Logo
শিরোনাম

স্বার্থপর মানুষ

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরীর ফেসবুক থেকে নেয়া ঃ

স্বার্থপর মানুষ সব সময় মাথা উঁচু করে আকাশের দিকে তাকাতে ভালোবাসে | অথচ স্বার্থপর মানুষ মাটির এতটা কাছাকাছি থেকেও  মাথা নিচু করে মাটির দিকে তাকাতে লজ্জাবোধ করে | কিন্তু এমনটা তো হবার কথা ছিলোনা, তারপরও এমনটাই ঘটে যায় | কারণ মানুষ মনে করে চোখ যত উপরে তোলা যাবে জীবন তত জয়ী  হয়ে উঠবে, কপালটা নামিয়ে চোখ নিচে নেমে এলে  মানুষ সেটাকে নিজের পরাজয় হিসেবে ভাবতে শুরু করে | আসলে মানুষ যা ভাবছে সেটা হয়তো একটা আবরণ, একটা মুখোশ কিংবা অভিনয়  | 

একটা চাদর শরীরে চড়িয়ে দিয়ে মানুষ সে আবরণটাকে মূল্যবান মনে করে | কিন্তু চাদরের ভিতরে নিভৃতে বসে থাকা চামড়ার শরীরটাকে মানুষ কোনো মূল্যই দিতে চায়না |   তবে নির্মম সত্য হলো, ভিতরের চামড়ার কাছে চাদরের কোনো মূল্য নেই | চাদর না থাকলেও মানুষের অস্তিত্ব থাকে, চামড়া না থাকলে অস্তিত্বের সংকটে পড়ে যায় মানুষ | মানুষ চাকচিক্যের মোহে মুগ্ধতাকে আঁকড়ে ধরতে জীবনকে বাজী রাখে, মুগ্ধতার চেয়ে যে বাস্তবতা অনেক বড়  তা কোনোভাবেই মানার মতো যুক্তিপূর্ণ জায়গায় নিজেকে নিয়ে যেতে পারেনা | 

মানুষ পা মাটিতে রেখে মাটিকে আঘাতে আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত করতে করতে আকাশ দেখার স্বপ্নে আমোদিত হয়, মাটি  কাঁদে, মাটির কান্না মাটি নিজেই শুষে নেয়   | কিন্তু মাটির নিচে অসহায় কান্না জমতে জমতে নদীর জন্ম দেয়, যে নদী কানায় কানায় কান্নার পানিতে ডুবে থাকে  | খুব সুবিধাবাদী হয় মানুষ, মাটিকে কাঁদায়, আঘাত করে, বার বার বিপন্ন করে মাটির জীবন   আবার   সেই কান্নার জমে থাকা পানি মাটির বুক চিড়ে মানুষ বের করে আনে নিজের অস্তিত্বের স্বার্থে |   অথচ    মাটির সেই বোবা  কান্না মানুষের কানে পৌঁছাতে পারেনা | 

হয়তো মানুষ কান্নাকে কখনো আপন করতে পারেনা অথচ নিজের জন্মের সময় চিৎকার করে মানুষ কেঁদে উঠে | তখন কান্না খুব আপন থাকে , কারণ না কাঁদলে  জন্মটাই যে অর্থহীন হয়ে পড়তে পারে | শেকড়টা মানুষ এখন আর খুঁজেনা, মানুষ শেকড়ের ভিতর তার স্বার্থ খুঁজে |   খুব অদ্ভুত মানুষের মনস্তত্ব | আকাশকে কখনো ধরতে পারেনা অথচ আকাশের চাঁদকে মানুষ ভোগবাদী চিন্তার উৎস বানায় | ঝুলে থাকা তারাদের জ্বল জ্বল করে জ্বলতে দেখে মানুষ নিজের ভিতরের রঙের মেলা বসায় | অথচ সেই তারা গুনতে গুনতে মানুষ খেই হারিয়ে ফেলে | যতবার গুনে ততবার হার মানে | মানুষের কাছে আকাশের তারা ততক্ষন মূল্যবান যতক্ষণ তারাদের পতন ঘটেনা | 

ঝুলন্ত তারায় মানুষ তার স্বার্থের বীজ বুনে অথচ  একটা পতনশীল তারার আর্তনাদ মানুষের কানে  পৌঁছায় না | তারারা হারিয়ে যায় শুন্যতায়, যেমন মানুষও  হারিয়ে যায় শুন্যতায় | 

