Logo
শিরোনাম

কুরবানির জন্য প্রস্তুত ৪ লাখ ৩৩ হাজার পশু

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

মুন্সী মো: আল ইমরান :  পবিত্র ঈদুল আযহা ও কুরবানি ইসলামের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ও আত্মত্যাগের অনন্য ইবাদত। আত্মত্যাগ ও মানবতার বার্তা নিয়ে প্রতিবছরই মুসলিম উম্মাহর সামনে হাজির হয় এই উৎসব। পবিত্র ঈদ উল আযহায় সবচেয়ে বেশি চাহিদা হলো কুরবানির পশু। ঈদ উল আযহাকে সামনে রেখে নওগাঁ জেলায় খামারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে ৪ লাখ ৩৩ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। এসব পশুর মধ্যে রয়েছে- ষাঁড়, বলদ, গাভী (বাচ্চা উৎপাদনে অক্ষম) মহিষ ও ছাগল।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, খামারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে নওগাঁ জেলায় এবার ৪ লাখ ৩৩ হাজার ৭৩টি গবাদিপশু কুরবানির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যার মধ্যে নওগাঁ সদরে ৪২ হাজার ৪২০টি, রাণীনগরে ৪১ হাজার ৭৪১টি, আত্রাইয়ে ২৪ হাজার ৭৮৩টি, ধামইরহাটে ৪৪ হাজার ৮২৫টি, বদলগাছীতে ৩২ হাজার ৩৭৯টি, নিয়ামতপুরে ৩২ হাজার ৯৬টি, পোরশায় ৩৩ হাজার ৪৩৬টি, সাপাহারে ২৮ হাজার ৭৬৬টি, মহাদেবপুরে ৪২ হাজার ৫৮৯টি, পত্নীতলায় ৪৬ হাজার ৮১০টি এবং মান্দায় ৬৩ হাজার ২২৮টি গবাদি পশু কুরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

জেলার বেশ কয়েকটি খামার ঘুরে জানা যায়, ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ভালো দামের আশায় খামারিরা পশু লালন-পালন করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। খরচ বেশি হলেও ভালো দাম পাওয়া নিয়ে আশা করছেন খামারিরা। অন্যদিকে ভারতীয় গরু দেশে প্রবেশ যেন না করতে পারে তারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

নওগাঁ সদর উপজেলার মৃধাপাড়া এলাকার সজিব এ্যাগ্রোর মালিক মো.সজিব হোসেন বলেন, আমার খামারে ৯০টি ষাড় গরু রয়েছে। গরুগুলোকে লালন-পালন ও পরিচর্যা করে ক্রেতার মনের মত করে তুলছি। আগামী সপ্তাহ থেকে গরুগুলোকে বাজারে বিক্রি করা শুরু করব। গত ১০মাস আগে গরুগুলোকে কিনেছি মোটা-তাজা করে ঈদ বিক্রি করার জন্য। প্রতিটি গরু ৭০-৮০হাজার টাকায় কিনেছি। প্রতিদিন প্রতিটি গুরুর জন্য খাবার বাবদ খরচ হয় ৩০০ টাকার মতো। যদি এই দামে বিক্রি করতে পারি তবে সব খরচ বাদ দিয়ে গরু প্রতি ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার মতো লাভ হবে।

রাণীনগর উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের খামারি রফিকুল আলম বলেন, আমার খামারে ১০টি গরু ও ৫ছাগল আছে। ১বছর আগে এসব গরু ও ছাগল কিনেছিলাম। গরুগুলো ৫০-৬০ হাজার টাকায় কিনেছিলাম। আর ছাগলগুলো ৭-৮ হাজার টাকা উন্নত জাতের প্রতিটি ছাগল কিনেছিলাম। ভালো দাম পাবার আশায় পরিচর্চা করে যাচ্ছি। গো-খাদ্যের দাম কিছুটা বেশি । ভারতীয় পশু দেশে না ঢুকতে দিলে, ভালো দাম পাবো বলে আশা করছি। ভারতীয় পশু যেন দেশে না ঢুকতে পারে সেজন্য প্রশাসনের কঠোর নজরদারির দাবি করছি।

