়া। জমিদার পরিবারের ছেলে ফয়সাল ছিলেন বিত্তবান। জয়ার সঙ্গে ফয়সালের দেখা হয়েছিল ১৯৯৮-এ। সেই প্রথম দেখার কথা ফয়সাল বলেছিলেন এক সাক্ষাৎকারে। একটি বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ে জয়ার সঙ্গে ফয়সালের প্রথম দেখা। শুরুটা হয়েছিল তিক্ততা দিয়ে। সময়ে আসতে পারেননি ফয়সাল, মেক-আপের পর এক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছিল জয়াকে। রেগে গিয়ে কথা শোনাতে ছাড়েননি জয়া। এই রাগই আবার অনুরাগে বদলাতে বেশি সময় লাগেনি। ফোনে কথা বলতে বলতেই একে অপরের প্রতি ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েন। গভীর প্রেমে পড়েই ফয়সালকে বিয়ে করেছিলেন জয়া।

তাদের ১৩ বছরের দাম্পত্য কেন টিকল না, তা আজও রহস্য। জমিদার ঘরণি হয়ে জয়ার গুছিয়ে সংসার করা, একে অপরের প্রতি কতটা অনুরক্ত ছিলেন তারা? তাদের কাছের মানুষরা জানেন সব। এত কিছুর পরেও কেন ভেঙে গিয়েছিল তাদের সাজানো সংসার? প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত পাওয়া যায় ফয়সালের কাছে। ঠিক কী কারণে ভেঙে গিয়েছিল সেই সংসার, এতদিন পর তার পর্দা ফাঁস করলেন ফয়সাল নিজেই।

বিয়ের পরেও একসঙ্গে কাজ করছিলেন জয়া-ফয়সাল। জনপ্রিয় তারকা জুটিও হয়ে উঠেছিলেন। এরপরই ছন্দপতন।

কোথাও যেন জনপ্রিয়তা বাড়ছিল জয়ার। তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে ছিলেন ফয়সাল। এই সাফল্যই হয়তো তাদের দাম্পত্যের অসাফল্যের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাদের মধ্যে বাড়তে থাকে মনোমালিন্য। দূরত্ব ক্রমশ বাড়তেই থাকে। চেষ্টা করেও যা ঠিক করতে পারেননি ফয়সাল। যার পরিণতি বিবাহ বিচ্ছেদ। ২০১১ সালে পাকাপাকিভাবে আলাদা হয়ে যান তারা। পরে দুজনের কেউই আর বিয়ে করেননি।


আরও খবর

বিয়ে করছেন রিচা-ফজল

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২

গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন আলিয়া!

বুধবার ০৩ আগস্ট ২০২২




চলতি মাসে পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ প্রকল্পের কাজ শুরু

প্রকাশিত:শনিবার ১৬ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

আগামী সপ্তাহ থেকে পদ্মা সেতুতে রেললাইন বসানোর কাজ শুরু হতে পারে। আগামীকাল সেতু কর্তৃপক্ষের সাথে বাংলাদেশ রেলওয়ের এ বিষয়ে বৈঠক হবে। বৈঠকে রেললাইন বসানোর কাজ শুরুর দিনক্ষণ ঠিক হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন।

শুক্রবার রেলপথ মন্ত্রী পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প পরিদর্শনকালে মাওয়া স্টেশনে উপস্থিত সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

২০২৩ সালের জুনের মধ্যে ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত নতুন লাইনে ট্রেন চালানো সম্ভব হবে জানিয়ে নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, মাওয়া থেকে ভাঙা অংশের অগ্রগতি ৮০ শতাংশ, ঢাকা থেকে মাওয়া অংশের অগ্রগতি ৬০ শতাংশ এবং ভাঙা থেকে যশোর সেকশনের কাজের অগ্রগতি ৫১ শতাংশ এবং সার্বিক কাজের অগ্রগতি ৬০ শতাংশ।

