Logo
শিরোনাম

নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে না ডিম-আলু-পেঁয়াজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

ডিম, তেল, আলু ও পেঁয়াজের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। কিন্তু বাজারে এর কোনো প্রভাব নেই। আলু, পেঁয়াজ ও ডিমের দাম কমিয়ে নির্ধারণ করা দামে শুক্রবার সকালে কম দামে কেনার আশায় বাজারে গেছেন, তাদের অনেকেই হতাশ হয়ে ফিরেছেন। সব বিক্রি হচ্ছে আগের বাড়তি দামেই।

সরকার খুচরা পর্যায়ে প্রতি পিস ডিম ১২ টাকা, পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, আলু ৩৫ টাকা এবং সয়াবিন তেল লিটার প্রতি ৫ টাকা কমে বিক্রি হবে ১৬৯ টাকায় নির্ধারণ করে দিয়েছে।

ব্যবসায়ীদের কারসাজি রুখতে ১৪ সেপ্টেম্বর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে মূল্য নির্ধারণ করার পরও এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমছে না। এতে করে ভোগান্তি কমছে না সাধারণ জনগণের।

১৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সরকার নির্ধারিত মূল্যে কোনো একটি পণ্যও বিক্রি হচ্ছে না। আগের দামেই ভোক্তা পর্যায়ে এসব পণ্য বিক্রি হচ্ছে।

কালে রামপুরা, মালিবাগ এবং শান্তিনগর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি হালি ডিম আগের মতো ৫০-৫২ টাকা অর্থাৎ প্রতিটি সাড়ে ১২ থেকে ১৩ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি সাদা আলু ৫০ টাকা এবং লাল আলু ৫৫ টাকায় রয়ে গেছে। কমেনি পেঁয়াজের দামও। ভারতের আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৬৫ থেকে ৭০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে পণ্য বিক্রি করছেন না কেন-এমন প্রশ্নের জবাবে বিক্রেতাদের অজুহাতের শেষ নেই। কয়েকজন বিক্রেতা আবার বলছেন তারা নাকি বেঁধে দেওয়া দামের বিষয়টি জানেন-ই না। তবে অধিকাংশরা বলছেন বেঁধে দেওয়া দাম কার্যকর হতে কিছুটা সময় লাগবে।


আরও খবর

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ল

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




আজ জাতীয় চা দিবস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি টু ডে রিপোর্ট:


সারা দেশে ‘জাতীয় চা দিবস’ পালিত হচ্ছে আজ।


 মঙ্গলবার (৪ জুন)। দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘জাতীয় চা দিবস’ এর মূল অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে। 


দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘স্মার্ট বাংলাদেশের সংকল্প, রপ্তানিমুখী চা শিল্প’।



বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বাংলাদেশ চা বোর্ডের উদ্যোগে চতুর্থবারের মতো ‘জাতীয় চা দিবস’ উদযাপন করা হচ্ছে। আজ দ্বিতীয়বারের মতো ‘জাতীয় চা পুরস্কার’ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।


 ‘জাতীয় চা দিবস’ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।



আজ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সম্মেলন কক্ষে ‘জাতীয় চা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম বলেন, ‘চা শিল্পের উন্নয়নে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগের ধারাবাহিকতা ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় চা শিল্প টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। 


২০২৩ সালে ইউরোপ, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের ১৩টি দেশে প্রায় ১ দশমিক শূন্য ৪ মিলিয়ন কেজি চা রপ্তানি করা হয়েছে, যা গত বছরের প্রায় ৩৩ শতাংশ বেশি। আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী চা তৈরিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’


চা শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আট ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন চা কোম্পানি ও ব্যক্তিকে আজ ‘জাতীয় চা পুরস্কার ২০২৪’ দেওয়া হবে।


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ তৈরি হচ্ছে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। বৃহস্পতিবারের (২২ মে) মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং এ সংক্রান্ত এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। যা ঘনীভূত হয়ে ধাপে ধাপে ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিতে পারে।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলছেন, বর্তমান প্রেডিকশন অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ বাংলাদেশ, মিয়ানমার বা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উড়িশ্যা অঞ্চলের দিকেই। তবে এর গতিপথ ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তন হচ্ছে। প্রতিনিয়ত গতিপথ পরিবর্তন করছে; রাতে একটা গতিপথ থাকছে আবার সকালে আরেকটা। তাই লঘুচাপ থেকে নিম্নচাপে পরিণত না হওয়া পর্যন্ত এমনই থাকবে। নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না। তবে নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে তখন গতিপথ স্থির হবে। সে সময় স্পষ্টভাবে বলা যাবে, এটা কোন এলাকায় বা স্থানে আঘাত হানতে পারে।

