Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

মামলা নিতে পুলিশের অবহেলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালী:

সোনাইমুড়ীতে থানা পুলিশ মামলা নিতে সময় ক্ষেপন, সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার না করা, হুমকী-ধুমকী ও অব্যাহত হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে এক আওয়ামী লীগ নেতা ও তার পরিবারের সদস্যরা।

সোমবার বিকেলে উপজেলা সাংবাদিক কর্ণার সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে লিখিত বক্তব্যে উপজেলার আবিরপাড়া মৃত বদু মিয়ার ছেলে কামাল হোসেন বলেন, পার্শ্ববর্তী গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে মো: হৃদয় ও নাজির আহম্মেদের ছেলে মো: সোহেল তার একটি সরিষাক্ষেত কিছুদিন পূর্বে হালচাষ করে নষ্ট করে দেয়। এই বিষয়ে স্থানীয় গ্রাম্য শালিশে তাদের জরিমানা করা হয়। সেই ঘটনায় তারা জরিমানা তো দেয়নি বরং কামাল হোসেনকে অনেকবার মেরে ফেলার হুমকী দেয়। গত ১০ই র্মাচ ২০২৪ রোববার রাতে তিনি বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হুকু মিয়ার বাড়ীর পাশে হৃদয় ও সোহেল পথরোধ করে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাথাড়ী মারধর করে। এসময় তার মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে কামাল হোসেনের  পরিবার তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। 

কামাল হোসেন ১১ই মার্চ সোমবার সোনাইমুড়ী থানায় মামলা করার জন্য লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।তিনি দাবী করেন  ঘটনার তদন্ত্যের নামে সোনাইমুড়ী থানার দারোগা কাউসার, ওসি ও তার নিজের জন্য কামাল হোসেনের কাছে অনৈতিক সুবিধা দাবী করেন। পরে কামাল হোসেন নোয়াখালী পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামানের কাছে অভিযোগ করলে পুলিশ সুপার থানা পুলিশকে মামলা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়। থানা পুলিশের দায়িত্বে অবহেলার সুযোগে রবিবার (১৭ই মার্চ) সন্ধ্যা ৭.৩০ এর দিকে আবার সেই হৃদয় ও সোহেল ও আরও ৮/১০ জন সন্ত্রাসী মোটর সাইকেলে এসে কামালের বাসায় ককটেল বিস্ফোরণ করে ও বাড়ীর দরজা, জানালায় ভাংচুর করে। 

সংবাদ সম্মেলনে কামাল হোসেন আরও দাবী করেন, ঘটনার ১০ দিন অতিবাহিত হলেও সন্ত্রাসীদের পুলিশ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মদত দিচ্ছে। এসময় তিনি সন্ত্রাসীদের এই অব্যাহত হামলা, হুমকী-ধামকী, পুলিশের দায়িত্বে অবহেলা, মামলা নিতে অনৈতিক দাবীর বিরুদ্ধে ন্যায় বিচার ও পরিবারের নিরাপত্তা চান।


আরও খবর



শরণখোলায় বাঘ সংরক্ষণে গণসচেতনায় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

কামরুল ইসলাম - শরণখোলা, বাগেরহাট প্রতিনিধি::


সুন্দরবনের বাঘ সংরক্ষণে গণসচেতনতা কার্যক্রম উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে বাগেরহাটের শরণখোলার সাউথখালী ইউনিয়নের প্রদীপন সাইক্লোন সেল্টারে পূর্ব সুন্দরবন শরণখোলা রেঞ্জের বর্গী ফরেস্ট ষ্টেশনের উদ্যোগে ও বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের সহযোগিতায়  এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। 

পূর্ব সুন্দরবনের বগী স্টেশন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুস সবুরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, প্রতিবেশ এ্যাকটিভিটির আরিফ হোসেন,শরণখোলা  বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ টিমের সভাপতি নাজমুল ইসলাম, শহীদ তিতুমীর একাডেমীর শিক্ষক মোহাম্মদ জুয়েল হাওলাদার, শরণখোলা আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষক মোহাম্মদ ইমরান হোসেন,ব্রিজ স্কুলের শিক্ষক, সানজিদা আক্তার, কাজল রেখা,ফরেস্টার মুস্তাফিজুর রহমান ও রানা হাওলাদার প্রমূখ।

