Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

শীর্ষ মাদক কারবারিদের তালিকা চাইলেন হাইকোর্ট

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

রোকসানা মনোয়ার : দেশের শীর্ষ মাদক কারবারিদের নাম-ঠিকানাসহ তালিকা দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের ডিজিকে এক মাসের মধ্যে এই তালিকা দাখিল করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে মাদক ব্যবসার কারণে বছরে ৫ হাজার কোটি টাকা পাচার হওয়ার ঘটনা অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রবিবার (১৮ জুন) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার মাদক ব্যবসার কারণে বছরে ৫ হাজার কোটি টাকা পাচার হওয়ার ঘটনা অনুসন্ধানের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়।

অ্যাডভোকেট সুবীর নন্দী হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন। রিটে অর্থ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি, এনবিআরকে বিবাদী করা হয়েছে।

গত ১১ জুন মাদক কারবারের কারণে বছরে পাচার ৫ হাজার কোটি টাকা শিরোনামে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনগুলো সংযুক্ত করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে মাদকের কারণে প্রতিবছর পাচার হয়ে যায় ৪৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ৫ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা। আর মাদক কেনাবেচা করে অর্থ পাচারের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে পঞ্চম। এশিয়ার দেশগুলো বিবেচনায় নিলে মাদকের মাধ্যমে টাকা পাচারের ঘটনায় বাংলাদেশ একেবারে শীর্ষে রয়েছে।

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাড তাদের ওয়েবসাইটে অবৈধ অর্থপ্রবাহসংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। এতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৯টি দেশের মাদকসংশ্লিষ্ট অবৈধ অর্থপ্রবাহের অনুমানভিত্তিক হিসাব তুলে ধরেছে সংস্থাটি। অন্য দেশগুলো হলো আফগানিস্তান, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, মালদ্বীপ, মেক্সিকো, মিয়ানমার, নেপাল ও পেরু।

তখন ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ফেনসিডিল ঢুকত। একসময় ফেনসিডিলের জায়গা দখল করে হেরোইন। এখন দেশে ইয়াবার ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইয়াবার চেয়ে ভয়ঙ্কর মাদক আইস দেশে ঢুকছে।

আঙ্কটাডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাদকের অবৈধ অর্থপ্রবাহের দিক থেকে বিশ্বে প্রথম অবস্থানে রয়েছে মেক্সিকো। এরপর যথাক্রমে রয়েছে কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, পেরু ও বাংলাদেশ। মাদক এবং অপরাধ প্রতিরোধে কাজ করা জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনওডিসির সহায়তায় এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাদকের মাধ্যমে অবৈধ অর্থপ্রবাহের অনুমানভিত্তিক এই হিসাব করেছে আঙ্কটাড।

তালিকায় এশিয়ার যে পাঁচটি দেশের নাম রয়েছে, এর মধ্যে শীর্ষে থাকা বাংলাদেশের পরেই আছে মালদ্বীপ ও নেপাল। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে আছে আফগানিস্তান ও মিয়ানমার।


আরও খবর



নওগাঁয় পথচারী বাঁচাতে গিয়ে জীবন দিলো মোটরসাইকেল চালক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টারঃ