তিনি বলেন, ২২ মে লঘুচাপ তৈরি হয়ে; ২৩ বা ২৪ মের মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। ২৪ মে রাতে বা ২৫ মে সকালের দিকে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

আবহাওয়ার বিভিন্ন মডেল বিশ্লেষণ করে আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক পিএইডি গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ‌ বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমাল ২৬ মে সকাল ৬টার পর থেকে রাত ১২টার মধ্যে বরিশাল বিভাগের বরগুনা জেলা থেকে শুরু করে; চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার মধ্যবর্তী উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে স্থল ভাগে আঘাত করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড় বৃত্তের অগ্রবর্তী অংশ উপকূলীয় এলাকায় প্রবেশ করা শুরু করতে পারে সকাল ৬টার পর থেকে। ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্র উপকূল অতিক্রম করার সম্ভব্য সময় ২৬ মে দুপুর ১২টার পর থেকে বিকেল ৬টার মধ্যে। ঘূর্ণিঝড় বৃত্তের পেছন দিকের অর্ধেক অংশ পুরোপুরি স্থল ভাগে প্রবেশ করতে রাত ১২টা পর্যন্ত লেগে যেতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়টি যদি জোয়ারের সময় উপকূলে আঘাত হানা শুরু করে তবে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় এলাকাগুলো স্বাভাবিকের চেয়ে ৫ থেকে ১০ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে। খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় জেলাগুলোর উপকূলে আঘাতের সময় ঘূর্ণিঝড়টির বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার; যা দমকা হাওয়াসহ ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টিপাত শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে ২৪ মে থেকে; যা ২৮ মে পর্যন্ত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের ওপর মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে ২৫, ২৬ ও ২৭ মে। অপেক্ষাকৃত হালকা পরিমাণে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে; মে মাসের ২৪ ও ২৮ তারিখে। মে মাসের ২৩ তারিখ থেকেই সমুদ্র উত্তাল শুরু হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ।

ভারতের আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের অবস্থান করছে ঘূর্ণাবর্ত। যা পূর্ব বাংলাদেশ ও সংলগ্ন এলাকার সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১ দশমিক ৫ থেকে ৫ দশমিক ৮ কিলোমিটার ওপরে রয়েছে। এর বিস্তৃতি ভারতের হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ থেকে বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ হয়ে পূর্ব বাংলাদেশ পর্যন্ত। এছাড়া রেমালের প্রভাবে দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ বলয় তৈরি হতে পারে, যা পরে শুক্রবার নাগাদ নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।

ভারতের আবহাওয়া অফিস বলছে ওই নিম্নচাপ বলয় উত্তর পূর্বে সরে এসে নিম্নচাপ তৈরি করতে পারে। এছাড়াও এটিই পরে শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার মতো অনুকূল পরিস্থিতি সাগরে ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস ও বিবিসি


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




দেবের সঙ্গে বিয়ে ও সন্তান প্রসঙ্গে মুখ খুললেন রুক্মিণী

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image



বিডি টু ডে বিনোদন ডেস্ক:


টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা জিৎ-এর হাত ধরে ‘বুমেরাং’ হয়ে সামনে আসছেন অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র। সিনেমাটিতে রোবট হয়ে ধরা দেবেন ‘নিশা’ রুক্মিণী। 


সিনেমা মুক্তির আগে ‘বুমেরাং’-এর নিয়ে বিভিন্ন কথা বলছেন রুক্মিণী মৈত্র। একইসঙ্গে কথা বলেছেন নিজের বিয়ে নিয়েও। 



এদিকে কিছুদিন আগেই গুগল সার্চ করে দেব অনুরাগীরা চমকে যান। তাঁরা দেখেন, সেখানে লেখা দেব নাকি বিবাহিত! ২০২১-এর ৬ মে নাকি তিনি রুক্মিণীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এমনকি সেখানে লেখা ছিল, তাঁদের নাকি একটি সন্তানও রয়েছে। এবার বিয়ে নিয়ে নিজেই মুখ খুলেছেন রুক্মিণী।