মান্দা উপজেলার মৈনম গ্রামের খামারি সিদ্দিক হোসেন বলেন, ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ৫টি গরু প্রস্তুত আছে। ভারতীয় পশু যেন দেশে না ঢুকতে পারে সেদিকে প্রশাসন যেন নজর দেই। তাহলে আমরা ভালো দাম পাবো বলে মনে করছি। নইলে লোকসান হয়ে যাবে আমাদের। কারণ ভারতের পশু দেশে আসলে দাম কমে যাবে গরুগুলোর। তখন আমাদের লোকসান হতে পারে।

জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মহির উদ্দীন বলেন, ঈদ উল আযহাকে সামনে রেখে নওগাঁ জেলায় খামারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে ৪ লাখ ৩৩ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। এরমধ্যে শুধু গরুই ৬৭ হাজার। জেলায় প্রায় ২৫হাজারের মতো খামার রয়েছে। গত বছর ২ লক্ষ ২৫ হাজার কুরবানি হয়েছিল। এবারে জেলায় প্রায় ৩ লাখের বেশি কুরবানি হবে বলে ধারণা করছি। জেলায় কুরবানির জন্য পশুর সংকট হবে না। চাহিদার তুলনায় জেলার খামারগুলোতে পশু বেশি থাকায় এবার অন্য কোথাও থেকে পশু আনার প্রয়োজন নেই।

এই কর্মকর্তা আরও বলেন, জেলার খামারিরা কুরবানির পশু বিক্রির জন্য ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রস্তুত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। পশুগুলোকে মোটাতাজা করার জন্য কোনো ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ বা ওষুধ খাওয়ানো হচ্ছে না। সেদিকে আমাদের নজর রয়েছে। মাঠের সবুজ ঘাস, ভুসি, খৈল, চালের গুড়া, ছোলা খাওয়াচ্ছেন। আর পশুকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সুস্থ রাখতে আমরা খামারিদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। অনেক সময় ভারতীয় পশু দেশে অবৈধভাবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিয়ে আসে। ফলে প্রকৃত খামারিরা সঠিক মূল্য থেকে বঞ্চিত হয়। কারণ ভারতীয় গরু আসায় দাম অনেক কমে যায়। জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিজিবি এসব ব্যাপারে নজরদারি করছেন।


আরও খবর

ছোট ও মাঝারি গরুর দাম বেশি

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




রাজবাড়ীর পদ্মায় জেলের জালে ২২ কেজি’র পাঙ্গাস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি ঃ

রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে বিশাল  আকৃতির একটি পাঙ্গাস মাছ ধরা পরে। ওজন দিয়ে দেখা গেছে মাছটির ওজন ২২ কেজি ১০০ গ্রাম। মাছটিকে এরই মধ্যে ঢাকার মৌচাক এলাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ( ২৮ জুন ) সকালে পদ্মা নদীর দৌলতদিয়া  ৬ নম্বর ফেরিঘাটের কাছে জেলে নয়ন হলদারের জালে মাছটি ধরা পরে। মাছটিকে স্থানীয় টুকু মোল্লার আড়তে  নিয়ে আসা হলে ডাকের মাধ্যমে সাড়ে ১২ শত টাকা কেজি দরে কিনে নেন শাকিল সোহান মৎস্য আড়তের মালিক শাজাহা মিয়া।

শাকিল সোহান মৎস্য আড়তের মালিক শাজাহা মিয়া বলেন, মঙ্গলবার সকালে টুকু মোল্লার আড়তে মাছটি নিয়ে আসলে সকল মাছ ব্যাবসায়ীদের অংশ গ্রহনে ডাকের মাধ্যমে সাড়ে ১২ শত টাকা কেজি দরে কিনে নেওয়ার পর ১৩ শত টাকা কেজি দরে ২৮ হাজার ৬০০ টাকায় মৌচাক এলাকার এক ব্যাবসায়ীর কাছে বিক্রি করেছি।

