Logo
শিরোনাম
মেঘনা নদীতে গোসল করার সময় নিখোঁজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার রাজবাড়ীতে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে মোটর সাইকেল আরোহীর মৃত্যু রাজবাড়ীতে আবৃত্তি ও কথামালায় প্রকাশনা উৎসব নওগাঁয় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্কুল ছাত্র নিহত-মা ও ছোট বোন আহত মোরেলগঞ্জে শ্রমীকদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন এমপি মিলন লালমনিরহাটে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মারাগেছে স্কুলছাত্র নওগাঁয় বোরো ধান চাষের শুরুতেই বিদ্যুতের লোড শেডিং, দুঃশ্চিন্তায় কৃষকরা নওগাঁয় ৩৫ কোটি টাকা মূল্যের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে পুলিশ কুড়িগ্রামের শীতকাতর অসহায় মানুষের পাশে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেত্রকোনায় বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন

তৃণমূল গোছাতে ব্যস্ত আ.লীগ

প্রকাশিত:Wednesday ২৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

জহিরুল কবির আমজাদ :জাতীয় নির্বাচনের আগে দলকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে তৃণমূল গুছিয়ে এনেছে আওয়ামী লীগ। দলের মেয়াদোত্তীর্ণ বিভিন্ন জেলা-উপজেলার সম্মেলন প্রায় শেষপর্যায়ে। এসব সম্মেলন স্থলে কেন্দ্র থেকে ছুটে যাচ্ছেন দলের কেন্দ্রীয় উচ্চপর্যায়ের নেতারা। দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করার প্রচেষ্টা নেতাদের। নির্বাচনী প্রস্তুতি ও তৃণমূলে দলীয় নেতাকর্মীদের ঢেলে সাজাতে মূলত এসব পরিকল্পনা ক্ষমতাসীনদের।

দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা জানান, ২৪ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনের আগে দলের অর্ধেকের বেশি জেলা-উপজেলাগুলোর সম্মেলন হয়েছে। দীর্ঘদিন সম্মেলন না হওয়া শাখাগুলোর সম্মেলন আয়োজন একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের। দলের গঠনতন্ত্র অনুসারে তিন বছর পরপর সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও অনেক শাখার সম্মেলন হয়েছে দুই যুগ পর। এ মুহূর্তে দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা জেলা ও উপজেলাগুলোর সম্মেলন করতেই ব্যস্ত রয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকরা।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশে আওয়ামী লীগের ৭৮ জেলা ও মহানগর কমিটি রয়েছে। এর মধ্যে ৫৯টির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯টির সম্মেলন বাকি রয়েছে। খুলনা, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ এই তিন বিভাগের কোনো সাংগঠনিক জেলার সম্মেলন বাকি নেই। চট্টগ্রাম বিভাগে সাতটি শাখা, ঢাকা বিভাগে ছয়টি, রংপুর বিভাগে চারটি, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের একটি করে জেলার সম্মেলন বাকি রয়েছে।

এদিকে সারা দেশে আওয়ামী লীগের ৬৮৪টি সাংগঠনিক উপজেলা রয়েছে। এসব সাংগঠনিক উপজেলার মধ্যে প্রায় ৫৫০টি কমিটির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৩০টির মতো উপজেলা ও উপজেলার মর্যাদাপ্রাপ্ত কমিটির সম্মেলন বাকি রয়েছে। এসব উপজেলার মধ্যে কিছু কমিটি যুগ পার করলেও সম্মেলন আর হয়নি। ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোনা ও ময়মনসিংহ জেলার একাধিক উপজেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৫ থেকে ২০ বছর পর। ঝুলে থাকা বাকি উপজেলাগুলোর কমিটি করতে কেন্দ্রীয় নেতারা জেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে তারিখ ঘোষণা করবেন।

সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য মতে, খুলনা বিভাগে ১১টি জেলা ও মহানগর কমিটি রয়েছে। সবগুলোরই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে সাতটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। বাকি চারটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই কেন্দ্রে জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। বিভাগটিতে ৮১টি সাংগঠনিক উপজেলা রয়েছে। এর মধ্যে ১১টির সম্মেলন বাকি আছে। ৭০টির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলাগুলোর মধ্যে ১২টির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন বাকি রয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের চিঠি দেওয়া হবে।

খুলনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক জানান, এ সপ্তাহে তার খুলনায় যাওয়ার কথা। সেখানে গিয়ে জেলার নেতাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে ১২ উপজেলার সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

চট্টগ্রাম বিভাগের ১৫ সাংগঠনিক জেলার মধ্যে কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম দক্ষিণ, রাঙামাটি, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও কুমিল্লা মহানগরের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলন বাকি থাকা সাত জেলা হলো চট্টগ্রাম উত্তর, চট্টগ্রাম মহানগর, খাগড়াছড়ি, ফেনী, চাঁদপুর, বান্দরবান ও কুমিল্লা উত্তর। এর মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরের সর্বশেষ সম্মেলন হয় ১৪ বছর আগে। আর চাঁদপুর জেলার সম্মেলন হয় ১১ বছর আগে।

ঢাকা বিভাগে আওয়ামী লীগের ১৭টি সাংগঠনিক জেলা রয়েছে। এর মধ্যে ১১টির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলন বাকি থাকা ছয়টি সাংগঠনিক জেলা হলো কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ মহানগর, মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর, ঢাকা মহানগর উত্তর ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ। সম্মেলন হওয়া ১১ জেলার মধ্যে গত বৃহস্পতিবার অনুমোদন দেওয়া হয় গোপালগঞ্জ ও নরসিংদী জেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটি। এ নিয়ে ঢাকা বিভাগে মোট চার জেলায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ঢাকা বিভাগে সাংগঠনিক উপজেলা ১৭১টি; এর মধ্যে ১৩৫টির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, ৩৬টির সম্মেলন বাকি আছে। ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ ছয় সাংগঠনিক জেলার সম্মেলন শিগগিরই অনুষ্ঠিত হবে। আর যে সাতটি জেলায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা হয়নি, সেগুলো চলতি মাসের মধ্যে অনুমোদন হবে।

পূর্ণাঙ্গ কমিটির বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ বলেন, নির্বাচনের আগে আমাদের দলীয় নেতাকর্মীদের প্রস্তুতির অভাব নেই। আমরাও সেই লক্ষ্যে কাজ করছি। আমাদের জেলা কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার কাজ প্রায় শেষপর্যায়ে। চলতি মাসে পূর্ণাঙ্গ কমিটির ঘোষণা আসতে পারে।

রাজশাহী বিভাগে আওয়ামী লীগের ৯টি সাংগঠনিক জেলা ও ৮৩টি উপজেলা কমিটি রয়েছে। ৯ জেলা কমিটিরই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এগুলোর পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রে জমা দেওয়া হয়েছে। ৮৩টি উপজেলা কমিটির তিন থেকে চারটির সম্মেলন বাকি রয়েছে। ময়মনসিংহ বিভাগের পাঁচ সাংগঠনিক জেলার সবগুলোরই সম্মেলন হয়েছে। বিভাগের ৪০ সাংগঠনিক উপজেলার মধ্যে ৩২টি উপজেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ময়মনসিংহ বিভাগে এখন আটটি উপজেলা কমিটির সম্মেলন বাকি রয়েছে। বরিশাল বিভাগের সাতটি জেলা ও মহানগর কমিটি রয়েছে। এর মধ্যে ছয়টির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুধু বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন বাকি রয়েছে। বিভাগটিতে ৫২টি সাংগঠনিক উপজেলা রয়েছে। সাংগঠনিক উপজেলাগুলোর মধ্যে ৪৮টির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলন বাকি থাকা তিনটি উপজেলা হলো বরিশাল সদর, মঠবাড়িয়া ও পাথরঘাটা।

