Logo
শিরোনাম
নওগাঁয় চোরাই অটোভ্যান উদ্ধার সহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ জন আটক দ্বিতীয় বার আইজিপি পদক পেলেন রাঙ্গাবালী থানার ওসি হেলাল উদ্দিন অপহরণের ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই কিশোরী উদ্ধার সহ অভিযুক্ত যুবক আটক বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত
নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায়ী স্বপন কুমার হত্যা মামলায়

পিন্টু দেবনাথকে মৃত্যুদন্ডের রায় ও রত্না রাণী চক্রবর্তীকে যাবজ্জীবন সাজা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪ |

Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ


নারায়ণগঞ্জ নগরের আলোচিত ব্যবসায়ী স্বপন কুমার সাহা ওরফে সাইদুল ইসলাম স্বপন হত্যা মামলায় স্বর্ণলংকার ব্যবসায়ী পিন্টু দেবনাথকে মৃত্যুদন্ডের রায় ও রত্না রাণী চক্রবর্তীকে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছে আদালত। দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক উম্মে সারাবান তহুরা এ রায় দেন। রায়ে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামীকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে আর অপর আসামী আব্দুল্লাহ আল মামুন মোল্লাকে খালাস দেয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামী আদালতে উপস্থিত ছিল।


অতিরিক্ত পিপি মাকসুদা আহম্মেদ জানান, নিহত স্বপন কুমার সাহা ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে সাইদুল ইসলাম স্বপন নাম ধারণ করে মুসলিম নারী বিয়ে করেন। স্বপন ও পিন্টু তারা দুইজন বন্ধু ছিলেন। ২০১৬ থেকে থেকে নিখোঁজ থাকে স্বপন।২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে তাকে হত্যা পর মরদেহ সাত টুকরো করে শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দেয় আসামিরা। ২০১৮ সালের ১৬ জুলাই তিনজনকে অভিযুক্ত করে নিহতের বড় ভাই অজিত কুমার সাহা হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশি তদন্ত ও ষোল জন সাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ প্রমানের ভিত্তিতে আদালত আজ পিন্টু দেবনাথকে মৃত্যুদন্ড ও রত্না রাণীকে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছে। মামলার অপর আাসামী  আব্দুল্লাহ আল মামুনকে খালাসের আদেশ দেন।

নারায়ণগঞ্জ নগরের স্বর্ণপট্টি এলাকায় জুয়েলারী ব্যবসায়ী প্রবীর হত্যা মামলা তদন্ত করতে গিয়ে বেরিয়ে আসে স্বপন হত্যা মামলার রহস্য। ঘাতক পিন্টু দেবনাথ কে এর আগে প্রবীর হত্যা মামলায়ও মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছে। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত রত্না রাণী চক্রবর্তী ঘাতক পিন্টু দেবনাথের পরকীয়া প্রেমিকা ছিলেন।


আরও খবর



রাণীনগরে পানি সেচ না দেয়ায় আলু ক্ষেত নষ্টের অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 |

Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :

নওগাঁর রাণীনগরে চলতি মৌসুমে জমিতে পানি সেচ না দিয়ে আলু ক্ষেত নষ্টের অভিযোগ ওঠেছে গভীর নলকূপ অপারেটর মোজাম্মেল মোল্লার বিরুদ্ধে। এঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষক উপজেলা সেচ কমিটি এবং বিএমডিএ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থার মাধ্যমে সু-বিচার দাবি করেছেন কৃষক এনামুল হক।

উপজেলার কালীগ্রাম ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে কৃষক এনামুল হক অভিযোগ করে বলেন,চলতি মৌসুমে গ্রামের পশ্চিম মাঠে বিএমডিএর গভীর নলকূপের আওতায় প্রায় সাড়ে ১৬শতক জমিতে আলু রোপন করেছেন। জমিতে আলু রোপনের পর থেকে একই মাঠে সকল কৃষকের জমিতে পানি সেচ দিলেও আমার জমিতে এক ফোটা পানিও সেচ দেয়নি গভীর নলকূপের অপারেটর একই গ্রামের মোজাম্মেল মোল্লা। এতে পানির অভাবে ক্ষেতের ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি আরো জানান,জমিতে পানি সেচ না দেয়ায় স্থানীয় মেম্বার ও গন্যমান্য লোকজন নিয়ে বসেছিলাম। সেখানে পানি সেচের জন্য ১৫শত টাকা মিটমাট হলেও পরে আর পানি দেয়নি। ফলে ক্ষেতের ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি জানান,পারিবারিক দ্ব›েদ্বর জ্বের ধরে জমিতে পানি সেচ দেয়নি। বাধ্য হয়ে সু-বিচার পেতে রোববার বিকেলে উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বিএমডিএ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