তিনি বলেন, ঢাকা থেকে ভাঙা পর্যন্ত রেললাইন নির্মিত হলে ঢাকা থেকে ফরিদপুর রাজবাড়ী হয়ে খুলনা, যশোর, দর্শনা, বেনাপোল পর্যন্ত ট্রেন চালানো সম্ভব হবে। এছাড়া খুলনা থেকে মংলা পর্যন্ত নতুন লাইন যেটি এই বছর ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হয়ে যাবে, ফলে তা মংলা পর্যন্ত চালানো সম্ভব হবে।

রেলপথ মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের ফলে আমাদের গর্বের পদ্মা সেতু অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন হয়েছে। এই সেতুতে রেল সংযোগের ব্যবস্থা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প সরকারের দশটি অগ্রাধিকার প্রকল্পের একটি। এটি ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত নতুন রেললাইন নির্মিত হবে।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা আছে। সময়মত বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্পকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। একটি অংশ ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত, দ্বিতীয় অংশ মাওয়া থেকে ভাঙা পর্যন্ত এবং তৃতীয় অংশ ভাঙা থেকে যশোর পর্যন্ত।

পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদার, সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক আফজাল হোসেন, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) কামরুল আহসানসহ কনসালটেন্সি সুপারভিশন সার্ভিসের সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২




নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুল ছাত্রীসহ নিহত ২

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

অনুপ সিংহ,নোয়াখালী ঃ

নোয়াখালীর চাটখিল ও হাতিয়াতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় এক স্কুলছাত্রীসহ দুইজন মারা গেছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে আরও দুইজন।

নিহতরা হলো, চাটখিল উপজেলার পাঁচগাও ইউনিয়নের বারইপড়া গ্রামের নূর ইসলাম মোল্লার ছেলে মো. শাহজাহান মোল্লা (৪৫) এবং হাতিয়া পৌরসভার গুল্লাখালি গ্রামের আলমগীর হোসেনের মেয়ে নিহা আক্তার (৭)। নিহত নিহা গুল্লাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির ছাত্রী ছিলো।

সোমবার (২৫ জুলাই) রাতে এবং মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) সকালে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।  

স্থানীয় বাসিন্তা কামরুল ইসলাম জানান, গতকাল সোমবার রাতে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশাযোগে বাড়িতে পথে তার রিকশাটি মন্ডবি বেপরী বাড়ির সামনে পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুত গতির সিএনজি তার রিকশাটিকে সামনে থেকে চাপা দিলে গাড়ি দুটি উল্টে সড়কের পাশে পড়ে যায়। এতে দুই চালকসহ আহত হন শাহজাহান। সেখান থেকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় শাহজাহানকে উদ্ধার করে প্রথমে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ওই হাসপাতালে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মারা যান।  

স্থানীয় বাসিন্দা জিল্লুর রহমান বলেন, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুঁটির পর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার জাহাজমারা-নলচিরা সড়ক দিয়ে বাড়ি যাচ্ছিল স্কুলছাত্রী নিহা আক্তার। বিদ্যালয় থেকে কিছু দূর যাওয়ার পর পিছন থেকে একটি দ্রুত গতির টমটম গাড়ি তাকে পিছন তেকে ধাক্কা দিলে সড়কে পড়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ থেতলে গিয়ে সে অচেতন হয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নিহাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাতিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কাঞ্চন কান্তি দাশ বলেন, ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন গাড়িটি আটক করেছে। নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত পতক্ষেপ নেওয়া হবে।