বিয়ের খবরে অবাক রুক্মিণী সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনকে বলেন, ‘ওহ গড! এটা যে কোথা থেকে আসছে! গুগলেও পৌঁছে গেল। শুধু তাই নয়। সেখানে একটা বাচ্চার কথাও রয়েছে। যার কথা বলা হয়েছে, সেই আমাইরা আমার ভাইঝি। যেহেতু আমাইরার সঙ্গে আমার এত ছবি রয়েছে। ওরা ওকে আমার বাচ্চা বানিয়ে দিয়েছে।’


তবে বাস্তবে অনুষ্ঠান করে রুক্মিণী বিয়েটা কবে করবেন? এ বিষয়েও মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী। রুক্মিণীর কথায়, ‘মিডিয়া যেদিন অনুমান করা বন্ধ করবে, আমি সেদিন বিয়েটা করে নেব। আমার মাও কিন্তু বিয়ের কথা জিজ্ঞাসা করেন না। তাহলে আপনারা কেন জিজ্ঞাসা করছো! 


যেদিন মনে হবে, আমি বিয়ের জন্য তৈরি, সেদিন বিয়েটা করে নেব। আমি বিয়েতে বিশ্বাসী, আর বিয়ে লুকিয়ে রাখতেও চাই না। এখন এত ব্যস্ততা রয়েছে, তাই বিয়ের প্ল্যান করা সম্ভব নয়। 


তবে আমার মনে হয় প্রতিশ্রুতি জরুরি। আজকাল দেখি বহু বিয়েই টিকে আছে, তবে সেই সম্পর্কে কোনো প্রতিশ্রুতি নেই। তাই আমাদের প্রতিশ্রুতিটাই আগে থাকুক। বাকিটা ক্রমশ প্রকাশ্য।’


রুক্মিণীর কথায়, অভিনেত্রী হওয়াটাই তাঁর জীবনের সব থেকে বড় বুমেরাং। ভেবেছিলাম কোনো দিনই অভিনেত্রী হবো না, তবে সেটাই ঘটেছে।


এদিকে সম্প্রতি লোকসভা নির্বাচনে আরও একবার ঘাটাল থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন দেব। ভোটের আগে জোর কদমে প্রচার চালিয়েছেন অভিনেতা। তবে দেবের কোনো প্রচারেই রুক্মিণীকে দেখা যায়নি। এ প্রসঙ্গে রুক্মিণী বলেন, ‘এটা এক্কেবারেই ওর আলাদা কর্মক্ষেত্র। ওর একার জার্নি। ওই বিষয়টা ও একাই খুব পরিণত হাতে সামলাচ্ছে। 


প্রচারে ওর সঙ্গে না থাকলেও আমি ওর পাশে সবসময় আছি।’



আরও খবর

ঢাকায় আসছেন নচিকেতা

শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪




দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:


জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। ছবি : বিটিভির সৌজন্যে

‘সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার’ নিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় বাজেট পেশ শেষ হয়েছে।


 আজ বৃহস্পতিবার (৬ জুন) বিকাল ৩টা পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট পেশ শুরু হয়। 


এবারের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে সাত লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। এটি দেশের ৫৩তম এবং আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২৫তম বাজেট।



জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে এই বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। 


এর আগে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের আগে দুপুর ২টার দিকে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তা অনুমোদন করা হয়। ওই প্রস্তাবে সই করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। 


পরে সংসদে পাস হয়ে ১ জুলাই থেকে নতুন অর্থবছর শুরু হবে।জানা যায়, বিশাল অংকের এ বাজেটের ঘাটতি ধরা হচ্ছে দুই লাখ ৫১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। আর অনুদান ছাড়া ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির চার দশমিক ছয় শতাংশ। 


বাজেটের আয়-ব্যয়ের বিশাল ঘাটতি পূরণে প্রধান ভরসাস্থল হিসেবে ব্যাংক খাত বেছে নিয়েছে সরকার।



ঘাটতি পূরণে এক লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ নেবে বলে লক্ষ্য ঠিক করেছে সরকার। এই অংক চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে পাঁচ হাজার ১০৫ কোটি টাকার বেশি। চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে এক লাখ ৩২ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছিল সরকার। 


তবে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রায় এটি বাড়িয়ে এক লাখ ৫৫ হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা ঠিক করা হয়েছে।



আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে বেনজীর সর্বশক্তি নিয়োগ করেছেন