গোয়ালন্দ উপজেলার সিনিয়ার মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ টিপু সুলতান বলেন,  পদ্মা নদীতে এখন মাঝে মধ্যেই বড় বড় আকৃতির মাছ ধরা পরছে। এতে স্থানীয় জেলেরা লাভবান হচ্ছে। সেই সাথে তাদের পরিবারেও স্বচ্ছলতা আসছে। পদ্মা নদীর এ সব বড় বড় মাছ বেশ সুস্বাদু হওয়ায় ব্যাবসায়ীরা টেলিফোনে যোগাযোগ করেই বিক্রি করতে পারছে।


আরও খবর



বিশ্বকাপ ট্রফি ঢাকায়

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

ইয়াশফি রহমান : বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রীড়া আসর ফুটবল বিশ্বকাপ। আগামী নভেম্বরের ২১ তারিখে কাতারে পর্দা উঠবে এই আসরের। তার আগে বিশ্বকাপ ট্রফি ঘুরবে গোটা বিশ্বে। সে অনুযায়ী বাংলাদেশে এসছে ফিফা ট্রফি। বুধবার (৮ জুন) বাংলাদেশ সময় বেলা পৌনে ১১টায় ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় ট্রফিটি।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের মিডিয়া এক্সিকিউটিভ খালিদ মাহমুদ নওমী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকায় জাঁকজমকপূর্ণ নানা আয়োজনের ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। থাকছে ফিফার কমার্শিয়াল পার্টনার কোকাকোলার আয়োজনে একটি কনসার্টও। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে চার্টার্ড ফ্লাইটযোগে ট্রফি ঢাকায় আসে। সঙ্গে রয়েছেন ফিফার সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল। তাদের মধ্যে আছেন ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের বিশ্বকাপ জেতা লিজেন্ডারি মিডফিল্ডার ক্রিস্টিয়ান কারেম্বু।

বিমানবন্দরে ট্রফি বরণ করেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনসহ অন্য কর্মকর্তারা। প্রায় দুদিনের সফরের প্রথম দিনে তিনটি প্রোগ্রাম রয়েছে। এদিন বিকেল ৪টায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বাসভবনে নেওয়া হবে ট্রফি। এরপর নেওয়া হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবনে। এ ছাড়া বাফুফে নৈশভোজের আয়োজন করেছে ট্রফি আসা উপলক্ষে।

দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ট্রফিটি রাখা হবে হোটেল রেডিসনে। এ সময় ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ পাবেন বাফুফের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গণমাধ্যম কর্মীরা। পরে বিকেলে ট্রফি নিয়ে যাওয়া হবে বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে। সেখানে ট্রফি প্রদর্শনের সঙ্গে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে।

২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপের আগে ২০১৩ সালে ট্রফি এসেছিল বাংলাদেশে। তার দীর্ঘ সময় পর ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ উপলক্ষে আবারও এসেছে ফিফা ট্রফিটি।


আরও খবর



মালয়েশিয়া গমনেচ্ছুদের সতর্ক করে বিজ্ঞপ্তি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

মালয়েশিয়া যেতে ইচ্ছুক কর্মীদের সতর্ক করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)।

বুধবার (২৯ জুন) সতর্কতা জারি করে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

এতে বলা হয়, কর্মী প্রেরণ বিষয়ে মালয়েশিয়ার সঙ্গে সই করা সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী বাংলাদেশী কর্মী গমনের ক্ষেত্রে কর্মীর বিমান ভাড়া, লেভিসহ মালয়েশিয়ায় প্রদেয় সকল খরচ কর্মী গ্রহণকারী নিয়োগকারী কোম্পানি বহন করবে।

আরও বলা হয়, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি হিসেবে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের বিএমইটি'র ডাটাবেজে নাম নিবন্ধনের জন্য একাধিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচার হয়েছে। এ নিবন্ধন বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সহায়ক। তবে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা নয়।

