Logo
শিরোনাম
নওগাঁয় চোরাই অটোভ্যান উদ্ধার সহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ জন আটক দ্বিতীয় বার আইজিপি পদক পেলেন রাঙ্গাবালী থানার ওসি হেলাল উদ্দিন অপহরণের ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই কিশোরী উদ্ধার সহ অভিযুক্ত যুবক আটক বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত

খাওয়ার পরেই চা নয়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৩ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪ |

Image

আমরা অনেকেই দুপুরে খাবার খাওয়ার পর এক কাপ চা পানের অভ্যাস আছে। আর এ চা পান আমাদের পাচনতন্ত্রের ওপর প্রভাব ফেলে। যার ফলে খাবার ভালো করে হজম হয় না। এ ছাড়া গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা লেগেই থাকে। সেই সঙ্গে চা বেশি খেলে এতে থাকা ক্যাফেইন আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। ভারি খাবার খাওয়ার পর চা পান করলে অনেকেরই মাথা ধরে। চা খেলে গ্যাস্ট্রিকের কারণে এমনটা হতে পারে। তখন এক ধরনের অস্বস্তি কাজ করে।

আমরা সারাদিন যা খাই, সেখান থেকেই আমাদের শরীর পুষ্টি গ্রহণ করে। কিন্তু আপনি যদি খাওয়ার পরপরই চা পান করেন, তবে তা পুষ্টির ওপর প্রভাব ফেলে। দুপুর বা রাতে আমরা যে ভারি খাবার খাই, তাতে থাকা পুষ্টি শরীর শোষণ করতে পারে না। সেই সঙ্গে খাবার ঠিকঠাক হজমও হয় না। ফলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা লেগে থাকে।

এ ছাড়া প্রতিদিন দুপুর বা রাতে খাওয়ার পরপরই চা খেলে বিভিন্ন রোগ দেখা দিতে পারে। এ কারণে অনেক সময় বেড়ে যেতে পারে ব্লাড প্রেসার। আপনি যদি হাই ব্লাড প্রেসারের রোগী হন, তবে এ ধরনের অভ্যাস বাদ দিতে হবে।

 সূত্র : হেলথইন।


আরও খবর

বালুচরে শীতের পাঞ্জাবি-কটি

বুধবার ২০ ডিসেম্বর ২০23




চাকুরি দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ১১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

রেলওয়ের খালাসি পদে চাকরির প্রলোভন দিয়ে ১১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আব্বাস আলী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী আজিজুল হক নওগাঁর জেলা প্রশাসক সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করে প্রতিকার না পেয়ে অবশেষে নওগাঁ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার চাকরাইল গ্রামের মৃত জমির উদ্দীনের ছেলে আব্বাস আলী দেওয়ান এবং তার দুই সন্তান ডিএম আব্দুল ওয়াহাব পলাশ ও সাব্বির আহম্মেদ সাদি। ভুক্তভোগী আজিজুল হক নওগাঁ সদর উপজেলার বরুনকান্দি (স্কুলপাড়া) গ্রামের মৃত ঝরু মন্ডলের ছেলে। 