আকাশ আর মাটি উপমমাত্র | মানুষ তার নিজের মতো করে ভাবুক, ভাবনাগুলো পাখি হোক, সে পাখি কখনো খাঁচায় বন্দি হবেনা | বরং যতক্ষণ বেঁচে থাকবে ততক্ষন মাটিতে পা রেখে স্বাধীন ভাবনা দ্বারা তাড়িত হবে | ভাবনা উড়ুক যতটা উপরে ততটা তবে মানুষটার পা-টা  থাকুক কাদামাটির মাটির নিচে | ক্রমাগত নিচে, যেখানে বিনয় আর ত্যাগ হবে মানুষের শক্তি | যে শক্তির কাছে সব শক্তি একদিন পরাভূত হবে |

--   


আরও খবর



পাসপোর্ট সঙ্কটে ভোগান্তি চরমে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ |
Image

 পাসপোর্টে ভুল দুরকম হয়। প্রথমত, আবেদনপত্রে গ্রাহকের ভুল। দ্বিতীয়ত, গ্রাহক ঠিক থাকলেও অফিসের ভুল। ভুল যে কারণেই হোক, দায়ভার চাপানো হয় গ্রাহকের ওপর। টাকা গচ্চা যায় গ্রাহকেরই। পাসপোর্ট অফিসের ভুলের দায় অফিস নিচ্ছে না।

এতে ভোগান্তির শিকার এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হচ্ছে অনেককেই। রাজধানীর আগারগাঁওসহ দেশের প্রতিটি পাসপোর্ট অফিসেই এ ধরনের অভিযোগ রয়েছে। পাসপোর্ট অফিসের ভুলের মাশুল দিতে হচ্ছে আবেদনকারী বা গ্রাহককেই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হাতের লেখার যুগ, এমআরপির যুগ পেরিয়ে বর্তমানে ই-পাসপোর্টের যুগে প্রবেশ করলেও ভুল থেকেই যাচ্ছে। গ্রাহকের সবচেয়ে বড় অভিযোগ হচ্ছে, নতুন পাসপোর্ট করতেও যত লাগে, ভুল সংশোধন করতেও ততই লাগে। এক পয়সাও কম নেয়া হয় না। কোন দেশেই এমন নিয়ম নেই। সবচেয়ে বেশি ভুল হয় আগের পাসপোর্ট ও এনআইডির মধ্যে মিল না থাকায়। নতুন নিয়মে পুরনো পাসপোর্টে বিদ্যমান নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম এবং জন্ম তারিখ পরিবর্তনের কোন সুযোগ নেই। বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদফতর এ সুবিধা বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে এখানে।

অনেকেরই দেখা যাচ্ছে, পুরনো পাসপোর্টের নামের সঙ্গে এনআইডির নাম মিলছে না। জন্ম তারিখের তারতম্য ঘটছে। তখন এনআইডি অনুযায়ী পাসপোর্টের নাম সংশোধন না করে বলা হচ্ছে, এনআইডি সংশোধন করার জন্য। এনআইডি সংশোধন করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পাড়তে হচ্ছে গ্রাহককে। আবার এনআইডি সংশোধন করে আনার পরও সেটা গ্রহণ করা হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে সংশোধিত এনআইডির পরিচয়পত্র আকারে কপি চাওয়া হচ্ছে। অথচ, সার্ভারে কিন্তু এনআইডি সংশোধিত আকারে আছে। আবার এসব সংশোধন করতে গিয়ে এতসব কাগজপত্র জোগাড় করতে বলা হচ্ছে যে, সেসব জোগাড় করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

কাগজ জোগাড় করতে আদালত পর্যন্ত যেতে হচ্ছে। এর একটা সুরাহা হওয়া উচিত। এনআইডি থাকার পর এত কাগজপত্রের প্রয়োজনীয়তা আছে কি না, তা পুনরায় বিবেচনা করা দরকার। পাসপোর্ট পেতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হয় সাধারণ মানুষ। অথচ, তারাই দুর্ভোগের শিকার হয়ে বাড়তি টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করে বিদেশে গিয়ে দেশের জন্য মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাচ্ছে। তাই এই সাধারণ মানুষের পাসপোর্টপ্রাপ্তি সহজ ও হয়রানিমুক্ত করার জন্য আলাদা সেল করা উচিত বলে মনে করছেন অনেকে।

বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদফতর এ সুবিধা বন্ধ করে দিয়েছে। জন্ম তারিখ সংশোধন করার জন্য ভোটার আইডি কার্ড, এসএসসির সার্টিফিকেট অথবা জেএসসির সার্টিফিকেট, ভোটার আইডি কার্ডের সঙ্গে জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে থাকলে অনলাইন কপি, বিবাহিত হলে নিকাহনামা- এগুলো প্রয়োজন হবে পাসপোর্টের জন্ম তারিখ সংশোধনের জন্য। আর জন্ম তারিখ সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত হলে সংশোধন করতে পারবেন। পাসপোর্টে বাবা-মায়ের নাম সংশোধন করার জন্য ভোটার আইডি কার্ড, এইচএসসি অথবা এসএসসির সার্টিফিকেট, বাবা-মায়ের ভোটার আইডি কার্ডের কপি লাগবে।

পাসপোর্টের মধ্যে কেউ যদি পেশা পরিবর্তন করতে চান, তবে দিতে হবে কর্মক্ষেত্রের প্রত্যয়নপত্র। আর এর সঙ্গে জমা দিতে হবে প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্রের ফটোকপি। কেউ যদি স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করতে চান, সে ক্ষেত্রে আবার নতুন করে পুলিশ প্রতিবেদন লাগবে। তবে, বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তন করার জন্য বা সংশোধনের ক্ষেত্রে এ ধরনের কোন নিয়ম নেই। যদি বৈবাহিক অবস্থা পরিবর্তন করতে চান, তাহলে পাসপোর্টের আবেদনপত্রের সঙ্গে নিকাহনামা দিতে হবে।

ই-পাসপোর্টের ক্ষেত্রে প্রথমেই ব্রাউজার ওপেন করে সার্চ করে পাসপোর্ট সংশোধন ফর্ম বা পাসপোর্ট সংশোধন-সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রজ্ঞাপনটি লিখে সার্চ করার পর প্রথমে যে ওয়েবসাইট আসবে, ওই ওয়েবসাইটে ঢুকে পাসপোর্ট সংশোধন ফর্ম ডাউনলোড করে নিতে হয়। এই ফর্মটির সবকিছু সঠিকভাবে পূরণ করতে হয়। তারপর পাসপোর্ট সংশোধনের আবেদন ফর্মের এই বক্সের মধ্যে যেই ব্যাংকে জমা দেয়া হবে, সেই ব্যাংক থেকে একটি চালান বা রিসিট নিয়ে এবং এখানে ফি তথ্য বসাতে হয়। তারপর এই আবেদন ফর্ম এবং অন্যান্য সব ডকুমেন্ট একসঙ্গে নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিলে ২১ দিনের মধ্যে গ্রাহকের মোবাইল নাম্বারে মেসেজ যায় সংগ্রহ করার।

সংশোধনের অপশন তো পাসপোর্ট প্রিন্ট হওয়ার আগেই আবেদনকারীকে দেখা ও যাচাই-বাছাই করার সুযোগ দেয়া হয়। এ পদ্ধতিতে তো ভুল হওয়ার সুযোগ থাকে না। যদি হয়েও থাকে, সেটা হাজারে একটা কি দুটো হতে পারে। আগের মতো অর্থাৎ হাতে লেখার সময় বা এমআরপির মতো এত ভুল হয় না এখন। কাজেই ভুক্তভোগীদের অভিযোগ সব সঠিক নয়। হ্যাঁ ভুল হয়, সেটা আবেদনকারীর ভুল পূরণের জন্যই। এ দায়তো অফিস নেবে না।

প্রবাসীদের পাসপোর্ট ভোগান্তি সম্পর্কে তিনি বলেন, দেশে-বিদেশে যেখানেই হোক- পাসপোর্ট তৈরিতে এখন প্রধান ডকুমেন্ট জাতীয় পরিচয়পত্র। তথ্য জটিলতার কারণেই দেরি হচ্ছে পেতে। ইউরোপে যারা আছেন, তারা একটা নাম দিয়ে পাসপোর্ট করে আগে নিয়ে গেছেন, কিন্তু তার দেশের সম্পত্তি বা সবকিছু অন্য নামে।

১৮ বছর পর সবাইকে জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী পাসপোর্ট করতে হবে। দেখা যাচ্ছে পরিচয়পত্র হয়েছে এক নামে, আর পাসপোর্ট করা হয়েছে অন্য নামে। এখন রিনিউ করার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী দিলে তিনি পাসপোর্ট পাচ্ছেন না। অথচ পাসপোর্ট হয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী। এই সমস্যা কিভাবে সমাধান করা যায়, সেটা নিয়েও কাজ চলছে। অর্থাৎ গ্রাহকের কল্যাণ নিশ্চিত করাই আমাদের কাজ।

 


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




জাতিসংঘের ভূমিকায় হতাশ মালয়েশিয়া

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মিয়ানমারের অব্যাহত রাজনৈতিক সঙ্কট নিরসনে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ভূমিকায় হতাশা প্রকাশ করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেধশনে এই হতাশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

অধিবেশনে ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব বলেছেন, মিয়ানমারের পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিরাপত্তা পরিষদ ‘গুরুত্বপূর্ণ কোনও পদক্ষেপ’ নেয়নি। জাতিসংঘের এই ভূমিকাকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, নিরাপত্তা পরিষদ মিয়ানমার ইস্যুতে হাত গুটিয়ে নিয়ে বিষয়টি দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর সংস্থা আসিয়ানের কাছে হস্তান্তর করেছে বলেও কেউ কেউ মনে করছেন। মিয়ানমারের সামরিক প্রশাসনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছে মালয়েশিয়া। 


আরও খবর

চিকিৎসাবিজ্ঞানের নোবেল ঘোষণা

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




কুমিল্লায় সুজন হত্যার বিচার দাবিতে মানব বন্ধন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

কু‌মিল্লা ব্যুরো ঃ

কুমিল্লায় সুজন হত্যার বিচার দাবি করে সংবাদ সম্মেলন ও মানব বন্ধন করেছে এলাকাবাসী ও তার পরিবার।                   বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর ঠাকুরপাড়া এলাকায় তার নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলনে সুজনের পরিবারের সদস্যরা সাংবাদিকদের বলেন, ১২সেপ্টেম্বর  জিলানী সুজনকে তার নিজ বাসা থেকে রিপন ও তার সহযোগীরা ডেকে নিয়ে হত্যা করে। এবিষয়ে মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি পরে আদালতে মামলা করা হয়। বতর্মানে আসামীরা বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এঘটনার সুষ্ঠ বিচার দাবি করছি। পরে ঠাকুরপাড়া সড়কে মানববন্ধন কর্মসূ‌চি পালন ক‌রে নিহ‌তের প‌রিবারসহ এলাকাবাসী।


আরও খবর



মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভ সূচনা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

নিজস্ব প্রতিনিধি,লালমনিরহাট ঃ

বছর ঘুরে শুরু হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসব। ঊলুধ্বনি, শঙ্খ, ঘন্টা ঢাকের বোলে বরণ করে নেওয়া হয়েছে মহিষাসুর মর্দিনী দেবী দুর্গাকে। ৫দিন ব্যাপী দুর্গোৎসবের শুরু হবে শনিবার (১ অক্টোবর)। লালমনিরহাট জেলাজুড়ে এ উৎসবকে আনন্দমুখর করে তুলতে মণ্ডপগুলোতে এরই মধ্যে শেষ হয়েছে বর্ণাঢ্য প্রস্তুতি ও আলোকসজ্জা।

দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মন্দির ও মহলের আদলে তৈরি করা হয়েছে পূজামণ্ডপ। আর রঙ্গিন আলোক ছটায় তৈরি হয়েছে উৎসবের আমেজ। সনাতন পঞ্জিকা মতে, শনিবার (১ অক্টোবর) শ্রীশ্রী দুর্গাদেবীর ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভ এবং ষষ্ঠিবিহিত পূজা প্রশস্তা। সায়ংকালে দেবীর আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে দুর্গোৎসবের মূল পর্ব। রোববার (২ অক্টোবর) শ্রীশ্রী দুর্গাদেবীর নবপত্রিকা প্রবেশ, স্থাপন ও সপ্তমি বিহিত পূজা প্রশস্তা। দেবীর নৌকায় আগমন, ফল-শস্যবৃদ্ধিস্তু থাজলম্। সোমবার (৩ অক্টোবর) শ্রীশ্রী দুর্গাদেবীর মহাষ্টমী বিহিত পূজা প্রশস্তা। সন্ধি পূজা। মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) শ্রীশ্রী দুর্গাদেবীর মহানবমী বিহি পূজা প্রশস্তা। বুধবার (৫ অক্টোবর) শ্রীশ্রী দুর্গাদেবীর দশমী বিহিত পূজা সমাপনান্তে বিসর্জন প্রশস্তার মধ্য দিয়ে শেষ হবে শারদীয় এ উৎসব।

এদিকে লালমনিরহাটে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভ সূচনা হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টায় লালমনিরহাট জেলা শহরের সাপটানা রোডস্থ ঐতিহ্যবাহী দেব বাড়ী পূজা মন্ডপে দেব বাড়ীর আয়োজনে শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভ সূচনা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে দেব বাড়ী পূজা মন্ডপ পরিচালনা কমিটির সভাপতি তপন কুমার দেবের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেপাল এম্বেসীর মাননীয় রাষ্ট্রদূত শ্রী ঘনশ্যাম ভান্ডারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেপালের ডেপুটি চিফ অব মিশন শ্রী কুমার রাই, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোঃ আবু জাফর, লালমনিরহাট পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, লালমনিরহাট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. মতিয়ার রহমান, চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ ইন্ডিয়ান ইমপোর্ট সভাপতি অতুল কুমার সাকসেনা, বনানী পূজা উদযাপন কমিটি সহ-সভাপতি ও জন্মাষ্ঠমী উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সুকুমার চৌধুরী, বনানী পূজা উদযাপন কমিটির নির্বাহী সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা গৌরাঙ্গ দে, লালমনিরহাট পৌরসভার মেয়র রেজাউল করিম স্বপন, লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন। বক্তব্য রাখেন দেববাড়ী পূজা মন্ডপ পরিচালনা কমিটির সম্পাদক জয়ন্ত কুমার দেব প্রমুখ। এ সময় সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার সম্পাদক মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ-সার্কেল) মারুফা জামাল, লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ এরশাদুল আলম, দেববাড়ী পরিবারের সদস্য, দেববাড়ী পূজা মন্ডপ পরিচালনা কমিটির সদস্য ও ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, লালমনিরহাট জেলায় এবারে মোট ৪শত ৬৩টি পূজা মন্ডপে দুর্গোৎসব চলবে।


আরও খবর



আমদানি ব্যয় সংকোচন নীতির সুফল মিলছে অর্থনীতিতে

প্রকাশিত:রবিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

সরকারের নানা পদক্ষেপের কারণে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ব্যাংক-ব্যবসায় এবং বাণিজ্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গত জুলাই ও আগস্ট মাসে অর্থনীতির কয়েকটি সূচক ঊর্ধ্বমুখী ধারায় ফিরেছে। বিশেষ করে রেমিট্যান্স প্রবাহ ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এর সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের আমদানি ব্যয় সংকোচন নীতির সুফল মিলছে অর্থনীতিতে।

বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভের প্রধান উৎস রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স। আর এ দুটির উল্লম্ফনের মধ্য দিয়ে অর্থনীতিতে স্বস্তির আভাস মিলেছে। এখন তৈরি পোশাক রপ্তানির ওপর ভর করেই গত অর্থবছরের মতো রপ্তানি আয়ে সুবাতাস বইতে শুরু করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, চলতি বছরের সদ্যবিদায় হওয়া মাস আগস্টে ২০৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের আগস্টে এসেছিল ১৮১ কোটি ডলার। সে হিসাবে গত বছরের একই সময়ের ব্যবধানে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১২ দশমিক ৬ শতাংশ। চলতি বছরের জুলাই মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২০৯ কোটি ডলার।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের মতো রপ্তানি আয়েও সুবাতাস বইছে। গত আগস্ট মাসে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে ৪৬০ কোটি ৭০ লাখ ডলার আয় করেছেন বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা। এই অঙ্ক গত বছরের আগস্টের চেয়ে ৩৬ দশমিক ১৮ শতাংশ বেশি। আর লক্ষ্যমাত্রার বেশি ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ। 

সম্প্রতি প্রকাশিত রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে এসেছে ৭১১ কোটি ২৬ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৬ দশমিক ১ শতাংশ বেশি। লক্ষ্যের চেয়ে বেশি আয় হয়েছে ৭ দশমিক ২৪ শতাংশ। দুই বছরের করোনা মহামারির পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় ওলটপালট হয়ে যাওয়া বিশ্ব অর্থনীতিতে রপ্তানি আয় কমবে বলে আশঙ্কা করছিলেন রপ্তানিকারকরা। 

আগামী দিনগুলোতেও রপ্তানি বাড়ার আশা করছেন দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাকশিল্প-মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি বাংলাদেশ চেম্বারের বর্তমান সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ। তিনি বলেন, নানা ধরনের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যেও দুই মাসে সার্বিক রপ্তানিতে ২৫ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অবশ্যই একটা ভালো দিক। তৈরি পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ২৬ শতাংশের বেশি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে এই উল্লম্ফন আমাদের আশান্বিত করেছে। এই সংকটের সময় রেমিট্যান্সের পাশাপাশি রপ্তানি আয় বাড়াটা খুবই দরকার ছিল। এর মধ্য দিয়ে রিজার্ভ বাড়বে। ডলারের বাজারে যে অস্থিরতা চলছে, সেটাও কেটে যাবে বলে আশা করছি।


আরও খবর

লিটারে ১৪ টাকা কমল সয়াবিন তেলের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২