Logo
শিরোনাম

৯ মে থেকে হজের প্রথম ফ্লাইট শুরু

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

চলতি মৌসুমে হজযাত্রীদের নিয়ে প্রথম হজ ফ্লাইট সৌদি আরবের উদ্দেশে রওয়ানা দেবে ৯ মে। হজযাত্রীদের নিয়ে ওইদিন প্রথম ফ্লাইট সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা দেবে। তবে হজের প্রথম ফ্লাইটের তারিখ ঘোষণা করা হলেও চূড়ান্ত হয়নি ফ্লাইট শিডিউল।

৯ মে হজ ফ্লাইট শুরু হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা হজ অফিসের পরিচালক মুহম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, এখনো শিডিউল ঘোষণা হয়নি। দ্রুত এই শিডিউল যাত্রীদের জানানো হবে।

ধর্ম মন্ত্রণালয় বলছে, গত বছর এক লাখ ১৯ হাজার ৬৯৫ জন হজযাত্রীকে বহন করার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, সৌদি এরাবিয়ান এয়ারলাইন্স (সৌদিয়া) ও সৌদির বেসরকারি এয়ারলাইন্স ফ্লাইনাস মোট ৩৩৫ হজ ফ্লাইট শিডিউল ঘোষণা করে। চুক্তি অনুযায়ী, মোট হজযাত্রীর অর্ধেক বহন করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং বাকি অর্ধেক বহন করে সৌদিয়া ও ফ্লাইনাস এয়ার। এবারও এই তিন এয়ারলাইনস হজযাত্রীদের বহন করবে।

জানা গেছে, চলতি বছর সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করতে যাবেন ৮৩ হাজার ২০২ জন। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন ৪ হাজার ৩০৭ জন, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন ৭৮ হাজার ৮৯৫ জন।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৬ জুন পালিত হতে পারে পবিত্র ঈদুল আজহা। প্রতিবছর ঈদের একমাস আগে থেকেই শুরু হয় হজ ফ্লাইট। তার আগে হজযাত্রীদের ভিসা, ফ্লাইট শিডিউল সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও এয়ারলাইন্সগুলো। অথচ এবার এখনো শুরু হয়নি ভিসা কার্যক্রম। চূড়ান্ত হজযাত্রীদের তালিকা না পাওয়ায় ঘোষণা হয়নি ফ্লাইট শিডিউলও।


আরও খবর



র‍্যাবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করছে না যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

সদরুল আইনঃ

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করছে না যুক্তরাষ্ট্র। 


বৃহস্পতিবার (১৬ মে) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সহকারী প্রেসসচিব বেদান্ত প্যাটেল এ তথ্য জানিয়েছেন।


ব্রিফিং চলাকালে একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু ঢাকা সফরের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একজন উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেছেন, হোয়াইট হাউজ ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বিচার বহির্ভূত হত্যার দায়ে র‍্যাবের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে আগ্রহী। 


হোয়াইট হাউজ ও পররাষ্ট্র দফতর এ নিয়ে কাজ করছে বলে তিনি জানিয়েছেন।


এ সময় প্যাটেল বলেন, এ দাবিগুলো অসত্য। র‍্যাবের ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করছে না। এসব দাবি অসত্য। নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য আচরণ পরিবর্তন এবং জবাবদিহিতা প্রচার।



আরও খবর



আইএমও সেক্রেটারি জেনারেল দেখা করলেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


ঢাকায় এসেছেন আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) সেক্রেটারি জেনারেল আর্সেনিও ডমিঙ্গুয়েজ। চারদিনের সফরে ঢাকায় এসে বৃহস্পতিবার (৩০ মে) তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।



এর আগে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় আইএমও সেক্রেটারি জেনারেলের ঢাকায় আসার তথ্য জানায় লন্ড‌নের বাংলা‌দেশ হাইক‌মিশন। ঢাকা বিমানবন্দ‌রে আর্সেনিওকে স্বাগত জানান লন্ডনে নিযুক্ত হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ডিজি কমডোর মোহাম্মদ মাকসুদ আলম।



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আইএমও সেক্রেটারি জেনারেলের সাক্ষাৎ। ছবি: ফোকাস বাংলা

জানা গেছে, আইএমও সেক্রেটারি জেনারেল শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন এবং নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।



তিনি বাংলাদেশের সামুদ্রিক ও বন্দর অবকাঠামোর পাশাপাশি জাহাজ পুনর্ব্যবহারযোগ্য শিল্প পরিদর্শন করবেন। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করবেন।


আরও খবর



কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের খুলনা-মোংলা রেলপথ চালু হচ্ছে আজ

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন:

