Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

স্লিপ এপনিয়া উপসর্গ ও চিকিৎসা

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

সম্প্রতি ভারতীয় উপমহাদেশের সংগীতশিল্পী বাপ্পী লাহিড়ী মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, জনপ্রিয় এই গায়কের মৃত্যু হয়েছে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ায়। কিন্তু এই স্লিপ অ্যাপনিয়া কী, কত ধরনের, এর কোনো চিকিৎসা আছে কিনা এবং থেকে প্রতিকারের উপায় সম্পর্কে মানুষে ধারণা খুব কম। এবার তাহলে স্লিপ অ্যাপনিয়ার এই সব বিষয়ে জেনে নেয়া যাক-

 

স্লিপ অ্যাপনিয়া

স্লিপ অ্যাপনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির ঘুমে বারবার ব্যাঘাত ঘটে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হওয়ায়। বিষয়ে জাতীয় নাক কান গলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জানিয়েছেন, যখন কোনো ব্যক্তির স্লিপ অ্যাপনিয়া হয় তখন তিনি ঘুমানোর একটু পরই জোরে জোরে শ্বাস নিতে থাকেন। আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাস নেয়ার গতি বেড়ে গেলে হঠাৎ করেই আবার শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়। এক্ষেত্রে কিছুক্ষণ পর ফের শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়া শুরু হয়। আর শ্বাস-প্রশ্বাসের এই ব্যাঘাতকে অ্যাপনিয়া বলা হয়।

 

ঘুমের মধ্যে জোরে নিঃশ্বাস নেয়ার সময় হঠাৎ করেই শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হওয়ার কারণ হিসেবে অধ্যাপক আব্দুল্লাহ জানিয়েছেন, শ্বাস-প্রশ্বাস যখন বারবার নেয়া হয় তখন মূলত বাতাসের সঙ্গে শরীর থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড বের হয়। কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ কমে গেলে মানুষের শরীরে থাকা শ্বাস-প্রশ্বাসের সিস্টেম বন্ধ করে দেয় সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম। তখন নিশ্বাস কিছুক্ষণ বন্ধ থাকার পর শরীরের সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমে ফের কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে নার্ভাস সিস্টেম পুরোদমে উজ্জীবিত হয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস ফিরে আসে। আর এই জটিল পরিস্থিতিতে অনেক সময় মানুষের মৃত্যুও হয়ে থাকে।

 

অ্যাপনিয়ার প্রকারভেদ

অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জানিয়েছেন, শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি হলে তখন তাকে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া বলা হয়ে থাকে। এটা গলায় টনসিল ফুলে গিয়ে হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে শ্বাসনালী এবং গলার সংযোগ স্থলে মাংসপেশি ফুলে গিয়ে হয়ে থাকে। যাকে অ্যাডনয়েডও বলা হয়। আবার অনেক সময় নাকের ভেতরে মাংসপেশি বড় হয়ে যায়।

 

এসব সমস্যাগুলো শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে বাধা তৈরি করে থাকে। যাকে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া হিসেবে শনাক্ত করা হয়। রোগে সাধারণত যাদের ওজন বেশি বা শরীরে মেদ বেশি, বয়স্ক মানুষ শিশু তারা ভোগে থাকেন।

 

বিশেষজ্ঞ এই চিকিৎসকের মতে, হৃদপিণ্ড, ব্রেন এবং নিউরোজনিত সমস্যা থেকে মানুষের শরীরের সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেনে বিভিন্নরকম জটিলতা হয়ে থাকে এবং ওই ব্যক্তির তখন স্লিপ অ্যাপনিয়ায় ভোগার সম্ভাবনা থাকে। অনেক ক্ষেত্রে এই সমস্যা জটিল এবং গুরুতর হয়। তবে এই দুই ধরনের অ্যাপনিয়াতেই আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যুর ঝুঁকি রয়েছে।

 

অ্যাপনিয়ার চিকিৎসা

অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রথমেই যা দেখা হয় তা হলো, শ্বাসনালীকে কেন্দ্র করে কোন জায়গায় বাধা রয়েছে এবং তা চিহ্নিত করে পরে অপসারণ করতে হয়। এক্ষেত্রে অল্প সময়েই মুক্তি পাওয়া যেতে পারে এই সমস্যা থেকে। তবে জটিল স্লিপ অ্যাপনিয়া শরীরের বিভিন্ন গুরুতর সমস্যা থেকে হয়ে থাকে বলে এর চিকিৎসা আজীবন চালানোর প্রয়োজন হতে পারে।

 

প্রতিরোধের উপায়

স্লিপ অ্যাপনিয়া থেকে মুক্তির ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের পরামর্শ, একটু সতর্ক থাকলে এই রোগ থেকে দূরে থাকা সম্ভব। শরীরের উচ্চতা অনুযায়ী ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা। নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করা এবং সুষম খাদ্যাভ্যাস করা। এছাড়া যাদের ঘুমের মধ্যে বার বার নিঃশ্বাস বন্ধ হয় তাদের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে বলে থাকেন চিকিৎসকরা।

 


আরও খবর



‘দেশের ৫০ লাখ মানুষ অনলাইন জুয়ায় আসক্ত’

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

বিডি টুডেস ডেস্ক:


অনলাইন জুয়া নিয়ে দেশের ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেছেন, ৫০ লাখ মানুষ অনলাইন জুয়ায় আসক্ত।



বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) আইসিটি টাওয়ারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে ‘আইসিটি এবং মানসিক স্বাস্থ্য’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এ কথা জানান পলক।



তিনি বলেন, দেশের ৫০ লাখ মানুষ অনলাইন জুয়ায় আসক্ত। জুয়ার কারণে পরিবার ধ্বংস হচ্ছে। দেশের টাকা পাচার হচ্ছে। এসব তো আমরা মেনে নিতে পারি না। এসব বন্ধ করতে হবে।



প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাইবার বুলিং, ডিপফেইক ভিডিও বানিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় মানুষকে হয়রানির জন্য ফেসবুক টিকটক এক্স, হোয়াটসঅ্যাপের মতো প্লাটফর্মগুলো দায়ী। এই প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রিমিনাল। তাদেরকে সরকারের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য করা হবে।


আরও খবর



নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মবিরতি চলমান

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

সিনিয়র রিপোর্টার :

'বৈষম্য নিপাত যাক-পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি মুক্তি পাক' এই স্লোগানকে সামনে রেখে বৈষম্য দূরীকরণ সহ অভিন্ন চাকুরী-বিধি বাতিলের দাবীতে টানা ৬ষ্ঠ দিনের মতো সারা দেশের সঙ্গে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করেছেন। কর্মবিরতি পালনের অংশ হিসেবে রবিবার সকাল ৯ টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মবিরতি চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মধ্যকার বিভিন্ন বৈষম্যের প্রতিবাদে রবিবার সকাল ৯টা থেকে নওগাঁ শহরের চকবিরাম নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর কার্যালয় প্রাঙ্গনে অবস্থান নিয়ে এই কর্মবিরতি পালন করা হয়। এসময় নওগাঁর রাণীনগর উপজেলা ডিজিএম আকিয়াব হোসেনের নেতৃত্বে এজিএম রাজু হাসান ও জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার জাহিদুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। এসময় নওগাঁ জেলার অন্যান্য উপজেলার নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

আন্দোলনকারীরা জানান, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদমর্যাদা, ৬ মাস পিছিয়ে পে-স্কেল ও ৫ শতাংশ বিশেষ প্রণোদনা প্রদান, এপিএ বোনাস সমহারে না দেওয়া, লাইনম্যানদের নির্দিষ্ট কর্মঘন্টা ও কাজের জন্য প্রয়োজনীয় লাইনম্যান ও বিলিং সহকারী পদায়ন না করা, যথাসময়ে পদন্নোতি না করা, মাঠ পর্যায়ে কর্মচারীদের চুক্তি ভিত্তিক চাকুরি নিয়মিত না করা সহ বিদ্যুতায়ন বোর্ডের বিভিন্ন অনিয়মের শিকার হচ্ছে সমিতির কর্মকর্তা কর্মচারীরা। দীর্ঘদিন ধরে চলা এসব শোষন, নির্যাতন, নিপীড়ন বন্ধ করে স্মার্ট ও টেকসই বিদ্যুৎ ব্যবস্থা গঠনের লক্ষ্যে অভিন্ন চাকুরী বিধি ও সকল চুক্তিভিত্তিক, অনিয়মিত কর্মচারীদের চাকুরি নিয়মিতকরনের দাবি জানান মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। দাবি আদায় না হলে আন্দোলন চলমান রাখার ঘোষনাও দেওয়া হয়।


আরও খবর



গাজা ভূখণ্ডে সিরিজ হামলা ইসরায়েলের, নিহত ৫০

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডজুড়ে চালানো সিরিজ এই হামলায় কমপক্ষে ৫০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।