রংপুর বিভাগের ৯টি সাংগঠনিক জেলা রয়েছে। সম্প্রতি রংপুর জেলা ও মহানগর কমিটি ভেঙে দিয়ে আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ বিভাগে চার জেলার সম্মেলন বাকি আছে। বিভাগটিতে ৭৮টি সাংগঠনিক উপজেলা কমিটি রয়েছে। এগুলোর অর্ধেকের বেশি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাকিগুলোর সম্মেলন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সিলেট বিভাগে পাঁচ জেলা ও মহানগর কমিটি এবং ৪৯টি সাংগঠনিক উপজেলা কমিটি রয়েছে। বিভাগটির জেলাগুলোর মধ্যে শুধু সুনামগঞ্জের সম্মেলন বাকি রয়েছে। সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বলেন, সিলেটে বন্যার কারণে সুনামগঞ্জের সম্মেলন পিছিয়ে গেছে। এ ছাড়া কয়েকটি উপজেলার সম্মেলন বাকি রয়েছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এসব শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।


আরও খবর



ধামরাইয়ে প্রায় দুই একর খাস জমি উদ্ধার করে খেলার মাঠ নির্মান

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন(স্টাফ রিপোর্টার)

ঢাকার ধামরাইয়ে অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে প্রায় দুই একর খাস জমি উদ্ধার করে খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী।


সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের আমছিমুর গ্রামে দুই একর খাস জমি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়- দীর্ঘদিন ধরে আমছিমুর এলাকার প্রভাবশালী দুটি পরিবার প্রায় দুই একর খাস জমি অবৈধভাবে ভোগ দখল করে আসছে। পরে খাস জমি উদ্ধারের জন্য আমছিমুর বনলতা স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ মাহফুযুল হক শাহীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি আবেদন করেন। পরে ইউএনও এই অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে খাস জমি উদ্ধার করে খেলার মাঠ নির্মাণের জন্য উদ্যোগ নেন। বনলতা স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ মাহফুযুল হক শাহীন বলেন- আমাদের স্কুলের পিছনে প্রায় দুই একর সরকারি খাস জমি রয়েছে। তা অবৈধ ভোগ দখল করে আসছে এলাকার কিছু লোকজন। আমাদের এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও যুবকরা বিষয়টি আমাকে জানায়। মুক্তিযোদ্ধারা বলেন আমাদের এখানে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় প্রথম ফায়ারিং হয়। আমরা চাই এই জায়গাটাতে যেন মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ, মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর ও মুক্তিযোদ্ধা মাঠ নির্মাণ হয়। পরে মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি অনুযায়ী আমি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদন করি এই খাস জমি উদ্ধার করে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ, মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর ও মুক্তিযোদ্ধা মাঠ নির্মাণের জন্য। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা ভূমি অফিস থেকে সরজমিনে তদন্ত করে দখলদারদের উক্ত জমির মালিকানার কাগজপত্র দাখিল করতে বলা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন কাগজপত্র দাখিল করতে পারেনি দখলদাররা। যার ফলে আজ অবৈধ দখলের কবল থেকে প্রায় দুই একর খাস জমি উদ্ধার করে খেলার মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ নেন ইউএনও।


বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ বলেন- আমরা দেশ ও দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করেছি। পরাধীনতার চাদর থেকে স্বাধীনতা লাভ করার জন্য প্রাণপণ যুদ্ধ করেছি। আমরা নিজেদের স্বার্থ কখনো দেখিনি। তাই আমরা আমাদের গ্রামে একটা মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ, মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর ও মুক্তিযোদ্ধা পার্ক চাই। এজন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি আবেদন করেছি। তাছাড়া আমাদের অভিভাবক ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজির আহমদকে বিষয়টি জানালে সম্মতি দেন। আজ অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে খাস জমি উদ্ধার করে মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় ইউএনও সাহেবকে অনেক ধন্যবাদ।


ধামরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী বলেন- অবৈধভাবে কেউ খাস জমি ভোগ দখল করতে পারবে না। আজ যে জমিটি উদ্ধার করা হয়েছে এটি খাস জমি। দীর্ঘদিন অবৈধ ভোগ দখল করে আসছিলো। এখানে প্রায় দুই একর খাস জমি উদ্ধার করা হয়েছে। জমিটিতে আমরা একটি খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছি। আগামী এক মাসের মধ্যে এটিকে খেলার উপযোগী মাঠে রুপান্তর করা হবে।