বহুল কাঙ্ক্ষিত খুলনা-মোংলা রেলপথ চালু হচ্ছে আজ।


দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতি আরো সুগম করতে উদ্বোধনের সাত মাস পর খুলনা-মোংলা রেলপথ চালু হচ্ছে আজ শনিবার।


 বহুল কাঙ্ক্ষিত ৯১ কিলোমিটার রেলপথে সকাল ১১টায় যাত্রীবাহী ‘বেতনা এক্সপ্রেস’ ট্রেন খুলনার ফুলতলা হয়ে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবে। এই ট্রেন চলাচলের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠার ৭৩ বছর পর রেল যোগাযোগে যুক্ত হবে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা।


 ২০২৩ সালের ১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভার্চুয়ালি এই রেলপথ উদ্বোধন করেন।


এর আগে ৩০ অক্টোবর ফুলতলা থেকে মোংলা পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চালানো হয়। স্থায়ী জনবল নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করে যাত্রী নিয়ে ট্রেন চালু করা হচ্ছে। 


এ বিষয়ে খুলনা থেকে মোংলা বন্দর রেললাইন প্রকল্পের প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ হোসেন মাসুমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ‘এ রেলপথে ‘বেতনা এক্সপ্রেস’ ট্রেন দিয়ে যাত্রা শুরু হচ্ছে। 


১ জুন সকাল ১১টা থেকে সোয়া ১১টার মধ্যে ‘বেতনা এক্সপ্রেস’ ফুলতলা দিয়ে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা করবে। এর মধ্য দিয়ে এ রেলপথে ট্রেন চলাচল উন্মুক্ত হবে।’


জানা গেছে, খুলনা থেকে যশোর হয়ে বেনাপোল পর্যন্ত চলাচল করে ‘বেতনা এক্সপ্রেস’ নামে একটি লোকাল ট্রেন। সেই ট্রেনটি বেনাপোল থেকে ফেরার পথে খুলনার ফুলতলা জংশন থেকে মোংলার দিকে যাত্রা করবে। তখন ফুলতলা থেকে মোংলা পর্যন্ত ট্রেনটি ‘মোংলা কমিউটার’ নাম ধারণ করে চলবে। 


নতুন এই রেলপথে ‘মোংলা কমিউটার’ নামে একটি ট্রেনই আপাতত চলাচল করবে। ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধ থাকবে মঙ্গলবার।


এদিকে খুলনা থেকে ভোর সোয়া ৬টায় ছেড়ে বেনাপোলে পৌঁছাবে সকাল সাড়ে ৮টায়। এরপর বেনাপোল থেকে ছেড়ে ফুলতলা হয়ে মোংলা পৌঁছাবে বেলা ১২টা ৩৫ মিনিটে।


 ফুলতলা থেকে যাওয়ার পথে ‘মোংলা কমিউটার’ মোহাম্মদনগর, কাটাখালী, চুলকাঠি বাজার রেল স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেবে। মোংলা থেকে বেলা ১টায় ট্রেনটি ছেড়ে বেনাপোল পৌঁছাবে সাড়ে ৪টায়।


খুলনা-মোংলা রেলপথ প্রকল্পটি নেওয়া হয় ২০১০ সালে। একই সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের অনুমোদনের পর ২০১৬ সালে এই প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। এরই মধ্যে খুলনা থেকে মোংলা পর্যন্ত ৯১ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। 


এছাড়া রূপসা নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে ৫.১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলসেতু। শেষ হয়েছে ১০৭টি ছোট ব্রিজ ও ৯টি আন্ডারপাস নির্মাণ। নির্মিত হয়েছে ১১টি স্টেশন। এই রেলপথের আট স্টেশন হলো— ফুলতলা, আড়ংঘাটা, মোহাম্মদনগর, দিগরাজ, কাটাখালী, চুলকাঠি, বাঘা ও মোংলা।


এ ব্যাপারে রেলপথমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এটা আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন মোংলা বন্দরকে রাজধানীর সঙ্গে যুক্ত করা। নানা জটিলতায় নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ ও উদ্বোধন করা না গেলেও এবার এই পথটি আমরা ১ জুন থেকে যাত্রী চলাচলের জন্য ওপেন করে দেব।


রেলওয়ের মহাপরিচালক সরদার সাহাদাত আলী জানান, নতুন এই রুটে ‘মোংলা কমিউটার’ নামে একটি ট্রেন চলাচল করবে। খুলনা থেকে যশোর হয়ে বেনাপোল পর্যন্ত চলাচল করে বেতনা এক্সপ্রেস নামে একটি লোকাল ট্রেন। 


