Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

রোজায় স্কুল বন্ধে হাইকোর্টের আদেশ চেম্বারেও বহাল

প্রকাশিত:সোমবার ১১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত। পাশাপাশি মঙ্গলবার (১২ মার্চ) আপিল বিভাগে নিয়মিত শুনানির জন্য পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (১১ মার্চ) রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে। পরে শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম।

চেম্বার আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মঙ্গলবার স্কুল বন্ধ থাকবে। আর পুরো রমজান স্কুল বন্ধ থাকবে কি না সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে আপিল বিভাগ।

এর আগে রোববার (১০ মার্চ) পুরো রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত এক রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

তবে এদিনই ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মো. সাইফুজ্জামান সংবাদ মাধ্যমকে জানান, অ্যাটর্নি জেনারেল নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করার জন্য।

তার আগে ২৫ ফেব্রুয়ারি রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল।

রিটকারীর পক্ষের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ কে এম ফয়েজ গণমাধ্যমকে জানান, রমজানে প্রাথমিক স্কুল ১০ দিন এবং হাইস্কুল ১৫ দিন খোলা রেখে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন দুইমাসের জন্য স্থগিত করার পাশাপাশি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

রিটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, শিক্ষা সচিব, উপসচিব প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, উপসচিব শিক্ষা সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি), শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের পরিচালককে বিবাদী করা হয়।

রিটে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনাও চাওয়া হয়।


আরও খবর



পুলিশের ভূমিকা রহস্যজনক

নওগাঁয় গৃহবধূ আত্নহত্যার প্ররোচনা মামলা, ২৫ দিনেও নেই কোন অগ্রগতি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁর সাপাহারে স্বামী ও শশুর শাশুড়ির অমানুষিক নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে নিগার সুলতানা (৩৩)  নামের এক গৃহবধূ কিটনাশক পানে আত্মহত্যার ঘটনায় আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করার পর পুলিশের নিরব ভূমিকায় নিহতের পরিবার শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। নিহত গৃহবধু নিগার সুলতানার পিতা সাপাহার উপজেলার রসুলপুর গ্রামের মজিবুর রহমান চৌধুরীর দায়েরকৃত এজাহার সুত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৭ বছর পূর্বে সাপাহার উপজেলার হোসেনডাঙ্গা গ্রামের আঃ সালাম এর ছেলে আসামী গোলাম মোস্তফার সহিত তার মেয়ে মোছাঃ নিগার সুলতানা (৩৩) এর ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিয়ে হয়। 

জামাই গোলাম মোস্তফা, তার পিতা আঃ সালাম ও মা রাহেলা বেগম তার মেয়েকে বিভিন্ন সময়ে শরীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করে আসছিলো। স্বামী ও তার পরিবারের সকল যন্ত্রনা সহ্য করে নিগার সুলতানা স্বামীর ঘর সংসার করে আসছিলেন এরিমাঝে তাদের ঘর আলো করে মা বাবার কোলে ২টি পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহন করেন। দু’টি সন্তানের কথা চিন্তা কষ্ট স্বিাকার করে সে তার স্বামীর ঘর করে আসছিলো।  