সতর্কবার্তায় আরও যা যা বলা হয়—বিএমইটি’র ডাটাবেজে নিবন্ধন ছাড়া কোনও কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন না। তাই মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের বিষয়ে সরকারি ঘোষণার আগে কোনও ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা রিক্রুটমেন্ট এজেন্টের সঙ্গে সকল আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকতে হবে।

পাসপোর্টসহ মূল্যবান ডকুমেন্ট অন্যের হাতে জমা দিয়ে জিম্মি হবেন না। দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীরা নিরাপদ অভিবাসনের অন্তরায়। তাদের পরিহার করুন।

শোনা যাচ্ছে কিছু অসাধু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান প্রতারণামূলকভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং সরকারি অনুমোদন ছাড়াই লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। অনুমোদনবিহীন বিজ্ঞাপন, প্রতিষ্ঠান ও প্রতারকদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন।

মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের নামে অবৈধ ও আগাম লেনদেনে সম্পৃক্ত দায়ী রিক্রুটিং এজেন্সি বা তার প্রতিনিধি, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩-সহ সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতারণা থেকে বাঁচতে সকল দেশের ক্ষেত্রে ব্যাংকের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন করবেন। অবশ্যই মানি রিসিপ্ট সংরক্ষণ করবেন। এছাড়া, মালয়েশিয়াসহ বিদেশ গমন সংক্রান্ত যেকোনও পরামর্শের জন্য নিকটস্থ জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস বা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

প্রয়োজনে www.bmet.gov.bd ভিজিট করে বা ০৮০০০১০২০৩০ (টোল-ফ্রি) নম্বরে কল করে তথ্য ও পরামর্শ নেওয়া যাবে।


আরও খবর



ছোট ও মাঝারি গরুর দাম বেশি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে পশুর হাট জমে উঠছে। ইতোমধ্যেই জেলার হাটগুলোতে পশু আসতে শুরু করেছে। জেলার কালিয়া কান্দাপাড়া, তালগাছী, রতনকান্দি, কামারখন্দ, এনায়েতপুর, সলঙ্গা, জনতার হাট, গ্যাস লাইন, শমেশপুর সহ বড় বড় হাটগুলোতে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকার আসতে শুরু করেছে।

করোনাকালীন গত দুই বছরের তুলনায় এবছর গবাদি পশুর দাম ভালো পাবেন বলে আশা করছেন খামারিরা। তবে এখনো স্থানীয় কোরবানিদাতারা পশু কিনতে নামেননি। তারা হাটে আসতে শুরু করলে দাম আরো কিছুটা বাড়তে পারে বলে খামারিরা আশা প্রকাশ করেন।

কয়েকজন খামারি জানান, দেশের বাইরে থেকে গবাদি পশু না এলে এবছর তারা ভালো লাভের আশা করছেন। গত কয়েক দিনে বিভিন্ন হাট ও ক্রেতা বিক্রেতা সূত্রে জানা গেছে, বড় গরুর তুলনায় ছোট ও মাঝারি গরুর দাম তুলনামূলক বেশি। বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) কালিয়া কান্দাপাড়া হাটে গরু কিনতে আসা ফরিদুল ইসলাম জানান, ৭০ হাজার টাকায় গরু কেনা হয়েছে। এবারে গরুর দাম একটু বেশি। তার দাবি, বাইরের গরু না আসায় গরুর ভালো চাহিদা রয়েছে। তবে বড় আকারের তুলনায় মাঝারি ও ছোট সাইজের গরুর দাম বেশি।

জেলা পশু সম্পদ অফিস সূত্র জানায়, এবছর জেলায় কোরবানির জন্য পশুর চাহিদা রয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার। সে তুলনায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৩ লাখ ৯১ হাজার পশু। সেক্ষেত্রে জেলার চাহিদা মিটানোর পর বাকি পশু রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় বিক্রির জন্য পাঠানো হবে।