মামলা সুত্রে জানা যায়, আব্দুল ওয়াহাব পলাশ রেলওয়ের খালাসি হিসেবে পারবর্তীপুরে চাকুরি করেন। বড় ভাই পরিবার নিয়ে আজিজুল হকের বাসায় ভাড়া থাকার সুবাদে আজিজুর হকের সাথে পালাশের পরিবারের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সুযোগে পালাশ তার বাবা ও ভাইকে দিয়ে আজিজুল হকের ছেলে মেহেদী হাসানকে রেওয়ের খালাসী পদে চাকুরি দেওয়ার কথা বলে ১১ লাখ নেন। ভুক্তভোগী সরল বিশ্বাসে কোনো প্রমানপত্র ছাড়া তাকে ১১ লাখ টাকা দেন। টাকা নেওয়ার পর বেশ কিছুদিন পার হয়ে গেলে ছেলের আর চাকুরি হয় না। আজিজুল হক তার ছেলের চাকুরির জন্য পলাশ ও তার বাবার দ্বারে দ্বারে ঘুরে ছেলেকে চাকুরি দেন না, টাকাও ফেরত পান না। ছেলের চাকুরি ও টাকা কোনোটি ফেরত না পেয়ে ভুক্তভোগী আজিজুল বাবা ও ছেলে কাছ থেকে নন জুডিসিয়াল ট্যাম্প করে নেন। বাবা ও ছেলে আগামী এক মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য ট্যাম্পে অঙ্গিকার করেন। অঙ্গিকার করার পরে আব্বাস আলী আজিজুল হকের বিরুদ্ধে জোর করে স্ট্যাম্প করে নেওয়া হয়েছে বলে চাঁদাবাজি মামলা করেন। চাঁদাবাজি প্রমান করতে না পারায় মামলা আদালত থেকে বাতিল করা হয়েছে। আজিজুল হক নিরুপায় হয়ে বিভিন্ন দপ্তরে টাকা ফেরতের জন্য আবেদন করেন। অবশেষে আদালতে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ডিএম আব্দুল ওয়াহাব পলাশ ও তার ভাই সাব্বির আহম্মেদ সাদি জেল হাজতে আছেন।

এ ব্যাপারে চাকরী প্রার্থী মেহেদী হাসান অভিযোগ করে বলেন, পলাশ ও তার পরিবার সাথে আমাদের পরিবারে ভালো সম্পর্ক ছিলো। আমাদের জমি-জমা বিক্রি করে ১১ লাখ টাকা দেওয়া হয়। আমাদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়ে আমাদের পরিবারকে নিঃস্ব করে দিয়েছে। আমরা বিভিন্ন সময়ে এলাকার গণ্যমান্য লোকজনকে ধরে তাকে অনুরোধ করেও টাকা ফেরত পাচ্ছি না। এছাড়া কয়েক মাস পূর্বে টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প করে দেন পলাশ ও তার বাবা। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে পেরিয়ে গেলেও টাকাগুলো আর ফেরত দেননি তারা। ভুক্তভোগী আজিজুল হক দাবি করেন, পলাশ ও তার বাবা টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অঙ্গীকার করে স্ট্যাম্প করে দেন। তবে এখন টাকা না দিয়ে উল্টো আমাদেরকে জোর করে তার কাছে থেকে স্ট্যাম্প নেওয়া হয়েছে বলে ভুল তথ্য সরবরাহ করে টাকা নেওয়ার বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং আমাদের কিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা করেন। তবে সেই মামলা তিনি প্রমান করতে পারেনি। তিনি বলেন, বিভিন্ন দপ্তরের অফিযোগ করার পর বিষয়টি জেলা গোয়েন্দা স্ংস্থা তদন্ত করে ১১ লাখ টাকা নেওয়ার বিষয়টি প্রমান হয়েছে। তারপর তিনি টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করেন। তাই আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত পালাশ জেল হাজতে থাকায় তার বক্তব্য না পাওয়া গেলেও পালাশের পিতা আব্বাস আলী বলেন, চাকুরি দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সত্য নয়। মিথ্যা ও ভীত্তিহীন। তারা জোর করে আমাদের কাছ থেকে স্ট্যাম্প করে নিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আমার দুই ছেলেকে জেলে পাঠিয়েছেন। 


আরও খবর



মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নির্বাচন কমিশনারের প্রতি সাধারন মানুষদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে বর্তমান নির্বাচন কমিশন কাজ করে যাচ্ছে। আমরা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটি স্বচ্ছ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছি। রবিবার দুপুরে নওগাঁ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে নওগাঁ-২ ধামুরহাট-পত্নীতলা আসনের উপ-নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত সভায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সাথে প্রধান অতিথি হিসাবে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা। 