সর্বশেষ এই হামলায় গাজায় জাতিসংঘ-পরিচালিত স্কুলেও হামলা করেছে ইসরায়েল। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজার দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৫০ ফিলিস্তিনি নিহত ও আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক হামলার ঘটনাটি ঘটেছে সম্প্রতি ঘোষিত মানবিক অঞ্চল দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের পশ্চিমে আল-মাওয়াসিরে।

মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে জাতিসংঘ পরিচালিত একটি স্কুলে বাস্তুচ্যুত লোকজনের ওপর আরেকটি হামলা হয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, উভয় হামলার ক্ষেত্রেই তারা ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করেছিল এবং সেখানে বেসামরিক হতাহতের প্রতিবেদনগুলো খতিয়ে দেখছে তারা।

ইসরায়েলি বাহিনী আরও দাবি করেছে, হামাসের সামরিক শাখার নেতৃত্বের অর্ধেক সদস্য নিহত হয়েছে এবং গাজায় ৯ মাসের ইসরায়েলি বিমান হামলা এবং স্থল অভিযানে প্রায় ১৪ হাজার সন্ত্রাসী নিহত বা আটক হয়েছেন।

গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় আগ্রাসন চালাচ্ছে রাশিয়া। সেই থেকে গত ৯ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা হামলায় ভূখণ্ডটিতে ৩৮ হাজার ৭১০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে অঞ্চলটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

নিহতদের এই পরিসংখ্যানে বেসামরিক মানুষ এবং যোদ্ধাদের সংখ্যা আলাদা করে উল্লেখ করা হয় না। তবে গত এপ্রিলের শেষ নাগাদ গাজার এই মন্ত্রণালয় বলেছিল, মৃতদের মধ্যে ১৪ হাজার ৬৮০ জন শিশু, নারী এবং বয়স্ক ব্যক্তি রয়েছেন।

মূলত গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব সত্ত্বেও ইসরায়েল অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে তার নৃশংস আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

এছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

মূলত ইসরায়েলি আক্রমণ গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন।

এছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। ইসরায়েল ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে।


আরও খবর



কোটা সংস্কার ইস্যুতে সহিংসতার বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রয়েছে - ম্যাথিউ মিলার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:


কোটা সংস্কার আন্দোলনে গত কয়েকদিন ধরেই উত্তাল বাংলাদেশ। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থী। বিভিন্ন স্থানে ঘটেছে সংঘর্ষের ঘটনাও। এ ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (১৫ জুলাই) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয় মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলারকে। জবাবে তিনি বলেন, এই আন্দোলনের বিষয়ে অবগত আছে বাইডেন প্রশাসন। ম্যাথিউ মিলার বলেন, ঢাকা ও বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় ব্যপক ছাত্র বিক্ষোভে শত শত আহতের রিপোর্ট সম্পর্কে আমরা সচেতন আছি। আমরা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি।

পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র আরও বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশ যেকোনো বিকাশমান গণতন্ত্রের অপরিহার্য উপাদান। আমরা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে যেকোনো সহিংসতার নিন্দা জানাই। যারা এই সহিংসতার শিকার হয়েছেন তাদের প্রতি আমাদের সহমর্মিতা রয়েছে।

 তবে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে কোন শিক্ষার্থী নিহতের বিষয়টি না এলেও নিজ বক্তব্যে চলমান কোটা আন্দোলনের সময় দুই শিক্ষার্থী নিহতের তথ্য তিনি কোথায় পেয়েছেন কিংবা কীভাবে নিশ্চিত হয়েছেন তা জানাননি মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র।

আন্দোলনের মুখে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে ৯ম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত কোটাপদ্ধতি বাতিল করে পরিপত্র জারি করে সরকার। তখন সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ছিল ৩০ শতাংশ। এছাড়া ১০ শতাংশ নারী, ১০ শতাংশ জেলা, ৫ শতাংশ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী এবং ১ শতাংশ প্রতিবন্ধী কোটা ছিল। সব মিলিয়ে ৫৬ শতাংশ।

কোটা বাতিল করে সরকারের পরিপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০২১ সালে রিট করেন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান অহিদুল ইসলামসহ সাতজন। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর রুল দেন হাইকোর্ট। চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত ৫ জুন রুল অ্যাবসলিউট (যথাযথ) ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট।

পরে হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন চেম্বার আদালত হয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য ওঠে ৪ জুলাই। রিট আবেদনকারীপক্ষ সময় চেয়ে আরজি জানালে সেদিন আপিল বিভাগ শুনানি পিছিয়ে দেন। পাশাপাশি রাষ্ট্রপক্ষকে নিয়মিত লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করতে বলা হয়। এ অবস্থায় কোটা পুনর্বহালসংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে গত ৯ জুলাই আবেদন করেন দুই শিক্ষার্থী।