নওগাঁয় পথচারী মা ও শিশু সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে শ্যালো মেশিন চালিত স্টিয়ারিং ভুটভুটির চাকায় পিষ্ট হয়ে দূর্ঘটনাস্থলেই শিমুল হোসেন (৩২) নামের এক মোটরসাইকেল চালকের মর্মান্তিকভাবে মৃত্যু হয়েছে। এ দূর্ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার বিকাল ৬ টারদিকে নওগাঁ টু রাজশাহী মহাসড়কের মহাদেবপুর থানাধীন চৌমাশিয়া বাজার (চেংকুড়ি মোড়) নামক স্থানে। নিহত শিমুল হোসেন নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার মধ্য দূর্গাপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকালে নিহত সিমুল হোসেন আরো দু'জন কে সাথে নিয়ে একটি মোটরসাইকেল যোগে  হোটেলে ব্যবহারের জন্য কড়াই কিনতে নওগাঁ থেকে (চৌমাশিয়া) নওহাটা মোড় বাজারে আসছিলেন। চৌমাশিয়া (চেংকুড়ি) মোড় নামক স্থানে পৌছালে এসময় এক নারী তার শিশু সন্তান কে নিয়ে সড়ক পারাপার হচ্ছিল। মা ও শিশু সন্তান কে বাঁচাতে গিয়ে মোটরসাইকেল চালক মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করলেও পথচারী মা ও শিশুকে আঘাত লেগে মোটরসাইকেল সড়কের উপর পড়ে এবং চালক শিমুল হোসেন সিটকে সড়কের উপর পড়লে নওহাটা থেকে হাট-চকগৌরীগামী দ্রুতগতীর একটি স্টিয়ারিং ভুটভুটি চাকায় পিষ্ট হয়ে দূর্ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শিমুল হোসেন এর। স্থানিয়রা জানান, পথচারী মা ও মেয়ে শিশুকে জখম অবস্থায় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয় এছাড়া মোটরসাইকেলের অপর দু'জন আরোহী আহত হলে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। দূর্ঘটনার খবর পেয়ে নওহাটা মোড় ফাঁড়ি পুলিশ দ্রুত দূর্ঘটনাস্থলে পৌছে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা সহ ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেন।

মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন বলেন, ময়না তদন্ত শেষে মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


আরও খবর



লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

নিজস্ব প্রতিনিধি - লালমনিটহাট:


আজ বুধবার বিকেল ৩ টায়  বাংলাদেশ কৃষক সমিতি লালমনিহাট জেলা কমিটির উদ্যোগে রাজপুরে তিস্তা নদীর পাড়ে তিস্তা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় । সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন জেলা কমিটির  সভাপতি কমরেড নজরুল হক খাজা। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নদী গর্ভে বাড়িঘর বিলীন হওয়া সাধারণ কৃষক আজমল হোসেন, কলিতা রানী, সোবাহান আলী।

আরো বক্তব্য রাখেন যুব  নেতা বকুল রায়, সাংবাদিক হেলাল হোসেন কবির,কৃষক  সমিতির জেলা কমিটির সদস্য বাহার তালুকদার, অর্থ সম্পাদক নিরঞ্জন কুমার সিংহ, সহ-সভাপতি রঞ্জিত কুমার রায়, সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক কমরেড অ্যাডঃরফিকুল ইসলাম কৃষক সমিতির  কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড আনসার আলী, সিপিবির জেলা কমিটির সভাপতি কমরেড  অ্যাডঃ  ময়জুল ইসলাম ময়েজ সমাবেশ পরিচালনা করেন অ্যাডঃমধুসূদন রায় মধু সাধারণ সম্পাদকঃবাংলাদেশ কৃষক সমিতি লালমনিহাট জেলা কমিটি।

সভায় সংগীত পরিবেশনা করেন বেতার শিল্পী যুবনেতা অনন্ত কুমার রায়, বেতার শিল্পী রবীন্দ্রনাথ রায়। সমাবেশে বক্তাগণ তিস্তা নদীর ন্যাব্যতা কম হওয়ার কারণে প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ছে ফসল ক্ষেত, গাছপালা, বাড়িঘর সবকিছু নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গিয়ে আজ তারা নিঃস্ব। এ কারণে বক্তাগণ দাবি জানান  বিলম্বে তিস্তা নদী ভঙ্গন রোধ করতে হবে, নদী খনন করে নদীর ন্যব্যতা বৃদ্ধি করতে হবে, তিস্তা পারের মানুষকে বন্যার কবল থেকে মুক্ত করতে হবে, উভয় পারে টেকসই বাধ নির্মাণ করতে হবে, তিস্তার  পানির ন্যায্য হিস্যা দিতে হবে, নদীগর্ভে বিলীন হওয়া ভাসমান জমি প্রকৃত কৃষকদের নামে রেকর্ড করে  দিতে হবে।

দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রধানসহ  ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করার আহ্বান জানান।



আরও খবর



নোয়াখালীতে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

নোয়াখালী প্রতিনিধি::


নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পৃথক স্থানে পুকুরের পানিতে ডুবে মো.জিসান (২) ও ফাতেমা আক্তার(৪) নামে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।  

 সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার চরবাটা ইউনিয়ন ও চরওয়াপদা ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। শিশু দুইটির মৃত্যুতে পরিবারে শোকের মাতম চলছে।

মৃত মো.জিসান চরওয়াপদার ইউনিয়নের চরআমিনুল হক গ্রামের ১নম্বর ওয়ার্ডের মো.মুরাদের ছেলে। ফাতেমা আক্তার চরবাটা ইউনিয়নের মধ্যচরবাটা গ্রামের মো.রাসেলের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১২টার দিকে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে তারা পুকুরে পড়ে যায়। পরে তাদের খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে পুকুরে তল্লাশি করলে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিক তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুদের মৃত ঘোষণা করেন।

 চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কাওসার আলম ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ না থাকায় মরদেহ ময়না তদন্ত ছাড়া পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।  


আরও খবর



সন্ধান মিলেছে বেনজিরের ৭ পাসপোর্টের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


বেসরকারি চাকরিজীবী পরিচয়ে পাসপোর্ট তৈরির ক্ষেত্রে নজিরবিহীন জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে আলোচিত পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে।



 এ কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের চারজন পরিচালক, একজন উপপরিচালক ও দুজন উপসহকারী পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সেই সঙ্গে বেনজীর আহমেদের ৭টি পাসপোর্টের সন্ধান পেয়েছে দুদক।



দুদকের ঊর্ধ্বতনসূত্রে জানা গেছে, বেনজীরের ৭টি পাসপোর্টের মধ্যে কয়েকটি পাসপোর্টের নম্বর হলো- E0017616, AA1073252, BC0111070, BM0828141 ও 800002095। এছাড়া, আরও দুইটি পাসপোর্ট রয়েছে।


মঙ্গলবার (২৫ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় দুদকের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে পাসপোর্ট জালিয়াতির অভিযোগে পাসপোর্ট অধিদফতরের আট কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।


বেনজীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ, দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত পুলিশের এ সাবেক মহাপরিদর্শক বেসরকারি চাকরিজীবী পরিচয়ে সাধারণ পাসপোর্ট তৈরি করেছেন। পাসপোর্ট তৈরির ক্ষেত্রেও আশ্রয় নিয়েছেন নজিরবিহীন জালিয়াতির।



 কিন্তু নবায়নের সময় ধরা পড়লে বেনজীরের সেই পাসপোর্ট আটকে দেয় পাসপোর্ট অধিদপ্তর। চিঠি পাঠানো হয় র‍্যাব সদর দপ্তরে। কিন্তু অবৈধ প্রভাব খাঁটিয়ে সব ব্যবস্থা করে ফেলেন সাবেক আইজিপি। পাসপোর্ট অফিসে না গিয়ে নেন বিশেষ সুবিধাও।



জানা গেছে, চাকরিজীবনের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত তিনি সরকারি চাকরিজীবী পরিচয়ে নীল রঙের অফিসিয়াল পাসপোর্ট করেননি। সুযোগ থাকার পরও নেননি লাল পাসপোর্ট।


এদিকে, বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে দুদক থেকে দুই দফা তলব করা হলেও তারা সংস্থাটির ডাকে হাজির হননি। নিজেরা হাজির না হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে লিখিত বক্তব্য পাঠিয়েছেন তারা।


প্রসঙ্গত, বেনজীরের বিশাল বিত্তবৈভব নিয়ে গত ৩১ মার্চ ও ৩ এপ্রিল প্রতিবেদন প্রকাশ হয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে। এতে সাবেক এই আইজিপি ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠে আসে।



 প্রতিবেদনে বলা হয়, গোপালগঞ্জের সাহাপুর ইউনিয়নে সাভানা ইকো রিসোর্ট নামে প্রায় ১৪শ’ বিঘা জমিতে একটি রিসোর্ট গড়ে তুলেছে বেনজীর পরিবার। এ ছাড়া ঢাকা ও পূর্বাচলে সাবেক এ আইজিপির একাধিক ফ্ল্যাট ও বাড়ি আছে। তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের নামে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আছে অন্তত ছয়টি কোম্পানি। পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে বেনজীরের বিনিয়োগের পরিমাণ ৫০০ কোটি টাকারও বেশি হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে। 