ঘটনার দিন ৯ জুন সামান্য বিষয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকটি হলে স্বামী, শশুর, শাশুড়ী সকলে মিলে গৃহবধুকে শারিরীক নির্যাতনের এক পর্যায়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং তাকে আত্নহত্যার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। এর পর গৃহবধু নিগার সুলতানা তাদের নির্যাতন সইতে না পেরে সকলের অজান্তেই কীটনাশক পান করে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। তার স্বামী গোলাম মোস্তফা অসুস্থ্য অবস্থায় তার স্ত্রী নিগার সুলতানাকে নিয়ে সাপহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসকগন গৃহবধূর অবস্থা খারাপ দেখে তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতারে রেফার্ড করেন। মেয়ের অসুস্থ্যতার সংবাদ পেয়ে গৃহবধুর পিতা-মাতা ছুটে এসে তাৎতক্ষনিক মুমূর্ষু  অবস্থায় মেয়েকে নিয়ে রাজশাহী নিয়ে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাকালীন অবস্থায় গত ১০ জুন  সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে  তার  মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিয়ে রাজশাহী রাজপাড়া থানায় অভিযোগ করে ময়না তদন্ত শেষে মৃতদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরে আসার পথে তানোর পৌছালে স্বামী গোলাম মোস্তফা স্ত্রীর লাশবাহী  গাড়ী থেকে কৌশলে পালিয়ে যায়। এরপর লাশের গাড়ি সাপাহার উপজেলার নিশ্চিন্তপুর মোড় পার হলে গোলাম মোস্তফার আত্মীয় স্বজনরা  মোটরসাইকেল নিয়ে গাড়ীর পথ রোধ করে গাড়ী থেকে মোস্তফার মা ও ছোট ছেলে সন্তান সহ নিহত গৃহবধূর সোনার গহনা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এঘটনায়  নিগার সুলতানার পিতা মজিবর রহমান চৌধুরী বাদী হয়ে তার জামাই গোলাম মোস্তফা, তার বাবা মোঃ আঃ সালাম ও মা  রাহেলা বেগমকে আসামী করে দন্ডিবিধির ৩০৬ ধারা মোতাবেক সাপাহার থানায় একটি আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা দায়ের করেন। 

ঘটনার বিষয়ে নিহত নিগার সুলতানার বড় ছেলে ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ুয়া সাব্বির হোসেন (১২) এর সাথে কথা হলে সে বলে যে, প্রায় সময় তার বাবা গোলাম মোস্তফা তার মাকে কারণে অ-কারণে মারপিট ও অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করত।তার সাথে সাথে আমার দাদা,দাদীরাও মা’কে আত্নহত্য করে মরার জন্য বিভিন্ন ভাবে গালিগালাজ করত। ঘটার দিন অসুস্থ্য  অবস্থায় আমি আমার মা’র নিকট গেলে মা’ আমাকে বলে যে মারপিটের পরে তোর বাবা, দাদা, দাদী মিলে জোরপূর্বক আমাকে বিষ খাইয়ে দিয়েছে। একই রকম বক্ত্যব্য শিশুটি থানা পুলিশের উপস্থিতিতেও বলেছে।

এরপরেও পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকা দেখে আমি আমার মেয়ে মৃত্যুর সঠিক বিচার পাব কি না সে বিষয়ে চিন্তিত ও শঙ্কিত আছি। আমার মেয়ে হত্যার সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছি।

এবিষয়ে সাপাহার থানার ওসিকে না পেয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মিলন কুমার সিংহ এর সাথে কথা হলে তিনি জানান যে, আমরা একাধিকবার আসামীর বাড়ীতে অভিযান চালিয়েছি বর্তমানে আসামী পলাতক রয়েছে। এর পরেও লাশের ময়না তদন্তের রিপোর্ট এখনও হাতে পাইনি। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মামলা তার গতিতেই চলবে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



নওগাঁয় আমের ওজন নিয়ে রশি টানাটানি' ভোগান্তিতে চাষীরা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

দেশের আমের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে খ্যাত নওগাঁর সাপাহারে আমচাষী সমিতি ও প্রশাসন এবং আম ব্যাবসায়ী সমিতির মধ্যে সৃষ্ট রশি টানাটানির মধ্যে পড়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে সাধারণ আম চাষীরা।