এসময় প্রধান অতিথি বলেন, এই নির্বাচন-এ সবার সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে পুনরায় ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে গিয়ে উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট প্রদানের পরিবেশ সৃষ্টিতে আমরা সফল হয়েছি। তাই আগামীতেও প্রতিটি নির্বাচন হবে শতভাগ নিরপেক্ষ। এই প্রতিশ্রুতি মাঠ পর্যায়ে শতভাগ বাস্তবায়ন করতে বর্তমান নির্বাচন কমিশন বদ্ধ পরিকর।

নওগাঁ জেলা প্রশাসক মোঃ গোলাম মওলার সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর, রাজশাহী রেঞ্জের অ্যাডিশনাল ডিআইজি (প্রশাসন ও অর্থ) ফয়সাল মাহমুদ, আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশনার মোঃ দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ। এছাড়াও নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক, জেলা প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, দুই উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, পুলিশ কর্মকর্তা, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২৯ডিসেম্বর ভোরে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-২ ধামইরহাট-পত্নীতলাআসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী বীরমুক্তিযোদ্ধা আমিনুল হকের মৃত্যুর কারণে এই আসনের ভোট গ্রহণ স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। পরবর্তীতে এই আসনের ভোট আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গ্রহণের তারিখ ঘোষণা করা হয়। এই আসনে নৌকা প্রতিক নিয়ে বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ শহীদুজ্জামান সরকার বাবলু, জাতীয় পার্টির এ্যাড. তোফাজ্জল হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতারুল আলম ও মেহেদী হাসান প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।


আরও খবর



ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 |

Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল :

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় সালমান নামে এক কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে কিশোরগ্যাংয়ের হামলায় এ হত্যাকান্ডটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায় স্থানীয় এক ইউপি সদস্য। 

নিহত সালমান (১৭) খুলনা জেলার শাহারাবাদ থানার জিনারতলা গ্রামের ভ্যান চালক মোফাজ্জল মিয়া ও খুকু বেগমের ছেলে। তারা স্বপরিবারে ফতুল্লার কুতুবপুর চিতাশাল কুসুমবাগ এলাকার ২নং গলির শাহজাহান মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

নিহতের মা খুকু বেগম বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় ক্যানেলপাড় এলাকায় সাদ্দাম মিয়ার চায়ের দোকানের সামনে সালমান দাড়িয়ে ছিলো। তখন জাহিদ নামে এক ছেলে সিগারেট ধরায়। সালমান তাকে দূরে গিয়ে সিগারেট খেতে বললে দলবল নিয়ে লোহার রড ও লাঠি দিয়ে সালমানকে এলোপাথারি মারধর করে জাহিদ। সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে আহত অবস্থায় বাসায় ফিরলেও  শুক্রবার ভোর রাত ৪টায় তার অবস্থা খারাপ হওয়ায় দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার পথে সালমান মারা যায়। এর পর স্থানীয় ইউপি মেম্বার জামান জানান,এ বিষয় নিয়ে থানা পুলিশ করলে লাশটা পুলিশ নিয়ে যাবে এবং ময়না তদন্তের জন্য কাটা ছেড়া করবে। তিন স্থানীয় ভাবে মিমাংসার কথা জানান। এক প্রকার মামলা না করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। এসব কারণে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘটনাটি ধামাচাপা ছিল। পর খবর পেয়ে গলায় দানের আগে মুহর্তে লাশ নিয়ে যায় ময়নাতদন্তের জন্য।

এবিষয়ে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য জামান বলেন, এক ছেলে ফোন করে জানিয়েছে বৃহস্পতিবার রাতে ক্যানেলপাড় সাদ্দাম মিয়ার চায়ের দোকানের সামনে পোলাপান ঝগড়া করেছে। এতে মারধরে একজন মারাগেছে। এরপর বিষয়টি নিয়ে নিহত ছেলের বাবার সাথে ফোনে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। তখন নিহতের বাবাকে বলেছি আপনে ইচ্ছে করলে স্থানীয় ভাবে মিমাংসা করতে পারেন আমি সহযোগীতা করবো। আর যদি তা না চান তাহলে মামলা করতে পারেন। 

এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি নূরে আজম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।


আরও খবর



স্মার্ট পার্লামেন্ট প্রতিষ্ঠিত হবে : স্পিকার

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪ |

Image

অচিরেই স্মার্ট পার্লামেন্ট প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেছেন, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নিষ্ঠার সাথে পালন করে চলেছেন। জাতীয় সংসদের কাজ আইন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।

জাতীয় সংসদ ভবনের উত্তর প্লাজায় নবনির্মিত কনফারেন্স রুমে সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন উইং সমূহের মধ্যে বিশেষ সমন্বয় সভায় অংশগ্রহণ করে এসব কথা বলেন। সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জাতীয় সংসদের সিনিয়র সচিব কে এম আব্দুস সালাম। আলোচনায় অংশ নেন সংসদ সচিবালয়ের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সাপোর্ট উইংয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. নূরুজ্জামান, মানব সম্পদ উইংয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহবুবা পান্না, বিএন্ডআইটি অনুবিভাগের মহাপরিচালক যুগ্মসচিব এস এম মঞ্জুর, লেজিসলেটিভ সাপোর্ট উইংয়ের যুগ্মসচিব বেগম ছুমিয়া খানম প্রমুখ।

সভায় স্পিকার বলেন, বছরের শুরুতে সংসদ সচিবালয়ের সকল উইংয়ের অংশগ্রহণে এ ধরণের সমন্বয় সভার গুরুত্ব অনেক। এ ধরনের সমন্বয় সভায় আগামী পাঁচ বছরের পরিকল্পনা করা সম্ভব। তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন উইং এর সমস্যাগুলোকে গুরুত্ব অনুযায়ী সমাধান করতে হবে।

এসময় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সাইবার সিকিউরিটি বৃদ্ধি, মানব সম্পদ শাখার সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সংসদ লাইব্রেরিকে ডিজিটালাইজড করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি। তিনি সংসদ সচিবালয়ের প্রশাসনিক, লেজিসলেটিভ ও প্রকিউরমেন্ট কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন।


আরও খবর



নওগাঁয় এক ভুয়া চিকিৎসক কে ৬ মাসের কারাদন্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 |

Image

নওগাঁয় বিএমডিসির রেজিষ্ট্রেশন না থাকা সত্বেও নিজেকে চিকিৎসক পরিচয়ে নিয়মিত রোগী দেখার অভিযোগে মিজানুর রহমান নামে এক ভুয়া চিকিৎসক কে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে ভ্র্যাম্যমান আদালত। সোমবার দুপুরে নওগাঁ শহরের দয়ালের মোড় এলাকার হেল্থ কেয়ার ল্যাব নামক একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ঐ ভুয়া চিকিৎসক কে এ কারাদন্ড প্রদান করেন নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালত এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. রবীন শীষ।

এ বিষয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশন না থাকা সত্বেও নামের পাশে ডাক্তার ব্যবহার করে রোগীদের সাথে বেশ কয়েক বছর ধরে প্রতারনা করে আসছিলেন মিজানুর। এর আগেও একই অপরাধে তার কারাদন্ড হয়েছিলো। বর্তমানে নিজেই একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে খুলে সেখানে ডাক্তার সেজে নিয়মিত রোগী দেখতেন। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে তাকে এ অপরাধে ৬ মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়।

অভিযানে নওগাঁ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আবুল কালাম আজাদ, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ আশিষ কুমার সরকার, মেডিকেল অফিসার ডাঃ রিফাত হাসান ও থানা পুলিশের সদস্যরা (টিম) উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর