Logo
শিরোনাম
মেঘনা নদীতে গোসল করার সময় নিখোঁজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার রাজবাড়ীতে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে মোটর সাইকেল আরোহীর মৃত্যু রাজবাড়ীতে আবৃত্তি ও কথামালায় প্রকাশনা উৎসব নওগাঁয় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্কুল ছাত্র নিহত-মা ও ছোট বোন আহত মোরেলগঞ্জে শ্রমীকদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন এমপি মিলন লালমনিরহাটে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মারাগেছে স্কুলছাত্র নওগাঁয় বোরো ধান চাষের শুরুতেই বিদ্যুতের লোড শেডিং, দুঃশ্চিন্তায় কৃষকরা নওগাঁয় ৩৫ কোটি টাকা মূল্যের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে পুলিশ কুড়িগ্রামের শীতকাতর অসহায় মানুষের পাশে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেত্রকোনায় বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন
নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায়ী স্বপন কুমার হত্যা মামলায়

পিন্টু দেবনাথকে মৃত্যুদন্ডের রায় ও রত্না রাণী চক্রবর্তীকে যাবজ্জীবন সাজা

প্রকাশিত:Tuesday ২৯ November ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ


নারায়ণগঞ্জ নগরের আলোচিত ব্যবসায়ী স্বপন কুমার সাহা ওরফে সাইদুল ইসলাম স্বপন হত্যা মামলায় স্বর্ণলংকার ব্যবসায়ী পিন্টু দেবনাথকে মৃত্যুদন্ডের রায় ও রত্না রাণী চক্রবর্তীকে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছে আদালত। দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক উম্মে সারাবান তহুরা এ রায় দেন। রায়ে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামীকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে আর অপর আসামী আব্দুল্লাহ আল মামুন মোল্লাকে খালাস দেয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামী আদালতে উপস্থিত ছিল।


অতিরিক্ত পিপি মাকসুদা আহম্মেদ জানান, নিহত স্বপন কুমার সাহা ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে সাইদুল ইসলাম স্বপন নাম ধারণ করে মুসলিম নারী বিয়ে করেন। স্বপন ও পিন্টু তারা দুইজন বন্ধু ছিলেন। ২০১৬ থেকে থেকে নিখোঁজ থাকে স্বপন।২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে তাকে হত্যা পর মরদেহ সাত টুকরো করে শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দেয় আসামিরা। ২০১৮ সালের ১৬ জুলাই তিনজনকে অভিযুক্ত করে নিহতের বড় ভাই অজিত কুমার সাহা হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশি তদন্ত ও ষোল জন সাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ প্রমানের ভিত্তিতে আদালত আজ পিন্টু দেবনাথকে মৃত্যুদন্ড ও রত্না রাণীকে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছে। মামলার অপর আাসামী  আব্দুল্লাহ আল মামুনকে খালাসের আদেশ দেন।

নারায়ণগঞ্জ নগরের স্বর্ণপট্টি এলাকায় জুয়েলারী ব্যবসায়ী প্রবীর হত্যা মামলা তদন্ত করতে গিয়ে বেরিয়ে আসে স্বপন হত্যা মামলার রহস্য। ঘাতক পিন্টু দেবনাথ কে এর আগে প্রবীর হত্যা মামলায়ও মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছে। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত রত্না রাণী চক্রবর্তী ঘাতক পিন্টু দেবনাথের পরকীয়া প্রেমিকা ছিলেন।


আরও খবর



বকশীগঞ্জে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতিকে সংবর্ধনা

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

জামালপুর প্রতিনিধি  :

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ব্যারিস্টার সামীর সাত্তারকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে বকশীগঞ্জ শিল্প ও বণিক সমিতির উদ্যোগে তাকে এই সংবর্ধনা দেয়া হয়। বকশীগঞ্জ উপজেলা গ্রন্থাগারে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মানিক সওদাগর। 

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক মন্ত্রী এম এ সাত্তার,পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শাহীনা বেগম,সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন বাবুল তালুকদার,সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দিন,সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বিজয়,ব্যাংক ব্যবস্থাপক এসোসিয়নের সভাপতি আনোয়ার হোসেন ফুয়াদ, বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি এম শাহীন আল আমীন,ব্যবসায়ী জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স ও  মনিরুজ্জামান মনির প্রমূখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শিল্প ও বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল হামিদ। 

উল্লেখ্য,ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ব্যারিস্টার সামীর সাত্তার বকশীগঞ্জ জাতীয় পার্টির সাবেক মন্ত্রী এম এ সাত্তারের ছেলে। জামালপুর-১ আসনে আওয়ামীলীগের মনোননয়ন প্রত্যাশী তিনি।


আরও খবর



বান্দবানের রেংয়েন ম্রো পাড়ায় অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে রাঙ্গামাটিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:Saturday ০৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

উচিংছা রাখাইন, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি :



বান্দবানের লামা উপজেলায় রেংয়েন ম্রো কারবারী পাড়ায় অগ্নিসংযোগ ও হামলার

প্রতিবাদে আজ শুক্রবার রাঙ্গামাটিতে হিল উইমেন্স ফেডারেশনের উদ্যোগে

মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে সামনে ব্যানার ও ফেষ্টুন সম্বলিত দাবী দাওয়া নিয়ে

ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধন চলাকালে সমাবেশে

হিল উইমেন্স ফেডারেশনের কেন্দ্রী কমিটির সদস্য সোনারিতা চাকমার

সভাপতিত্বে অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্যে দেন পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয়

সভাপতি নিপন ত্রিপুরা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের কেন্দ্রী কমিটির  সাধারন

সম্পাদক  শান্তি দেবী তংচংগ্যা, পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব সমিতির

রাঙ্গামাটি শাখার সাধারন সম্পাদক সুমিত্র চাকমা প্রমুখ। মানববন্ধনে হিল

উইমেন্স ফেডারেশন ও পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের নেতাকর্মীরা ছাড়াও বিভিন্ন

কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

সমাবেশে বক্তারা অগ্নিসংযোগ ও হামলার তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন,

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি পূর্নাঙ্গ বাস্তবায়ন ও  পার্বত্য ভূমি কমিশন

কার্যকন না হওয়ার কারণে বারংবার লামা উপজেলায় সরই ইউনিয়নে রেংয়েন ম্রো

কারবারী পাড়ায় অগ্নিসংযোগ ও হামলার ঘটনা ঘটছে। প্রশাসন  কোন আইনী

ব্যবস্থা না নিয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছে। বক্তারা এ ঘটনায় লামা রাবার

ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেডে কর্তৃক এ অগ্নিসংযোগ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে অভিযোগ

করে অবিলম্বে রাবার কোম্পানীর ইজারা বাতিল, ক্ষতিগ্রস্থদের যথাযথ

ক্ষতিপূরণ ও হামলাকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবী জানান।


আরও খবর



গজারিয়ায় স্কুল ও হাসপাতালের পাশে ইটভাটা !

প্রকাশিত:Wednesday ০৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল :

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে চলছে অনুমোদনহীন ইটভাটা। ইটভাটা তৈরিতে নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন, নেই জেলা প্রশাসনের অনুমোদন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকার পরেও থেমে থাকেনি তাদের কার্যক্রম। কোন প্রকার অনুমোদন ছাড়াই গজারিয়াতে নামে বেনামের ইটভাটার মালিকরা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন ।ভাটায় দেখা গেছে,কয়লার পাশাপাশি কাঠ মজুদ করে রাখা হয়েছে আর নতুন ইট তৈরির কাজ দেদারছে চালিয়ে যাচ্ছেন মালিক পক্ষ। ইটভাটার ধোঁয়ায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছে  শিশুরা । প্রশাসনকে জানিয়েও কোন প্রতিকার পাচ্ছে না শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী । না দেখার ভান করছে পরিবেশ অধিদপ্তর ।  

গজারিয়া উপজেলা ভাটেরচর ইউনিয়নের ভাটেরচর গ্রামে কৃষি জমিতে গড়ে উঠেছে এন, এন, এম ব্রিক্- ফিল্ড নামের একটি ইটভাটা । এর একশ' গজের ভেতর ভাটেরচর দেওয়ান আব্দুল  মান্নান উচ্চবিদ্যালয় ।গজারিয়া জেনারেল হাসপাতাল । ভাটায় ইট পোড়ানোর কালো ধোঁয়া আর উড়ে আসা ধুলাবালি বিদ্যালয় ভবনে প্রবেশ করে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করছে। দিন দিন শিক্ষার্থীরা এতে মারাত্মক ঝুঁকি এবং অসুস্থ হয়ে পড়ে। 

ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) ২০১৯ অনুযায়ী, বিশেষ কোনো স্থাপনা, রেলপথ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও ক্লিনিক, গবেষণা প্রতিষ্ঠান কিংবা অনুরূপ কোনো স্থান বা প্রতিষ্ঠান থেকে কমপক্ষে এক কিলোমিটার দূরে ইটভাটা স্থাপন করতে হবে।  তবে সেই আইনের কোনো তোয়াক্কা করা হচ্ছে না।

ইটভাটার ১০০ ফুটের মধ্যে বসবাস করা এক নারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ইট পোড়ানোর ধোঁয়ায় আমরা শ্বাসকষ্টে ভুগছি। আমাদের বাড়িতে কোনো গাছে ফল ধরে না। আমরা এখন ভাতের সঙ্গে ধুলা খাই। ইটের ধুলায় আমাদের বাড়ি নষ্ট হচ্ছে। আমরা ভাত খাই না ইটের লাল  ধুলা খাই।  

সরকারি বিধানের আলোকে যদি এই ইটভাটার কোনো লাইসেন্স এবং পরিবেশ ছাড়পত্র থাকে, তা হলেও ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।

অনুমোদন ছাড়াই ইটভাটা তৈরির কথা স্বীকার করেন এন, এন, এম ব্রিক্- ফিল্ড স্বত্বাধিকারী স্বীকার করে বলেন,জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে অনুমোদন পেতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়া ইটভাটায় আগুন লাগানোর বিষয়ে তিনি জানান,এখানে অনেক ইটভাটা আছে তাদের প্রশাসনের কোন অনুমোদন নেই। তবে  কি ভাবে অনুমোদন ছাড়া বিশ বছর যাবৎ ইট তৈরি করছেন এমন প্রশ্নের জবাব তিনি এড়িয়ে যান । 

স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব ইটভাটা বন্ধ করতে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন। পরিবেশ অধিদপ্তর বলতে গজারিয়া বা মুন্সীগঞ্জে কিছু আছে কিনা জানা নেই ।

ইটভাটার ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্ট, হাপানি, এলার্জিসহ নানা রকম রোগ হতে পারে বলে জানান হাসপাতালের চিকিৎসকরা।


আরও খবর



এমপি মৃনাল কান্তি দাসের মাতার শ্রাদ্ধে সর্বস্তরের মানুষের ঢল

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য, মুন্সীগঞ্জের মাটি ও মানুষের নেতা এড. মৃণাল কান্তি দাসের মাতা গীতা রানী দাসের শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানে সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে।

গত শনিবার মুন্সীগঞ্জ আইনজীবী সমিতির প্রাঙ্গণে আয়োজিত শ্রাদ্ধের অনুষ্ঠানে অংশ নেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান,  বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়া, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামিম ওসমান, বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ,  ও মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাহী বি চৌধুরী, গাজীপুরের সাবেক মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম, মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চন্দনশীল, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাঈনুল হোসেন খান নিখিল, বাংলাদেশ আওয়ামী সেচ্ছা সেবকলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী মেজবাহ্উল আলম সাচ্চু ও সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল, পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান আল মামুন, পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান, মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ লুৎফর রহমান, গজারিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রেফায়েত উল্লাহ খান তোঁতা, বাসস ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, মুন্সীগঞ্জ পৌর মেয়র হাজী মোঃ ফয়সাল বিপ্লব, মিরকাদিম পৌর মেয়র হাজ্বী আব্দুস সালাম, মুন্সীগঞ্জ জেলার বর্তমান ও সাবেক সকল জনপ্রতিনিধিসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ।