জানা গেছে, প্রতি বছরের ন্যায় এবারেও আমের মৌসুমে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যাপারিগন বিভিন্ন আড়তে সেলটার নিয়ে বিগত কয়েক বছরের মত ৫২ কেজিতে (ক্যারেটসহ) ১মন আম হিসেবে ক্রয়-বিক্রয় চালিয়ে আসছিলো। এরই মধ্যে অন্যান্য বছরের মত এবারেও আমচাষী সমিতির পক্ষ থেকে অতিরিক্ত ১০/১২ কেজি আমের বিষয়ে আলোচনা সমালচনা শুরু হলে কয়েক দফায় উপজেলা প্রশাসনের মধ্যস্থতায় আম চাষী ও আম ব্যাসায়ী সমিতির কর্মকর্তাদের সাথে দফায় দফায় মিটিং বসে। সর্ব শেষ গত ২৩ জুন মাননীয় খাদ্য মন্ত্রী সাপাহারে এক সরকারী সফরে এলে বিষয়টি তার নজরেও আসে এবং তাৎক্ষনিক এক জরুরী সভায় তিনি উভয়ের লাভ লোকশানের কথা বিবেচনা করে ৪৮ কেজিতে (ক্যারেটসহ) ১মন আম ক্রয়-বিক্রয় এবং প্রতি কাঠায় কৃষকের নিকট থেকে ৭০ টাকা আদায় করার সিদ্ধান্ত প্রদান করেন। তারই ধারাবাকিতায় গত ২৫ জুন সাপাহার সদর ইউনিয় পরিষদ সভা কক্ষে উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তার নেতত্বে

বাজার মনিটরিং কমিটির এক বৈঠক বসে। উক্ত বৈঠকে আম ব্যাবসায়ীর পক্ষে সমিতির সভাপতি শ্রী কার্তীক সাহা ৪৮ কেজিতে ১মন আম ক্রয় করার জন্য ব্যাপারীদের নির্দেশ দেয়ার কথা স্বীকার করলেও প্রশাসনের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ৭০ টাকার বদলে ৮০টাকা আদায়ের ঘোষনা প্রদান করেন।

বৈঠক শেষে অজানা করণে ব্যাপারীগন বাজারে আম কেনা কার্যক্রম বন্ধ করে আড়তে বসে থেকে কালক্ষেপন করতে থাকেন। অপরদিকে সকাল ৭টা হতে বাজারে আসা হাজার হাজার আমচাষীগনও প্রচন্ড রোদ ও গরম উপেক্ষা করে সারাটা দিন তাদের আম নিয়ে রাস্তায় বসে থাকেন। অবশেষে সন্ধার পর সারা দিন জিম্মি হয়ে বসে থাকা কিছু আমচাষী তাদের অতি প্রয়োজনে দু’একটি আড়তে বাধ্য হয়ে ৫০/৫২ কেজি হিসেবে প্রতি মন আম কম দামে বিক্রি করে তাদের প্রয়োজন মিটিয়েছেন। এছাড়া অধিকাংশ আমচাষীগন মনের রাতে তাদের আম বাসায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। আম বিক্রি না হওয়ায় বাসায় ফিরিয়ে নেয়া সাপাহার উপজেলার গোয়ালা গ্রামের আমচাষী, ফয়জুল ইসলাম, গৌরীপুরের রেজাউল, পিছলডাঙ্গার আব্দুল করিম, নিশ্চিন্তপুরের আবু সাঈদ এর সাথে কথা হলে তারা ক্ষোভের সাথে জানান যে, আম বাড়ীতে নিয়ে পচে ফেলব তার পরেও ব্যাসায়ীদের অন্যায় দাবীর কাছে মাথা নোয়াবনা বা তাদের কাছে জিম্মি হবো না।

এদিকে ব্যাপারীগন ও তাদের পূর্বের নেয়া ৫০-৫২ কেজিতে মন ছাড়া আম ক্রয় করবে না বলে আম ক্রয়করা থেকে বিরত রয়েছেন। বর্তমানে সাধারণ আমচাষীগন সৃষ্ট সমস্যার মধ্যে পড়ে চরম ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছেন এবং এক প্রকার জিম্মি হয়ে ব্যাপারিদের কথা মত ৫০-৫২ কেজিতে মন ও তাদের নির্ধারণ করা দামেই আম বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এবিষয়ে সাপাহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ হোসেন এর সাথে কথা হলে তিনি জানান যে, প্রশাসনিক ভাবে যে ৪৮ কেজি আম কেনা-বেচার সিন্ধান্ত নেয়া হয়েছে তার বাহিরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই, বিষয়টি জোরালোভাবে খতিয়ে দেখার জন্য তিনি বাজার মনিটরিং কমিটির উপর দায়িত্বভার অর্পন করেছেন বলেও জানিয়েছেন। অচিরেই এই সমস্যা নিরসনে তারা আমচাষী সমিতি ও আম ব্যাবসায়ী সমিতির দৃষ্টি আকর্শন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। গত মঙ্গলবার হতে আজও চাষীদেরকে আমভর্তি পরিবহনের গাড়ির পশরা নিয়ে রাস্তায় বসে থাকতে দেখা গেছে।