দুই শিক্ষার্থী ও রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন শুনানির জন্য১০ জুলাই আপিল বিভাগে ওঠে। শুনানি শেষে সরকারি চাকরিতে নিয়োগে কোটার বিষয়ে পক্ষগুলোকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আদেশ দেন আপিল বিভাগ। কিছু পর্যবেক্ষণ, নির্দেশনাসহ এ আদেশ দেয়া হয়। এই স্থিতাবস্থা চার সপ্তাহের জন্য উল্লেখ করে আপিল বিভাগ আগামী ৭ আগস্ট পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।

তবে আদালতের আদেশ প্রত্যাখ্যান করে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’র ব্যানারে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

এদিকে রোববার (১৪ জুলাই) বিকেলে সরকারি চাকরিতে বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা কোটা সুবিধা পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতি-নাতনিরা পাবে-এমন মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গণভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়ায় পর থেকেই ফেসবুকে ছড়াতে থাকে, ‘আন্দোলনকারীদের রাজাকারের নাতি-নাতনি’ বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। যার পরিপ্রেক্ষিতে নিজেকে ‘রাজাকার’ বলে স্লোগান দিয়ে রাতভর বিক্ষোভ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

এরপর সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরের পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। কয়েক ঘণ্টা চলা সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অনেকে আহত হয়েছেন। পরি পুলিশ গিয়ে পরিস্থতি নিয়ন্ত্রণে আনে।



আরও খবর



মতিউরের বিরুদ্ধে দূর্নীতি তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে দুদক

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


এনবিআর সদস্য এবং কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ বিষয়ে তিন সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে।


রোববার (২৩ জুন) দুদকের ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


দুদক জানিয়েছে, মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে দুদকের উপপরিচালক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি টিম গঠন করে কাজ শুরু করেছে কমিশন। আগের অভিযোগ পর্যালোচনা করে দেখবে তারা। 



তার সম্পদের বিষয়ে সব কিছুই তদন্ত করে দেখবে কমিশন। মতিউরের অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগ তদন্তের সিদ্ধান্ত হয় গত ৪ জুন। তারা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।


এর আগে আজই এনবিআরের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে মতিউর রহমানকে সরিয়ে দেওয়া হয়।


তার ছেলের কারণে মতিউর রহমান কিছুদিন ধরে আলোচনায় আছেন। ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত ‘সাদিক অ্যাগ্রো’ ফার্ম থেকে অ্যাগ্রো বিটল প্রজাতির খাসি ১৫ লাখ টাকায় কিনে আলোচনায় আসেন মুশফিকুর রহমান ইফাত নামের এক যুবক।



 সাদিক অ্যাগ্রোতে গিয়ে ক্যামেরার সামনে ওই ছাগলের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ইফাত বলেন, এ রকম একটি খাসি কেনা আমার স্বপ্ন ছিল। এ রকম খাসি আমার জীবনে প্রথম দেখা। এটা আমার হবে, জানা ছিল না। আল্লাহ নসিবে রাখছে, তাই হইছে। 


১১ জুন এটি ধানমন্ডি-৮ এ ডেলিভারি দেওয়া হবে বলা হয় এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।


ওই ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে গুঞ্জন ওঠে, তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তা মতিউর রহমানের ছেলে। রাজস্ব কর্মকর্তা বাবার দুর্নীতির টাকায় তিনি ১৫ লাখ টাকায় খাসিটি কিনেছিলেন। এ ঘটনায় ওই ছেলে ও তার বাবাকে নিয়ে ফেসবুকে চলছে বিস্তর সমালোচনা। বিভিন্ন পোস্ট ও কমেন্টে খাসির ক্রেতা যুবকের বাবার দুর্নীতি নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে।


এর পর থেকে মতিউর রহমানের ছেলের দামি ঘড়ি, গাড়ি, আলিশান জীবনযাপন; মতিউর রহমান ও পরিবারের সদস্যদের নামে রিসোর্ট, শুটিং স্পট, বাংলো বাড়ি, জমিসহ নামে-বেনামে সম্পত্তি থাকার বিষয়ে একের পর এক খবর প্রকাশিত হতে থাকে।


এদিকে আজই অর্থ মন্ত্রণালয় মতিউর রহমানের বিষয়ে যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে এতে বলা হয়, এনবিআর সদস্য এবং কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমানকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে সরিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হলো। 



তবে কেন এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, প্রজ্ঞাপনে তা উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, ‘জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।



আরও খবর