আরও খবর



অস্তিত্ব সংকটে কক্সবাজারের বাঁকখালী নদী

প্রকাশিত:Wednesday ২৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :কক্সবাজারের প্রধান নদী বাঁকখালী দখল ও দূষণে পড়েছে রীতিমতো অস্তিত্ব সংকটে। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে মৃতপ্রায় এ নদী উদ্ধারে এগিয়ে এসেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। নদীর ৫০০ একর ভূমি উদ্ধারে ১৫৭ জন প্রভাবশালী দখলদারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে এই সংস্থা। ইতোমধ্যে কিছু দখলদারকে নোটিশও দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ এর উপসহকারী পরিচালক জানান, পর্যায়ক্রমে বাঁকখালী নদীর সব দখলদারের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বাঁকখালী দখলদারদের তালিকা তৈরি করে তাদের উচ্ছেদ এবং দূষণের উৎস চিহ্নিত করে তা বন্ধের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে নদীর তীরে চিংড়ি চাষ, তামাক বা ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্যে ইজারা প্রদান থেকে বিরত থাকতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকসহ ১০ সরকারি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন আদালত।

কিন্তু আদালতের নির্দেশনার ছয় বছর পরও জেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর কিংবা কক্সবাজার পৌরসভা কার্যকর কোনো পদক্ষেপই নেয়নি। দখলবাজ চক্র নদী তীরে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলার পাশাপাশি বাঁকখালী নদীর জমি দেখিয়ে কোটি কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ গ্রহণের নজিরও রয়েছে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন থেকে নদী দখলদারদের যে তালিকা করা হয়েছে তাতে প্রভাবশালী অনেকের নাম বাদ পড়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে ওই তালিকার বাইরে থাকা দখলদারদের বিরুদ্ধেও দুদক তদন্ত করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

নদী তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শহরের উত্তর নুনিয়াছড়া থেকে মাঝেরঘাট পর্যন্ত নদীর প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় ভরাট ও দখল তৎপরতা বেশি। কস্তুরাঘাটের বিআইডব্লিউআইটি টার্মিনাল সংলগ্ন নদীর ভরাট জমিতে গড়ে উঠেছে নানা স্থাপনা। তৈরি হয়েছে চিংড়িঘের, লবণ উৎপাদনের মাঠ, প্লট বিক্রির হাউজিং কোম্পানি, নৌযান মেরামতের ডকইয়ার্ড, ময়দা ও বরফ কল, শুঁটকি মহালসহ অসংখ্য ঘরবাড়ি।

শহরের চারটি পয়েন্টে ময়লা-আবর্জনা ফেলে নদীর তলদেশ ভরাট করছে খোদ পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। ভরাট নদীতে ময়লা-আবর্জনা ও পলিথিনের কারণে কেওড়া ও বাইন গাছের প্যারাবন মরে যাচ্ছে। ধ্বংস হচ্ছে জীববৈচিত্র্য।

আদালতের নির্দেশের পর প্রশাসন কতিপয় দখলদারের একটি তালিকা তৈরি করে নোটিশ জারি করেছিল। এরপর কয়েক দফা লোকদেখানো উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধ হয়নি। উচ্ছেদ হয়নি অবৈধ দখলদারও। প্রায় ৮০ কিলোমিটারের এই নদীর বাংলাবাজার থেকে নুনিয়াছড়া পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার অংশে দখলের ঘটনা বাড়ছে। এসব এলাকায় দখলদারের সংখ্যা অন্তত এক হাজার।

জানতে চাইলে এ বিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে বাঁকখালী নদীর অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। খুব শিগগিরই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।


আরও খবর