আরও খবর



হাবিপ্রবি শিক্ষক হয়ে স্বপ্নপূরণ নোবিপ্রবির রায়হান সজীবের

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

সম্প্রতি হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রিকালচার এক্সটেনশন বিভাগে প্রভাষক পদে   নিযুক্ত  হয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) কৃষি  বিভাগের তৃতীয় ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মোঃ রায়হান সজীব।

কেমন ছিলো তার জার্নি?সেসবই জানবো আজ।মোঃ রায়হান সজীবকে নিয়ে ফিচার লিখেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বিভাগের ১০ম ব্যাচের শিক্ষার্থী মোঃ সিনান তালুকদার। আমাদের দেশ কৃষি প্রধান দেশ।

কৃষিতে আসার গল্পটা কেমন  ছিলো জানতে চাইলে তিনি জানান, কৃষির সাথে হৃদ্যতা অনেকটা পারিবারিক, বাবা কৃষি কাজ করতেন। পড়াশোনার ফাঁকে মাঝে মাঝেই বাবার কাজে হাত লাগাতেন।কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি নিয়ে পড়বেন এমন কোনো পরিকল্পনা ছিলো না। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের 'উপকূলীয় কৃষি' বিভাগে ভর্তি হন,যা পরবর্তীতে "কৃষি" বিভাগে রূপান্তর হয়।


ছোটবেলা থেকেই শিক্ষক  হওয়ার ইচ্ছে ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি জানান, ছোটোবেলায় শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন ছিলো কেবল পরীক্ষার খাতার 'জীবনের লক্ষ্য' প্রবন্ধে৷ কিন্তু সত্যিকারে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্নের বুনন শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সেমিস্টারে। মনের মধ্যে আর একটি স্বপ্ন লুকায়িত ছিলো, সেটি হলো পুলিশ অফিসার হওয়া।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার জার্নি টা কেমন ছিলো জানতে চাইলে তিনি বলেন,

"আমাদের সময়ে মফস্বল থেকে এসে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের জায়গা করাটা এতো সহজ ছিলো না। তবে, বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার পর শুরু থেকেই ভালো করার নিমিত্তে নিয়মিত ক্লাস, ল্যাব এবং পড়াশোনা করতাম। এরই ফলশ্রুতিতে প্রথম সেমিস্টারে প্রথম হই।প্রতিনিয়ত নিজেকে উন্নত করার চেষ্টা করতে থাকি। সর্বশেষ নোবিপ্রবি কৃষি বিভাগে প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় হয়ে স্নাতক কোর্স শেষ করি।

শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন নিয়েই বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের 'কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা' বিভাগে ভর্তি হই। এখানেও আলহামদুলিল্লাহ প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে স্নাতকোত্তর কোর্স শেষ করি।  যদিও কোভিড- ১৯ এর কারণে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ১ বছরের বেশি সময় লাগে স্নাতকোত্তর কোর্স শেষ করতে। চারটি গবেষণা প্রকল্পে বিভিন্ন দায়িত্বশীল পদে কাজ করি প্রায় ২.৫ বছর। নিজের স্নাতকোত্তরের কাজ সহ স্যারদের সাথে সম্পৃক্ত থেকে বেশ কয়েকটি প্রবন্ধ ইন্টারন্যাশনাল জার্নালে প্রকাশ করি এবং অনলাইন, অফলাইনে বিভিন্ন কোর্স এবং ট্রেনিংয়ে অংশগ্রহন করি। হাবিপ্রবিতে যুক্ত হওয়ার পূর্বে ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েক মাস শিক্ষকতা করি।