আলোচনা শেষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। প্রতিযোগিতায় চারটি   বিদ্যালয়ের ৫০ জন ছাত্রছাত্রী অংশ গ্রহণ করে।



আরও খবর



রাঙ্গামাটির সড়কের বাঁকে বাঁকে মুগ্ধতা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

পাহাড়ের ওপরে আঁকাবাঁকা সর্পিল গতিতে চলা এ সড়কটি এখন পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হয়েছে। প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি যুক্ত হয়েছে কাপ্তাইয়ের সঙ্গে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অসাধারণ এ উদ্যোগ এখন সবার নজর কেড়েছে। স্থানীয়দের কাছে সড়কটির নাম আসাম বস্তি-কাপ্তাই সড়ক। তবে অনেকের মত, সড়কটির নাম রাঙামাটি-কাপ্তাই লিংক রোড হলেই, নামেই পর্যটকরা বুঝে নিত যে, রাঙামাটি থেকে কাপ্তাই চলাচলের পথ।

রাঙামাটির পাহাড়ের ওপর নির্মিত সড়কটি নিয়ে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর নির্বাহী প্রকৌশলী আহমদ শফির সঙ্গে। তিনি বলেন, সড়কটি নির্মাণ নিঃসন্দেহে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একটি অসাধারণ সাফল্য। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের চ্যালেঞ্জ ছিল। সবশেষে সফলতা এসেছে। এখন সড়কটি দেখলে যে কারো মন জুড়িয়ে যাবে।

তিনি বলেন, সড়কটি নির্মাণের শুরুটা অনেক কঠিন ছিল। ২০১৭ সালে ১৩ জুন এখানে ভয়াবহ পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। সড়কটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে এটিকে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পুরোদমে কাজ শুরু করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটিকে দুই লেনে উন্নীত করা হয়। নির্মাণ করা হয় তিনটি নতুন সেতু। ২০২৩ সালে সড়কটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে সড়কটি পুরোপুরি চালু রয়েছে। সড়কটি নির্মাণের ফলে রাঙামাটির সঙ্গে কাপ্তাইয়ের দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার কমে গেছে।

রাঙামাটি শহরে ঢুকে আসাম বস্তি নামটা শুনে মনে হলো, এখানে আসামের নাম কোথা হতে এলো। তবে বুঝলাম, আসাম বস্তি নামটা এখানে বেশ জনপ্রিয়, এক নামে পরিচিত। তবে ইতিহাস কেউ জানে না। একেকজন একেক কথা বলছেন। কারো মতে এককালে এখানে বস্তি গেড়ে আসাম থেকে লোক এসে থাকতেন। তাই এর নাম আসাম বস্তি। কারো মতে, স্বাধীনতার আগে এখানে আসাম থেকে কিছু লোক এসে বসতি স্থাপন করেন বলে নাম আসাম বস্তি। তবে নাম যা হোক না কেন, রাঙামাটি-কাপ্তাই সড়ক রাঙামাটি অংশে শুরু হয়েছে আসাম বস্তি এলাকা থেকে। আর শেষ হয়েছে কাপ্তাইতে। যেহেতু শুরুটা এখান থেকে হয়েছে তাই এ প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয়েছে আসাম বস্তি-কাপ্তাই সড়ক

আসাম বস্তি-কাপ্তাই সড়কে এখন খুব বাইকারদের দাপট। নারী-পুরুষ সমানতালে মোটরসাইকেল নিয়ে ছুটছেন। তবে এ রোডে গাড়ি নিয়ে ঘুরতে গেলে পাহাড়ি পথে চলার অনভিজ্ঞ চালকের জন্য বিপদের আশঙ্কা থাকে। উঁচু-নিচু পাহাড়ি এলাকায় চলাচলে আলাদা কসরতের দরকার।