সেই ট্রেনটি ফেরার পথে খুলনার ফুলতলা জংশন থেকে মোংলার দিকে যাত্রা করবে, তখন ফুলতলা থেকে মোংলা পর্যন্ত ট্রেনটি ‘মোংলা কমিউটার’ নাম ধারণ করে চলবে।


তিনি আরো জানান, ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন মঙ্গলবার। খুলনা থেকে ভোর সোয়া ৬টায় ছেড়ে বেনাপোলে পৌঁছাবে সকাল সাড়ে ৮টায়। বেনাপোল থেকে ছেড়ে মোংলা পৌঁছাবে বেলা ১২টা ৩৫ মিনিটে। ফুলতলা থেকে যাওয়ার পথে মোংলা কমিউটার মোহাম্মদনগর, কাটাখালী, চুলকাঠি বাজার রেল স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেবে।


 মোংলা থেকে বেলা ১টায় ছেড়ে বেনাপোল পৌঁছাবে সাড়ে ৪টায়। ভারত সরকারের ঋণসহায়তা চুক্তির আওতায় খুলনা-মোংলা রেল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান এল অ্যান্ড টি এবং ইরকন ইন্টারন্যাশনাল।


উল্লেখ্য, দেশের বৃহত্তম দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর মোংলা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫০ সালের ১ ডিসেম্বর। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত মোংলা খুলনা শহর থেকে ৪৮ কিলোমিটার দক্ষিণে পশুর নদ ও মোংলা নদীর সংযোগস্থলে বন্দরের অবস্থান। 


সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই পথে ট্রেন চলাচল শুরু হলে এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরা মোংলা বন্দর দিয়ে দ্রুত কম খরচে মালামাল নিতে পারবেন। গতিশীল হবে মোংলার সঙ্গে যাতায়াত সুবিধা।




আরও খবর



বাংলাদেশকে ২৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

বাংলাদেশকে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। দেশের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে ২৫ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দিচ্ছে সংস্থাটি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ ২ হাজার ৯৩৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১১৭.৪২ টাকা ধরে)।

সোমবার (১০ জুন) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানা যায়। সোমবার রাজধানীর অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও এডিবির পক্ষে যথাক্রমে ইআরডির সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিনটিং এ ঋণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিরক্ষা এবং প্রতিরোধমূলক ক্ষমতা জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে উভয়পক্ষ। সেকেন্ড স্ট্রেংথেনিং সোশ্যাল রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রাম শীর্ষক প্রোগ্রামের মাধ্যমে এডিবির এই অর্থ দেশের মানুষের দক্ষতা বৃদ্ধি, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের আর্থিক উন্নয়ন এবং বৈচিত্রপূর্ণ সুরক্ষা চাহিদা নিশ্চিতের লক্ষ্যে কাজ করা হবে। দেশের দারিদ্রতা কমাতে সাহায্য করবে এই নতুন প্রোগ্রামটি।

এ ব্যাপারে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিনটিং বলেন, সেকেন্ড স্ট্রেংথেনিং সোশ্যাল রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রাম কর্মসূচির লক্ষ্য হলো সুরক্ষা এবং দক্ষতা বৃদ্ধি, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি উন্নত করা এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ সুরক্ষা চাহিদার প্রতিক্রিয়া জোরদার করার ক্ষেত্রে সংস্কারমূলক কাজের গতি বাড়ানো। এ কর্মসূচির প্রথম ধাপ ২০২২ সালের জুনে শেষ হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ ছাড়া এই প্রোগ্রামের সাহায্যে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের জন্য সহায়তা দেওয়া হবে। তা ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সামাজিক সুরক্ষায় এ অর্থ কাজে লাগানো হবে বলে জানা যায়। এ ছাড়া বিধবা ভাতা কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হবে এডিবির এই নতুন প্রোগ্রামের মাধ্যমে। পাশাপাশি ট্রান্সজেন্ডারদের জন্য জীবিকা সহায়তা কর্মসূচির প্রসার ঘটিয়ে দুর্বল নারী ও ট্রান্সজেন্ডারদের সুরক্ষা নিশ্চিতে কাজ করা হবে বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

কর্মসূচির আরেকটি লক্ষ্য হলো তৈরি পোশাক খাতকে আরও শক্তিশালী করে তোলা। দেশের শ্রম ও কর্মসংস্থানে আরও উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের পোশাক খাতের কর্মীদের পাশাপাশি অন্যান্য কর্মীদের কাজের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা যায়। এ ছাড়া দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও নীতি বিশ্লেষণে সহায়তা করে সরকারি সংস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অনুদান দিচ্ছে এডিবি।