পরবর্তীতে অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে গত ১৮ এপ্রিল অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। ২২ এপ্রিল শুরু হয় তাদের অনুসন্ধান।


অনুসন্ধান করতে গিয়ে বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী জীশান মীর্জা ও তিন মেয়ের নামে ১৯৬টি দলিলে থাকা ৬২৭ বিঘা জমি (২০ হাজার ৭০৩ শতক), ৩৩টি ব্যাংক হিসাব ও ২৫টি কোম্পানিতে বিনিয়োগের সন্ধান পায় দুদক। এরপর সংস্থাটির আবেদনের প্রেক্ষিতে এসব সম্পদ জব্দ ও অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন আদালত।


আদালতের নথি থেকে জানা যায়, বেনজীরের সম্পত্তির একটি বড় অংশ রয়েছে তার নিজ জেলা গোপালগঞ্জের তিন উপজেলায়। গোপালগঞ্জ সদরে ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৬৫টি দলিলে ২৪০ বিঘা জমি কিনেছেন তিনি।



 টুঙ্গিপাড়ায় তিনটি দলিলে ৪৭ শতাংশ, কোটালীপাড়ায় ৩৫ বিঘা জমি কিনেছেন। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী জেলা মাদারীপুরের রাজৈরে ২০২১ ও ২০২২ সালে তার স্ত্রী জীশান মীর্জার নামে প্রায় ২৮০ বিঘা জমি কেনা হয়েছে।


অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-কন্যাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত ২৮ মে তলবি নোটিশ পাঠায় দুদক। এর আগে গত ৪ মে সপরিবারে দেশ ত্যাগ করেন বেনজীর।


বেনজীর আহমেদ ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি এলিট ফোর্স র‌্যাবের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পান। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সাড়ে চার বছর র‌্যাবের নেতৃত্ব দেওয়ার পর ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পান তিনি।


এদিকে ‘গুরুতর’ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে র‌্যাব ও এর সাবেক-বর্তমান ৭ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ দপ্তর। 



তালিকায় র‌্যাবের সাবেক মহাপরিচালক হিসেবে বেনজীর আহমেদের নামও স্থান পায়। ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৫৯ বছর পূর্ণ হওয়ায় সরকারি চাকরির আইন অনুযায়ী অবসরে যান তিনি।


আরও খবর



সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জঙ্গিরা তৎপর: র‍্যাব ডিজি

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জঙ্গিরা তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছেন র‍্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ।

সোমবার (১ জুলাই) হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলায় নিহতদের স্মৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ তথ্য জানান।

র‍্যাব ডিজি বলেন, জঙ্গি তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে র‍্যাব অনেক আধুনিক হয়েছে। একটি ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে সব ধরনের সক্ষমতা রয়েছে র‌্যাবের।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগের পাশাপাশি জঙ্গিরা ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডেও তৎপর। পলাতক জঙ্গিদের নজরদারি মধ্যে রাখা হয়েছে।




অনেকে মনে করেছিল বাংলাদেশ আফগানিস্তানে পরিণত হবে: এসবি প্রধান

এ সময় বাংলাদেশে আর কখনই জঙ্গিবাদের উত্থান হবে না জানিয়ে হারুন অর রশিদ বলেন, ভবিষ্যতে জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ এদেশে আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। বর্তমানে বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ একটি নিরাপদ দেশ।


উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের পয়লা জুলাই রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা স্তম্ভিত করেছিল গোটা দেশকে। জঙ্গিরা ১৮ জন বিদেশি নাগরিকসহ ২২ জনকে হত্যা করে।


নারকীয় ওই হামলা প্রতিরোধ করতে গিয়ে দুই পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়। পরে সেনা অভিযানে হামলার প্রধান পরিকল্পনাকারী তামিম চৌধুরীসহ আট জঙ্গি নিহত হয়।


জঙ্গিদের ভয়াবহ ওই হামলার ঘটনায় করা মামলায় ২০১৯ সালে ৭ জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে খালাস দেন ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন আসামিরা। 


পরে গত বছর গেল বছর ৭ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন হাইকোর্ট। কিন্তু এখনও সেই পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হয়নি।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