তার এই সফলতায় পরিবার ও পরিবারের বাইরের মানুষের   ভূমিকা জানতে চাইলে তিনি বলেন-

"প্রত্যেক সফল মানুষের সফলতায় বাবা-মা'র অবদান অনস্বীকার্য, ঠিক আমার ক্ষেত্রেও ভিন্ন নয়। আমার সফলতার পেছনে আর একজন ব্যক্তির ভূমিকা অনস্বীকার্য, তিনি হচ্ছেন আমার বড় বোন।সবসময় তারা পেছন থেকে সাহস যুগিয়েছ।পরিবারের বাইরেও আমার জীবনে বেশ কিছু মানুষের প্রভাব রয়েছে, আমার এই ছোট্ট জীবনে অসংখ্য মানুষের স্নেহ, ভালোবাসা, সহযোগিতা পেয়েছি। পুরো ছাত্র জীবনে আমি সবসময় শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের মেধা মননের সংস্পর্শে আজকের এই আমি। বন্ধুদের কথা বলতে গেলে শেষ হবে না, তারা সবসময় আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে ভালো কিছু করার। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।


ভবিষ্যতে শিক্ষকতা সেক্টর থেকে আর কি কি করার ইচ্ছে আছে জানতে চাইলে তিনি জানান,তার প্রথম প্রাধান্য হচ্ছে নিজেকে একজন ভালো শিক্ষক হিসেবে গড়ে তোলা। কৃষি সেক্টরে তিনি একজন ভালো গবেষক হতে চান ।দেশ-বিদেশের প্রখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে।

অনুজদের জন্য(যারা কৃষি নিয়ে পড়ছেন)কিছু  পরামর্শ চাইলে তিনি  বলেন,

"আমার প্রিয় অনুজদের উদ্দেশ্য একটি উক্তি দিয়েই শুরু করি: The secret of success is constancy of purpose- Benjamin Disraeli 

তোমরা তোমাদের যে লক্ষ্য ঠিক করেছো সেটা পূরণ করার জন্য মিশনে নেমে যাও এবং সেই অনুযায়ী কাজ করো। প্রতিনিয়ত নিজেকে উন্নত করো। শিক্ষকতার স্বপ্ন হোক কিংবা অন্যান্য সরকারি চাকরি বা উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে গমন বা উদ্যেক্তা হওয়া। উদ্দেশ্য যেটাই হোক ,কৌশলগত পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিশ্রম করো,সফলতা আসবেই ইনশাআল্লাহ।

 তার অন্যতম শখ হচ্ছে গাছ লাগানো।তবে ইদানীং পাখি পুষতেও শুরু করেছেন।অবসর সময়ে ঘুড়াঘুড়ি, আড্ডা, নতুন কিছু এক্সপ্লোর করা, গান শোনা, বই পড়া, সোশাল মিডিয়ায় ঢুঁ মারা, বিশেষ করে দাবা খেলতে পছন্দ করেন।রায়হান সজীবের পছন্দের রং  কালো এবং সাদা।


আরও খবর



এমি জাদুতে সেমিফাইনালে মেসির আর্জেন্টিনা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

 


সদরুল আইন:


শেষ চারে ওঠার মিশনে নিশ্চিতভাবে ফেভারিট আর্জেন্টিনা। ধারে-ভারে তো বটেই চলমান ছন্দে রীতিমতো উড়ছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। 



কিন্তু সেই ইকুয়েডরের বিপক্ষেই এমন পরীক্ষার মুখে পড়তে হবে কে জানতো! আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ইকুয়েডরের বিপক্ষে জমে ওঠে আর্জেন্টিনার লড়াই। ম্যাচের ভাগ্য শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে।