দেখলে মনে হয়, পাহাড়ের ওপর দিয়ে সরু কোনো রাস্তা। তবে রাস্তাটির যতটুকু করা হয়েছে তাতে দুটি গাড়ি অনায়াসে চলাচল করা কোনো সমস্যাই নয়। রাস্তার মাঝে মাঝে রয়েছে দাঁড়ানোর প্রশস্ত জায়গা। সড়কের এক পাশে পাহাড়ের সারি, অন্য পাশে কাপ্তাই হ্রদের জলরাশি। হ্রদ আর পাহাড়-দুদিকেই অসাধারণ সৌন্দর্য। বিশেষ করে এক পাশে উঁচু পাহাড়ের নিচে কয়েক স্তরের পাহাড়ের সারি। আর মাথার ওপরে মনে হবে কাছাকাছি রয়েছে মেঘের কারুকাজ। রাস্তা আর লেক ঘিরে এরই মধ্যে নানা পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণ চলছে। প্রায় ডজন খানেক পর্যটন কেন্দ্র ও রিসোর্ট এরই মধ্যে হয়ে গেছে। চলার পথে লেকের ধারে বেরাইন্না লেক, বাগী লেক, রাইন্যা টুগুন, বড় গাং ইত্যাদি নানা বাহারি নামের পর্যটন স্পট দেখা যাবে। এখানে রয়েছে খাবার আয়োজন থেকে সব সুবিধা।

আসাম বস্তি-কাপ্তাই সড়কে ওঠার মুখে পাহাড়ের ভেতরে নজর কাড়ে রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ভবনের। প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়া এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছাত্রছাত্রী ভয়হীনভাবে পাহাড়ের চারিদিকে ঘোরাফেরা করেন। কেউ কেউ সড়কের দৃষ্টিনন্দন স্থানে আড্ডারত। এ সড়কের পাশ ঘেঁষেই রয়েছে বৌদ্ধমন্দির। মন্দিরে রয়েছে অসাধারণ নির্মাণশৈলী। জানলাম, এ পাহাড়েই রয়েছে বুদ্ধ গুরু মহাসাধক সাধনানন্দ মহাস্থবির এর জন্মস্থান। যিনি এখানে বনভান্তে নামে পরিচিত। এখানে দেখা মিলবে দর্শনার্থীর লম্বা লাইন। আসাম বস্তি থেকে কয়েক মাইল যাওয়ার পর নজরে পড়ে লম্বা একটি সেতু। পুরো সেতুর ওপর দর্শনার্থীর ভিড়।

ঢাকা থেকে ব্যবসায়ী মুহিবুল হক সপরিবারে কাপ্তাই থেকে এ পথ দিয়ে এসেছেন রাঙামাটি। তিনি বলেন, রাঙামাটির এ সড়কে না আসলে অনেক কিছু দেখতাম না। সৃষ্টিকর্তা যে এত অসাধারণ সৌন্দর্য এখানে দিয়েছেন যে দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়। ইচ্ছে করে দিনভর দাঁড়িয়ে থেকে শুধু দেখতেই থাকি।

এখানে এসে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে দেখা মিলল রাঙামাটির মিলটন চাকমার। তিনি একটি টং দোকান দিয়ে চাসহ নানা ফল নিয়ে বসেছেন। বেশ বেচাবিক্রি হচ্ছে বলে জানালেন তিনি। তিনি বলেন, এ সড়কটি হওয়ার পর ব্যবসার গতি বেড়েছে। এখন আর একা পারি না। সঙ্গে সহযোগী লাগে।

রাঙামাটির ফল ব্যবসায়ী কবির হোসেন বলেন, এ সড়ক হওয়ার ফলে ব্যবসায়ীরা লাভবান হয়েছে। আগে পাহাড়ের ভেতরে থাকা আম, কাঁঠাল, আনারস পচে পড়ে থাকত। পাহাড় থেকে এগুলো বের করে এনে বিক্রি করা কঠিন হেয় যেত। এখন রাস্তার পাশে যে যেভাবে পারে ফল নিয়ে বসে যায়। খুচরা বিক্রি হচ্ছে এসব ফল। বাজারে আনাও সহজ হয়ে গেছে। যারা অল্প উৎপাদন করছে তারা পথিমধ্যে পর্যটকদের কাছে বিক্রি করে দিতে পারছেন। আর ব্যবসায়ীরা গাড়িতে করে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যেতে পারছেন। ফলে ব্যবসায় গতি যেমন বেড়েছে, তেমনি অনেকের অভাবও দূর হয়েছে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