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



ডিজিটাল ডেস্ক:


আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে বেনজীর সর্বশক্তি নিয়োগ করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


 আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের গতকাল মঙ্গলবারের এক বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি। 


গতকাল এক অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, আমরা পরিষ্কার বলে দিয়েছি, বেনজীর আমাদের দলের লোক নয়। সিনিয়রিটি মেধা নিয়ে সে আইজিপি হয়েছে। আজিজও আমাদের দলের লোক নয়।


 সেনা প্রধান হয়েছে তার যোগ্যতায়, তার সিনিয়রিটি নিয়ে। আমরা তাদের বানাইনি। এখন ভেতরে তারা যদি কোনো অপকর্ম করে, এটা যখন সরকারের কাছে বিষয়টি আসে, তখন এদের বিচার করার সৎ সাহস শেখ হাসিনা সরকারের আছে।



এর পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আওয়ামী লীগে ওনার নাম ছিল কি না জানি না; আওয়ামী লীগকে ডিফেন্ড করার জন্য, ক্ষমতায় রাখার জন্য তিনি সর্বশক্তি নিয়োগ করেছেন।  নির্বাচনের সময় তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন যে, সেই সরকারকে ভোট দেবেন যারা উন্নয়ন করছে, উন্নয়ন করতে যাচ্ছে। 


আমরা উন্নয়নের পক্ষে আছি। তার এই কথাগুলো বলার কথা না কিন্তু কথাগুলো বলেছে। যত রকম করে পারে বিরোধী দলকে নির্যাতন-নিপীড়ন করেছে। বেআইনিভাবে হত্যা করেছে, জুডিশিয়াল কাস্টডিতে হত্যা করেছে, গুম-খুন করেছে এবং মিথ্যা মামলা—এই গায়েবি মামলা সেই সময় তৈরি সব।


বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে মাঠে নামতে দেওয়া হচ্ছে না উল্লেখ করে ফখরুল আরও বলেন, আমাদের লাখ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা; ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।


 ২৮ অক্টোরের পরে দুই-তিন দিনের মধ্যে ২৭ হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যখনই আমরা আন্দোলন করি, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাস্তায় নামি, তখনই তারা একেবারে হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে। পুলিশ-র‌্যাব আক্রমণ করে।



তিনি বলেন, বেনজীর সাহেব ছিলেন পুলিশ বাহিনী, র‌্যাবের প্রধান। সব পত্রিকায় যখন তার অপকীর্তি, চুরি-দুর্নীতি বেরিয়ে আসছে, তখন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাহেব বলছেন, সে কি আওয়ামী লীগ করে?


বিএনপির এ শীর্ষ নেতা বলেন, আরেকজন সাবেক সেনা প্রধান আজিজ। তাকে তারা (আওয়ামী লীগ) অনেককে ডিঙ্গিয়ে, তার দুই ভাই চিহ্নিত সন্ত্রাসী জেনেও সেনা বাহিনীর চিফ করেছিল। তাদের যে কাজ, তারা সেটা করে দিয়েছিল—নির্বাচন পার করে দিয়েছিল।


সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক বক্তব্য উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী কয়দিন আগে বলেছেন সাদা চামড়ার লোকরা নাকি তাকে বলেছে যে, কোনো একটা দেশের এয়ারবেজ করতে দেওয়ার জন্য। সেখানে তাদের জঙ্গি বিমান নামবে। আর বাংলাদেশের একটি অংশ চট্টগ্রাম ও মিয়ানমারকে নিয়ে নতুন একটি খ্রিষ্টান রাষ্ট্র তৈরি করার তারা চেষ্টা করছে।


বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উচিত হবে এই মুহূর্তে জনগণের কাছে এর প্রকৃত ব্যাখ্যা তুলে ধরা। কারা এটা চাইছে? কেন চাইছে? আর আপনারা কেন এতদিন পর প্রকাশ করছেন? এটা আমরা জানতে চাই। কারণ আমাদের বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন।


নতুন শিক্ষা কারিকুলামের মাধ্যমে ধর্মহীন রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করা হচ্ছে এমন অভিযোগ তুলে ফখরুল বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্য বইয়ে এমন এমন কারিকুলাম আনছে যা আমার কালচারের বিরুদ্ধে, আমার কৃষ্টির বিরুদ্ধে, আমার ধর্মের বিরুদ্ধে।


আরও খবর