 সেখানেও লিওনেল মেসির গোল মিস হতাশায় ডোবায় আর্জেন্টিনাকে। তবে বাকিদের সফল স্পট কিক ও এমি মার্টিনেজের জাদুকরি হাতের ছোঁয়ায় টাইব্রেকার পরীক্ষায় উতরে যায় আর্জেন্টিনা। ইকুয়েডরকে কাঁদিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে লিওনেল স্কালোনির দল।  



হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে আজ শুক্রবার কোপা আমেরিকার কোয়ার্টার ফাইনালে ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচের নির্ধারিত সময় ১-১ গোলে শেষ করে আর্জেন্টিনা। এরপর টাইব্রেকারে গিয়ে জয় পায় ৪-২ গোলের ব্যবধানে।  



এদিন ইকুয়েডরের বিপক্ষে শুরুতে যেন চেনাই যায়নি আর্জেন্টিনাকে। বরং আক্রমণে ভীতি ছড়িয়ে প্রথম ১৯ মিনিট আর্জেন্টিনার রক্ষণ কাঁপিয়ে দেয় ইকুয়েডর। এনার ভ্যালেন্সিয়া, কেইসোডো এবং ১৭ বছরের তরুণ কেন্ড্রি পায়েজ মিলে পরীক্ষা নেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের। প্রথম ১০থেকে ১৯তম মিনিটে বলা চলে এক চেটিয়া আধিপত্য চলে ইকুয়েডরের।  



বিরতির আগে আর্জেন্টিনা ৬৪ভাগ সময় বল দখলে রাখলেও প্রথম আক্রমণটা করে ইকুয়েডর। ম্যাচের দশম মিনিটে প্রথমবার আক্রমণে যায় তারা। তবে, সারমিনতোর নেওয়া কঠিন শট ফিরিয়ে দিয়ে আর্জেন্টিনাকে রক্ষা করেন এমি মার্টিনেজ। 


পরের মিনিটের মাথায় আবারও ইকুয়েডরের আক্রমণ। এবারের শটটি যায় বারের উপর দিয়ে। সময়ের সাথে আর্জেন্টিনাও ফেরে আপন ছন্দে। ২৬তম মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় তারা। তবে, এঞ্জোর মার্টিনেজ সেই সুযোগ হাতছাড়া করেন। কিছুক্ষণ বাদে ফের একবার সুযোগ মিস হয় এঞ্জোর। 


পর পর দুবার সুযোগ হাতছাড়া করা আর্জেন্টিনা উৎসবের উপলক্ষ্য পেয়ে যায় দ্রুতই। ৩৫তম মিনিটে সেই উৎসব এনে দেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। লিওনেল মেসির কর্নার কিক থেকে পাওয়া বল ডি ব্ক্স থেকে লেসান্দ্রোকে বাড়িয়ে দেন অ্যালিস্টার। লেসান্দ্রো আর মিস করেননি। দারুণ হেডে স্কোরশিটে নাম বসান লেসান্দ্রো। 



এগিয়ে যাওয়ার পর বেশ কয়েক দফায় আক্রমণ চালিয়েও আর জালের দেখা পায়নি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। উল্টো বিরতির পর  ৫৪তম মিনিটে গোল খেতে বসে আর্জেন্টিনা। এমির হাত আরেকবার রক্ষা করে তাদের। ইকুয়েডরের বড় সুযোগটা আসে ৬০তম মিনিটে।



 প্রতিপক্ষের ডি বক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পেয়ে যায় তারা। কিন্তু এনার ভ্যালেন্সিয়ার ব্যর্থ পেনাল্টি কিকে হতাশায় ডোবে ইকুয়েডর। 



চোট কাটিয়ে ফেরা মেসিকেও দেখা যায়নি চেনা ছন্দে। ম্যাচের ৬৭তম মিনিটে নিজের প্রথম সুযোগটি পান মায়ামি তারকা। প্রতিপক্ষের ডি বক্স থেকে দারুণ শট নেন বিশ্বসেরা ফুটবলার। তবে ভ্যালেন্সিয়ার গোলকিপার বল ঠেকিয়ে দিয়ে মেসিকে রাখেন গোলহীন। 