আরও খবর



বাংলা‌দে‌শের নর্ব‌নি‌র্মিত মানবসম্পদ উন্নয়ন কে‌ন্দ্রের উ‌দ্বোধন।

প্রকাশিত:শনিবার ১৬ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

কু‌মিল্লা ব্যুরো ঃ 

  কু‌মিল্লায় বর্ণাঢ‌্য আ‌য়োজ‌নে পায়রা - বেলুন উ‌ড়ি‌য়ে বু‌রো বাংলা‌দে‌শের নব‌নি‌র্মিত মানবসম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র সিএইচআর‌ডি এর উ‌দ্বোধন করা হ‌য়ে‌ছে।                            শ‌নিবার সকাল সা‌ড়ে ১১টায় কু‌মিল্লা কোটবা‌ড়ি রোড ধনপুর এলাকায় বু‌রো বাংলা‌দে‌শের উ‌দ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অ‌তি‌থির বক্তব‌্য রা‌খেন অর্থমন্ত্রণাল‌য়ের আ‌র্থিক প্রতিষ্ঠান বিভা‌গের স‌চিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ। বু‌রো বাংলা‌দেশ এর প্রতিষ্ঠাতা নির্বার্হী প‌রিচালক জা‌কির হো‌সে‌নের সভাপ‌তি‌ত্বে অনুষ্ঠা‌নে বক্তব‌্য রা‌খেন মাই‌ক্রোক্রেডিট রেগু‌লেট‌রি অথ‌রি‌টির এক্সি‌কিউ‌টিভ ভাইস চেয়ারম‌্যান  মোঃ ফ‌সিউল্লাহ ,জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসান। এর আ‌গে  বু‌রো বাংলা‌দে‌শের বি‌ভিন্ন কার্যক্রমের এক‌টি চিত্র তু‌লে ধরা হয়।                         


আরও খবর



রাজধানীর পথে পথে ভোগান্তি

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল :  বৈশ্বিক পরিস্থিতির কথা জানিয়ে সরকার শুক্রবার সন্ধ্যায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিলে শনিবার ভোর থেকেই রাজধানীতে কমতে শুরু করেছে বাসের সংখ্যা। এতে বড় ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসসহ বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীরা।

অফিসগামী যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকেও তারা বাস পাচ্ছেন না। সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল বা রিকশায় চড়তে গেলে গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ ভাড়া।

সকাল থেকে রাজধানীর বনশ্রী, রামপুরা, বাড্ডা, মগবাজার এলাকা ঘুরে বাস সংকটের এ চিত্র দেখা যায়।

বনশ্রী থেকে শ্যামলীতে গিয়ে অফিস করেন বাদল সরকার। প্রতিদিন সাড়ে আটটায় রাস্তায় নেমে ৫ মিনিটের মধ্যে বাসে উঠতে পারেন। সকাল সকাল সিটও খালি থাকে, কিন্তু আজ সকাল সাড়ে ৮টা থেকে প্রায় ৪৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থেকেও কোনো বাসে উঠতে পারেননি তিনি।

ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার থেকে ছেড়ে আসা বাসগুলো মেরাদিয়া বাজার, বনশ্রী, রামপুরা ব্রিজ হয়ে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে চলাচল করে। এই পথের বেশ কয়েকটি কোম্পানির বাস সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে। অন্য কোম্পানির বাসগুলো সংখ্যায় কম।

বাদল সরকার বলেন, তেলের দাম বাড়ছে। এ কারণে নাকি বাস বন্ধ করে দিছে মালিকরা। সব ভাড়া বাড়ানোর ধান্ধা। ৪৫ মিনিট ধরে কোনো বাসে উঠতে পারছি না। একটা-দুইটা বাস আছে, কিন্তু সব যাত্রীবোঝাই।

বাদল সরকারের মতো অনেক যাত্রীকে রাস্তার মোড়ে মোড়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়। রামপুরা ব্রিজ এলাকায় শত শত মানুষকে বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। বেশি দুর্ভোগে পড়েন নারীরা।

রামপুরা ব্রিজে আধা ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে কোনো বাসে উঠতে পারেননি নাজমুন নাহার নামের এক বেসরকারি চাকরিজীবী।

তিনি বলেন, আজকে ভিক্টর, তুরাগ বাস রাস্তায় একদম কম। দুই- একটা আসছে। তাতে আর ওঠার উপায় নেই।

বাসে না উঠতে পেরে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন নাজমুন, কিন্তু অটোরিকশায় প্রায় দ্বিগুণ ভাড়া চাওয়া হয় বলে জানান তিনি।