আরও খবর



আটকে গেল ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image



মাজহারুল ইসলাম মাসুম/সদরুল আইনঃ


ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ইতালিয়ান-থাই কোম্পানির শেয়ার চীনের সিনোহাইড্রো করপোরেশন লিমিটেডের কাছে হস্তান্তরের ওপর দুই সপ্তাহের স্থিতাবস্থা জারি করেছেন আপিল বিভাগ। 


এর ফলে এক্সপ্রেসওয়ের কাজ আপাতত বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।


বৃহস্পতিবার (১৬ মে) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ৮ সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। এ সময় আপিল বিভাগ বলেন, আর কয়দিন কাজ বন্ধ থাকলে সমস্যা নেই।


আদালতে ইতালিয়ান-থাই কোম্পানির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন, শেখ মোহাম্মদ মোরসেদ, ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ ফারুক, ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ মইনুল। 


চায়না কোম্পানির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মেহেদী হাছান চৌধুরী, ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান।


আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মেহেদী হাছান চৌধুরী বলেন, ইতালিয়ান-থাই কোম্পানির শেয়ার চীনের সিনোহাইড্রো করপোরেশন লিমিটেডের কাছে হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে হাইকোর্টের আদেশের ওপর আপিল বিভাগ দুই সপ্তাহের স্থিতাবস্থা দিয়েছেন।


এ সময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চায়না ব্যাংক অব এক্সিম জানিয়ে দিয়েছে শেয়ার হস্তান্তর না হওয়া পর্যন্ত তারা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের কাজে টাকা দেবে না। এর ফলে আপাতত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকবে।


গত ১২ মে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ইতালিয়ান-থাই কোম্পানির শেয়ার চীনের সিনোহাইড্রো করপোরেশন লিমিটেডের কাছে হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞার আদেশ তুলে নেন হাইকোর্ট। 


এর ফলে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে থাইল্যান্ডের ইতালিয়ান-থাই কোম্পানির শেয়ার চীনের সিনোহাইড্রো করপোরেশন লিমিটেডের কাছে হস্তান্তর করতে বাধা কেটে যায়।


বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধরীর হাইকোর্টের একক কোম্পানি বেঞ্চ এ আদেশ দেন। সেদিন ব্যারিস্টার মেহেদী হাছান চৌধুরী বলেন, আদেশে আদালত বলেছেন, দেনা-পাওনা নিয়ে থাই ও চায়না কোম্পানির বিরোধ সিঙ্গাপুরের আরবিট্রেশন আদালত নিষ্পত্তি করবেন।


পরে এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে ইতালিয়ান থাই কোম্পানি।


এর আগে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ইতালিয়ান-থাই কোম্পানির শেয়ার চীনের সিনোহাইড্রো করপোরেশন লিমিটেডের কাছে হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। ইতালিয়ান-থাই কোম্পানির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দিয়েছিলেন আদালত।


এদিকে হঠাৎ করেই শ্রমিকশূন্য ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে মগবাজার অংশ। নেই কোনো নির্মাণ যজ্ঞ। পড়ে আছে এক্সপ্রেস ওয়ের কাঠামো। কথা ছিল চলতি বছরই শেষ হবে অগ্রাধিকারমূলক উন্নয়ন প্রকল্প ঢাকা এক্সপ্রেসওয়ে। 


এই সময় কাজ চলার কথা দ্রুত গতিতে। জানা যায় তিন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দ্বন্দ্বে এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। থাইল্যান্ড ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইতালিয়ান-থাই কিস্তির টাকা দিতে না পারায় তাদের শেয়ার দাবি করে চীনা প্রতিষ্ঠান।



 এই নিয়ে সিঙ্গাপুরে আরবিট্রেশন চলা অবস্থায় সরকারের অগ্রাধিকারে থাকা গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্প নিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্বন্দ্ব গড়ায় আদালত পর্যন্ত। সেই সঙ্গে ঋণ সহায়তা বন্ধ করে দেয় দুটি চীনা ব্যাংক।


থাইল্যান্ড ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইতালিয়ান-থাই, চীনের শ্যানডং ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক অ্যান্ড টেকনিক্যাল কো-অপারেশন গ্রুপ এবং সিনোহাইড্রো করপোরেশন লিমিটেড মিলে করছিলো এক্সপ্রেসওয়ের কাজ। এই কাজে তিন প্রতিষ্ঠান শেয়ার যথাক্রমে ৫১, ৩৪ ও ১৫ শতাংশ। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ হলো এক্সপ্রেসওয়ের নির্বাহী প্রতিষ্ঠান।


প্রকল্পের চুক্তি অনুযায়ী নির্মাণ ব্যয়ের ৭৩ শতাংশের জোগান দেবে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। আর ২৭ শতাংশ দেবে বাংলাদেশ সরকার।


আরও খবর