পিতৃত্বকালীন ছুটি চেয়ে ৬ মাসের শিশুর হাইকোর্টে রিট

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image


সদরুল আইন:

দেশের সব প্রতিষ্ঠানে চাকরিজীবীদের পিতৃত্বকালীন ছুটির নীতিমালা তৈরি করার নির্দেশনা চেয়ে ৬ মাস বয়সি শিশু হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছে।


বুধবার (৩ জুলাই) ৬ মাসের শিশু নুবাইদ বিন সাদী ও তার মা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।


রিটে কেবিনেট সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন মন্ত্রনালয়ের সচিবসহ মোট ১১ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।


রিটে বলা হয়, নবজাতকের যত্নে কেবল মায়ের ভূমিকা মুখ্য—এই ধারণার পরিবর্তন হয়েছে। বাবার ভূমিকাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকার মত ব্যস্ত শহরে পরিবারের অন্য সদস্যদের সাহায্য নেওয়ার সুযোগ সীমিত।



 এছাড়াও সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শিশু জন্মের হার আমাদের দেশে অনেক বেশি। এই অপারেশনের পর সুস্থ হতে মায়ের সময় লাগে। এই সময় নবজাতক ও মায়ের নিবিড় পরিচর্যার প্রয়োজন হয়।



 পিতৃত্বকালীন ছুটির সুযোগ না থাকায়, যারা নতুন বাবা হন তাদের স্ত্রী ও নবজাতকের দেখাশোনা করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত, ভুটান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাসহ বিশ্বের ৭৮টিরও বেশি দেশে পিতৃত্বকালীন ছুটির বিধান রয়েছে।



এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, পিতৃত্বকালীন ছুটি নীতিমালা সংবিধানের ৭, ২৭, ২৮, ২৯, ৩১ এবং ৩২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।




আরও খবর



২১০০ সালে বিশ্বব্যাপী লোকসংখ্যা হবে ১০২০ কোটি

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

বিশ্বব্যাপী বাড়ছে জনসংখ্যা। বর্তমানে সারা বিশ্বে ৮২০ কোটি মানুষ বসবাস করলেও কয়েক দশকেই ভয়াবহভাবে পালটে যেতে পারে দৃশ্যপট। আগামী ৬০ বছরের মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার চূড়ায় পৌঁছাবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড পপুলেশন প্রসপেক্টাস-২০২৪ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৮০-এর দশকের মাঝামাঝি শীর্ষে ওঠা জনসংখ্যার পরিমাণ হবে এক হাজার ৩০ কোটি। তবে এর পরই এ সংখ্যা উলে­খযোগ্য হারে কমতে থাকবে বলেও জানিয়েছে জাতিসংঘ। শতাব্দী শেষে জনসংখ্যা কমে দাঁড়াবে এক হাজার ২০ কোটিতে। ২১০০ সাল পর্যন্ত এ স্তর বিদ্যমান থাকবে।

২০২২ সালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জাতিসংঘ জানিয়েছে, ২০৮০-এর দশক নাগাদ জনসংখ্যা বৃদ্ধি শীর্ষে পৌঁছাবে। ওই সময় বিশ্বে মানুষ হবে এক হাজার ৪০ কোটি। ২১০০ সাল পর্যন্ত একই স্তর বিদ্যমান থাকবে। প্রতিবেদনের আগের সংস্করণগুলোয় জনসংখ্যা বৃদ্ধির এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল। তবে এখন সংশোধিত তথ্য বলছে, চলতি শতকের শেষ নাগাদ এ পূর্বাভাসের তুলনায় ২০ কোটি মানুষ কম থাকবে।

নতুন প্রতিবেদন সম্পর্কে জাতিসংঘের ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল অ্যাফেয়ার্স বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল লি জুনহুয়া বলেছেন, জনসংখ্যার বিন্যাসে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটছে। আগে উচ্চ জন্মহারের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল এমন কিছু দেশে জন্মহার তার চেয়ে কম দেখা যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী নারীরা নব্বইয়ের দশকের তুলনায় এখন গড়ে এক সন্তানের কম জন্ম দিচ্ছেন বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে।