স্থানীয় মেম্বার হেলাল উদ্দীন বলেন,আমরা বিষয়টি নিয়ে বসে সমাধান করেছিলাম। কিন্তু উভয় পক্ষের জিদের কারনে পরে আবারো তা ভেস্তে গেছে।

এব্যাপারে গভীর নলকূপের অপারেটর মোজাম্মেল হকের সাথে যোগাযোগ করতে তাকে না পাওয়ায় মোজাম্মেলের ছেলে আব্দুল মমিন মোল্লা বলেন,ধানের জমিতে পানি সেচ দিয়ে গত দুই বছরেও এনামুল কোন টাকা দেয়নি। তার জমিতে পানি সেচ ও জমিতে চাষ বাবদ ৩হাজার  ৩০০টাকা পাওনা রয়েছি আমরা। টাকা চাইলে নানানভাবে টালবাহনা করে। ফলে আমরা জমিতে পানি সেচ দিইনি।

রাণীনগর উপজেলা বিএমডিএর সহকারী প্রকৌশলী ইমানুর রহমান বলেন,এব্যপারে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে তাবাসসুম বলেন,লিখিত অভিযোগের বিষয়টি দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরও খবর



রাণীনগরে অবৈধ পুকুর খনন করায় দুই ট্রাক চালককে এক মাসের কারাদন্ড

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 |

Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :

নওগাঁর রাণীনগরে অবৈধভাবে পুকুর খনন করে ইটভাটায় মাটি সরবরাহের দায়ে ভ্রাম্যমান আদালতে দুই ট্রাক চালককে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করা হয়েছে। এছাড়া মাটি ব্যবসায়ী ও ট্রাক চালকসহ আরো ৫জনকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এসময় একটি ট্রাকটর ও একটি ড্রাম ট্রাক জব্দ করে থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে ও শনিবার বিকেল পর্যন্ত ভ্রাম্যমান আদালতের এই অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে তাবাসসুম।

রাণীনগর উপজেলা সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো: রায়হান আলী জানান,অনুমতি ছাড়াই অবৈধভাবে পুকুর খনন করে সেই মাটি বিভিন্ন ইট ভাটায় সরবরাহ করা হচ্ছে। ট্রাক্টরে এবং ড্রাম ট্রাকে মাটি সরবরাহে ট্রাক্টর থেকে পাকা সড়কে মাটি পরে রাস্তা নষ্টসহ চলাচলে পথচারীদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত ৯টা থেকে রাত প্রায় ১টা পর্যন্ত উপজেলার বেদগাড়ী এলাকার ১নং স্লুইচ গেট এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে তাবাসসুম। এসময় পুকুর থেকে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক ও একটি ট্রাক্টর জব্দসহ দুই চালককে হাতে-নাতে ধরে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইনে এবং অবৈধভাবে পুকুর খনন করে মাটি পরিবহনের দায়ে চালক মুসা (২৮) ও মুন্না (২০) কে একমাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করা হয়েছে। এসময় একটি ট্রাক্টর ও একটি ড্রাম ট্রাক জব্দ করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এছাড়া শনিবার বিকেলে উপজেলার বাহাদুরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাটি ব্যবসায়ী আলমগীরকে ২৫হাজার,ইদুল আলী সরদারকে ২০হাজার এবং ট্রাক চালক আশিদুল,আশরাফুল ও রনিকে ৫হাজার টাকা করে ১৫হাজারসহ মোট ৬০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযান চলাকালে অনেক ট্রাক্টর চালক ট্রাক ফেলে রেখে পালিয়ে গেছেন। এঅভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।


আরও খবর



দলে দলে ঢুকছে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 |

Image

মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের জেরে এখন পর্যন্ত দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ২২৯ জন সদস্য পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাদের নিরস্ত্রীকরণ করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়েছে। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত আশ্রয় নেওয়া বিজিপির সদস্য সংখ্যা ছিল ১১৩। পরে আরও ৭ জনকে রিসিভ করলে সে সংখ্যা হয় ১১৫। এরপর একসঙ্গে আরও ১১৪ জন প্রবেশ করেন।

আগে যারা প্রবেশ করেছেন তারা সবাই এখনো বাংলাদেশেই রয়েছেন। এর মধ্যে কয়েকজন হাসপাতালে চিকিৎসাও নিচ্ছেন। তাদের নিজ দেশে ফেরাতে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