আরও খবর



মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের মৃত্যুবার্ষিকী

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

সুচিত্রা সেন। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক কিংবদন্তি নায়িকার নাম। এই মহানায়িকার ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান তিনি।

১৯৫২ সালে চলচ্চিত্রে প্রথম পা রাখেন তিনি। মহানায়ক উত্তম কুমারের সাথে ১৯৫৩ সালে "সাড়ে চুয়াত্তর" ছবি করে সাড়া ফেলে দেন চলচ্চিত্র অঙ্গনে।আজও স্মরণীয় হয়ে আছে উত্তম-সুচিত্রা জুটি।
২৬ বছরের ক্যারিয়ারে তিনি অগ্নিপরীক্ষা, সাগরিকা, দেবদাস, হারানো সুর, ইন্দ্রানী, সপ্তপদীর মতো সুপারহিট সব চলচ্চিত্র উপহার দিয়েছেন দর্শকদের। ১৯৭৮ সালে 'প্রণয় পাশা' ছবি করার পর লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যান এই মহানায়িকা। এরপর আর কোনোদিন জনসমক্ষে আসেননি। তবু তার আকাশ ছোঁয়া জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র ভাঁটা পড়েনি।


আরও খবর



প্রতিবেশীদের নিয়ে ধামরাইয়ে শুরু ‘প্রতিবেশী উৎসব’

প্রকাশিত:Thursday ১৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন (স্টাফ রিপোর্টার)

ঢাকার ধামরাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল আইএফআইসি BANK এর ‘প্রতিবেশী উৎসব'

উক্ত অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন ধামরাই পৌরসভার সুযোগ্য মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির মোল্লা।অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন শাখা ব্যাবস্হাপক এ.বি.এম. মাসুম। 

আইএফআইসি যখন প্রতিবেশী ব্যাংকিং করি যত খুশি !আইএফআইসি ব্যাংক উপশাখা আরো কাছে সবার মাঝে পাড়ায় পাড়ায় আমার ব্যাংক। •এজেন্ট বা কারো মাধ্যমে নয় সরাসরি ব্যাংকের কাছ থেকে ব্যাংকিং সেবা  • ব্যাংকের নিজস্ব কর্মী দ্বারা পরিচালিত • ঋণসহ সব ব্যাংকিং সেবা • শাখার মতোই রিয়েল টাইম ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা • এর মধ্যেই গ্রাম- শহর সারাদেশে ছড়িয়ে গেছে আইএফআইসি ব্যাংক উপশাখা।

শহুরে জীবন মানুষকে এক ধরনের বিচ্ছিন্নতাবােধের দিকে ঠেলে দিয়েছে।যেখানে প্রতিবেশীদের নিজেদের মধ্যে কোনাে যােগাযােগ নেই, যেখানে একই এলাকার ভেতরে এক প্রতিবেশীর কাছে অপর প্রতি বেশীকে আগন্তুক বলে মনে হয়, যা সামাজিকভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘প্রতিবেশী কমিউনিটি’কে দুর্বল করে ফেলছে।প্রতিবেশীদের মধ্যে এ সংযােগকে পুনরুজ্জীবিত করে তুলতেই ঢাকার ধামরাইয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘প্রতিবেশী উৎসব’।


আরও খবর



আগুনে একই পরিবারের পাঁচজন নিহত

প্রকাশিত:Friday ১৩ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় বসত বাড়িতে আগুন লেগে একই পরিবারের পাঁচজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত দুইটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, রাত দুইটার দিকে আগুনের খবর পেয়ে দুইটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। পরে চারটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও এরই মধ্যে পরিবারের পাঁচজন মারা যান। নিহতরা হলেন কাঙ্গাল বসাক, ললিতা বসাক, লাকী বসাক, সৌরভ বসাক ও শরনাত বসাক।এছাড়াও দগ্ধ হন খোকন বসাক নামের আরেক ব্যক্তি। তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।ফায়ার সার্ভিসের ধারণা, রান্নাঘরের চুলা থেকে আগুনের এ ঘটনা ঘটেছে।