বাকি সময়ে কয়েক দফায় আক্রমণে গিয়েও কেউই নাম লেখাতে পারেননি স্কোরশিটে। ফলে শুরুর ব্যবধান ধরে রেখেই সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার পথে হাঁটে তিনবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। 



কিন্তু যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটেই আর্জেন্টিনাকে স্তব্ধ করে গোল আদায় করে নেয় ইকুয়েডর। ফলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে।



আরও খবর



ছাগলকাণ্ডের মতিউর ও তার পরিবারের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ আদালতের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:



ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদ্য সাবেক সদস্য মো. মতিউর রহমান ও তার পরিবারের ৮৬৬ শতক জমি এবং ৪ ফ্ল্যাট জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।


 দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।



ড. মতিউর রহমানের সম্পদ অনুসন্ধানে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তিন সদস্যের একটি কমিটি কাজ শুরু করেছে। দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমীন বলেন, গত ৪ জুন মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইতোমধ্যে দুদকের একজন উপ-পরিচালককে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে।



 দলের সদস্যরা কাজও শুরু করেছেন। এছাড়া আলোচিত মতিউর রহমানকে গত ২৩ জুন এনবিআর থেকে সরিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে।



এবার কোরবানির ঈদে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ১৫ লাখ টাকায় একটি ছাগল কিনতে গিয়ে আলোচনার জন্ম দেন মতিউর রহমানের ছেলে ইফাত। তার পরই আলোচনায় আসে তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ, আয় ও ব্যয়ের তথ্য।



 এনিয়ে খতিয়ে দেখছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। খোদ এনবিআরও তার আয়কর রিটার্নে দেওয়া তথ্য খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা যায়।



মূলত মতিউর রহমান কাস্টমস কমিশনার হিসেবে কর্মরত থাকার সময় থেকেই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। দুদকসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে শাস্তির আওতায় আনতে একাধিক আবেদন জমা পড়ে।



সাধারণ একজন চাকরিজীবী হয়েও এ পর্যন্ত শতকোটি টাকা সাদা করেছেন। বসুন্ধরায় দুই কোটি টাকার একটি ফ্ল্যাট এবং ধানমন্ডিতে ৫ কাঠায় আলিশান ৭ তলা বাড়ির মালিক। যার মূল্য ৪০ কোটি টাকা। ভালুকার সিডস্টোর এলাকার পাশেই প্রায় ৩০০ বিঘা জমির ওপর গ্লোবাল জুতার ফ্যাক্টরি। এ ছাড়া রয়েছে ৬০ শতাংশ জমি।


জেসিক্স নামে একটি যৌথ ডেভেলপার কোম্পানি রয়েছে। বসুন্ধরার ১৪ তলা বাণিজ্যিক ভবন আছে। গাজীপুর সদরে ৮টি খতিয়ানে ৬০ শতাংশ জমি রয়েছে। যার মূল্য প্রায় ৪০ কোটি টাকা। তার স্ত্রী লায়লা কানিজের নামে সাভার থানার বিলামালিয়া মৌজায় ১৪.০৩ শতাংশ, গাজীপুর থানার খিলগাঁও মৌজায় ৬২.১৬ শতাংশ জমি রয়েছে।



ছেলে আহমেদ তৌফিকুর রহমান অর্ণবের নামে ১৪.৫০ শতাংশ জমি আছে গাজীপুরে। যার মূল্য প্রায় ৯০ কোটি টাকা। তার নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে আছে একাধিক দামি গাড়ি। তার নামে বেনামে বিভিন্ন ব্যাংকে ৫০ কোটি টাকার বেশি এফডিআর করা আছে। তিনি একাধিক বিয়ে করেছেন। বিভিন্ন নারীর সঙ্গেও তার সম্পর্ক আছে।



ড. মতিউর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফাইন্যান্স বিষয়ে সম্মান ডিগ্রি এবং একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রিস্টন ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ভ্যাট এবং কাস্টমস বিষয়ে দেশ-বিদেশ থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