এমনিতে রাস্তায় বাস কম। এর মধ্যে সিএনজি, মোটরসাইকেলেও ভাড়া বেড়ে গেছে। কীভাবে অফিস যাব জানি না- বলেন নাজমুন নাহার।

বনশ্রী থেকে মোহাম্মদপুরগামী বাস তরঙ্গ ও স্বাধীন পরিবহন চলাচল করতে দেখা যায়। তাদের চালক ও সহকারীরা জানিয়েছেন, তেলের দাম বাড়ার কারণে বাস ভাড়া বাড়ানো লাগবে। নাহলে চলবে না। বাস বন্ধ রাখার বিষয়ে তারা মালিকদের কাছ থেকে কোনো নির্দেশনা পাননি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বনশ্রী থেকে মোহাম্মদপুরগামী একটি পরিবহনের চালক বলেন, ‘অনেক কোম্পানির মালিক বাস নামাইতে না করছে বলে শুনছি। ভাড়া বাড়লে বাস নামাবে। এটা সরকারকে ভাড়া বাড়ানোর জন্য চাপ দেয়ার কৌশল।

 সকাল থেকে অনেক যাত্রী অপেক্ষা করেও বাস পাচ্ছেন না। বেশ কয়েকটি কোম্পানির বাস দেখা যাচ্ছে না। আবার কিছু কোম্পানির বাস চলছে, তবে সংখ্যায় কম।

এর আগে, শুক্রবার  বৈশ্বিক পরিস্থিতির কথা জানিয়ে দেশে জ্বালানি তেলের দাম আরেক দফা বাড়ানোর ঘোষণা দেয় সরকার।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের শুক্রবার সন্ধ্যার প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ৩৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী এক লিটার ডিজেল ও কেরোসিন কিনতে হবে ১১৪ টাকায়।

অন্যদিকে অকটেনের দাম লিটারে বাড়ানো হয় ৪৬ টাকা। এখন প্রতি লিটার অকটেন কিনতে ১৩৫ টাকা ‍গুনতে হবে। এর বাইরে লিটারপ্রতি ৪৪ টাকা বাড়ানো হয় পেট্রলের দাম। এখন থেকে জ্বালানিটির প্রতি লিটার ১৩০ টাকা।

শতকরা হিসাবে ডিজেলের দাম বাড়ানো হয় ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ। আর অকটেন ও পেট্রলের দাম বৃদ্ধি করা হয় ৫১ শতাংশ।


আরও খবর

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২




বিদ্যুৎ চালিত অবৈধ যানবাহন বন্ধ করলে অনেকখানি বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা সম্ভব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : রাজধানীর মূল সড়কে না চললেও স্থানীয় সড়কগুলোতে বেশ বেপরোয়া ভাবেই চলছে ব্যাটারি চালিত রিক্সা। ২০১৭ সালে রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিক্সা বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশনা থাকলেও তা উপেক্ষা করে বিভিন্ন অলিতে-গলিতে এখনো চলছে এই ব্যাটারিচালিত রিক্সা। যার ফলে যানজট লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি ছোট-বড় দুর্ঘটনাও ঘটছে অহরহ।

 

অলিতে-গলিতে চলাচল থাকলেও শুধু ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনেই এই ধরণের রিক্সার সংখ্যা দুই লাখের বেশি। আর রাজধানী জুড়ে ধরণের ব্যাটারি চালিত রিক্সার সংখ্যা চার লাখেরও বেশি।  এবং সারাদেশে ষাট লাখেরও বেশি। 

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশে যন্ত্রের প্রতি  নির্ভরযোগ্যতা বেড়েছে। কিন্তু টমটম বা পঙ্খিরাজ নামে পরিচিত ধরণের অটোরিক্সা মানুষের জীবনকে সহজ করার বদলে কোন কোন ক্ষেত্রে আরো জটিল সমস্যার সৃষ্টি করছে। নিয়ন্ত্রণহীন গতি এবং চালকদের বেপরোয়া আচরণ এবং হর্নের মাধ্যমে শব্দ দূষণের কারণে বেশ সমালোচিত এই যানবাহনের কদর বেড়েছে দ্রুতযান ভাড়া কম হবার কারণে।

আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও স্থানীয় ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক নেতাকর্মী আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ছত্র ছায়ায় এখনো চলমান এই রিক্সাগুলোর নিয়ন্ত্রণ মহাজনদের হাতে।

এই সকল রিক্সাগুলো ব্যাটারি চালিত হওয়ায়, এতে বৈদ্যুতিক খরচ বাবদ মাস প্রতি গুনতে হয় ১৫০০-২০০০ টাকা। আর এই সকল বৈদ্যুতিক লাইন অবৈধ হওয়ায় লোডশেডিংয়ে ভুগতে হয় নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল প্রদান করা গ্রাহকদের । যার ফলে প্রতি মাসে বিপুল পরিমান বিদ্যুৎ বিল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার  ।

বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মতে, বর্তমানে চাহিদা অনুসারে বিদ্যুৎ সরবরাহে কোন ঘাটতি ছিলনা। কিন্তু তারপরও মাঝে মধ্যে লোডশেডিং ছিল, যার মূল কারণ অবৈধ সংযোগ। নিয়মিত অভিযান চালিয়ে অবৈধ সংযোগ বন্ধ করা হলেও আবারো তা চালু হয়ে যায়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপস বলেছিলেন ব্যাটারি চালিত কোনো যান আর সড়কে চলবে না। ঢাকা দক্ষিণ সিটির সড়ক গুলোতে এই সকল যান পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইন করা হলেও আইনি ভাবে তেমন পদক্ষেপ না নেয়ার ফলে ঢাকা দক্ষিণ সিটির আওতায় খিলগাঁও, বাসাবো, রামপুরা, বনশ্রী, মাদারটেক, যাত্রাবাড়ী, মান্ডা, ডেমরা, পুড়ান ঢাকা সহ বিভিন্ন এলাকাতে চলছে এই ব্যাটারি চালিত রিক্সা। উত্তর সিটি করপোরেশন ভুক্ত মিরপুরের বেশ কিছু এলাকায়, ভাটারা, আশকোনা উত্তরার কিছু স্থানেও বিনা বাঁধায় চলছে ব্যাটারি চালিত রিক্সা।

প্রাথমিক পর্যায়ে দরিদ্র প্রতিবন্ধীদের আয়ের উৎস হিসাবে এই সকল রিক্সা চলতে দেওয়া হলেও বর্তমানে তা ব্যবহার করছে সকলে। এই যান চালাতে সহজ হওয়ায় অনেক সুস্থ মানুষ প্যাডেল চালিত রিক্সা ছেড়ে বেছে নিচ্ছে এই ব্যাটারি চালিত রিক্সা।

অনেক যাত্রী সময় বাঁচাতে বা সাশ্রয়ী হওয়ায় ব্যাটারি রিক্সা ব্যবহারে আগ্রহী হয়, আবার অনেকে ধরণের রিক্সার বেপরোয়া গতি দেখে অনিচ্ছাও প্রকাশ করে।

অনেকে এদের বলে বিপদজনক। অজস্র দুর্ঘটনার জন্য দায়ী এরা। বেশ গতিমান এবং কাঠ ও লোহার তৈরি দেহের কারণে ভরবেগও এদের মন্দ না। অন্যদিকে এদের গতিনিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা খুবই খারাপ, আধুনিক বাহনের বৈশিষ্ট্য সুলভ অন্যান্য নিরাপত্তা বন্দোবস্ত এই গাড়িগুলোতে নেই বললেই চলে। দেশের বহু অঞ্চলে বাস-ট্রাক-লরিসহ সকল প্রকার পরিবহণ মালিক ও শ্রমিকরা বেশ কয়েকবার ধর্মঘট করেছেন মহাসড়কে এদের চলাচলের বিরুদ্ধে। বহু স্থানে কঠোর পুলিশী বন্দোবস্ত করেও এদের নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। 

 

 

 


আরও খবর

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২