গত কয়েক দিন ধরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সামরিক জান্তা বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহী গ্রুপের তুমুল লড়াই চলছে। তাদের ছোড়া গুলির সিসা ও রকেট লঞ্চার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম-তুমব্রু সীমান্তে উড়ে এসে পড়ছে। এতে ঘুমধুম-তুমব্রু এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠায় দিন পার করছেন। ইতোমধ্যে হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বাংলাদেশে ঢুকে পড়া মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) সদস্যদের ফিরিয়ে নিতে সে দেশের সরকার যোগাযোগ করেছে।

হাছান মাহমুদ বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ আছে। আজ সকালে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আমাদের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তারা তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। তাদের বর্ডার গার্ডের সদস্যদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। এখন তাদের উড়োজাহাজ, নাকি নৌকায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে, সেটা নিয়ে আমরা আলোচনার মধ্যে আছি।

মন্ত্রী জানান, এর আগে ভারতেও অনেকে (বিজিপি সদস্য) ঢুকে পড়েছিলেন। ভারত থেকে তাদের উড়োজাহাজে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

মিয়ানমার থেকে এখনো অনেকে আসছেন উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। আমরাও যোগাযোগ করেছি। এখনো আরও আসছে, আসার সম্ভাবনা আছে। কয়েকজন আহত হয়েছে। তাদের কক্সবাজার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জাতীয় সংসদে বলেন, সীমান্তে উত্তেজনার পরিস্থিতি সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণে রেখেছে৷ মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি দেখছে।


আরও খবর



বায়ুদূষণে আজ শীর্ষে ঢাকা

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪ |

Image

বায়ুদূষণের তালিকায় আবারও শীর্ষ অবস্থানে উঠে এসেছে রাজধানী ঢাকা। দূষণের তালিকায় ঢাকার স্কোর হচ্ছে ২৭৪ অর্থাৎ ঢাকার বায়ু খুবই অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ৩১ মিনিটে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

বায়ুদূষণের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীনের শেনইয়াং। শহরটির স্কোর হচ্ছে ১৯৩ অর্থাৎ সেখানকার বায়ু অস্বাস্থ্যকর।

দূষণ তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে কিরগিজস্তানের বিশকেক। এই শহরটির স্কোর ১৭৬ অর্থাৎ সেখানকার বায়ুর মানও অস্বাস্থ্যকর।

চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা এবং পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে চীনের আরেক শহর উহান।

স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর।

১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

রাজধানী ঢাকার বায়ুর মান দুর্যোগপূর্ণ ছিল চলতি বছরের জানুয়ারিতে, যা গত সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।


আরও খবর

ফুটপাতের চাঁদার টাকা খায় কারা ?

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




আরেক দফায় বাড়বে বিদ্যুতের দাম!

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

এবার বাড়বে বিদ্যুতের দাম আগামী জুন মাসের মধ্যে ভর্তুকি গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে নামিয়ে আনতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর চিন্তা করছে জ্বালানি বিভাগ ঈদের পর বিদ্যুতের দাম থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি খরচ বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ  উৎপাদন খরচ বেড়েছে তাই আপ্রাণ চেষ্টা করেও সরকার ভর্তুকি থেকে বেড়িয়ে আসতে পারছে না এই অবস্থায় বিদ্যুতের দাম না বাড়িয়ে উপায় নেই দাম কিছুটা বাড়ালে ভর্তুকিও কিছুটা কমবে তবে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেবা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ না বাড়িয়ে সরকার বিদ্যুতের দাম বাড়ালে জনগণের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে না সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরো কঠিন হবে।  


বিদ্যুৎ জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, করোনা পরিস্থিতি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানির দাম আকাশচুম্বি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। ২০০৯ সালে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা হাজার ৯৪২ মেগাওয়াট ছিলো। পরবর্তী ১৫ বছরে বিদ্যুতের উৎপাদন সক্ষমতা বেড়ে ২৯ হাজার ১৭৪ মেগাওয়াট হয়েছে। দেশীয় জ্বালানির পর্যাপ্ত যোগান না থাকায় বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়াতে জ্বালানির আমদানি বাড়াতে হয়েছে। এসব কারণে সরকারকে আগে যে পরিমাণ ভর্তুকি দিতে হতো, এখন তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। ২০২৩ সালে দফায় বিদ্যুতের দাম ১৫ শতাংশ বাড়ানোর পরও ভর্তুকি কমছে না। প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারকে প্রায় সাড়ে টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ জ্বালানি খাতে সরকারের অব্যাহতভাবে ভর্তুকি দেয়ার বিষয়টি নিয়ে আর্থিক দাতা সংস্থাগুলোও প্রশ্ন তুলেছে। দাতা সংস্থা আইএমএফের পরামর্শ হচ্ছে ভর্তুকি থেকে বেরিয়ে  আসতে হবে। এই শর্তেই তারা সরকারকে ঋণ দিয়েছে।

