Logo
শিরোনাম

সৌদিতে আরও ২ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

সৌদি আরবে মারা গেলেন আরও দুই বাংলাদেশি হজযাত্রী। মঙ্গলবার (২১ জুন) মদিনায় মারা যান তারা। এ নিয়ে বাংলাদেশি হজযাত্রী মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৬ জনে।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইটি হেল্পডেস্কের হজের প্রতিদিনের বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মৃত হজযাত্রীরা হলেন— রংপুর পীরগাছার মো. আব্দুল জলিল খান (৬২)।  তার পাসপোর্ট নম্বর- BX0552614 ও ঢাকার কোতোয়ালির বিউটি বেগম (৪৭)। তার পাসপোর্ট নম্বর- EA0009584।

বুলেটিনে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার পর্যন্ত ৭৮টি ফ্লাইটে সৌদি আরবে গেছেন ২৮ হাজার ৩০৯ জন হজযাত্রী।

সৌদি আরব যাওয়া হজযাত্রীদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনার ৩ হাজার ৩৮৫ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনার ২৪ হাজার ৯২৪ জন রয়েছেন। 

গত ৫ জুন বাংলাদেশ থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হয়। ঢাকা থেকে শেষ হজ ফ্লাইট ছেড়ে যাবে ৪ জুলাই।





আরও খবর

১০ জুলাই পবিত্র ঈদুল আযহা

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




কুড়িগ্রামে খাবার সংকটে বন্যার্তরা

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

সায়মা সাদিয়া : ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি পেয়ে চিলমারী ও নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা।

এদিকে গত পাঁচ দিন ধরে পানিবন্দি থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন জেলার ৯ উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ। বিশেষ করে দুর্গম চরাঞ্চলের বন্যাকবলিতরা নৌকা ও ঘরের উঁচু করা মাচানে বসবাস করলেও শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়েছেন। অনেকে পরিবার, ঘর-বাড়ি ছেড়ে পাকা সড়ক ও উঁচু বাঁধে আশ্রয় নিতে শুরু করেছেন। গবাদি পশুরও খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।

কুড়িগ্রাম সদরের শুলকুর বাজার এলাকায় পাকা সড়কের পাশে আশ্রয় নেওয়া আমেনা বেগম বলেন, ঘরের ভেতর পানি ঢুকে চৌকি তলিয়ে গেছে। থাকার মতো অবস্থা না থাকায় ছেলে-মেয়ে নিয়ে রাস্তায় এসে উঠেছি।

সদরের ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকার যাত্রাপুর ইউনিয়নের চর যাত্রাপুর এলাকার কাদের আলী বলেন, ঘরের সব কিছু পানিতে তলিয়ে গেছে। কাছে কোনও উঁচু জায়গা না থাকায় নৌকায় দিন পার করছি। ঠিকমতো রান্না করতে না পারায় খেয়ে না খেয়ে আছি।

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, বন্যার্তদের ২৯৫ টন চাল, নগদ ১১ লাখ টাকা, ১ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, ১৭ লাখ টাকার শিশুখাদ্য ও ১৯ লাখ টাকার গো-খাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এগুলো বিতরণ করা শুরু হয়েছে।


আরও খবর



শেষ হয়নি বিচারকার্য্য: হতাশ ও ক্ষুব্দ নিহতদের স্বজনরা

১৬ জুন নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগ অফিসে বর্বোরোচিত বোমা হামলার ২১বছর

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল; নারায়ণগঞ্জঃ

আজ নারায়ণগঞ্জের ভয়াল ১৬ জুন। ২০০১ সালের এই দিনে চাষাঢ়ায় আওয়ামীলীগ অফিসে বর্বরোচিত বোমা হামলায় প্রাণ হারায় ২০জন। ঘটনার দীর্ঘ ২১বছর পেরিয়ে গেলেও গত প্রায় নয় বছর আগে তদন্ত সংস্থা মামলাটির চার্জশিট প্রদান করে। বিচারকার্য্য চলছে ধীর গতিতে। নিহতদের পরিবারের দাবি তারা বেঁচে থাকতে এই ঘটনার কারণ জানাসহ দোষীদের বিচার দেখে যেতে চান।