আরও খবর



অবসরে ‘অযোগ্য’ রেফারি লাহোজ

প্রকাশিত:Saturday ০৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

ইয়াশফি রহমান :বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা-নেদারল্যান্ডসের মধ্যকার কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি শেষে লিওনেল মেসি তাকে রীতিমতো ‘অযোগ্য’ বলে বসেছিলেন। সেই রেফারি ক্যারিয়ারের ইতি টানছেন এবার।

আর্জেন্টিনার সেই ম্যাচে লাহোজ ১৮টি হলুদ কার্ড ও একটি লাল কার্ড দেখিয়েছিলেন। মেসিসহ ওইদিন হলুদ কার্ড দেখেন মার্কোস আকুনইয়া ও গনজালো মন্তিয়েল। যে কারণে দুই ফুলব্যাককে সেমিফাইনালে পায়নি আর্জেন্টিনা।

সেই ম্যাচে ফাউলের বাঁশিও বারবারই বাজিয়েছেন লাহোজ। যে কারণে ম্যাচের গতিতে বাঁধা এসেছে বারবার। সে কারণে মেসি ম্যাচ শেষে কোনো রকম রাখঢাক ছাড়াই তাকে ‘অযোগ্য’ বলে দিয়েছিলেন।

বলেছিলেন, ‘ফিফার এই বিষয়ে ভাবা উচিত। আপনি এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এমন রেফারিকে দায়িত্ব দিতে পারেন না। তিনি যোগ্য নন। ম্যাচের আগেই আমরা ভয় পেয়েছিলাম। কারণ আমরা জানতাম, তার স্বভাব কেমন!’

তাকে নিয়ে বিতর্ক সেখানেই থামেনি। সম্প্রতি লা লিগায় বার্সেলোনা খেলতে নেমেছিল এস্পানিয়লের বিরুদ্ধে। মেসির পুরনো ক্লাবের খেলাতেও দেখা গিয়েছিল মাতেউর কার্ডের মেলা। খেলার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কার্ড দেখিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। হলুদ, লাল কিছুই বাদ যায়নি। এমনকি বাদ যাননি দলের কোচও। বার বার তাঁর সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়াতে দেখা গিয়েছিল ফুটবলারদের। বার্সা ও এস্পানিয়ল মিলিয়ে মোট ১২জনকে হলুদ কার্ড দেখিয়েছিলেন মাতেউ। বার্সার জর্ডি আলবা ও এস্প্যানিয়লের ভিনিসিয়াস সুজাকে লাল কার্ড দেখিয়েছিলেন তিনি। এস্পানিয়লের আর এক জন ফুটবলারকে লাল কার্ড দেখিয়েছিলেন মাতেউ। কিন্তু ভারের হস্তক্ষেপে সিদ্ধান্ত বদল করেছিলেন তিনি। বার্সার কোচ জাভি ও রিজার্ভ বেঞ্চের ফুটবলার রাফিনহাকেও হলুদ কার্ড দেখিয়েছিলেন তিনি।

নিজের পরের ম্যাচে কোপা দেল রেতেও দেখা মিলেছে তার কার্ডের মেলার। লিনারেস দেপোর্তিভোর বিপক্ষে সেভিয়ার ম্যাচে দায়িত্বে ছিলেন তিনি। সেই ম্যাচের ১৫ মিনিটেই সেভিয়ার আর্জেন্টাইন কোচ হোর্হে সাম্পাওলিকে লাল কার্ড দেখিয়ে বসেন তিনি।

লাহোজের বিরুদ্ধে অভিযোগটা বার্সা ও এস্প্যানিয়লের ম্যাচ শেষেই এসেছিল। অভিযোগটা করেছিলেন দুই ক্লাবের ফুটবলাররা। তা আমলে নিয়ে লা লিগা ও কোপা দেল রের ম্যাচে তাকে দায়িত্ব না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় স্পেনের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।

তার পরেই অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লাহোজ। জানিয়েছেন আর্জেন্টাইন সংবাদ মাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসের সাংবাদিক গাস্তন এদুল। 


আরও খবর