আগামীতে বিদ্যুৎ জ্বালানি খাতের ভর্তুকি  থেকে বেড়িয়ে আসতে না পারলে ঋণের অর্থ ছাড় বন্ধ করে দিতে পারে বলেও আভাস দিয়েছে সংস্থাটি। এসব কারণে সরকার ভর্তুকি থেকে বেড়িয়ে আসতে বিদ্যুতের দাম বাড়াতে জোর তৎপরতা শুরু করেছে। পিডিবির পর্যালোচনায় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় খুচরা দাম টাকা ২৫ পয়সা। এছাড়া পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিটের দাম টাকা ৭০ পয়সা। পাইকারিতে ভর্তুকি পুরোপুরি তুলে দিতে হলে পাইকারি দাম ১২ টাকা ১১ পয়সা নির্ধারণ করতে হবে। পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়লে খুচরা গ্রাহক পর্যায়েও দাম বেড়ে ১৪ টাকা ৬৮ পয়সা হবে। পিডিবি চার ধাপে বিদ্যুতের দাম বাড়াতে পর্যালোচনা প্রতিবেদনে সুপারিশ করেছে। ধাপে ধাপে বিদ্যুতের ভর্তুকি কিভাবে এবং কত কমিয়ে শূন্যের কোটায় নামা যায় ওই পর্যালোচনায় তাও তুলে ধরা হয়েছে


মন্ত্রণালয়ের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর বিষয়ে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সবকিছু এখন আলোচনায় রয়েছে। তবে দাম বাড়ানোর ব্যাপারে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। দাম বাড়ানোর প্রস্তাব সংবলিত পিডিবির পর্যালোচনা পত্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হয়েছে। এটা নিয়ে এখন পর্যালোচনা চলছে। তবে আগামী ১২ মার্চ থেকে রমজান শুরু হবে। রমজানের আগে বিদ্যুতের দাম

বাড়ানো হবে না। তবে ঈদের পরপরই বিদ্যুতের দাম বাড়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। এবার দাম বাড়িয়ে ভর্তুকি পুরোপুরি তুলে নেয়া হবে না। শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। এতে জনগণের ওপর তেমন চাপ পড়বে না। সব কিছুই সহনীয় পর্যায়ে থাকবে


পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেইন জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছে। এখন সরবরাহ ঠিক রাখতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। উৎপাদন বাড়ানোর ফলে বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে ভর্তুকির পরিমাণও বেড়েছে। হাজার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। বিদ্যুৎ খাতের ভর্তুকি কমাতে পারলে ওই টাকা দিয়ে আরো উন্নয়নমূলক কাজ করা যাবে। এতো বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিয়ে একটি সেক্টর চলতে পারে না। কারণেই বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর চিন্তা-ভাবনা চলছে


পিডিবি সূত্রে জানা গেছে, গত অর্থবছরে পিডিবি ৮৮ হাজার ৪৫০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনেছে। এতে ৯৬ হাজার ৮৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয় হয়। এই বিদ্যুৎ ৬টি বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে ৫০ হাজার ৮৫৮ কোটি ২৫ লাখ টাকায় বিক্রি করেছে। পিডিবির লোকসান হয়েছে ৪৭ হাজার ৭৮৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ লোকসান ৫২ দশমিক শতাংশ বেড়েছে। গত অর্থবছরে সরকার বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি দিয়েছে ৩৯ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকা। বাকি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে পিডিবি। এভাবে আর ভর্তুকি দেয়া সম্ভব না


বিদ্যুতের দাম বাড়াতে সরকারের চিন্তা-ভাবনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক বদরূল ইমাম বলেন, বিদ্যুতে ভর্তুকি কমানোর কথা বলে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে বলে শুনছি। এর ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরো বাড়বে। জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাবে। এমনিতেই বাজারের বেহাল দশা। মানুষ আর্থিক সংকটে আছে। এখন আবারো বিদ্যুতের দাম বাড়ানো সঠিক সিদ্ধান্ত হবে বলে আমি মনে করি না। জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম না বাড়িয়ে এই খাতের অব্যবস্থাপনা, ভুলনীতি, অপচয় রোধ করতে পারলে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ কমে আসবে। তখন ভর্তুকি এমনিতেও কমবে। এইসব বিষয়গুলো সংস্কারে সরকারের উদ্যোগ নেয়া উচিত


আরও খবর