২০০১,সালের ১৬জুন রাতে পৌনে ৯টায় নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় অবস্থিত আওয়ামীলীগ অফিসে বর্বরোচিত এ বোমা হামলা চালানো হয়েছিল। সেদিনের নৃশংস বোমা হামলার ঘটনায় নিহত হয়ে ছিলেন ছাত্রলীগ নেতা সাঈদুল হাসান বাপ্পি ও অজ্ঞাত নারীসহ ২০জন। তৎকালিন সংসদ সদস্যসহ আহত হয় অর্ধশত। অনেকেই চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তার চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করেন। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে এ মামলাটি পূণরুজ্জীবিত করা হয়। দুটি মামলায় ১৪ বছরে ৭বার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন এবং  ৮ম বার ১৩ বছর পর ২০১৩ সালের ২ মে মামলার তদন্ত সংস্থা ৬ জনের নাম উল্লেখ করে সিআইডি আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। বর্তমানে আদালতে মামলাটির স্বাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। চার্জশীট ভুক্তদের মধ্যে মুফতি হান্নানকে ২০১৭ সালে অন্য একটি মামলায় ফাঁসি দেওয়া হয়। মামলার অপর ২ আসামী জমজ সহোদর আনিসুল মোরছালিন ও মুহিবুল মোত্তাকিন ভারতের কারাগারে আটক রয়েছে। ওবায়দুল্লাহ রহমান নামে অপর এক আসামী পলাতক রয়েছেন। আরেক আসামী নাসিকের ১২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকু জামিনে এবং শাহাদাৎ উল্লাহ জুয়েল কারাগারে রয়েছেন।

বোমা হামলায় নিহত নিধুরাম বিশ্বাসের পরিবারের সঙ্গে কথা হলো। তারা জানালো ছেলে মেয়ে সহ ছয় জনের সদস্যের পরিবারের একমাত্র উপার্জন ক্ষম ব্যাক্তি ছিল নিধিরাম।  ঘটনার পর থেকে দিন কাটাচ্ছে অনাহারে-অর্ধাহারে। ঘটনার পর পর প্রধানমন্ত্রী ছেলের চাকরীসহ আর্থীক সহযোগীতা সহ  অনেক আশ্বাস দিলও সেটির কোন সুফল পায়নি তারা। তারপরও এত বছরেও বিচারটা পর্যন্ত পেলনা বলে আক্ষেপ করেন তারা। 

এ ঘটনার বিচারকার্য নিয়ে হতাশ প্রকাশ করেন এ ঘটনায় দু’পা হারানো রতন কুমার দাশ। আর সময়ক্ষেপন না করে দ্রুত যাতে বিচার কার্য শেষ করা হয়,  তিনি এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।  

মামলার বাদী অ্যাডভোকেট খোকন সাহা জানান, মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। অন্যান্য সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ না হওয়ায় নিজেও হতাশা প্রকাশ করেন। মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি চান তিনি।

বোমা হামলার ঘটনার দায়ের করা মামলা নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এমামলায় ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে।  যারা সাক্ষ্য গ্রহণ করেনি তাদের বিরুদ্ধে আদালত সমন ও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। সকল সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি হবে বলে জানা রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী মনিরুজ্জামান বুলবুল। 

এদিকে, দিবসটি উপলক্ষে সকালে নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া শহীদ মিনারের পাশে অবস্থিত স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কোরআনখানী ও কাঙ্গালি ভোজের আয়োজন করেছেন বিভিন্ন সংগঠন ও নিহতের স্বজনরা।

ভারত থেকে মোরছালিন ও মুত্তাকিমকে দেশে এনে প্রকৃতভাবে জিঞ্জাসাবাদ করলে এ ঘটনায় কোন বড় শক্তি, বড় দল, বড় নেতানেত্রী জড়িত ছিল তা বেড়িয়ে আসবে---- শামীম ওসমান

নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় আওয়ামীলীগ অফিসে শক্তিশালী বোমা হামলায় ঘটনায় আহত নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান দৃঢ়তার সাথে দাবী জানিয়ে বলেন, ভারত কারাগারে আটক দুই সহোদর আনিসুল মোরছালিন ও মাহাবুবুল মুত্তাকিমকে দেশে এনে প্রকৃতভাবে জিঞ্জাসাবাদ করা গেলে এ ঘটনা পিছনে কোন কোন বড় শক্তি বা কোন কোন বড় দল কিংবা কোন কোন বড় নেতানেত্রী জড়িত ছিলেন তা বেড়িয়ে আসবে। আর এটা হওয়া উচিত ভবিষ্যতে ঘটনা থামানোর জন্য। তিনি বলেন, বোমা হামলার টার্গেট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার প্রমান হলো একটি পত্রিকায় মোরছালিন ও মুত্তাকিম বলেছিল শামীম ওসমান আমাদের প্রাথমিক ও শেখ হাসিনা স্থায়ী টার্গেট।

আওয়ামীলীগ অফিসে বোমা হামলার দ্রুত বিচারের দাবি করে বুধবার বিকেলে নগরীর চাষাঢ়ায় নারায়ণগঞ্জ রাইফেল ক্লাবে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

২০০১ সালের ১৬ জুন নগরীর চাষাঢ়া শহীদ মিনার সংলগ্ন আওয়ামীলীগ অফিসে শক্তিশালী বোমা হামলায় ৪ নারীসহ ২০ জন প্রাণ হারায়। আহত হয় তৎকালিন সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী। অনেকেই চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেন।


আরও খবর



হাওরে নৌ ও স্পীডবোট দুর্ঘটনা রোধকল্পে ইটনা থানার ওসির প্রশংসনীয় উদ্যোগ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

মুজাহিদ সরকার কিশোরগঞ্জ থেকে ঃ 

দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া, ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া’—এ মহাসত্য বাণীকে প্রমাণ করার জন্য আমরা দুনিয়ার সমস্ত সৌন্দর্য উপভোগ করতে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়াই। খোঁজার চেষ্টা করি প্রকৃতি কোথায় তার অপরূপ ঢেলে দিয়েছে প্রকৃতিপ্রেমিকদের আকর্ষণ করার জন্য। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর পাহাড়, হাওর, বাঁওড়, ধানখেত, নদীবেষ্টিত প্রিয় মাতৃভূমির লোকায়িত রূপ অধরাই থেকে যায় বহু ভ্রমণপিপাসুর কাছে। 

বাংলাদেশে অসংখ্য পর্যটন এলাকা রয়েছে, যার মধ্যে কিশোরগঞ্জের হাওরগুলো প্রকৃতির অশেষ দান। দিগন্তবিস্তৃত জলরাশি যেকোনো প্রকৃতিপ্রেমীর মনে আনন্দের ঢেউ তুলবে। প্রকৃতির এই অপরূপ দৃশ্য উপভোগ করতে ঢাকা থেকে শত শত মানুষ আসে কিশোরগঞ্জ হাওরে। 

কিশোরগঞ্জের ইটনা,অষ্টগ্রাম,মিঠামইন হাওরে চলাচলের এক মাত্র বাহন ছোট ছোট নৌকা আর স্পীডবোট। উত্তাল হাওরে নৌকা বা স্পীডবোট ঝড়ের কবলে পরে মাঝে মধ্যেই ঘটে দূর্ঘটনা। 