আরও বলা হয়েছে, অর্ধেকের বেশি দেশে নারীদের জীবিত সন্তান জন্মদানের হার ২ দশমিক ১ শতাংশের নিচে নেমেছে। অন্যদিকে চীন, ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া ও স্পেনসহ এক-পঞ্চমাংশ দেশে নারীপ্রতি জীবিত সন্তান জন্মর হার ১ দশমিক ৪ শতাংশ। যাকে জাতিসংঘ বলছে, অতিনিম্ন জন্মহার

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উল্লিখিত ৬৩টি দেশে বর্তমানে বিশ্বের ২৮ শতাংশ মানুষের বসবাস। এর মধ্যে রয়েছে চীন, জার্মানি ও জাপান। এ দেশগুলো এরই মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির শীর্ষ স্তর ছুঁয়েছে। ২০২০ সালের শীর্ষ স্তরের তুলনায় ২১০০ সাল নাগাদ ইউরোপের জনসংখ্যা ২১ শতাংশ কমে যাবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হচ্ছে। এটি যে কোনো মহাদেশের হিসাবে বড় ধরনের পতন। জনসংখ্যার এ পতনকে পুরোপুরি নেতিবাচকভাবেও দেখছেন না অনেকে।

তাদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সংকট কিছুটা প্রশমিত হতে পারে। জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়িয়ে কার্বন নিঃসরণ করে এমন কার্যকলাপ কমতে পারে। এছাড়া খাদ্য উৎপাদন, বাসস্থান ও কর্মসংস্থানের জন্য বন উজাড়ের মতো ঘটনাও কমবে।

বিশ্বব্যাংকের মতে, বর্তমানে বছরে প্রতিটি মানুষ গড়ে ৪ দশমিক ৩ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণে অবদান রাখে। কিন্তু কার্বন নিঃসরণে অনেক বেশি অবদান রাখলেও পশ্চিমা দেশগুলোকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয় না।

জুনহুয়া বলেছেন, বৈশ্বিক জনসংখ্যার শীর্ষ স্তর পূর্বাভাসের আগে অতিক্রম করা একটি আশাব্যঞ্জক বিষয়। এ কারণে জনসংখ্যা কমে যাওয়ায় পরিবেশের ওপর চাপ কমতে পারে।

তবে এটিও মনে রাখতে হবে, কর্মক্ষম জনসংখ্যার পতন ও বয়স্কদের সংখ্যা বাড়লে তা পাবলিক ফাইন্যান্সের মতো নতুন চাপ তৈরি করবে। এ বিষয়ে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সের অধ্যাপক চার্লস গুডহার্ট বলেছেন, সমস্যা হলো কম কর্মী মানে কম প্রবৃদ্ধি ও কম কর। এছাড়া বয়স্কদের জন্য আরও যত্ন, ওষুধ ও সেবামূলক সহায়তা দিতে হবে।

তিনি বলেন, যদি ওষুধ ও চিকিৎসাবিজ্ঞান বয়স্কদের রোগের মোকাবিলা করতে না পারে তাহলে সমাজে অনেক বেশি বৃদ্ধ থাকবেন যাদের দেখাশোনা করার জন্য খুব কম যুবক থাকবে।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় এখনই পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। দ্রুত বয়স্ক জনসংখ্যা বাড়ছে এমন দেশগুলোকে উৎপাদনশীলতা ও কর্মজীবন প্রসারিত করতে প্রযুক্তি ব্যবহারের পরামর্শও দিয়েছে সংস্থাটি।


আরও খবর



সেনাপ্রধান হলেন ওয়াকার-উজ-জামান

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।



 নতুন দায়িত্ব নেওয়ায় তিনি সদ্য বিদায়ী সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হলেন।


 আগামী তিন বছরের জন্য তিনি সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করবেন।



গত ১১ জুন আইএসপিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আগামী ২৩ জুন অপরাহ্ন থেকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান চিফ অব জেনারেল স্টাফকে (সিজিএস) জেনারেল পদবিতে পদোন্নতি দিয়ে ওই তারিখ অপরাহ্ন থেকে তিন বছরের জন্য সেনাবাহিনী প্রধান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।



আজ রোববার (২৩ জুন) বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে গণভবনে নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান ও বিমানবাহিনী ভাইস মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন নবনিযুক্ত সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে ব্যাজ পরিয়ে দেন।



 পরে সেনাপ্রধান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