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের খামারি বলেন, এবছর তিনি ১২টি গরু মোটাতাজা করেছেন। ইতোমধ্যে হাটেও তুলেছিলেন কয়েকটি, কিন্তু পছন্দমতো দাম না হওয়ায় বিক্রি করেননি। তিনি বলেন, কোরবানির এখনও ৯/১০ দিন বাকি আছে। স্থানীয়রা পশু কেনা শুরু করেনি। তারা হাটে এলে আরো ভালো দাম পাওয়া যাবে।

কালিয়া গ্রামের খামারি ছামাদ জানান, খাবারের দাম বেশি হওয়ায় তার গবাদি পশু মোটাতাজা করতে খরচ বেশি পড়েছে। সরকারিভাবে যদি খামারিদের মধ্যে ন্যায্যমূল্যে খাবার সরবরাহ করা হতো তাহলে তারা আরো লাভবান হতে পারতেন।

জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ গৌরাঙ্গ কুমার তালুকদার জানান, সিরাজগঞ্জের গো-খামারিরা পশু পালনে সচেতন। এক্ষেত্রে কোনো প্রকার ওষুধ ব্যবহার না করে তারা প্রাকৃতিক উপায়ে পশু মোটাতাজা করছেন। এ ব্যাপারে প্রাণী সম্পদ অফিস থেকে খামারিদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, সরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়ায় খামারিরা এখন অনেক সচেতন এবং প্রাকৃতিক পদ্ধতিতেই পশু মোটাতাজা করে লাভবান হচ্ছেন।


আরও খবর



নারী ক্রিকেটারকে হেনস্তা, পাকিস্তানে কোচ বরখাস্ত

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

দলে সুযোগ পাইয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে এক নারী ক্রিকেটারকে যৌন হেনস্তা করেছেন কোচ পাকিস্তানের সাবেক পেসার ও জাতীয় পর্যায়ের কোচ নাদিম ইকবালের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে। 

তাকে বরখাস্ত করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। খবর ইএসপিএন ক্রিকইনফোর। পিসিবির এক কর্মকর্তা এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, নাদিম ইকবালের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এখনো প্রমাণিত হয়। তার অপরাধের তদন্ত করার দায়িত্ব নিয়েছে পুলিশ। দেশের আইনেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে নাদিমের বিরুদ্ধে। বিষয়টি এখন আর বোর্ডের হাতে নেই। কোনো অপরাধের তদন্ত করার এখতিয়ার পিসিবির নেই। তবে আমরা এখন দেখছি আমাদের সঙ্গে থাকা চুক্তির কোনো শর্ত নাদিম ভেঙেছেন কিনা।’

কোচ নাদিমের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনেন সেই নারী ক্রিকেটার। এক ভিডিওবার্তায় তিনি বলেছেন, ‘জাতীয় দলে সুযোগ করে দেওয়া ও বোর্ডে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে সে (নাদিম) আমার ঘনিষ্ঠ হয়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সে তার বন্ধুদের নিয়ে আমাকে যৌন নির্যাতন করে। এর ভিডিও বানিয়ে রেখে আমাকে ব্ল্যাকমেইলও করেছে।’

ক্যারিয়ারের শুরুতে ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ পারফর্ম করেন নাদিম। ওই সময় তাকে ওয়াকার ইউনিসের চেয়েও বেশি প্রতিভাবান ধরা হতো। নতুন বলে দারুণ সুইং পেতেন তিনি। ব্যাটারকে পরাস্ত করতে পারতেন। কিন্তু নিজের প্রতিভাকে আর বিকশিত করতে পারেননি এ পেসার। পাকিস্তানের জার্সি গায়ে কখনো খেলা হয়নি ৫০ বছর বয়সি এ কোচের। ঘরোয়া ক্রিকেটে ৮০টি প্রথম শ্রেণি ও ৪৯টি লিস্ট এ ম্যাচ খেলেছেন নাদিম।

২০০৪ সালে শেষ পেশাগত ক্রিকেট ম্যাচ খেলেন তিনি।নাদিম ইকবাল দক্ষিণ পাঞ্জাব অঞ্চলের কোচ ছিলেন।


আরও খবর