হাওরের নৌকা, স্পীডবোট দূর্ঘটনা রোধকল্পে প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুল ইসলাম মোল্লা। গত ১৬ জুন বেলা ১২.৪৫ ঘটিকায় নৌ ও স্পীডবোট দূর্ঘটনা রোধকল্পে উপস্থিত যাত্রী সাধারন, ট্রলারের মাঝি, ট্রলারের হেল্পার, স্পীডবোট ড্রাইভারদের নিয়ে ইটনা থানাধীন ইটনা পুরাতন বাজার ট্রলারঘাটে জনসচেতনমূলক সভা করেন। উক্ত সভায় তিনি হাওরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বেশকিছু বিষয়ের উপর বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, ১)আগামী ০৭ দিনের মধ্যে সকল ট্রলার, স্পীডবোট এ নূন্যতম ১০টি করে লাইফ জেকেট থাকতে হবে। ২) অতিরিক্ত যাত্রী  নিয়া ট্রলার ও স্পীডবোট যাতায়াত করবে না। ৩) দূর্যোগপূর্ণ আবওহাওয়া ক্ষেত্রে আবওহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কোন ট্রলার ও স্পীডবোট ঘাট হইতে ছেড়ে যাবে না। ৪) ট্রলার ও স্পীডবোট মালিকগণ তাহাদের নৌযানের জন্য বিআইডব্লিউটি হইতে লাইসেন্স সংগ্রহ করবেন। 

ইটনা থানার অফিসার ইনচার্জের জনসচেতনামূলক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন সাধারণ জনগণ। তারা বলছে, হাওরের জন্য এই সতর্কবার্তা গুলো প্রয়োজন ছিল।


আরও খবর



বেকায়দায় ফায়ার সার্ভিস: পানি দিয়ে নেভানো যাচ্ছে না

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে শনিবার রাতে। রবিবার বেলা পৌনে ১২টা পর্যন্ত ডিপোর মালিক বা কোনো কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে আসেননি।

মালিকপক্ষের কেউ না থাকায় কনটেইনার ডিপোতে কী ধরনের কেমিক্যাল রয়েছে, তা জানতে পারছে না ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল। ফায়ার সার্ভিস বলছে, এ কারণে তারা উদ্ধার তৎপরতায় বেকায়দায় পড়েছেন।

ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাইন উদ্দিন বলেন, কনটেইনার ডিপোটির মালিকপক্ষের কাউকে এখনো পাওয়া যায়নি। এখানে কী ধরনের কেমিক্যাল আছে, তা বলা যাচ্ছে না। পানি দিয়ে সব কেমিক্যালের আগুন নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এ কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে সময় লাগছে। এ পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের ছয়জন নিহত ও ২১ জন আহত হয়েছেন।

কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হলো জানতে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মাইন উদ্দিন। ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে সেনাবাহিনী উদ্ধার অভিযানে কাজ শুরু করেছে।

বিস্ফোরণের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৩৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত হয়েছেন বহু মানুষ। তাদের বেশির ভাগই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।


আরও খবর



মাংকিপক্স: বিশ্বে আক্রান্ত ছাড়িয়েছে ৭০০

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে মাংকিপক্স। সারাবিশ্বে মাংকিপক্সে আক্রান্তের সংখ্যা ৭০০ ছাড়িয়ে গেছে। তবে এ রোগে এখন পর্যন্ত কেউ মারা যায়নি। গতকাল শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের (সিডিসি) উপপরিচালক জেনিফার ম্যাককুইসটন এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত ২১ জনের দেহে মাংকিপক্স শনাক্ত হয়েছে।

তাদের মধ্যে ১৬ জন সমকামী পুরুষ এবং এই ২১ রোগীদের ১৪ জনই আফ্রিকা ভ্রমণে গিয়েছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্তদের মধ্যে কয়েকজন এরই মধ্যে সুস্থ হয়েছেন। অন্যরাও চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হওয়া পথে।

কানাডাতে মোট ৭৭ জন মাংকিপক্সে আক্রান্ত হয়েছে। রোগীদের প্রায় সবাই কানাডার পূর্বাঞ্চলীয় কুইবেক প্রদেশের।

সূত্র: ফ্রান্স২৪, এএফপি।


আরও খবর